সিসিমপুর দেখে ভালো লাগছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪১ পিএম, ১১ মার্চ ২০২২

সিসিমপুর দেখে ভালো লেগেছে। মেলায় এসে সামনাসামনি দেখেছি। এখন বই দেখবো। রাজধানীর বনশ্রী এলাকা থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে মেলায় আসে সারাহ ফারাবি চৌধুরী অধিকা। সে কর্ডোভা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

সিসিমপুর দেখা শেষে এভাবেই কথাগুলো বলছিল সে। অধিকার মতো শিশুপ্রহরে সিসিমপুর দেখেছে শতাধিক শিশু।

শুক্রবার (১১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় বইমেলার সোহরাওয়ার্দী প্রাঙ্গণে শিশু চত্বরে এসে এমন চিত্র দেখা যায়।

রাজধানীর আইডিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে মো. সোয়াইব ইসলাম। মেলায় এসে সিসিমপুর দেখে কেমন লাগছে জানতে চাইলে সোয়াইব বলে, খুব ভালো লাগছে। হালুম, ইকলি, শিকু এরা নেচেছে। টিভিতে দেখেছি। এখানে এসেও তাদের দেখলাম।

jagonews24

মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া তাসনিম আফরোজ সোহা বলে, আমার অনেক ভালো লাগছে। সিসিমপুরের বন্ধুরা নাচানাচি করেছে। হায় দিয়েছে। আমি প্রতি শুক্রবারেরই বই মেলায় আসি। সিসিমপুর দেখা শেষ এখন বাবার সঙ্গে বই কিনবো।

রাজধানীর কলাবাগান থেকে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে আসা ইঞ্জিনিয়ার রাহাত মোর্শেদ বলেন, দুই বাচ্চাকে নিয়ে এসেছি। তারা টিভিতে সিসিমপুর দেখে, মেলায় এসে সরাসরি দেখে বেশ মজা পেয়েছে। আমারও বেশ ভালো লাগছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে আসা শামসুন্নাহার বলেন, আমার দুই বাচ্চা ও আমার বোনের দুই বাচ্চাকে নিয়ে এসেছি। তারা খুব উপভোগ করছে। তাদের আনন্দ দেখে ভালো লাগছে।

শেষ সপ্তাহ চলছে বইমেলা। আগামী ১৭ মার্চ শেষ হবে এবারের মেলা।

আরএসএম/আরএডি/জিকেএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।