সিয়াম-তিশা অভিনীত তৌকীরের ছবি দেখবেন রাষ্ট্রপতি

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:৪৬ পিএম, ২৯ জানুয়ারি ২০১৯

ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’। এটি নির্মাণ করেছেন নন্দিত অভিনেতা ও পরিচালক তৌকীর আহমেদ। ছবিটি আসছে ১৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে।

এরইমধ্যে প্রচারণায় নেমেছে ‘ফাগুন হাওয়ায়’ ছবির টিম। ছবিটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করছেন নির্মাতা তৌকীর। সেখানে উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

গতকাল সোমবার বিকেলে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেডের কর্ণধার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানালে রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি জানান। এ সময় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়।

ভাষার মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। তৌকীর আহমেদ জাগো নিউজকে জানান, ওই প্রদর্শনীতে উপস্থিত থেকে ‘ফাগুন হাওয়ায়’ ছবির প্রদর্শনীর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ।

‘ফাগুন হাওয়ায়’ ছবিটি রাষ্ট্রপতি দেখবেন বলে সম্মতি দিয়েছেন জেনে বেশ উচ্ছ্বসিত চিত্রনায়ক সিয়াম। তিনি বলেন, ‘একজন অভিনেতা হিসেবে এটা খুবই আনন্দের একটি ব্যাপার। আমার অভিনীত কোনো সিনেমা রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি দেখতে চেয়েছেন। আশা করছি ছবিটি দেখে তিনি মুগ্ধ হবেন, আমাদের নতুন করে কাজ করার পরামর্শ দেবেন।’

ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ‘ফাগুন হাওয়ায়’ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ। এতে আরো অভিনয় করেছেন আবুল হায়াৎ, আফরোজা বানু, ফারুক হোসেন, সাজু খাদেম, আজাদ সেতু, হাসান আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও রয়েছেন বলিউডের ‘লগান’ সিনেমাখ্যাত অভিনেতা যশপাল শর্মা। সিনেমায় তাকে পাকিস্তানি পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে।

টিটো রহমানের ‘বউ কথা কও’ গল্পের অনুপ্রেরণায় নির্মিত হচ্ছে ‘ফাগুন হাওয়ায়’। গত বছরের ১০ মার্চ সিনেমাটির শুটিং শুরু হয়। ১৯৫২ সালের প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তুলতে বেছে নেওয়া হয়েছে পাইকগাছার প্রায় শতবর্ষী কিছু পুরোনো ভবন। আছে কপোতাক্ষ নদ।

এর মধ্যে ছিল রাড়ুলী গ্রামে ১০০ বছরের বেশি পুরোনো প্রফুল্লচন্দ্র রায় (পিসি রায়) প্রতিষ্ঠিত হরিশচন্দ্র কলেজিয়েট ইনস্টিটিউশনের একটি ভবন। এর ৯০ শতাংশ শুটিং পাইকগাছা এলাকায় সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যায়।

এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - ja[email protected]