মায়াবতীর গল্প বলে শেষ করা যাবে না : তিশা

মাসুম আওয়াল
মাসুম আওয়াল মাসুম আওয়াল , স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অরুণ চৌধুরী পরিচালিত ‘মায়াবতী’ চলচ্চিত্র ২২টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলো আজ শুক্রবার। চলচ্চিত্রটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। এই সিনেমায় তিশার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ইয়াশ রোহান। সিনেমা মুুক্তির বেশ আগে থেকে নানাভাবে সিনেমার প্রচারণায় ছিলো পুরো সিনেমার টিম। সিনেমাটির নানা দিক নিয়ে কথা বলেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা।

জাগো নিউজ : কী আছে মায়াবতী সিনেমায়?
তিশা : মায়াবতী সিনেমায় সুন্দর এটা গল্প আছে। যে গল্পটা দেখতে শুরু করলে শেষ না করে উঠতে ইচ্ছে করবে না। এই সিনেমায় কয়েকটা দারুণ গান আছে। আগে ভাগেই মানুষ শুনেছেন গানগুলো। বেশ সাড়াও মিলেছে গানে। এটা অন্যরকম এক ভালোবাসার গল্প। এই সিনেমাটিতে মায়া ছড়ানো রোমান্স আছে। মান-অভিমান আছে।

জাগো নিউজ : ‘মায়াবতী’ সিনেমার প্রধান ম্যাসেজ কী?
তিশা : সিনেমাটির ট্যাগ লাইনই হলো ‘না মানে না’। অনেকেই আছেন মুখের উপর না বলে দিতে পারেন, আবার অনেকেই না বলতে পারেন না। মানুষের আসলে না বলার অধিকার আছে। এই ‘না’ বলতে পারাটাকে প্রত্যেকটা মানুষের সম্মান করা উচিৎ। এই ম্যাসেজটা দিতেই অরুণ চৌধুরী এই সিনেমাটি বানিয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি সুন্দরভাবে এই সিনেমাটি প্রেজেন্ট করতে।

জাগো নিউজ : এই সিনেমাটি নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?
তিশা : অনেক লিমিটেশনের মধ্য দিয়ে আমাদের একটা সিনেমা নির্মাণ করতে হয়। সব প্রতিবন্ধকতা পার করে শুধুমাত্র দর্শকদের জন্য আমরা সিনেমা নির্মাণ করি। দর্শকরা যখন হলে এসে সিনেমা দেখেন। তখনই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হয়। তারা যখন ছবি দেখে প্রশংসা করেন তখন আমরা আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা মেলে।

জাগো নিউজ : সিনেমাটির শুটিংয়ের কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেন?
তিশা : ‘মায়াবতী’ নিয়ে বলতে শুরু করলে বলা শেষ হবে না। একটা ছবির কাজ করতে গিয়ে পর্দার পেছনেও তৈরি হয় বড় একটা গল্প। নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই আমাদের সামনে যেতে হয়। শুটিং অভিজ্ঞতার কথা যদি বলি তাহলে বলবো আমরা এই সিনেমার একটি বড় অংশের শুটিং করেছি দৌলতদিয়ার যৌনপল্লীতে। সেখানকার মানুষেরা আমাদের অনেক সহযোগিতা করেছেন। খুব কাছ থেকে সেখানকার মানুষের জীবন দেখেছি।

জাগো নিউজ : এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আপনি। চরিত্রটি নিয়ে কিছু বলবেন?
তিশা : ‘মায়া’ নামের এক কিশোরী ছোটবেলায় মায়ের কাছ থেকে চুরি হয়ে বিক্রি হয় দৌলতদিয়ার যৌনপল্লীতে। সেখানে বেড়ে ওঠে সে, সংগীত গুরু খোদাবক্স তাকে বড় করে তোলেন। এই সময় ব্যারিস্টার পুত্রের প্রেমে পড়েন মায়া। এতটুকু মানুষ শুনেছেন। বাকিটা সিনেমা হলে গিয়েই দেখবেন সবাই।

জাগো নিউজ : এই সিনেমায় আপনার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইয়াশ। কেমন লেগেছে তার অভিনয়?
তিশা : মন প্রাণ ঢেলে ভালো করার চেষ্টা করেছে ইয়াশ। সিনেমাটির জন্য বেশ খেটেছে সে। দর্শকের কাছ থেকে নিজের পরিশ্রমের সম্মান পাবে বলিই আশা রাখি। অভিনয়ের সময় আমাকেও অনেক সহযোগীতা করেছে।

জাগো নিউজ : আমাদের সিনেমার বর্তমান অবস্থা কেমন মনে হয় আপনার কাছে?
তিশা : গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে অনেক ভালো সিনেমা নির্মাণ হয়ছে। আরও বেশ কিছু ভালো ভালো সিনেমা পাইপলাইনে অপেক্ষা করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের সিনেমায় একটা বড় ধরণের পরিবর্তন আসবে। সামনে সিনেমার সুদিন আসছে বলেই মনে হচ্ছে আমার।

জাগো নিউজ : হাতে আর কী সিনেমা আছে?
তিশা : শিগগিরই দীপঙ্কর দীপনের ‘ঢাকা ২০৪০’ চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু করব। আরও কয়েকটি সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ছি। এখনো চূড়ান্ত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এমএবি/এমএস

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - [email protected]