করোনা পরিস্থিতির সঙ্গে মিলিয়ে কাজী নজরুলের ঈদের গান

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫০ এএম, ২৫ মে ২০২০

‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটি শোনেননি, এমন বাঙালি আছে কি? শিষ্য শিল্পী আব্বাস উদ্দীনের অনুরোধে ১৯৩১ সালে এই গান রচনা ও সুরারোপ করেন কবি নজরুল। তারপর থেকে ঈদের চাঁদ দেখা যাওয়া মাত্রই রেডিও টেলিভিশনে একযোগে বেজে ওঠে অমর এই গান। সমসাময়িক সময় ও সমাজকে নিজের লেখনীতে আনার ক্ষেত্রে নজরুল ছিলেন অনন্য।

করোনার এই কালে নজরুল ইসলাম বেঁচে থাকলে তার অমর এই গানটি হয়তো এভাবে লিখতে। উপরের কথাগুলো বলছিলেন নকশীকাঁথা ব্যান্ডের ভোকাল সাজেদ ফাতেমী।

হ্যাঁ, এই করোনার পরিস্থিতিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই জনপ্রিয় গানটির কিছু কথা বদল করে প্রকাশ করেছেন তিনি। আর ঈদের এই গানের সুরে সুরে এসেছে করোনায় করণীয় বিষয়গুলো।

গানের কথাগুলো এমন, ‘এবার রমজানের ওই রোজার শেষে এলো এমন এক ঈদ, তোর আত্মীয় বন্ধু বান্ধবকে দে ঘরে থাকার তাকিদ। এই করোনা ছাড়বে না তোকে সব যাবে গোল্লায়, তাই ঈদের দিনে খেয়ে দেয়ে আরামে দে নিদ।’

সাজেদ ফাতেমী বলেন, ‘এবার একই সময়ে এলো রোজার ঈদ এবং জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের জন্মদিন (২৫ মে, ১৮৯৯)। শুভ জন্মদিন প্রিয় কবি। এই দুটো উপলক্ষ্যকে এক করে দিয়েছে ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটি।

তবে এবারের ঈদ বাইরে গিয়ে নয়, ঘরে থেকে আনন্দ করার বার্তা বয়ে এনেছে। সেই বার্তা দিতে নিজ নিজ ঘরে বসে এই গানের প্যারোডি ভার্সন তৈরি করেছেন নকশীকাঁথা ব্যান্ডের সদস্যরা।

মোবাইলে রেকর্ড করা আমার লেখা এই গান কম্পোজিশন এবং ভিডিও তৈরি করেছেন ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য জে আর সুমন। তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা। বিশেষ কারণে ভিডিওতে থাকতে পারেননি আমাদের পঞ্চম সদস্য শামস। নকশীকাঁথা ব্যান্ডের অন্য সদস্য বুলবুল ও রোমেল।’

নজরুলের ঈদের গানের এই রিমিক্সকে মজা হিসেবেই নিয়েছে গানের শ্রোতারা। অনেকে মজা করে শেয়ার করছেন গানটি। গানটির নতুন সংগীতায়োজন ও কথার জন্য প্রশংসাও পাচ্ছেন নকশীকাঁথার সদস্যরা।

এমএবি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]