অকালে ঝরে যাওয়া গানের ফুল শেখ ইসতিয়াক

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:২১ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

একধারে একজন গায়ক, সুরকার এবং গীটার বাদক ছিলেন। অনেকে প্রায়ই ভুল করতেন তার গানকে কিশোর কুমারের ভেবে। খুব দারুণ মিষ্টি সেই গলায় কিশোরের আমেজ পেতেন শ্রোতারা। তিনি শেখ ইসতিয়াক। স্মৃতির অতলে হারিয়ে যাওয়া এক নাম, এক গানের ফুল।

‘নীলাঞ্জনা, ওই নীল নীল চোখে চেয়ে দেখো না’, ‘তুমিহীনতার কোনো যুক্তি নেই/ নিঃসঙ্গতার সঙ্গী নেই’, ‘আমার মনের ফুলদানিতে/ রাখো তোমার মন’- গানগুলো আশি-নব্বই দশকের তুমুল জনপ্রিয় ছিলো। এমন আরও কিছু গান তিনি গেয়েছেন, সেগুলো আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

আজ শেখ ইসতিয়াকের মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অকালেই হারিয়ে যান ক্ষণজন্মা এই শিল্পী।

জানা যায়, ১৯৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেন শেখ ইসতিয়াক। ছোটবেলা থেকেই গানের পাশাপাশি গিটারের প্রতি ছিল তার ভীষণরকম টান। গিটার দিয়েই তিনি গানের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এরপর নিজেকে তৈরি করেছেন সুরকার ও গায়ক হিসেবে।

১৯৮৬ সালে প্রকাশ হয় মকসুদ জামিল মিন্টুর সুরে তার প্রথম অ্যালবাম ‘নন্দিতা’। বলা চলে অ্যালবামের প্রায় সবগুলো গানই লুফে নেন শ্রোতারা। তারমধ্যে কিছু গান সে প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের মনে দাগ কেটেছিলো।

‘নন্দিতা’র পর আরও ছয়টি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছিল তার। নিজের সুরে শেষ অ্যালবামের নাম ‘তুমি অভিমানী’।

‘ওগো বিদেশিনী’ নামের সিনেমাতে প্লেব্যাকও করেছিলেন শেখ ইসতিয়াক।

তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- একদিন ঘুম ভেঙে দেখি, আমার মনের ফুলদানিতে, নন্দিতা তোমার কথা, নীলাঞ্জনা, ভাগ্যের ডাক্তার, কত যে ফাগুন আসে, টিপ টিপ বৃষ্টি, শোন আমি কি সেই, ভুল করে যদি ডাকো কোনোদিন, জোছনা রাতে মনটা আমার।

এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]