হেমন্তের পূজায় হৈমন্তীর দুই গান

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:১৯ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০

দেবীদুর্গা স্বর্গ থেকে প্রতি বছর মর্ত্যে বেড়াতে আসেন শরতে। ঝলমলে রোদে নীল আকাশ, তারা ভরা রাত, বনে বনে কাশফুলের মাতামাতি; এমন সাজের ঋতু শরৎকালে আগমন বলে দুর্গাদেবীর পূজাকে শারদীয় উৎসব বলা হয়।

কিন্তু এবার তিনি আসছেন হেমন্তেই। খানিকটা ব্যতিক্রম বটে। এবারের অন্য রকম এই পূজার উৎসব মাতিয়ে দিতে দুটি গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন মিষ্টি কণ্ঠের গায়িকা হৈমন্তী রক্ষিত দাশ।

এ প্রজন্মের কাছে বেশ পরিচিত নাম গায়িকা হৈমন্তী। তিনি দুর্গাপূজা উপলক্ষে গেয়েছেন 'দুর্গতিনাশিনী' শিরোনামের একটি গান। এটি এরই মধ্যে প্রকাশ হয়েছে কলকাতার জনপ্রিয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজের ইউটিউব চ্যানেলে।

হৈমন্তী জাগো নিউজকে বলেন, “আমার একক গান ‘দুর্গতিনাশিনী’র গীতিকার ডি সেন্টু। এতে সুর করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। চমৎকার আয়োজনের একটি ভিডিও এখানে পাবেন দর্শক। গানটি প্রকাশের পর থেকেই খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি।”

এছাড়া এবারের পূজায় প্রকাশ হতে যাচ্ছে হৈমন্তীর আরও একটি গান। 'পূজো এলো' শিরোনামের এ গানটিতে তিনি দ্বৈতকণ্ঠ দিয়েছেন কলকাতার আকাশ সেনের সঙ্গে।

উৎসব আমেজের এই গানে বেশ ভালো বাজেটে নির্মিত হয়েছে মিউজিও ভিডিও। গানটি লিখেছেন প্রসেনজিৎ মণ্ডল। সুর এবং সংগীতায়োজন করেছেন আপন খান এবং এমএমপি রনি। ডিপি মিউজিক স্টেশনের ব্যানারে এই গান দর্শকের মন ভরাবে বলে প্রত্যাশা এ শিল্পীর।

দুটি গানেরই ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৌমিত্র ঘোষ ইমন এবং কোরিওগ্রাফি করেছেন সারোয়ার শাকিল।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী চলচ্চিত্র এবং টিভি অনুষ্ঠানেও গান গেয়েছেন। ১৯৯৩ সালে তিনি নজরুল সংগীত গেয়ে নতুন কুঁড়িতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার নজরে আসেন। একই বছর হৈমন্তী দাশ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় শিশু পুরস্কারে অংশ নিয়ে দেশের গানে প্রথম স্থান অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেতারের তালিকাভুক্ত কণ্ঠশিল্পী।

তিনি নিয়মিত গান করছেন জাতীয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে। নন্দিত গায়ক ও সংগীত পরিচালক বাপ্পা মজুমদারের সংগীত পরিচালনায় তার ‘দেয়াল কাহিনী’ অ্যালবামের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত সুকণ্ঠী এই শিল্পী।

এলএ/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]