এদেশে অনন্ত জলিল, ভারতে আছেন ‘শক্তিমান’

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৭ এএম, ০২ নভেম্বর ২০২০

অনন্ত জলিল ও শক্তিমান খ্যাত মুকেশ খান্না। এদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে দারুণ জনপ্রিয় মুখ জলিল। মহাভারত ও শক্তিমানের হাত ধরে মুকেশ খান্নার পরিচিতি ভারত ছাড়িয়ে রয়েছে এ দেশেও। নিজ নিজ ক্ষেত্রে নিজেদের মতো সফল এ দুই অভিনেতা।

ধর্ষণ আর নারীদের পোশাক নিয়ে গেল মাসে এক বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন অনন্ত জলিল। ধর্ষণের মতো অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরোধিতা করে বক্তব্য দিতে জলিল বলেছিলেন, আমাদের দেশের সমস্ত মেয়েদের উদ্দেশ্যে কিছু বলি ভাই হিসেবে। সিনেমা, টেলিভিশন সোশাল মিডিয়াতে অন্য দেশের অশ্লীল ড্রেসআপ দেখে ফলো করার চেষ্টা করো। এবং ফলো করে সেইম ড্রেসআপ পরে ঘোরাঘুরি করো। এই চেহারার দিকে মানুষ না তাকিয়ে তোমাদের ফিগারের দিকে তাকায়। ফিগারের দিকে তাকিয়ে বখাটে ছেলেরা বিভিন্নভাবে মন্তব্য করে এবং রেপ করার চিন্তা তাদের মাথায় আসে... তোমরা কি নিজেদের মডার্ন মনে করো? এটা কি মডার্ন ড্রেস নাকি অশালীন ড্রেস।

ব্যাপক সমালোচনার মুখে তিনি ড্রেসের ব্যাপারটা বাদ দিয়ে এবং আগের ভিডিও'র বিষয়ে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে ফেসবুক ও ইউটিউবে আরেকটি ভিডিও আপলোড করেন।

এবার অনেকটা একই কাজ করে বসলেন ভারতীয় অভিনেতা মুকেশ খান্না। তিনি বললেন, মি-টু আন্দোলনের জন্য নারীদের দায়ী করে মন্তব্য করেছেন। নারী-পুরুষ কখনোই সমান নয়, নারীদের উচিত বাড়িতে থেকে ঘর-কন্না সামলানো।

মুকেশ বলছেন, ‘নারী ও পুরুষ কখনোই সমান নয়। নারীদের উচিত বাড়িতে থেকে ঘর সামলানো। যেসব নারীরা বাইরে গিয়ে কাজ করেন, শুধুমাত্র তাদের জন্য এই মি-টু মুভমেন্ট শুরু হয়েছে…। যখন থেকে নারীরা বাইরে গিয়ে কাজ করা শুরু করেছে তখন থেকেই এই সমস্যার শুরু। এখন তো আবার নারীরা পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার কথাও বলেন।’

টুইটারে মুকেশের সেই বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করে সাহিল শাহ নামের একজন ভারতীয় লিখেছেন, ‘জানতাম না যে শক্তিমানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা তার চিন্তাভাবনা।’

আরেক ভারতীয় লিখেছেন, ‘অত্যন্ত কষ্টের সাথে বলতে হচ্ছে, আমি আমার শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময় শক্তিমানের মতো ধারাবাহিক দেখে নষ্ট করেছি।’

এনএফ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]