মমতার জয়ে বাংলাদেশকে কটাক্ষ করলেন কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:০৩ এএম, ০৩ মে ২০২১

সদ্য সমাপ্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয়ের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। অর্ধেকের বেশি ভোট গণনার পর আভাস পাওয়া যাচ্ছে, প্রদত্ত ভোটের ৫০ শতাংশই পেয়েছে তৃণমূল। এর আগে ১৯৮৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল।

সুনিশ্চিত বিজয় ধরে নিয়ে ইতোমধ্যে অনেকেই মমতাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরুর পর থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তবে উল্টোপথে হাঁটলেন বলিউড অভিনেত্রী ও কট্টর বিজেপি সমর্থক কঙ্গনা রানাউত। তিনি যেন কোনোভাবেই তৃণমূলের জয় মেনে নিতে পারছেন না। মমতাকে অভিনন্দন জানানো দূরে থাক, মমতার আসন্ন বিজয় নিয়ে বাংলাদেশকে জড়িয়ে কটাক্ষ করলেন এই অভিনেত্রী।

কঙ্গনার মতে মমতার বিজয়ের পেছনে সবচেয়ে ‘বড় শক্তি’ হিসেবে কাজ করেছেন বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা।

রোববার দুপুরে এক টুইটে তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা মমতার সবচেয়ে বড় শক্তি। যা চলছে, তাতে হিন্দুরা আর সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বাঙালি মুসলিমরা বেশি দারিদ্র্য আর সবচেয়ে দুরবস্থায় জীবন যাপন করে। ভালো, আরেকটি কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।’

এই টুইট পোস্টে হাজার হাজার ‘লাইক’ এবং রিটুইট হলেও অসংখ্য টুইটার ব্যবহারকারী কঙ্গনার এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

একজন লিখেছেন, ‘এভাবে জোর করে গায়ে পড়ে বিজয়ীর অযৌক্তিক সমালোচনা করে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে পারবেন না। তাতে আরও বেশি করে আপনাদের অসহায়ত্ব ধরা পড়ে।’

মমতার জয় নিয়ে আরও দুটি টুইট করেছেন কঙ্গনা। সেখানে তিনি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা নন্দীগ্রামে জয় না পেলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস হাঁটছে বিজয়ের পথেই।

এসএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]