‘সংবিধান লঙ্ঘন করে শাহরুখ খানের ছেলেকে জেলে দেয়া হয়েছে’

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫৭ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০২১

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান কারাগারে। মাদককাণ্ডে জড়িয়ে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। তবে তার এই গ্রেফতার হওয়াকে ভারতের বেশিরভাগেরই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে প্রকাশ্যেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

এবার শাহরুখপুত্রের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিবসেনার সিনিয়র এক নেতা। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার এই নেতার নাম কিশোর তিওয়ারি। তিনি মনে করছেন আরিয়ানকে গ্রেফতার করে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি)।

একজন কর্মরত বিচারককে দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদনও করেছেন তিনি।

তিওয়ারি সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবেদনটি করেছেন। তিনি বলেন, ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এনসিবি প্রায় দুই বছর ধরে যেভাবে চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মডেল ও অন্য সেলিব্রিটিদের হেনস্তা করছে, প্রধান বিচারপতি এনভি রমনার কাছে ‘সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছেন তিওয়ারি।

আবেদনে তিনি বলেছেন অনুচ্ছেদ ৩২–এর অধীনে, সুপ্রিম কোর্ট এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন সম্পর্কিত প্রতিটি বিষয় বিবেচনায় নিতে বাধ্য। সংবিধানের তৃতীয় অংশে এ অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে আর এনসিবি যা অমান্য করছে।

সরকারি ছুটির কথা উল্লেখ করে বিশেষ এনডিপিএস আদালত আরিয়ান খান এবং অন্যান্য আসামির জামিন আবেদনের রায় ২০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে। বিষয়টি উল্লেখ করে আবেদনে বলা হয়েছে, এতে অভিযুক্ত ‘নিদারুণ অপমানের শিকার’ হয়েছে।’

‘অগণতান্ত্রিক এবং অবৈধ উপায়ে’ তাকে ১৭ রাতের জন্য কারাগারে রাখা হয়েছে। এটি সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারকে সম্পূর্ণরূপে লঙ্ঘন করে এবং সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বহাল এবং নিষ্পত্তি হওয়া ‘জামিনই আদর্শ, জেল হলো ব্যতিক্রম’ এ ধারণাকে উপেক্ষা করে।

উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর রাতে মুম্বাই থেকে গোয়াগামী এক বিলাসবহুল প্রমোদতরিতে আয়োজিত মাদক পার্টিতে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি)। এ পার্টি থেকে আরিয়ানসহ অনেককে আটক করে তারা। প্রায় ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আরিয়ান খান, অভিনেতা আরবাজ মার্চেন্ট, মুনমুন ধামেচাসহ আরও ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এনসিবি।

গত বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে বলিউডের এই তারকা সন্তানকে ১৪ দিনের জন্য জেলে পাঠিয়েছেন আদালত। শুক্রবার জামিন আবেদন করলেও তা নাকচ করে দেন আদালত।

এমআই/এলএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]