‌‌‘পদ্মশ্রীর দরকার নেই, শ্রোতারাই আমার সব’

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২
‘গীতশ্রী’ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়/সংগৃহীত ছবি

অপমানিত ও অসম্মানিত বোধ করে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’ খেতাব ফিরিয়ে দিয়েছেন ‘গীতশ্রী’ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

বর্তমানে পদ্মশ্রী খেতাবের জন্য কারও নাম ঘোষণা করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার বিকেলে দিল্লি থেকে ‘গীতশ্রী’ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে ফোন দিয়ে তার সম্মতি চাওয়া হয়। সচরাচর ফোন ধরেন না তিনি। ওই ফোনে হিন্দিতে তাকে জানানো হয়, তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হবে। তিনি কী এই সম্মান নেবেন? জবাবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আনন্দবাজার অনলাইনকে বলেন, ‘এভাবে কেউ পদ্মশ্রী দেয়? এরা জানে না আমি কে! নব্বই বছরে আমায় শেষে পদ্মশ্রী নিতে হবে? আর এই ফোন করে বললেই চলে যাবো আমি? শিল্পীদের কোনো সম্মান নেই আর।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্ধ্যার কণ্ঠে হতাশা আর অপমানের বেদনা। দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ট সচিবালয়ের উদ্দেশে তিনি হিন্দিতেই তার বক্তব্য জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘আমি বলে দিয়েছি, আমার পদ্মশ্রীর কোনো দরকার নেই। শ্রোতারাই আমার সব।’

হঠাৎ এই পদ্মশ্রী খেতাবের ফোনে তিনি যে অপমানিত বোধ করেছেন, তার কণ্ঠই তা জানিয়ে দিচ্ছিল। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত থেকে আধুনিক বাংলা গানে তার সুরের বিস্তার আর যাই হোক পদ্মশ্রীর আশা যে করে না তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন এই শিল্পী।

১৯৭১ সালে ‘জয় জয়ন্তী’ ও ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে গান গেয়ে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সন্ধ্যা। এছাড়া ২০১১ সালে রাজ্য সরকার তাকে ‘বঙ্গবিভূষণ’ উপাধিতে সম্মানিত করে।

সূত্র: আনন্দবাজার

এআরএ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]