তাজিন আহমেদের চলে যাওয়ার চার বছর

বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:৩৭ পিএম, ২২ মে ২০২২

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ। আজ রোববার (২২ মে) তার চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৮ সালের এই দিনে পৃথিবীকে চিরবিদায় জানান এই তারকা। উত্তার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তাজিনের।

তার মৃত্যুদিনে তাকে বিভিন্ন ভাবে স্মরণ করছেন ছোট পর্দার সহ শিল্পীরা।

বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ। অভিনয়ের পাশাপাশি করেছেন সাংবাদিকতা। মঞ্চ নাটকে অভিনয়ের সাথে সাথে পরিচালনা করে হয়েছেন প্রশংসিতও। লেখালেখিতেও ছিলেন সমভাবে। ছিলেন ব্যাংকের পাবলিক রিলেশন অফিসারও।

তাজিন আহমেদের জন্ম নোয়াখালী জেলায়। কামাল আহমেদ ও দিলারা জলির কন্যা তাজিন। তার ডাক নাম ছিলো জল। ১৯৯২ সালে এইচএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হোন। ছাত্রজীবন থেকেই সাংবাদিকতা করেন তিনি। ১৯৯৪ সালে ভোরের কাগজ ও ১৯৯৭ সালে প্রথম আলোতে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা করেন। ১৩ বছর সাংবাদিকতায় জড়িয়ে ছিলেন তাজিন।

মা দিলারা জলি রচিত ও শেখ নিয়ামত আলী পরিচালিত ‘শেষ দেখা শেষ নয়’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাজিন আহমেদের অভিনয়যাত্রা শুরু হয়েছিল। নাটকটি ১৯৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচার হয়েছিল। এরপর তিনি অসংখ্য নাটক-টেলিছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন।

অভিনয়ের সঙ্গে তিনি উপস্থাপনাও করেছেন। তাজিন আহমেদ ‘পিপলস রেডিও’তে ‘শহুরে সন্ধ্যা’ নামের একটি লাইভ অনুষ্ঠানের আরজেও ছিলেন। এছাড়া তিনি মঞ্চেও কাজ করেছেন। যুক্ত ছিলেন ‘নাট্যজন’ নাটকদলের সঙ্গে। ২০০০ সালে ‘আরণ্যক’ নাট্যদলে যোগ দেন।

২০০৪ সালে তিনি নাটক লেখালেখি শুরু করেন। মোট ১২ টি নাটক লেখেন ও পরিচালনা করেন। তার লেখা ও পরিচালনায় তৈরি হয় ‘যাতক’ ও ‘যোগফল’ নামে দুটি নাটক।

পরিচালক এজাজ মুন্নাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন তাজিন আহমেদ। তবে এই সংসার বেশিদিন টেকেনি। এর পরে তাজিন আহমেদ বিয়ে করেন মিউজিশিয়ান রুমী রহমানকে।

এমআই/এলএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]