অকালে শিক্ষাজীবন ঝরে পড়তে পারে

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:০৮ এএম, ০৪ অক্টোবর ২০২০

মো. আরিফুল ইসলাম

শিক্ষাগত দিক বিবেচনায় বর্তমান বিশ্ব একটি বিশেষ পরিস্থিতি অতিক্রম করছে। বিশ্বের প্রায় এক বিলিয়ন শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। শিক্ষা কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে আছে। অদূর ভবিষ্যতে এ স্থবিরতা কেটে যাবে, এমন সম্ভাবনাও ক্ষীণ। এমন পরিস্থিতিকে ‘গ্লোবাল এডুকেশনাল ইমার্জেন্সি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা। স্মরণকালে এমন জরুরি অবস্থা দেখেনি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের প্রাণিকূল। ইতিহাসের পাতা উল্টালে স্মরণাতীত কালের কতিপয় মহামারী সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তখনো হয়তো এমন গ্লোবাল এডুকেশনাল ইমার্জেন্সি ছিল।

করোনা মহামারী বৈশ্বিক চৌহদ্দিকে অতিক্রম করছে চক্রাকারে। এশীয় দেশ চীন থেকে শুরু করে জাত চিনিয়েছে গ্রহের সব দেশকেই। ধারাবাহিকভাবে আক্রান্ত হয়েছে ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো। সংক্রমণের হার সর্বত্র সমান্তরাল রেখায় চলেনি। ইউরোপ, আমেরিকায় যখন ঊর্ধ্বমুখী, এশিয়া, আফ্রিকায় তখনো সংক্রমণের হার বাড়েনি। আবার এশিয়া, আফ্রিকায় যখন প্রকোপ বেড়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলো তখন কিছুটা স্থিতিশীল। ধকল কেটে সামাল দিয়ে উঠছে তারা। স্বাস্থ্যবিধির সাথেও পুরোপুরি অভ্যস্ত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অনেক দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে তাদের নিরাপত্তার জন্য বাড়তি সুযোগ-সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।

স্কটল্যান্ডের কথাই ধরা যাক। স্কটল্যান্ডের পরিস্থিতি মোটামুটিভাবে স্থিতিশীল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে বাড়তি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন। জোর দেওয়া হয়েছে ‘অন-ডিমান্ড টেস্টিংয়ে’। উপসর্গ না থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো সময়ে বিনামূল্যে পরীক্ষা করাতে পারবেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হচ্ছে। জীবনের সুরক্ষার ব্যাপারে খেয়াল রেখে তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের দিকে নজর দিচ্ছেন।

তবে বাংলাদেশের চিত্রপট ভিন্ন। বাংলাদেশের সংক্রমণ বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী। এ সময়কেই সংক্রমণের ‘পিক টাইম’ ধরা হয়। তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশ হওয়ায় জীবিকা নির্বাহে অধিকাংশ জনগোষ্ঠীকেই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিক জনসংখ্যা। অনেকে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবার অনেকের জন্য মানা সম্ভব হচ্ছে না। জনস্বাস্থ্য উচ্চ ঝুঁকিগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে অন্য দেশের উপমা টেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া নিতান্তই বালখিল্যতা। বাংলাদেশের থেকে সেসব দেশের চিত্র ভিন্ন। সেসব দেশে উপচেপড়া জনগোষ্ঠী নেই, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যবিধি না মানার দুঃসাহস নেই, স্বাস্থ্যসেবার হালহাকিকতও ভিন্ন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রিওপেন করা প্রথম দেশ ইসরাইলের থেকে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ইসরাইল সর্বপ্রথম দেশ হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে পড়েছেন নিদারুণ বিপাকে। সংক্রমণের হার কম থাকায় খুলে দেওয়া হয় সে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পুনরায় বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইসরাইল। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যায় চক্রবৃদ্ধি হারে। তারা এটিকে তাদের জন্য বড় ব্যর্থতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

ইসরাইলের মহামারী বিষয়ক জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভাপতি ও ইয়েজমান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্সের প্রফেসর এলি ওয়াক্সম্যান বৈশ্বিক অন্য দেশকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি একটি বড় ব্যর্থতা ছিল। নিশ্চয়ই আমরা যা করেছি; অন্যরা তা করবেন না।’

মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে দীর্ঘসময় বিলম্ব ঘটলে এর ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। দরিদ্র এ দেশের অনেক শিশু-কিশোরেরই দু’বেলা আহার করে উদরপূর্তি করার স্বাধ মেটে না। ‘ফ্রি স্কুল মিল’ থেকে বঞ্চিত হয়ে কষ্টে পড়তে হয় তাদের। অনাহারী-অর্ধাহারী থাকতে হয় তাদের। নিঃসঙ্গতায় মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে অনেকের। এ ছাড়া দীর্ঘ বিরতির কারণে শিক্ষা কার্যক্রমে অনভ্যস্ত হয়ে উঠছেন অনেক শিক্ষার্থী। জীবিকা নির্বাহে অনেকে কাজে নেমেছেন। পরিবারের হাল ধরেছেন। অনেকে আবার নানা অপকর্মে জড়িয়ে বিপথগামী হচ্ছেন।

দীর্ঘসময় পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে যেতে পারে। পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। যে কাজে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে সেটি চালিয়ে যেতে উদ্যত হতে পারে। পৃথিবীর অনেক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে এমন নজির রয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থীই পুনরায় শ্রেণিকক্ষে বসেনি। নতুন পেশা বেছে নিয়েছে।

ইউনেস্কোর ধারণা মতে, মহামারীর পর অন্তত ত্রিশ মিলিয়ন শিক্ষার্থী পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং খেয়াল রাখতে হবে, যাতে অকালে শিক্ষাজীবন ঝরে না পড়ে।

এক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। সন্তান ও শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। নিয়মিত তদারকি করতে হবে। বাড়িতে বসে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য চাঙা রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে হবে। জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালাতে হবে। শিক্ষা ও জীবন দুটোই বাঁচাতে হবে।

লেখক: শিক্ষার্থী, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এসইউ/এএ/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৬,২৫,৩০,৫৮৭
আক্রান্ত

১৪,৫৭,২৯৪
মৃত

৪,৩১,৫৯,৩৪৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৪,৬০,৬১৯ ৬,৫৮০ ৩,৭৫,৮৮৫
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১,৩৫,৯৬,৩৩৫ ২,৭২,২১৫ ৮০,৩১,৭৬৯
ভারত ৯৩,৯০,৭৯১ ১,৩৬,৭০৫ ৮৭,৯৯,২৪৯
ব্রাজিল ৬২,৯০,২৭২ ১,৭২,৫৬১ ৫৫,৬২,৫৩৯
রাশিয়া ২২,৪২,৬৩৩ ৩৯,০৬৮ ১৭,৩৯,৪৭০
ফ্রান্স ২২,০৮,৬৯৯ ৫২,১২৭ ১,৬১,১৩৭
স্পেন ১৬,৪৬,১৯২ ৪৪,৬৬৮ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ১৬,০৫,১৭২ ৫৮,০৩০ ৩৪৪
ইতালি ১৫,৬৪,৫৩২ ৫৪,৩৬৩ ৭,২০,৮৬১
১০ আর্জেন্টিনা ১৪,১৩,৩৭৫ ৩৮,৩২২ ১২,৪২,৮৭৭
১১ কলম্বিয়া ১২,৯৯,৬১৩ ৩৬,৪০১ ১১,৯৭,২০৪
১২ মেক্সিকো ১০,৯০,৬৭৫ ১,০৪,৮৭৩ ৮,০৩,৫৮১
১৩ জার্মানি ১০,৪১,৯৭০ ১৬,৩৭৭ ৭,১১,০০০
১৪ পোল্যান্ড ৯,৭৩,৫৯৩ ১৬,৭৪৬ ৫,৩৮,২৭৩
১৫ পেরু ৯,৬০,৩৬৮ ৩৫,৮৭৯ ৮,৯১,০০৪
১৬ ইরান ৯,৩৫,৭৯৯ ৪৭,৪৮৬ ৬,৪৮,৮৩১
১৭ দক্ষিণ আফ্রিকা ৭,৮৫,১৩৯ ২১,৪৩৯ ৭,২৩,৩৪৭
১৮ ইউক্রেন ৭,০৯,৭০১ ১২,০৯৩ ৩,৩৫,১৩৫
১৯ তুরস্ক ৫,৭৮,৩৪৭ ১৩,৩৭৩ ৩,৯৬,২২৭
২০ বেলজিয়াম ৫,৭০,৮২৯ ১৬,৩৩৯ ৩৭,২৩৮
২১ চিলি ৫,৪৮,৯৪১ ১৫,৩২২ ৫,২৩,৭৯২
২২ ইরাক ৫,৪৮,৮২১ ১২,২০০ ৪,৭৮,৫৩৭
২৩ ইন্দোনেশিয়া ৫,২৭,৯৯৯ ১৬,৬৪৬ ৪,৪১,৯৮৩
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৫,১৭,৬৯২ ৮,০২৪ ৪,৩৭,৩৮৫
২৫ নেদারল্যান্ডস ৫,১৩,৩২৫ ৯,৩২৬ ২৫০
২৬ রোমানিয়া ৪,৬৫,৯৮২ ১১,০৪৫ ৩,৩৫,৭৬৪
২৭ ফিলিপাইন ৪,২৭,৭৯৭ ৮,৩৩৩ ৩,৮৮,০৬২
২৮ পাকিস্তান ৩,৯২,৩৫৬ ৭,৯৪২ ৩,৩৭,৫৫৩
২৯ কানাডা ৩,৬২,৩৬৯ ১১,৯৬০ ২,৮৯,১৯৩
৩০ সৌদি আরব ৩,৫৬,৯১১ ৫,৮৭০ ৩,৪৬,০২৩
৩১ মরক্কো ৩,৪৯,৬৮৮ ৫,৭৩৯ ২,৯৮,৫৭৪
৩২ ইসরায়েল ৩,৩৪,৬২৬ ২,৮৪৫ ৩,২১,৮৫৭
৩৩ সুইজারল্যান্ড ৩,১৮,২৯০ ৪,৬২১ ২,২২,১০০
৩৪ পর্তুগাল ২,৯০,৭০৬ ৪,৩৬৩ ২,০৬,২৭৫
৩৫ অস্ট্রিয়া ২,৭৫,৬৬১ ৩,০১৮ ২,১০,৬৯৭
৩৬ সুইডেন ২,৪৩,১২৯ ৬,৬৮১ ৪,৯৭১
৩৭ নেপাল ২,৩০,৭২৩ ১,৪৫৪ ২,১১,১৮৬
৩৮ জর্ডান ২,১০,৭০৯ ২,৬২৬ ১,৪২,৭১০
৩৯ হাঙ্গেরি ২,০৪,৭০৮ ৪,৫১৬ ৫৪,০২১
৪০ ইকুয়েডর ১,৯০,৯০৯ ১৩,৩৭১ ১,৬৪,০০৯
৪১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৬৬,৫০২ ৫৬৯ ১,৫৩,৪৪৯
৪২ সার্বিয়া ১,৬৩,০৩৫ ১,৪৮৪ ৩১,৫৩৬
৪৩ পানামা ১,৬১,৭৪৪ ৩,০৩০ ১,৪২,০৪৬
৪৪ বলিভিয়া ১,৪৪,৪৯৪ ৮,৯৪৩ ১,২১,০৫০
৪৫ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪২,৬৫৩ ২,৩২৮ ১,১৪,৩১৭
৪৬ কুয়েত ১,৪২,১৯৫ ৮৭৫ ১,৩৫,৮৮৯
৪৭ জাপান ১,৪২,০৬৮ ২,০৭৪ ১,২০,২৫৯
৪৮ বুলগেরিয়া ১,৪১,৭৪৭ ৩,৭৪৯ ৪৭,৭৭৯
৪৯ কাতার ১,৩৮,৪৭৭ ২৩৭ ১,৩৫,৬৫১
৫০ কোস্টারিকা ১,৩৭,০৯৩ ১,৬৯০ ৮৪,৯৯১
৫১ আর্মেনিয়া ১,৩৩,৫৯৪ ২,১২১ ১,০৬,৪৭৯
৫২ বেলারুশ ১,৩৩,৩২৪ ১,১৪৩ ১,১১,৪৫৫
৫৩ কাজাখস্তান ১,৩০,০৩৯ ১,৯৯০ ১,১৬,০৪৪
৫৪ জর্জিয়া ১,২৭,৯৪২ ১,১৯৫ ১,০৬,৩২৮
৫৫ লেবানন ১,২৫,৬৭৮ ৯৯১ ৭৪,৯৫০
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,২৩,৬৯৩ ১,৬৫৫ ৯৮,৪৬৫
৫৭ ওমান ১,২২,৫৭৯ ১,৩৯১ ১,১৩,৮৫৬
৫৮ গুয়াতেমালা ১,২১,৭৯৮ ৪,১৬১ ১,১০,২০৯
৫৯ মিসর ১,১৫,১৮৩ ৬,৬২১ ১,০২,৪৯০
৬০ আজারবাইজান ১,১৪,০২৫ ১,৩২৩ ৭১,৬৯১
৬১ ইথিওপিয়া ১,০৮,৯৩০ ১,৬৯৫ ৬৮,২৫০
৬২ হন্ডুরাস ১,০৭,১৩৪ ২,৮৯৯ ৪৭,৫৭৬
৬৩ মলদোভা ১,০৫,৮৫২ ২,২৬৯ ৯৩,০২৮
৬৪ স্লোভাকিয়া ১,০৪,৬৩২ ৭৯৮ ৬২,০৯৪
৬৫ গ্রীস ১,০৩,০৩৪ ২,২২৩ ৯,৯৮৯
৬৬ ভেনেজুয়েলা ১,০১,৫২৪ ৮৮৮ ৯৬,৪০২
৬৭ তিউনিশিয়া ৯৪,৯৮০ ৩,১৫৩ ৬৯,২২৬
৬৮ মায়ানমার ৮৭,৯৭৭ ১,৮৮৭ ৬৭,৫৮৮
৬৯ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৮৬,৭১০ ২,৫৭৬ ৫১,০৬৮
৭০ বাহরাইন ৮৬,৬৪৫ ৩৪১ ৮৪,৭৮৫
৭১ চীন ৮৬,৫০১ ৪,৬৩৪ ৮১,৫৮২
৭২ কেনিয়া ৮২,৬০৫ ১,৪৪৫ ৫৪,৩৯৯
৭৩ ফিলিস্তিন ৮১,৮৯০ ৭০৪ ৬২,৯৪৪
৭৪ লিবিয়া ৮১,২৭৩ ১,১৫৩ ৫২,২৯৯
৭৫ আলজেরিয়া ৮১,২১২ ২,৩৯৩ ৫২,৫৬৮
৭৬ প্যারাগুয়ে ৮০,৪৩৬ ১,৭২০ ৫৬,৯৯১
৭৭ ডেনমার্ক ৭৮,৩৫৪ ৮২৩ ৬১,৪৬১
৭৮ স্লোভেনিয়া ৭৪,২৫৭ ১,৩৩৬ ৫২,৮১৪
৭৯ উজবেকিস্তান ৭২,৫৮২ ৬০৮ ৬৯,৮৫৯
৮০ কিরগিজস্তান ৭১,৯৭১ ১,৪৯৮ ৬৩,৪০৭
৮১ আয়ারল্যান্ড ৭১,৯৪২ ২,০৫০ ২৩,৩৬৪
৮২ নাইজেরিয়া ৬৭,৩৩০ ১,১৭১ ৬২,৮১৯
৮৩ মালয়েশিয়া ৬৩,১৭৬ ৩৫৪ ৫১,৩১৪
৮৪ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৬০,৭২৩ ১,৬৯৯ ৩৭,৫০৫
৮৫ লিথুনিয়া ৫৮,২১২ ৪৮২ ১৪,০৫৬
৮৬ সিঙ্গাপুর ৫৮,২০৫ ২৯ ৫৮,১১৯
৮৭ ঘানা ৫১,৩৭৯ ৩২৩ ৫০,২৯৮
৮৮ আফগানিস্তান ৪৫,৯৬৬ ১,৭৫২ ৩৬,৭০৯
৮৯ এল সালভাদর ৩৮,৪০৫ ১,১০৭ ৩৫,০৭৮
৯০ আলবেনিয়া ৩৬,৭৯০ ৭৮৭ ১৮,১৫২
৯১ নরওয়ে ৩৫,৩৪৬ ৩২৮ ২০,৯৫৬
৯২ মন্টিনিগ্রো ৩৪,৪৫৪ ৪৮১ ২২,৭৯৬
৯৩ লুক্সেমবার্গ ৩৩,৯৭৪ ৩০৬ ২৪,০৭৩
৯৪ দক্ষিণ কোরিয়া ৩৩,৩৭৫ ৫২২ ২৭,৩৪৯
৯৫ অস্ট্রেলিয়া ২৭,৮৮৫ ৯০৭ ২৫,৫৮৫
৯৬ ফিনল্যাণ্ড ২৪,৩০৭ ৩৯৩ ১৬,৮০০
৯৭ ক্যামেরুন ২৪,১১৭ ৪৩৭ ২২,১৭৭
৯৮ শ্রীলংকা ২২,৯৮৮ ১০৯ ১৬,৬৫৬
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১,২৬১ ১৩১ ২০,৯১২
১০০ উগান্ডা ১৯,৯৪৪ ২০১ ৮,৯৪৪
১০১ জাম্বিয়া ১৭,৫৮৯ ৩৫৭ ১৬,৯২৫
১০২ মাদাগাস্কার ১৭,৩৪১ ২৫১ ১৬,৬৫৭
১০৩ সুদান ১৬,৮৬৪ ১,২১৫ ৯,৯৬৪
১০৪ লাটভিয়া ১৬,৫৬১ ১৯৩ ১,৭১৯
১০৫ সেনেগাল ১৬,০২৭ ৩৩২ ১৫,৫৮২
১০৬ মোজাম্বিক ১৫,৫৮৬ ১২৯ ১৩,৬৭৭
১০৭ অ্যাঙ্গোলা ১৫,০৮৭ ৩৪৫ ৭,৭৬৩
১০৮ নামিবিয়া ১৪,২৮৫ ১৫০ ১৩,৪১২
১০৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৪,০৯৬ ৭৩ ৪,৮৪২
১১০ গিনি ১৩,০৩৯ ৭৬ ১১,৯৮২
১১১ মালদ্বীপ ১২,৯৪৭ ৪৬ ১১,৭৮১
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১২,৪৭০ ৩৩৩ ১১,৪৯৫
১১৩ তাজিকিস্তান ১২,১১৮ ৮৬ ১১,৫১৮
১১৪ এস্তোনিয়া ১১,৬৯৮ ১০৯ ৬,৯৭৪
১১৫ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ১১,১৭৯ ৭০ ৯,৯৯৫
১১৬ জ্যামাইকা ১০,৬৬৯ ২৫১ ৫,৯৫৩
১১৭ কেপ ভার্দে ১০,৬২৬ ১০৫ ১০,০৮৮
১১৮ বতসোয়ানা ১০,২৫৮ ৩১ ৭,৭১৭
১১৯ সাইপ্রাস ৯,৯৮৩ ৪৮ ২,০৫৭
১২০ জিম্বাবুয়ে ৯,৮২২ ২৭৫ ৮,৪৭২
১২১ মালটা ৯,৬০৯ ১৩২ ৭,৪১৮
১২২ হাইতি ৯,২৬৪ ২৩২ ৭,৯৫১
১২৩ গ্যাবন ৯,১৯১ ৫৯ ৯,০৩৭
১২৪ মৌরিতানিয়া ৮,৪৫৮ ১৭২ ৭,৬৬৫
১২৫ গুয়াদেলৌপ ৮,৩৪৪ ১৪৯ ২,২৪২
১২৬ কিউবা ৮,১৭৩ ১৩৩ ৭,৫৫৪
১২৭ রিইউনিয়ন ৭,৯৪০ ৪০ ৬,৬৬০
১২৮ সিরিয়া ৭,৭১৫ ৪০৯ ৩,৪৪৪
১২৯ বাহামা ৭,৪৯৬ ১৬৩ ৫,৮৩০
১৩০ এনডোরা ৬,৬১০ ৭৬ ৫,৭১০
১৩১ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৬,৫৮৬ ১১৮ ৫,৭১০
১৩২ ইসওয়াতিনি ৬,৪০৬ ১২১ ৫,৯৮৭
১৩৩ হংকং ৬,১২৪ ১০৮ ৫,৩২৮
১৩৪ মালাউই ৬,০২৫ ১৮৫ ৫,৪৫৩
১৩৫ রুয়ান্ডা ৫,৮৯১ ৪৭ ৫,৪৮০
১৩৬ নিকারাগুয়া ৫,৭৮৪ ১৬০ ৪,২২৫
১৩৭ কঙ্গো ৫,৭৭৪ ১১৪ ৪,৯৮৮
১৩৮ জিবুতি ৫,৬৭৬ ৬১ ৫,৫৭৭
১৩৯ বেলিজ ৫,৫৮৭ ১৪১ ৩,০৫৬
১৪০ মার্টিনিক ৫,৪১৩ ৪০ ৯৮
১৪১ আইসল্যান্ড ৫,৩৭১ ২৬ ৫,১৫২
১৪২ গায়ানা ৫,৩৩৮ ১৪৯ ৪,৩১৭
১৪৩ সুরিনাম ৫,৩১১ ১১৭ ৫,১৮৭
১৪৪ উরুগুয়ে ৫,৩০৩ ৭৪ ৪,১০৭
১৪৫ মায়োত্তে ৫,১৮১ ৪৯ ২,৯৬৪
১৪৬ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৫,১৫৩ ৮৫ ৫,০০৯
১৪৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪,৯১৩ ৬৩ ১,৯২৪
১৪৮ আরুবা ৪,৮৩৩ ৪৫ ৪,৬৬৪
১৪৯ মালি ৪,৫৬৭ ১৪৯ ৩,০৯১
১৫০ সোমালিয়া ৪,৪৫১ ১১৩ ৩,৪১৭
১৫১ থাইল্যান্ড ৩,৯৬৬ ৬০ ৩,৭৯৮
১৫২ গাম্বিয়া ৩,৭৩১ ১২৩ ৩,৫৯০
১৫৩ দক্ষিণ সুদান ৩,১০৪ ৬১ ২,৯৫৪
১৫৪ বেনিন ২,৯৭৪ ৪৩ ২,৫৭৯
১৫৫ টোগো ২,৯৪৬ ৬৪ ২,৪৩৫
১৫৬ বুর্কিনা ফাঁসো ২,৮১৬ ৬৮ ২,৫৭৯
১৫৭ গিনি বিসাউ ২,৪২২ ৪৩ ২,৩০৯
১৫৮ সিয়েরা লিওন ২,৪১০ ৭৪ ১,৮৩৪
১৫৯ ইয়েমেন ২,১৬০ ৬১৫ ১,৪৯৮
১৬০ কিউরাসাও ২,১৫৭ ১,১১৪
১৬১ লেসোথো ২,১০৯ ৪৪ ১,২৭৮
১৬২ নিউজিল্যান্ড ২,০৫০ ২৫ ১,৯৫৬
১৬৩ চাদ ১,৬৬৩ ১০১ ১,৫০৪
১৬৪ লাইবেরিয়া ১,৫৯৫ ৮৩ ১,৩৪৩
১৬৫ সান ম্যারিনো ১,৫৮৬ ৪৫ ১,২৮৫
১৬৬ নাইজার ১,৪৮৪ ৭০ ১,২০৫
১৬৭ ভিয়েতনাম ১,৩৪১ ৩৫ ১,১৭৯
১৬৮ লিচেনস্টেইন ১,২৫৩ ১৫ ১,০২৪
১৬৯ চ্যানেল আইল্যান্ড ১,২১৮ ৪৮ ৯৬০
১৭০ সিন্ট মার্টেন ১,০৫৩ ২৫ ৯৩৬
১৭১ জিব্রাল্টার ১,০০৯ ৯২০
১৭২ মঙ্গোলিয়া ৭৬০ ৩৪৭
১৭৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ৭৪৮ ৭০৫
১৭৪ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫৯
১৭৫ সেন্ট মার্টিন ৬৯০ ১২ ৫৯৮
১৭৬ বুরুন্ডি ৬৮১ ৫৭৫
১৭৭ তাইওয়ান ৬৪৮ ৫৫৬
১৭৮ পাপুয়া নিউ গিনি ৬৪৫ ৫৮৮
১৭৯ কমোরস ৬১১ ৫৮৬
১৮০ মোনাকো ৬০৭ ৫৩৭
১৮১ ইরিত্রিয়া ৫৭৭ ৪৯৮
১৮২ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৮৩ ফারে আইল্যান্ড ৫০২ ৪৯৮
১৮৪ মরিশাস ৫০১ ১০ ৪৪৩
১৮৫ ভুটান ৩৯৫ ৩৭২
১৮৬ আইল অফ ম্যান ৩৬৯ ২৫ ৩৩৮
১৮৭ কম্বোডিয়া ৩০৮ ২৯৯
১৮৮ বার্বাডোস ২৭০ ২৪৯
১৮৯ কেম্যান আইল্যান্ড ২৬৯ ২৪৯
১৯০ সেন্ট লুসিয়া ২৫২ ১০৯
১৯১ বারমুডা ২৪৭ ২১১
১৯২ সিসিলি ১৭৩ ১৬২
১৯৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১৬১ ১৫৫
১৯৪ ব্রুনাই ১৫০ ১৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৪১ ১৩০
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১২৭ ৯৪
১৯৭ ডোমিনিকা ৮৫ ৬৩
১৯৮ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ৮৫ ৭৯
১৯৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৭১ ৭০
২০০ ম্যাকাও ৪৬ ৪৬
২০১ গ্রেনাডা ৪১ ৩০
২০২ লাওস ৩৯ ২৪
২০৩ ফিজি ৩৮ ৩৩
২০৪ নিউ ক্যালেডোনিয়া ৩২ ৩২
২০৫ পূর্ব তিমুর ৩০ ৩১
২০৬ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ১৫
২০৭ সেন্ট কিটস ও নেভিস ২২ ১৯
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ১৮ ১৮
২০৯ সলোমান আইল্যান্ড ১৭
২১০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৬ ১৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ১৬ ১২
২১২ মন্টসেরাট ১৩ ১৩
২১৩ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৪ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৫ এ্যাঙ্গুইলা
২১৬ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৭ ওয়ালিস ও ফুটুনা
২১৮ সামোয়া
২১৯ ভানুয়াতু
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]