রাশিয়াকে টপকে যেভাবে ভেনেজুয়েলার বিশ্বরেকর্ড

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:৩০ পিএম, ২২ নভেম্বর ২০২১

গত ২০ নভেম্বর ভেনেজুয়েলার ঝুলিতে যোগ হলো বিশ্বরেকর্ডের তকমা। একযোগে বিপুলসংখ্যক সুরসাধকের জমায়েতে অর্কেস্ট্রা আয়োজন করে আনুষ্ঠানিকভাবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাল লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিশেষজ্ঞ সুসানা জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৭৩ জন শিল্পী ৫ মিনিট ধরে একটানা নিজ নিজ বাদ্যযন্ত্র বাজাতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে দুই বছর আগে রাশিয়ার করা রেকর্ড ভেঙতে পেরেছেন তারা।

১৩ নভেম্বর কারাকাসে কয়েক হাজার যন্ত্রশিল্পী একত্র হোন এই অর্কেস্ট্রা আয়োজনে। অনুষ্ঠানটি চলেছে ১২ মিনিট ধরে। তবে ৫ মিনিট ধরে একটানা নিজ নিজ বাদ্যযন্ত্র বাজাতে সক্ষম হোন যন্ত্রশিল্পীরা।

তবে গিনেস কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গেই তাদের স্বীকৃতি দেননি। ভেনেজুয়েলা রেকর্ড করতে পারল কি না, তা ১০ দিনের মধ্যে পর্যবেক্ষণ করে জানাবে বলে জানিয়েছিলেন তারা।

এবার সেই পর্যবেক্ষণের পর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের বিশেষজ্ঞ সুসানা রেয়েস জানান, ভেনেজুয়েলার সুরসাধকেরা রেকর্ড করতে পেরেছেন। শনিবার দেশটিতে সরকারিভাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সুসানা ঘোষিত অডিওটি বাজিয়ে শোনানো হয়।

অনুষ্ঠানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস থেকে পাওয়া সনদটি প্রদর্শন করেন।

jagonews24

১২ মিনিট ধরে চলা ওই পরিবেশনা পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রায় ২৬০ নিরীক্ষক। প্রত্যেক শিল্পী নিয়ম অনুযায়ী বাজাচ্ছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য একটু বেশি সময় নিয়েছিলেন তারা।

এই রেকর্ডের নিয়মগুলো হচ্ছে একই যন্ত্র একাধিক বাদক মিলে ভাগাভাগি করে বাজাতে পারবেন না এবং নম্বর নিশ্চিতের জন্য কমপক্ষে একটানা পাঁচ মিনিট বাজিয়ে যেতে হবে তাদের।

এর আগে সবচেয়ে বড় অর্কেস্ট্রা হয়েছিল সেন্ট পিটার্সবার্গে। তখন ৮ হাজার ৯৭ যন্ত্রশিল্পী একযোগে পাঁচ মিনিট সুর বাজিয়েছিলেন।

সরকারি অনুদানে চলা এল সিস্তেমা কর্মসূচির আওতায় ভেনেজুয়েলায় অর্কেস্ট্রাশিল্পীদের সমবেত করার জন্য আয়োজনটি করা হয়েছিল। এটি দ্য সিস্টেম নামেও পরিচিত। ১৯৭৫ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। আর তখন থেকে এর আওতায় হাজারো শ্রমজীবী পরিবারের শিশুদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। গিনেস থেকে দেওয়া সনদে রেকর্ডকারী হিসেবে নাম রয়েছে এল সিস্তেমার।

সূত্র: রয়টার্স

কেএসকে/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]