ক্ষুদিরাম বসুর জন্ম ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণ

ফিচার ডেস্ক
ফিচার ডেস্ক ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫৫ এএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

০৩ ডিসেম্বর ২০২১, শুক্রবার। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।

ঘটনা
১৭৯০- লর্ড কর্নওয়ালিস ফৌজদারি বিচারের দায়িত্ব নবাবের কাছ থেকে নিজের হাতে নিয়ে নেন।
১৮১০- ব্রিটিশরা ফরাসিদের কাছ থেকে মৌরিতাস দখল করে নেয়।
১৯৫৫- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭১- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে বসে। ভারতে দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
১৯৮৩- বাংলা ভাষায় প্রথম ‘ছোটদের অভিধান’ প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি।
১৯৯৯- বাংলাদেশে প্রথম নারী গ্রন্থমেলা ধানমন্ডি মহিলা কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়।

জন্ম
১৮৮৪- ভারতের বিখ্যাত দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও প্রথম রাষ্ট্রপতি ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ।
১৯৮৬- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও একাডেমিক কার্ল মানে গেয়র্গ জিগবান।
১৮৮৯- ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরুর দিকের সর্বকনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী এক বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত মেদিনীপুর শহরের কাছাকাছি কেশপুর থানার অন্তর্গত মৌবনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ক্ষুদিরামকে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম কবিতা লিখেছিলেন এবং অনেক গানও তখন রচিত হয়েছিল। যেমন, 'একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি'। তার মৃত্যুর পর ব্রিটিশদের খুন করার জন্য তরুণরা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।
১৯২২- আধুনিক বাংলা রোমান্টিক গানের কিংবদন্তি গীতিকার, সুরকার ও সংগীত শিল্পী শ্যামল গুপ্ত।
১৯৩৫- বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা নিতুন কুণ্ডু।

মৃত্যু
১৮৬৮- উনিশ শতকের বাঙালি বিচারক ও সমাজ সংস্কারক হরচন্দ্র ঘোষ।
১৮৯০- ইংরেজ ক্রিকেটার বিলি মিডউইন্টার।
১৯৩৮- বাঙালি দার্শনিক ও বহুবিদ্যাবিশারদ পণ্ডিত ব্রজেন্দ্রনাথ শীল।
১৯৫৬- ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯০৮ সালের ১৯ মে বিহারের সাঁওতাল পরগনা,বর্তমান ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পৃথিবী জুড়ে মানবিক মূল্যবোধের চরম সংকটময় মুহূর্ত তৈরি হয়। সেসময় যে কয়েকজন লেখকের হাত ধরে বাংলা সাহিত্যজগতে নতুন এক বৈপ্লবিক ধারা সূচিত হয় মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তার রচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল মধ্যবিত্ত সমাজের কৃত্রিমতা, শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নিয়তিবাদ ইত্যাদি।
১৯৫৬- পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি লেখক সৈয়দ এমদাদ আলী।
১৯৮২- কবি ও প্রাবন্ধিক বিষ্ণু দে।
১৯৯৮- ইংরাজী সাহিত্যের দিকপাল শিক্ষক, শেক্সপিয়ার সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত।
১৯৯৯- বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক রোকনুজ্জামান খান।

দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস।

কেএসকে/এমকেআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]