অস্ট্রেলিয়া

Team Image

অস্ট্রেলিয়া ফুটবল ফেডারেশনেরস দ্বৈতনীতি। ভৌগলিকভাবে ওশেনিয়া মহাদেশভূক্ত; কিন্তু ফুটবলে এসে তারা ভৌগলিকতা পরিবর্তন করে ফেলেছে। হয়ে গেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) সদস্য। শুধুমাত্র নিয়মিত বিশ্বকাপ খেলার জন্যই অস্ট্রেলিয়া এএফসিতে এসে যোগ দিয়েছে ২০০৬ সালে।

২০০৬ সালেই দ্বিতীয়বারের মত বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ওশেনিয়া মহাদেশ থেকে প্লে-অফ খেলে। এরপর এএফসি থেকে টানা গত দুটি বিশ্বকাপ খেলেছে সকারুজরা। এবারও বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছে তারা।

অস্ট্রেলিয়ার সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার কোনো সুযোগ ছিল না। তাদের খেলতে হতো প্লে-অফের মাধ্যমে। হয়তো লাতিন আমেরিকার কোনো দল কিংবা উত্তর ও মধ্যা আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশন কনকাকাফ অঞ্চলের কোনো দেশের বিপক্ষে সেই প্লে-অফ খেলতে হতো অস্ট্রেলিয়ানদের। সে হিসেবে শুধুমাত্র ১৯৭৪ সালে একবার বিশ্বকাপ খেলার টিকিট কাটতে পেরেছিল অসিরা।

এরপর একের পর এক দারুণ সব পারফরম্যান্স উপহার দিয়েও অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারছিল না। এর মধ্যে ১৯৮৮ সালে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ানরা। বিসেন্টেনারি গোল্ডকাপে শেষ পর্যন্ত ফাইনাল খেলেছিল তারা। ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হেরে আর শিরোপা জেতায় হয়নি সেবার।

১৯৯৭ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল তারা। এরপর সেমিফাইনালে উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে উঠে যায় ফাইনালে। এবারও ব্রাজিলের কাছে ৬-০ গোলে হেরে শিরোপা বঞ্চিত থাকতে হয়। ২০০১ কনফেডারেশন্স কাপের গ্রুপ পর্বে সেবারের ডিফেন্ডিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তারা ১-০ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিলকেও।

২০০৩ সালে ইংলিশ তারকা ওয়েন রুনির অভিষেক ম্যাচে বোলিয়েন গার্ডেনে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এতসব সাফল্য সত্ত্বেও অস্ট্রেরিয়া মনে করছিল, কেন যেন তাদের ফুটবল এগুচ্ছে না। ওশেনিয়া মহাদেশে থাকার কারণে, বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের অবস্থানটা ঠিক সেভাবে তুলে ধরা যাচ্ছে না।

এ কারণে ২০০৫ সালে এসে তারা নিজেরা প্রস্তাব গ্রহণ করে এশিয়না ফুটবল কনফেডারেশন্সের (এএফসি) সঙ্গে যুক্ত হওয়ার। এএফসিও আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়াকে আমন্ত্রণ জানায় তাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার। ওসেনিয়া মহাদেশের ফুটবল কনফেডারেশন্স ওএফসিও অনুমোদন দেয় অস্ট্রেলিয়কে তাদের সংগঠন ত্যাগ করার। শেষ পর্যন্ত ফিফাও ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে এসে অনুমোদন দেয় অস্ট্রেলিয়াকে এএফসির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার।

২০০৬ সালের পর টানা সবগুলো বিশ্বকাপ খেলছে অস্ট্রেলিয়া। এরমধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য, ২০০৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড। ২০১৫ সালে এসে নিজেদের দেশের মাটিতে এশিয়া কাপের শিরোপাও জিতে নেয় তারা। অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র দেশ, যারা দুটি মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের শিরোপা ঘরে তুলে নিয়েছে।

২০১৮ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে গিয়ে অবশ্য অস্ট্রেলিয়াকে খেলতে হয়েছে প্লে-অফ। কনকাকাফাক অঞ্চলের দেশ হন্ডুরাসের বিপক্ষে দুই লেগের ম্যাচে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে রাশিয়ার টিকিট কাটে অস্ট্রেলিয়া। ২০১৯ কোপা আমেরিকায় বিদেশি তিন দেশের মধ্যে খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়াও।

বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে ফ্রান্স, পেরু এবং ডেনমার্কের বিপক্ষে লড়াই করবে অস্ট্রেলিয়ানরা। কোচ বার্ট ফন মারউইকের অধীনে বিশ্বকাপে মাইল জেডিনাক, ম্যাসিমো লোউনগো, অ্যারোন ময়, জ্যাকসন ইরভাইন, টিম কাহিল, রবি ক্রুজ, ম্যাথ্যু লেকিদের নিয়ে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া দলই যাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে।

Player Image

মাইল জেডিনাক

বরাবরের মত এবারও এশিয়ান অঞ্চল থেকে বিশ্বকাপে ঠাঁই করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। যদিও এবার তাদের জন্য বিশ্বকাপে তাদের যোগ্যতা অর্জন করতে হয়েছে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ খেলে। এএফসির জন্য নির্ধারিত ৪টি জায়গা থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। ৫ম হিসেবে খেলতে হয়েছে প্লে-অফ। কনকাকাফ অঞ্চলের দেশ হন্ডুরাসকে প্লে-অফে হারিয়েই তবে তারা জায়গা করে নিয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপে।

হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্লে-অফে জয়ের মূল নায়ক ছিলেন মাইল জেডিনাক। প্রথম লেগে হন্ডুরাসের মাঠে গিয়ে গোলশূন্য ড্র করে আসতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। ফিরতি লেগে নিজেদের মাঠে একাই যেন জ্বলে উঠলেন জেডিনাক। করলেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। তার এই হ্যাটট্রিকেই হন্ডুরাসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দেয় অস্ট্রেলিয়া।

  • পুরো নাম : মাইকেল জন ‘মাইল’ জেডিনাক
  • জন্ম : ৩ আগস্ট, ১৯৮৪
  • বয়স : ৩৩
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ২ ইঞ্চি
  • পজিশন : ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার
  • অস্ট্রেলিয়ার হয়ে : ৭৫ ম্যাচে ১৮ গোল

জেডিনাক তার কিছুদিন আগেই পড়েছিলেন গ্রোইন স্ট্রেইন ইনজুরিতে। যে কারণে গত বছর ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের পর বেশ কিছুদিন খেলতে পারেননি। যে কারণে ভুগতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে এবং সৌদি আরবের পেছনে থেকে তাদেরকে শেষ করতে হয়েছিল বাছাই পর্ব।

ওশেনিয়া ছেড়ে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হওয়ার পর থেকেই যেন বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি আসন নির্ধারিতই হয়ে রয়েছে। ২০০৬ সালে এএফসি সদস্য হওয়ার আগে লাতিন আমেরিকান কোনো একটি দেশের সঙ্গে প্লে-অফ খেলতে হতো অস্ট্রেলিয়াকে। সেই প্লে-অফ এতটাই কঠিন হতো তাদের জন্য যে, কখনোই বিশ্ব আসরে খেলা হতো না সকারুজদের। এফসিতে যোগ দেয়ার পর ২০০৬ থেকে টানা সবকটি বিশ্বকাপেই রয়েছে অস্ট্রেলিয়ানদের সরব উপস্থিতি।

স্কুল বয়স থেকেই জেডিনাকের মধ্যে বড় ফুটবলার হওয়ার জিদ কাজ করতে। এ কারণে স্কুল ফুটবলেই দলের নেতৃত্ব বর্তায় তার কাঁধে এবং সাফল্যও পেয়ে যান। লয়োলা সিনিয়র হাই স্কুলের হয়ে জেসুইট কাপে অধিনায়ক হিসেবে খেলে শিরোপাও জিতে নেন। সিডনি ইউনাইটেডের হয়ে শুরু করেন পেশাদার ক্যারিয়ার। ২০০১ থেকে এই ক্লাবে ছিলেন ২০০৬ সাল পর্যন্ত।

২০০৬ সালে সিডনি ইউনাইটেডের হয়ে নিউ সাউথওয়েলস প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ী দলে ছিলেন জেডিনাক। ওই পারফরম্যান্সই তাকে নিয়ে যায় সেন্ট্রলা কোস্ট মেরিনার্সে। এখানে খেলেন ৩ মৌসুম। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে দুর্দান্ত খেলার কারণে ডাক পেয়ে যান তুর্কি ফুটবল ক্লাব জেনক্লারবার্লিগিতে। ২০১১ সাল পর্যন্ত ছিলেন তিনি তুরস্কে। এরপরই জেডিনাক চলে আসেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব ক্রিস্টাল প্যালেসে।

প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবে গিয়েও সহজাত নেতৃত্বগুণ ছাড়তে পারেননি। ২০১২-১৩ মৌসুমেই পরেন নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড। সেবারই ক্রিস্টাল প্যালেসের প্লেয়ার অব দ্য সিজনের পুরস্কার জিতে নেন তিনি। ক্যারিয়ারের বড় অংশটাই তিনি কাটিয়েছেন ক্রিস্টালে। খেলেছেন ১৬৫ ম্যাচ। গোলও করেছেন ১০টি।

২০১৬ সালে এসে আরেকটি ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলায় নাম লেখান জেডিনাক। এই ক্লাবের হয়ে দুই মৌসুমে খেলে ফেলেছেন ৫৩ ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৭৫ ম্যাচ। গোল করেছেন ১৮। সবচেয়ে বড় কথা, অস্ট্রেলিয়া ফুটবল দলের অধিনায়কও তিনি।

Coach Image

বার্ট ফন মারউইক

বার্ট ভ্যান মারউইক। ১৯৫২ সালের ১২ই মে নেদারল্যান্ডসের দেভেন্তার শহরে তার জন্ম। প্রফেশনাল ফুটবলার হিসেবে ডাচ লিগে খেলেছেন ৩৯৩টি ম্যাচ যেখানে তার গোলসংখ্যা ৪৯টি। মিডফিল্ডার এবং ফরোয়ার্ড হিসেবেই ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ‘গো এহেড ঈগলস’ ক্লাবের হয়ে তার ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু।

এরপর একে একে এজেড আলকমার, এমভিভি ম্যাসট্রিখট, ফরচুনা সিটার্ড ক্লাবের হয়ে খেলে সুমন কুড়িয়েছেন বিশ্বব্যাপী। ফেয়েনোর্ড কিংবা ওয়েস্ট হ্যামের মত নামী ক্লাব থেকে অফার পেলেও ইনজুরির দরুন সেসব ক্লাবে খেলার সুযোগ হয়ে ওঠে নি তার। নেদারল্যান্ডসের হয়ে ১৯৭৫ সালে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে কেবল একটি ম্যাচেই খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।

ফুটবল শেষে নাম লেখান কোচের তালিকায়। ফরচুনা সিটার্ড ক্লাবের মাধ্যেম কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও তিনি বড় সাফল্যটি পান ফেয়েনোর্ডের কোচ থাকাকালীন । ২০০০-০১ সালে ফেয়েনোর্ডকে উয়েফা ইউরোপা কাপ জেতান তিনি। ২০০০-০৪ সময়টায় ফেয়েনোর্ডের কোচ থাকার পর নাম লেখান ইউরোপের আরেক বড় জায়ান্ট বুরুশিয়া ডর্টমুন্ড ক্লাবে।

এখানেও ধাতস্থ হতে পারেন নি তিনি। দুই মৌসুম পর আবারো ফেয়েনোর্ডে ফিরে যান। ২০০৮ সালে নেদারল্যান্ডস জাতীয় ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব পান। তার তত্ত্ববধানেই ২০১০ বিশ্বকাপের রানার্সআপ হয় নেদারল্যান্ডস। ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ডাচদের। ২০১২ ইউরো কাপেও নেদারল্যান্ডসের কোচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি কিন্তু গ্রুপ পর্ব থেকেই ডাচদের বিদায়ের পর মারউইকেরও বিদায় ঘন্টা বেজে যায়। তাকে ডাচ ফুটবলের কোচের পদ থেকে বরখাস্ত করে ডাচ ফুটবল কর্তৃপক্ষ।

এক মৌসুম বিরতি দিয়ে ২০১৩-১৪ মৌসুমে জার্মান ক্লাব হামবুর্গের দায়িত্ব পান। সেখান থেকে ২০১৫ সাল হন সৌদি আরব জাতীয় ফুটবল দলের কোচ। সৌদি আরবকে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার পেছনেও মূল কারিগর ছিলেন তিনি। সৌদি ফুটবল কর্তৃপক্ষ তাকে নতুন চুক্তির অফার করলেও তিনি সেটিকে অগ্রাহ্য করে সৌদি আরবের কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বিশ্বকাপের বছরের ২৪ জানুয়ারি তাকে নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় অস্ট্রেলিয়া ফুটবল ফেডারেশন।

অস্ট্রেলিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : ম্যাথ্যু রায়ান, ব্র্যাড জোন্স, ড্যানি ভুকোভিক।

ডিফেন্ডার : মিলোজ ডিগেনেক, জেমস মেরেডিথ, মার্ক মিলিগান, ম্যাথ্যু জারমন, আজিজ বেহিচ, জশ রিসডন, ট্রেন্ট সেইন্সবারি।

মিডফিল্ডার : মাইল জেডিনাক (অধিনায়ক), ম্যাসিমো লুয়ঙ্গো, অ্যারোন ময়, জ্যাকসন ইরভাইন, টম রোগিক।

স্ট্রাইকার: টিম কাহিল, ম্যাথ্যু লেকি, টমি জুরিক, রবি ক্রুজ, অ্যান্ড্রু ন্যাবুট, জেমি ম্যাক্লারেন, ড্যানিয়েল আরজানি, দিমিত্রি পেটরাটোস।

 অস্ট্রেলিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৭ জুন, ১৯২২, ডানেডিন
নিউজিল্যান্ড ৩ : ১ অস্ট্রেলিয়া

সবচেয়ে বড় জয়
১১ এপ্রিল, ২০০১, কোপ হারবার
অস্ট্রেলিয়া ৩১-০ আমেরিকান সামোয়া
(ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড এটি)

সবচেয়ে বড় হার
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫, অ্যাডিলেড
অস্ট্রেলিয়া ০ : ৮ দক্ষিণ আফ্রিকা

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (২০০৬)
এশিয়া কাপে অংশগ্রণ : ৩ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১ বার (২০১৫)
ওএফসি নেশন্স কাপ : ৬ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৪ বার (১৯৮০, ১৯৯৬, ২০০০, ২০০৪)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ৪ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (১৯৯৭)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : মার্ক শোয়ারজার (১০৯ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : টিম কাহিল (৫০টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া ১-১ জাপান
অস্ট্রেলিয়া ৩-২ সৌদি আরব
অস্ট্রেলিয়া ২-০ আরব আমিরাত
অস্ট্রেলিয়া ২-০ ইরাক
অস্ট্রেলিয়া ২-১ থাইল্যান্ড
জাপান ২-০ অস্ট্রেলিয়া
সৌদি আরব ২-২ অস্ট্রেলিয়া
আরব আমিরাত ০-১ অস্ট্রেলিয়া
ইরাক ১-১ অস্ট্রেলিয়া
থাইল্যান্ড ২-২ অস্ট্রেলিয়া
সিরিয়া ২-৩ অস্ট্রেলিয়া (প্লে-অফ)

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

জাপান

১০

+১০

২০

সৌদি আরব

১০

+৭

১৯

অস্ট্রেলিয়া

১০

+

১৯

আরব আমিরাত

১০

-৩

১৩

ইরাক

১০

-১

১১

থাইল্যান্ড

১০

-১৮

 

সময়সূচি

১৬ জুন, ২০১৮, ০৪:০০ পিএম

গ্রুপ সি , কাজান এরেনা

ফ্রান্স ফ্রান্স ২ - ১ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২১ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ সি , সামারা এরেনা

ডেনমার্ক ডেনমার্ক ১ - ১ অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২৬ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ সি , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ০ - ২ পেরু পেরু

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...