কোস্টারিকা

Team Image

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপটা ছিল মধ্য আমেরিকার দেশটির জন্য এক স্বপ্নময় অধ্যায়। বিশ্বকাপে কোস্টারিকা যে গ্রুপে খেলেছিল, সেটিকে বলা হচ্ছিল ডেথ গ্রুপ। সাবেক তিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইতালি, উরুগুয়ে এবং ইংল্যান্ড তাদের গ্রুপে। কোস্টারিকাকে তো কেউ গোনায়ও ধরেনি। সবাই হিসেব-নিকেশ করছিল, ওই গ্রুপ থেকে কোস্টারিকার সঙ্গে বাদ পড়বে কোন দলটি।

কিন্তু বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর ভোজবাজির মত উল্টে গেলো সব কিছু। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই কোস্টারিকা ঠেকিয়ে দিলো উরুগুয়েকে। আগের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট এবং দুটি বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে যতই হোক, তুলনামূলক শক্তিশালী তো ছিল কোস্টারিকার চেয়ে। কিন্তু ম্যাচে দেখা গেলো তার উল্টোটা। ৩-১ গোলে উরুগুয়েকে হারিয়ে দিলো মধ্য আমেরিকার দেশটি।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কোস্টারিকা মুখোমুখি হলো চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালির। এই ম্যাচে তো দ্য টিকোসরা উড়ে যাবে ইতালির আক্রমণের সয়লাবে। কিন্তু উল্টো আজ্জুরিদের ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় কেইলর নাভাসের দল। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইংলিশদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে, জিততেও পারেনি, হারেওনি। গোলশূন্য ড্র করেছে।

তিন ম্যাচে ৭ পয়েণ্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে কোস্টারিকা। সঙ্গী করে নিয়েছেন উরুগুয়েকে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় করে দিয়েছে ৫টি বিশ্বকাপজয়ী দুই দল ইতালি এবং ইংল্যান্ডকে। দ্বিতীয় রাউন্ডেও অব্যাহত কোস্টারিকার রূপকথা। দ্বিতীয় রাউন্ডে তারা হারিয়ে দিয়েছে গ্রিসকে। ১-১ গোলে ড্র থাকার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে যায় কোস্টারিকা। কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়ে আর পারেনি। নেদারল্যান্ডের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করার পর টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয় নাভাসের দলকে।

কোস্টারিকার জাতীয় দল গঠন হওয়ার তিন বছর পর প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান কোনো দেশ মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকান প্রতিদ্বন্দ্বীর। ১৯২১ সালে যাত্রা শুরু করে কোস্টারিকার জাতীয় ফুটবল দল’ কিন্তু ঐতিহ্যে ভারী হলেও, বিশ্বকাপের মতো আসরে বরাবরই দুর্বল দেশগুলোর একটি তারা। এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলেছে মোটে চারবার।

এর মধ্যে ২০১৪ সালের আগে কোস্টারিকার জন্য ১৯৯০ সালের অভিষেক আসরটিই সবচেয়ে স্মরণীয়। সেবার গ্রুপপর্বে সুইডেন ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছিল মধ্য আমেরিকার দেশটি। কোস্টারিকান ফুটবলে এটাই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল। তবে ২০১৪ সালে এসে এই সাফল্যকেও ছাড়িয়ে যায়। ২০০২ এবং ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিলো কোস্টা রিকা। ২০১৪ সালে এসে নিজেদের ছাড়িয়ে যাওয়ার মিশনে নেমেছে তারা। সফলও হয়েছিল। খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল।

এবার কোচ অস্কার র‌্যামিরেজের অধীনে দুর্দান্ত একটি দল খেলবে বিশ্বকাপে। গোলরক্ষক কেইলর নাভাস তো রয়েছেনই। যাকে ভেদ করে গোল করা অসম্ভব ছিল যে কারো জন্য। তিনি ছাড়াও রয়েছেন স্ট্রাইকার ব্রায়ান রুইজ, জোয়েল ক্যাম্পবেল, মার্কো উরেনা, সেলসো বোর্গেস, অস্কার দুয়ার্তে, ব্রায়ান ওভিয়েদোর মত ফুটবলাররা। বিশ্বকাপে কোস্টারিকা খেলবে এবার ‘ই’ গ্রুপে ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড এবং সার্বিয়ার বিপক্ষে।

Player Image

কেইলর নাভাস

২০১৪ বিশ্বকাপেই বাজিমাত করেছিলো মধ্য আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। ব্রাজিল বিশ্বকাপে দেশটি খেলেছিল ডি গ্রুপে। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই উরুগুয়েকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দেয় কোস্টারিকানরা। পরের ম্যাচে ইতালিকে হারিয়ে দেয় ১-০ গোলে এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের সঙ্গে করে গোলশূন্য ড্র। গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড আর ইতালির মত দুই পরাশক্তিকে বিদায় করে দেয় মধ্য আমেরিকার দেশটি।

কোস্টারিকার এমন অসাধারণ পারফরম্যান্সের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ছিল দেশটির গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের। পোস্টের নিচে যেন তিনি শীষাঢালা প্রাচীর। তাকে ফাঁকি দিয়ে কোস্টারিকার জালে বল প্রবেশ করাবে, এমন সাধ্য কার! বর্তমান সময়ের বিশ্বসেরা যে ক’জন গোলরক্ষক রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম নাভাস।

  • পুরো নাম : কেইলর আন্তোনিও নাভাস গাম্বোয়া
  • জন্ম : ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৮৬
  • বয়স : ৩১
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ১ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : গোলরক্ষক
  • কোস্টারিকার হয়ে : ৭৬ ম্যাচে ০ গোল

ব্রাজিল বিশ্বকাপে উরুগুয়ের বিপক্ষে একটি গোলই শুধু হজম করেছিলেন তিনি। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই কোস্টারিকা উঠে গিয়েছিল দ্বিতীয় রাউন্ডে। সেখানে তারা মুখোমুখি হয় গ্রিসের। সাবেক ইউরো চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে ১-১ গোলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত কেইলর নাভাসের সামনেই হার মানতে হলো গ্রিসকে। থিওফানি গিকাসের শট ঠেকিয়ে নায়কে পরিণত হন তিনি। নাভাসই হয়েছিলেন ম্যাচ সেরা।

কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের সামনে অবশ্য আর টিকতে পারেনি কোস্টারিকানরা। যদিও কেইলর নাভাস খেলার পুরো ৯০ মিনিটের সঙ্গে অতিরিক্ত সময়েও কোনো গোল হজম করেননি। পরে টাইব্রেকার নামক ভাগ্য পরীক্ষায় হেরে যেতে হয়েছে তাদের এবং সেবার আর ভাগ্যকে নিজেদের পক্ষে পাননি নাভাসরা।

পরাজিত দলে থাকলেও, এই ম্যাচেরও সেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন নাভাস। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে মাত্র ৫ ম্যাচ খেলে এর ৩টিতেই ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের সেরা তিনের তালিকায়ও উঠে এসছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যানুয়েল ন্যুয়ারের কাছে সেরার মুকুট হারাতে হয়েছিল তাকে।

বিশ্বকাপে কেইলর নাভাসের পারফরম্যান্স বেশ নজর কাড়ে রিয়াল মাদ্রিদের। স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি ততদিনে একজন নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষকের খোঁজে। ইকার ক্যাসিয়াসের ক্যারিয়ার প্রায় শেষের দিকে। বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়েছেন। এমনকি রিয়াল ছাড়ারও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল ক্যাসিয়াসের। নাভাসকে পেয়ে তাই রিয়াল আর বিলম্ব করতে রাজি ছিল না। ১০ মিলিয়ন ইউরো রিলিজ ক্লজ পরিশোধ করে দ্রুতই কোস্টারিকান এই ফুটবলারকে চুক্তিবদ্ধ করে নেয় লজ ব্লাঙ্কোজরা। যদিও রিয়ালের আগেই স্প্যানিশ ফুটবলে খেলছিলেন নাভাস। ২০১২ সাল থেকেই ছিলেন লেভান্তের গোলরক্ষক।

শুরুতে ক্যাসিয়াসের কারণে বেশ কিছুদিন সাইডবেঞ্চই ছিল যেন তার নিয়তি। ২০১৫-১৬ মৌসুমে ইকার ক্যাসিয়াসের বিদায়ের পর স্থায়ীভাবে ১ নম্বর জার্সিটা উঠে গেলো নাভাসের গায়ে। তবে রিয়াল চেয়েছিল নাভাসের পরিবর্তে ডেভিড ডি গিয়াকে ম্যানইউ থেকে নিয়ে আসতে। দুই ক্লাব এই বিনিময়ের ব্যাপারে রাজিও হয়েছিল; কিন্তু ফিফার কাছে সময়মত সঠিক কাগজ-পত্র জমা না দেয়ায় এই চুক্তিটা আর কার্যকর হলো না। ২০১৫-১৬ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নতুন রেকর্ড গড়েন নাভাস। তার নিজের প্রথম ৮ ম্যাচে কোনো গোল হজম করেননি তিনি।    

রিয়াল মাদ্রিদ যে টানা তিনটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় করলো, তার সবগুলোতেই পোস্টের নিচে দাঁড়িয়েছেন কেইলর নাভাস। বর্তমান সময়ে নাভাসের নাম উচ্চারিত হচ্ছে বিশ্বসেরা গোলরক্ষকদের কাতারে। রাশিয়া বিশ্বকাপে যদি ব্রাজিল বিশ্বকাপের মত পারফরম্যান্স দেখাতে পারেন, তাহলে নিশ্চিত তিনি হয়ে যাবেন সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষকদের একজন। 

Coach Image

অস্কার রামিরেজ

অস্কার রামিরেজ। ১৯৬৪ সালের ৮ ডিসেম্বর কোস্টার রিকার সান অ্যান্থনিও দে বেলেন শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে তিনি ছিলেন একজন মিডফিল্ডার। নিজ দেশ কোস্টা রিকার লিগে আলাউএলেন্সে ক্লাবের হয়ে ১৯৮৩ সালের ১৩ই নভেম্বর অভিষেক হয় তার।

ক্যারিয়ারের দীর্ঘ সময় কাতান এই ক্লাবেই। ১৯৯৩ সালে আলাউএলেন্সে ক্লাব ছাড়ার আগে এই ক্লাবের হয়ে ৩১৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ৩১ গোল। ১৯৯৩-৯৫ সালে খেলেন কোস্টা রিকার আরেক ক্লাব সাপ্রিসাতে। এরপরের দু ববছর বেলেন ক্লাবের হয়ে ৭৪ ম্যাচে ৬ গোল করে আবার ১৯৯৭ সালে ফিরে আসেন সাপ্রিসাতেই। এই ক্লাবের হয়ে সর্বমোট ১৬৭ ম্যাচ খেলে ৬ গোল করে ক্যারিয়ারের অন্তিম সময়ে পাড়ি জমান কোস্টা রিকার দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব গাউনাকাস্টেকাতে। ২০০০ সালে পেশাদার ফুটবলকে ইতি জানান কোস্টার রিকার তরুণ ফুটবলারদের কাছে আদর্শ হয়ে ওঠা এই ফুটবলার।

ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি জাতীয় দলেও তার বিচরণ ছিল চোখে পড়ার মত। ৭৫ ম্যাচে ৬ গোল করার পাশাপাশি দলকে মোট ২১টি ম্যাচে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৯৮৫ সালে এলসালভেদরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এবং ১৯৯৭ সালে সেই এল সালভেদরের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের ক্যারিয়ারের ইতি টানেন তিনি। মাঝে ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে কোস্টা রিকার হয়ে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। এছাড়া ১৯৯১ সালের কনকাকাফ গোল্ড কাপ এবং ১৯৯৭ সালে বলিভিয়ায় হওয়া কোপা আমেরিকাতে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন বর্ষীয়ান এই ফুটবলার।

ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে ২০০২ সালে সাপ্রিসা ক্লাবের সহকারি কোচ হিসেবে যোগ দেন রামিরেজ। এই ক্লাবের ঈর্শ্বনীয় সাফল্য আসে তার হাত ধরেই। এক নাগারে কোপা সেন্ট্রোআমেরিকানা, কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পাশাপাশি ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সাপ্রিসা। তার এমন সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে ২০০৬ সালেই কোস্টা রিকার সহকারি কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় তাকে।

২০১০ সালে সেই দায়িত্ব ছেড়ে যোগ দেন নিজের সাবেক ক্লাব আলাউএলেন্সেতে, তবে এবার কোচ হিসেবে। ২০১২ সালে কোস্টা রিকার বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার জিতলেও ২০১৩ সালেই আলাউএলেন্সে ক্লাবের কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। কিন্তু সেই বছরেই রাগ ভেঙে ফিরে আসেন ক্লাবে।

২০১৫ সালের আগস্ট মাসে কোস্টার রিকার জাতীয় দলের কোচ পাওলো ওয়ানশপের সহকারি কোচ হিসেবে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগ পান তিনি। কিন্তু পানামার সাথে ওয়ানশপের মারামারির কারণে ওয়ানশপের পরিবর্তে রামিরেজকেই পরবর্তিতে জাতীয় দলের প্রধান কোচ করা হয়। তার অধীনেই কোস্টা রিকা বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে নেয়।

কোস্টারিকার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : কেইলর নাভাস, প্যাট্রিক প্যাম্বার্টন, লিওনেল মোরেইরা।

ডিফেন্ডার : ক্রিশ্চিয়ান গ্যাম্বোয়া, ইয়ান স্মিথ , রোনাল্ড ম্যাতেরিতা, ব্রায়ান অভিয়েদো, অস্কার দুয়ার্তে, গিয়ানসারলো গঞ্জালেজ, ফ্রান্সিসকো স্যাল্ভো, কেন্ডাল ওয়াস্টন, জনি অ্যাকোস্টা।

মিডফিল্ডার :
ডেভিড গুজম্যান, ইয়েলসিন তেজেদা, সেলসো বোর্গেস, র‌্যান্ডাল আজোফেইফা, রডনি ওয়ালেস, ব্রায়ান রুইজ (অধিনায়ক), ড্যানিয়েল কলিন্দ্রেস, ক্রিশ্চিয়ান বোলানস।

ফরোয়ার্ড : ইয়োহান ভেনেগাস, জোয়েল ক্যাম্পবেল, মার্কো ইউরেনা।

কোস্টারিকা

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯২১, গুয়াতেমালা সিটি
কোস্টারিকা ৮ : ০ এল সালভাদর

সবচেয়ে বড় জয়
১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৬, বারাঙ্কুইলা, কলম্বিয়া
কোস্টারিকা ১২ : ০ পুয়ের্তোরিকো

সবচেয়ে বড় হার
১৭ আগস্ট, ১৯৭৫, মেক্সিকো সিটি
মেক্সিকো ৭ : ০ কোস্টারিকা

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল (২০১৪)
কনকাকাফ গোল্ড কাপে অংশগ্রণ : ১৮ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৩ বার (১৯৬৩, ১৯৬৯, ১৯৮৯)
কোপা আমেরিকায় অংশগ্রহণ : ৫বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল ২ বার (২০০১ ও ২০০৪)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ওয়াল্টার সেন্টেনো (১৩৭ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : রোল্যান্ডো ফনসেকা (৪৯টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো কোস্টারিকা

কোস্টারিকা ১-১ মেক্সিকো
কোস্টারিকা ০-০ পানামা
কোস্টারিকা ১-১ হন্ডুরাস
কোস্টারিকা ৪-০ আমেরিকা
কোস্টারিকা ২-১ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
মেক্সিকো ২-০ কোস্টারিকা
পানামা ২-১ কোস্টারিকা
হন্ডুরাস ১-১ কোস্টারিকা
আমেরিকা ০-২ কোস্টারিকা
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ০-২ কোস্টারিকা

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোলপার্থক্য

পয়েন্ট

মেক্সিকো

১০

+৯

২১

কোস্টারিকা

১০

+

১৬

পানামা

১০

−১

১৩

হন্ডুরাস

১০

−৬

১৩

আমেরিকা

১০

+৪

১২

ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো

১০

−১২

 

সময়সূচি

১৭ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ ই , সামারা এরেনা

কোস্টারিকা কোস্টারিকা ০ - ১ সার্বিয়া সার্বিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২২ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ ই , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

ব্রাজিল ব্রাজিল ২ - ০ কোস্টারিকা কোস্টারিকা

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম

সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড ২ - ২ কোস্টারিকা কোস্টারিকা

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম দুই হোম ম্যাচের জন্য দুটি ভেন্যু বেছে নিয়েছিল ভারত।...

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে ফুটবলারদের প্রায় দুই সপ্তাহ ছুটি দিয়েছেন...

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

কথায় আছে- শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। মঙ্গলবার রাতে তাজিকিস্তানের দুশানবেতে...

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম টেস্ট ঘিরে গত পাঁচদিন ক্রীড়ামোদীদের চোখ ছিল চট্টগ্রামে।...