মিসর

Team Image

আফ্রিকান যে কোনো দেশের তুলনায় মিসরের ফুটবল ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। আফ্রিকান এবং এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে মিসরই সবার আগে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে খেলেছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। যদিও মিসরীয়দের সাম্রাজ্য খুব বেশিদুর এগুতে পারেনি। প্রথম পর্বেই তাদের দৌড় থেমে গিয়েছিল। এরপর ১৯৩৮ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যাহারই করে নিয়েছিল তারা। ১৯৫০ বিশ্বকাপে খেলারই আগ্রহ প্রকাশ করেনি। ১৯৫৪ বিশ্বকাপে বাছাই পর্বে টিকতে পারেনি। আর ১৯৫৮ বিশ্বকাপে মিসর খেলেনি, ইসরাইলের খেরার প্রতিবাদে।

অথ্যাৎ, ১৯৩৪ সালের পর নানা কারণে আর বিশ্বকাপই খেলা হয়নি আফ্রিকান দেশটির। ১৯৯০ সালে গিয়ে, ৬০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল তারা। ধুমকেতুর মত উদয় হওয়ার পর যেন আবারও হারিয়ে যাওয়াই নিয়তি মিসরীয়দের। সে কারণে ২৮ বছর আবারও অনুপস্থিত। অবশেষে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট কেটে নিয়েছে নীল নদের দুহিতারা।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপের আগে মিসরীয়রা অবশ্য একজন ‘রাজা’ পেয়ে গেলেন। কেউ কেউ তো তাকে আধুনিও ফারাও বলতেও দ্বীধা করছেন না। এমনকি মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রায় ১০ লাখ ভোটার কোনো প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে ব্যালটের নিচে সেই ‘রাজা’র নামটি লিখে দিয়ে এসেছেন। অর্থ্যাৎ আহমেদ ফাত্তাহ আল সিসি নয়, মিসরীয়রা তাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে চায় সেই ‘রাজা’কেই।

নতুন রাজা আর কেউ নন, মোহামেদ সালাহ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা মিসরীয় ফুটবলার। ফুটবল বিশ্বে ইতিমধ্যেই যার ক্রেজ ছড়িয়ে পড়েছে। দিক থেকে দিগন্তে। মোহামেদ সালাহর একক নৈপুন্যেই ২৮ বছর পর আবারও বিশ্বকাপে নাম লিখিয়েছে মিসরীয়রা।

আফ্রিকা মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট, আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে সবচেয়ে সফল দল মিসর। মোট সাতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫৭ সালে। ওই আসরের শিরোপা জিতে নেয় মিশর। এরপর ১৯৫৯, ১৯৮৬, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০০৮ এবং ২০১০ সালের আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের শিরোপা যায় তাদের ঘরে।

২০১৭ আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের ফাইনালেও উঠেছিল মিসরীয়রা। তবে ক্যামেরুনের কাছে হেরে শিরোপা পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়নি তাদের। তবে, ক্যামেরুন বিশ্বকাপে না থাকলেও মিসর ঠিকই ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গাটা করে নিয়েছে।

মিসর ফিফা র‌্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ ৯ম স্থান পর্যন্ত অর্জন করেছিল। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে কেবল তিনটি দেশই ফিফা র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশের মধ্যে আসতে পেরেছিল। তাদের মধ্যে মিসর একটি। অথচ, এত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য যাদের তারাই কি না এর আগে মাত্র ২টি বিশ্বকাপ খেলতে পেরেছিল। এবার নিয়ে তৃতীয়বার।

মোহামেদ সালাহ ছাড়াও মিসর দলটিতে রয়েছে অনেকগুলো তারকা ফুটবলার। আর্সেনালে খেলা মোহামেদ এল নেনি। স্টোক সিটিতে খেলা রামাদান সোভি, উইগান অ্যাটলেটিকে খেলা স্যাম মুরসি, আল আহলির স্ট্রাইকার মারওয়ান মহসিন, অ্যাস্টন ভিলার ডিফেন্ডার আহমেদ এল মোহাম্মেদি, ওয়েস্টব্রমের আহমেদ হেগাজি এবং আলি গাবার।

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ‘এ’ গ্রুপে খেলবে মিসর স্বাগতিক রাশিয়া, উরুগুয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ সৌদি আরব। আর্জেন্টাইন কোচ হেক্টর কুপারের অধীনে মিসর এবারের বিশ্বকাপে কতদুর যেতে পারে সেটাই এখন দেখার।

Player Image

মোহামেদ এলনেনি

মোহামেদ এলনেনি। প্রিমিয়ার লিগের যারা খোঁজ-খবর রাখেন তাদের কাছে পরিচিত নাম এলনেনি। আর্সেনালের মাঝমাঠের এই ফুটবলার প্রিমিয়ার লিগ এবং ইউরোপা লিগে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন। কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারের অধীনে শাণিত করেছেন নিজেকে। ২০০৮ সালে তার ফুটবল অধ্যায়ের শুরু হয় আল আহলির যুব দলের হয়ে। সেখান থেকে ২০১০-১১ মৌসুমেযোগ দেন মিসরীয় ক্লাব মাকালুন এসসিতে।

খুব দ্রুতই দলের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে পারফর্মেন্স দিয়ে একাদশে নিয়মিত জায়গা করে নেন এই ফুটবলার। মিসরীয় প্রিমিয়ার লিগ ২০১১-১২ সাল বাতিল করলে কিছুটা ঝামেলায় পড়েন এলনেনি। কিন্তু তার উপর নজর ছিল ইউরোপের অন্যান্য শীর্ষ ক্লাবগুলোর। ২০১৩ সালে এলনেনিকে আমন্ত্রণ জানানো হয় সুইস ক্লাব বাসেলের অনুশীলনে। সেখানে কিছু সময় অনুশীলন করেই মন জয় করে নেন ক্লাব কর্তৃপক্ষের।

  • পুরো নাম: মোহামেদ নাসের এলসায়েদ এলনেনি
  • জন্ম : ১১ জুলাই, ১৯৯২
  • বয়স : ২৫
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ১১ ইঞ্চি
  • পজিশন : ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার
  • মিশরের হয়ে : ৫৭ ম্যাচে ৫ গোল

২০১৩ সালে এক প্রীতি ম্যাচে স্টুয়া বুখারেস্টের বিপক্ষে বাসেলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয় তার। সেই ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র হলেও সেই ম্যাচে নিজের সেরাটা দিয়ে খেলেন এলনেনে। লোনে তাকে জুন পর্যন্ত চুক্তি করালেও তাকে স্থায়ীভাবে এরপরেই দলে টেনে নেয় সুইস ক্লাবটি। চার বছরের চুক্তিতে বাসেলে যোগ দেন এলনেনি।

২০১৩-২০১৬ চার মৌসুমে বাসেলের হয়ে জয় করেছেন চারটি সুইস লীগ শিরোপা। ২০১৪-১৫ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নকআউট রাউন্ডে ওঠে তার দল বাসেল। পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেলে নজর কাড়েন ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালের। যার দরুণ মাত্র ৭.৪ মিলিয়ন পাউন্ডে তাকে দলে ভেড়ান আর্সেন ওয়েঙ্গার। আর্সেনালের জার্সি গায়েও ছিলেন উজ্জ্বল।

৩০ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে বার্নলির বিপক্ষে এফএ কাপে গানারদের হয়ে অভিষেক হয় তার। আর্সেনালের জার্সি গায়ে প্রথম গোলটিই তিনি করেন অন্যতম বিশ্বসেরা দল বার্সেলোনার বিপক্ষে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট রাউন্ডে বার্সেলোনার বিপক্ষে নিজের প্রথম গোলটি করেন এলনেনে। গানারদের হয়ে ৬৯টি ম্যাচ খেলে ২ গোল করলেও তার কাজ মূলতঃ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা। সে কাজটাই খুব ভালোভাবে করেছেন এলনেনে। চলতি বছরের মার্চেই আর্সেনালের সাথে চুক্তি বাড়ান তিনি।

জাতীয় দলের হয়েও বেশ উজ্জ্বল তিনি। ২০১২ সালের অলিম্পিকে মিশর দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন তিনি। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে জাপানের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় মিসরকে। প্রথমবারের মোট মিশর জাতীয় দলের হয়ে খেলার ডাক পান ২০১৭ সালে আফ্রিকান নেশন্স কাপে। যেখানে দলকে ফাইনালে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। তাছাড়া আফ্রিকান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই পর্বেও ভালো খেলে দলকে ১৯৯০ সালের পর প্রথমবারের মোট বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে সাহায্য করেন।

Coach Image

হেক্টর রাউল কুপার

হেক্টর রাউল কুপার। ১৯৫৫ সালের ১৬ই নভেম্বর আর্জেন্টিনার সান্তা ফে শহরের সাবাস নামক জায়গায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রফেশনাল ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি ছিলেন একজন সেন্টার ব্যাক। ফুটবল ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময়ই কাটিয়েছেন শৈশবের ক্লাব ফেরো সারিল ওয়েস্তে ক্লাবে। এই ক্লাবের হয়ে ৪২৯ ম্যাচে করেছেন ২৪ গোল।

ডিফেন্ডার হয়েও গোল করায় বেশ পারদর্শী ছিলেন তিনি। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে ১৯৮৮ সালে যোগ দেন আর্জেন্টাইন ক্লাব হুরাকানে। ৫ মৌসুম সেই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন ১৩২টি ম্যাচ, করেছেন ৮ গোল। ক্লাবে দুর্দান্ত খেলার জন্য জায়গা করে নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার জাতীয় দলেও। অবশ্য আকাশী-নীল জার্সি গায়ে মাত্র তিনবার মাঠে নামার সুযোগ হয়েছিল তার।

১৯৯২ সাল ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে পরের বছরেই যোগ দেন হুরাকেনের কোচ হিসেবে। দুই মৌসুম হুরাকেনের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর যোগ দেন লানুস ক্লাবে। সেখান থেকে চলে আসেন স্পেনে। মায়োর্কার হয়ে ১৯৯৭-৯৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে দুবার দুটি ভিন্ন প্রতিযোগিতার ফাইনালে ওঠান দলকে। ১৯৯৮ সাল কোপা দেলরের ফাইনালে বার্সেলোনার কাছে পরাজয় বরণ করেন এবং পরের বছর উয়েফা উইনার্স কাপের ফাইনালে লাজিওর কাছে হারতে হয় তাদের।

১৯৯৯ সালে যোগ দেন স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়াতে। নিজের দুর্ভাগ্য এখানেও বয়ে নিয়ে আসেন তিনি। টানা দুই মৌসুম চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদ এবং বায়ার্ন মিউনিখের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে হেরে বিদায় নেয় তার ভ্যালেন্সিয়া।

২০০১ সাল যোগ দেন ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলানে। ইন্টারের সময়টাও ছিলে দুঃস্বপ্নের মত। ২০০২-০৩ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে এসি মিলানের বিপক্ষে এওয়ে গোলের কারণে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় তার ইন্টার মিলান। লিগেও পারফরম্যান্স আশানরূপ ছিল না বিধায় বরখাস্ত করা হয় তাকে।

২০০৪ সালে আবার ফিরে আসেন মায়োর্কাতে। মাঝের কয়েক বছর রিয়াল বেটিস, পার্মা এবং রেসিং সান্তাদারের হয়ে কোচের দায়িত্ব পালন করলেও কোথাও থিতু হতে পারেন নি। অবশেষে তার সামনে আশীর্বাদ হয়ে মিসরের জাতীয় ফুটবল দলের কোচের পদ। ২০১৫ সালে মিসরের কোচের দায়িত্ব নিয়ে দলকে দেখাতে থাকেন বিশ্বকাপের স্বপ্ন। ২০১৭ আফ্রিকান নেশন্স কাপের সেমিফাইনালে হারলেও তার অধীনে ২৮ বছর পর ঠিকই বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় মিসর।

মিসরের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : এসাম এল হাদারি, মোহামেদ এল শেনাউই, শেরিফ একরামি।

ডিফেন্ডার : আহমেদ ফাতহি, সা’দ সামির, আয়মান আশরাফ, মাহমুদ হামদি, মোহামেদ আবদেল-শাফি, আহমেদ হেগাজি, আলি গাবর, আহমেদ এল মোহাম্মদি, ওমর গাবের।

মিডফিল্ডার : তারেক হামেদ, শিকাবালা, আব্দাল্লাহ সাঈদ, সাম মুরসি, মোহামেদ এলনেনি, মাহমুদ কাহরাবা, রামাদান সোবহি, মাহমুদ হাসান, আমর ওয়ারাদা।

ফরোয়ার্ড : মারওয়ান মোহসেন, মোহামেদ সালাহ।

মিসর

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
২৪ আগস্ট, ১৯২০, ঘেন্ট, বেলজিয়াম
ইতালি ২ : ১ মিসর

সবচেয়ে বড় জয়
১৫ নভেম্বর, ১৯৬৩, জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
মিসর ১৫ : ০ লাওস

সবচেয়ে বড় হার
১০ জুন, ১৯২৮, আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
ইতালি ১১ : ৩ মিসর

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৩ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (১৩তম, ১৯৩৪)
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে অংশগ্রণ : ২৩ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৭ বার (১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৮৬, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০০৮ এবং ২০১০)
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ২ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (১৯৯৯ এবং ২০০৯)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : আহমেদ হাসান (১৮৪ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : হোসাম হাসান (৭০টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো মিসর

মিসর ১-০ উগান্ডা
মিসর ২-০ ঘানা
মিসর ২-১ কংগো
উগান্ডা ১-০ মিসর
ঘানা ১-১ মিসর
কংগো ১-২ মিসর

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

 পয়েন্ট

মিসর

+

১৩

উগান্ডা

+১

ঘানা

+২

কংগো

−৭

 

সময়সূচি

১৫ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ এ , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

মিসর মিসর ০ - ১ উরুগুয়ে উরুগুয়ে

ম্যাচ রিপোর্ট
১৯ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ এ , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

রাশিয়া রাশিয়া ৩ - ১ মিসর মিসর

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এ , ভলগোগ্রাদ এরেনা

সৌদি আরব সৌদি আরব ২ - ১ মিসর মিসর

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...