ইরান

Team Image

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম সেরা দল ইরান। নিজেদের ইতিহাসে মাত্রই পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে তারা। নিজ অঞ্চলের সেরা দলের তকমা নিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা বেশ আত্মবিশ্বাসের। তবে ‘বি’ গ্রুপে পর্তুগাল, স্পেন এবং মরক্কোর মতো প্রতিপক্ষ থাকায় স্বস্তির জায়গা নেই ইরানের।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে এএফসি অঞ্চলের কঠিন বাধা পেরিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পায় ইরান। এর আগে বিশ্বকাপের ১৯৭৮, ১৯৯৮, ২০০৬ এবং ২০১৪ সালের আসরে খেলেছিল ইরান। কিন্তু প্রতিবারই প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছে এশিয়ার দলটি। রাশিয়া বিশ্বকাপে তাই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য গ্রুপপর্বের বাধা পেরিয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করা। বিশ্বকাপে একমাত্র জয় ইরানের, ১৯৯৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।

এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে ইরানই ফিফা র‌্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ জায়গায় এসেছিল ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে। সেবার তারা চলে এসেছিল বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের ১৫তম স্থানে। বর্তমানে ইরান রয়েছে র‌্যাংকিংয়ের ৩৬তম স্থানে।

১৯২০ সালে ইরান ফুটবল ফেডারেশন গঠন করা হয়। ১৯২৬ সালে তেহরান একাদশ নামে সোভিয়েত ইউনিয়নে গিয়ে একটি ম্যাচ খেলে ইরান। সেটাই ছিল তাদের প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ। প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে তারা ১৯৪১ সালে, কাবুলে গিয়ে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে জিতেছিল ১-০ গোলে। তবে ফিফা স্বীকৃত প্রথম ম্যাচ খেলে ১৯৪১ সালেই আফগানদের বিপক্ষে।

১৯৬৮, ৭২ এবং ১৯৭৬ সালে টানা তিনবার এশিয়া কাপ জয়ের রেকর্ড রয়েছে ইরানের। ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় ইরানিরা। তবে ১৯৮০’র বিপ্লবের পর ইরান ফুটবল কিছুটা থমকে যায়, বিশেষ করে ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় (১৯৮০-১৯৮৮)। ১৯৮২ সালে এশিয়া কাপের বাছাই এবং ১৯৮৬ সালের বাছাই পর্ব থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। তবে ১৯৯০ সালের পর আবারও ফুটবলে ফিরতে শুরু করে তারা এবং ১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

এরপর টানা ছুটছে ইরানিয়ান ফুটবলের জয়রথ। যদিও, এশিয়া কাপে আর কোনো শিরোপা জিততে পারেনি তারা। তবুও, ১৯৯৮, ২০০৬ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে তারা। এবারই প্রথম টানা দু’বার বিশ্বকাপে খেলছে ইরান ফুটবল দল।

কোচ কার্লোস কুইরোজের অধীনে এবার বাছাই পর্বেও ইরান খেলেছে দুর্দান্ত। বিশ্বকাপেও একই পারফরম্যান্স ধরে রাখার লক্ষ্য তাদের। বিশেষ করে, প্রথমবারেরমত নকআউট পর্বে খেলার ইচ্ছা ইরানিদের। এহসান হাজসাফি, করিম আনসারিফার্ড, মাসুদ সোজাই, অশকান দেজাগাহ, আলি রেজা জাহানবক্সদের মত দারুন সব পারফরমার রয়েছে ইরান দলে।

Player Image

এহসান হাজসাফি

ইরানিয়ান ফুটবলার এহসান হাজসাফিকে এক কথায় পরিচয় করিয়ে দেয়া যায়, সব্যসাচী ফুটবলার। সব কাজের কাজী। ফুটবল মাঠে কোচ ইচ্ছা করলে তাকে যে কোনো পজিশনেই খেলাতে পারেন। মূলতঃ তার পরিচয় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। কিন্তু এহসান হাজসাফি চাইলে সেন্টার ব্যাক, লেফট ব্যাক, লেফট মিডফিল্ডার, উইঙ্গার- যে কোনো পজিশনেই নিজেকে ফিট করে নিতে পারেন।

ইরানিয়ান এই ফুটবলারের অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ। ২০০৯ সালেই ফুটবল বিষয়ক বিখ্যাত ওয়েবসাইট গোল ডটকম হাজসাফিকে এশিয়ার সবচেয়ে প্রতিভাবান এবং উদীয়মান ফুটবলার হিসেবে ঘোষণা করে। দুটি এশিয়া কাপ, একটি বিশ্বকাপ এবং একটি ক্লাব বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে এহসান হাজসাফির।

মাত্র ১০ বছর বয়সেই স্থানীয় ক্লাব জব আহানের হয়ে খেলা শুরু করেন হাজসাফি। ২০০৬ সাল পর্যন্ত ছিলেন এই ক্লাবে। ২০০৬ সালে যোগ দেন সেপাহানে। এই ক্লাবের যুব একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন তিনি। ২০০৭ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শুরুতে সেপাহানের হয়ে প্রথম দুটি ম্যাচ খেলেন তিনি। এরপর থেকেই ইরানিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাবটির নিয়মিত একাদশের সদস্য হয়ে যান এহসান। সেন্টার এবং লেফট মিডফিল্ডেই নিয়মিত খেলা শুরু করেন তিনি। ছিলেন সেট পিচ মাস্টার। ২০০৭-০৮ মৌসুমে সেপাহানের হয়ে ৬টি গোলও করেন তিনি।

২০০৮-০৯ মৌসুমেও সেপাহানের হয়ে দুর্দান্ত সময় কাটান হাজসাফি। ২০০৯-১০ মৌসুমে এসে লেফক ব্যাকে তাকে পরীক্ষা করে দেখেন সেপাহান কোচ। ওই বছরই হাজসাফির ক্লাব লিগ শিরোপা জয় করে নেয়। যে কারণে ক্লাব কর্তৃপক্ষ আরও দুই বছরের জন্য তার চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নেয়।

২০১১ সালে এহসান হাসজাফিকে ট্রাক্টর সাজির কাছে দেয়া হয়। এক বছর ট্রাক্টরের হয়ে খেলেছেন ৪৬ ম্যাচ। করেছেন ৯ গোল। ট্রাক্টরকে ওই মৌসুমে রানারআপ করেন হাসজাফি। তাদের ক্লাব ইতিহাসে সবচেয়ে সেরা সাফল্য ছিল এটি। লোনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সেপাহানে ফিরে আসেন হাজসাফি।

২০১৫-১৬ মৌসুমে এসে ইউরোপে পাড়ি জমান হাজসাফি। যোগ দেন জার্মান বুন্দেসলিগা-২ এর দল এফএসভি ফ্রাঙ্কফুর্টে। জার্মান ক্লাবটিতে তাকে লেফট ব্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তবে দ্রুতই ফ্রাঙ্কফুর্টে নিজেকে তিনি একজন সেটপিচ মাস্টার হিসেবে প্রমাণ করে দেন। ২০১৬ সালের ১৩ মার্চ, এফসি ফ্রেইবার্গের বিপক্ষে ৫০ গজ দুর থেকে শট নিয়ে গোল করে বিস্ময় সৃষ্টি করেন হাজসাফি।

তবে এফএসভি ফ্রাঙ্কফুর্ট লিগ-২ থেকে লিগ-৩ এ অবনমন ঘটলো ক্লাব কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দেয় হাসজাফির সঙ্গে তারা চুক্তি রাখবে না। তিনি মুক্ত এবং চাইলে যে কোনো ক্লাবে যোগ দিতে পারেন। ২০১৭ সালের জুনে ইরানিয়ান এই ফুটবলার চুক্তি করেন গ্রিক ক্লাব প্যানিয়ানিয়সের সঙ্গে। এই ক্লাবে নাম লেখানোর ছয় মাসের মাথায় গ্রিক জায়ান্ট অলিম্পিয়াকসে নাম লেখান হাজসাফি, মাত্র ৬ লাখ ইউরোর বিনিময়ে।

২০০৬ সালে ইরান অনুর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে এএফসি ইয়থ চ্যাম্পিয়নশিপে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শুরু করেন হাজসাফি। এরপর অনুর্ধ্ব-২০ এবং অনুর্ধ্ব-২৩ দলের হয়েও খেলেন তিনি। ২০০৮ সালে জাম্বিয়ার বিপক্ষে ইরান জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলেছেন হাজসাফি। ২০১৪ বিশ্বকাপে ইরানি দলে ছিলেন অপরিহার্য সদস্য। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমে কোনো গোলই করতে দেননি আফ্রিকান সুপার ঈগলদের। ম্যাচ ছিল ০-০ ড্র। এরপরের ম্যাচ আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। হাজসাফি যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, ততক্ষণ মেসিদের গোল করতে দেননি তিনি। ৮৮ মিনিটে তাকে তুলে নেয়ার পরই মেসির একমাত্র গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা।

এবারও এহসান হাজসাফির ওপর মূল ফোকাসটা রাখবে ইরানিয়ান সমর্থকরা। প্রতিপক্ষকে শুধু বাধা দানই নয়, গোল করতে নিজ দলের স্ট্রাইকারদের তিনি সংগঠিত করবেন- এটাই ইরানের এখন সবচেয়ে বড় শক্তি।

Coach Image

কার্লোস কুইরোজ

কার্লোস কুইরোজ। ১৯৫৩ সালের ১লা মার্চ মোজাম্বিকের নামপুলা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে মোজাম্বিক স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে কুইরোজ মোজাম্বিক ছেড়ে পাড়ি জমান পর্তুগালে। ইয়ুথ ফুটবলে তিনি গোলকিপার হিসেবে খেললেও পরবর্তীতে আর প্রফেশনাল ফুটবলে আসা হয়নি।

লিসবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করে মনোযোগ দেন ফুটবল কোচিংয়ে। ১৯৮৯ সালে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচের দায়িত্ব নিয়েই সফল হন কুইরোজ। ১৯৮৯ এবং ১৯৯১ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন বানান পর্তুগাল দলকে। তার এমন সাফল্যের পুরস্কারও তিনি পান হাতেনাতে। ১৯৯১ সালেই প্রথমবারের মত পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পান তিনি। পর্তুগালের কোচ হিসেবে ৩১টি ম্যাচে ১৪টি জয় ছিল তার ঝুলিতে।

পারফরম্যান্সের গ্রাফ পড়তির দিকে থাকার কারণে পর্তুগালের জাতীয় দলের কোচের চাকরি হারান কুইরোজ। ১৯৯৪-৯৬ সাল পর্যন্ত ছিলেন পর্তুগালের শীর্ষ পাঁচ ক্লাবের একটি স্পোর্টিং লিসবনের কোচ। আমেরিকা এবং জাপানের ক্লাবগুলো ঘুরে ১৯৯৮ সালে দায়িত্ব পান আরব আমিরাত জাতীয় ফুটবল দলের কোচের। কিন্তু সেখানেও স্থায়ী হন নি তিনি।

২০০০ সালে যোগ দেন দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে। দুই বছর বাফানা বাফানাদের কোচ থাকার পর সুযোগ হয় বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ স্যার এলেক্স ফার্গুসনের সাথে কাজ করার। ২০০২ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সহকারি কোচ হিসেবে যোগ দেন তিনি। এখানে পারফরম্যান্স করেই মন জয় করে ফেলেন বিশ্বের নামীদামী ক্লাবের। যার দরুণ ২০০৩ সালেই তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান।

জিদান, রোনালদো, লুইস ফিগোদের নিয়ে গড়া রিয়াল মাদ্রিদ দল নিয়ে তেমন কোন সুবিধাই করতে পারেন নি তিনি। প্রথম মৌসুমেই ব্যর্থতার দায় নিয়ে বরখাস্ত হন রিয়ালের কোচ থেকে। পরের বছরেই ফেরত আসেন এলেক্স ফার্গুসনের সহকারি হিসেবে।

চার বছর সহকারি কোচের দায়িত্ব পালন করার পর আবারো পর্তুগালের কোচের দায়িত্ব কাঁধে আসে কুইরোজের। ২০০৮-২০১০ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের কোচ ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০১০ সালের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডেই স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল কুইরোজের পর্তুগাল। বিশ্বকাপে ভালো না করার দরুন বরখাস্ত হন তিনি।

২০১১ সালে ইরানের কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয় কুইরোজকে। দীর্ঘদিন পর ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে ইরানকে তোলেন কুইরোজ। যদিও গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে তার অধীনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ইরান। অন্যান্য অনেক নামকরা দলের আগেই তৃতীয় দল হিসেবে রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা করে কুইরোজের ইরান।

ইরানের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : আলিরেজা বেইরানভান্দ, মোহাম্মদ রশিদ মাজাহেরী, আমির আবেদজাদেহ

ডিফেন্ডার : এহসান হাজসাফি, রুজবেহ চেশমি, মিলাদ মোহাম্মদি, মোরতেজা পৌরালিগাঞ্জি, মোহাম্মদ রেজা খানজাদেহ, পেজমান মোন্তাজেরি, সাঈদ মজিদ হোসাইনি, রামিন রেজাইয়েন।

মিডফিল্ডার : মেহদি তোরাবি, সাঈদ এজাতোলাহি, মাসুদ শোজাঈ (অধিনায়ক), ওমিদ ইব্রাহিমী, ভাহিদ আমিরি।

ফরোয়ার্ড : করিম আনসারীফারদ, সালমান ঘোদ্দস, রেজা ঘুচান্নেজাদ, মাহদি তারেমি, আলিরেজা জাহানবাখশ, সরদার আজমাউন, আশকান দেজাগাহ।

ইরান

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
২৫ আগস্ট, ১৯৪২, কাবুল
আফগানিস্তান ০ : ০ ইরান

সবচেয়ে বড় জয়
২৪ নভেম্বর, ২০০০, তাবরিজ
ইরান ১৯-০ গুয়াম

সবচেয়ে বড় হার
২৮ মে, ১৯৫০, ইস্তাম্বুল
তুরস্ক ৬ : ১ ইরান

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (১৪তম, ১৯৭৮)
এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ : ১৪ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৩ বার (১৯৬৮, ১৯৭২, ১৯৭৬)
অলিম্পিকে অংশগ্রহণ : ৩ বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : জাভেদ নেকুনাম (১৫১ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : আলি দাই (১০৯টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো ইরান

ইরান ১-০ দক্ষিণ কোরিয়া
ইরান ২-২ সিরিয়া
ইরান ২-০ উজবেকিস্তান
ইরান ১-০ চীন
ইরান ২-০ কাতার
দক্ষিণ কোরিয়া ০-০ ইরান
সিরিয়া ০-০ ইরান
উজবেকিস্তান ০-১ ইরান
চীন ০-০ ইরান
কাতার ০-১ ইরান

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

ইরান

১০

+

২২

দক্ষিণ কোরিয়া

১০

+১

১৫

সিরিয়া

১০

+১

১৩

উজবেকিস্তান

১০

-১

১৩

চীন

১০

-২

১২

কাতার

১০

-৭

সময়সূচি

১৫ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ বি , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

মরক্কো মরক্কো ০ - ১ ইরান ইরান

ম্যাচ রিপোর্ট
২০ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , কাজান এরেনা

ইরান ইরান ০ - ১ স্পেন স্পেন

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

ইরান ইরান ১ - ১ পর্তুগাল পর্তুগাল

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...