জাপান

Team Image

এশিয়ান অঞ্চলের সবেচেয়ে সফল দল জাপান। এবার নিয়ে টানা ৬টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে তারা। এরমধ্যে ২০০২ এবং ২০১০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে জাপান। এশিয়া কাপ জিতেছে রেকর্ড চারবার- ১৯৯২, ২০০০, ২০০৪ এবং ২০১১ সালে। বৈশ্বিক ফুটবলে জাপানের সবচেয়ে বড় সাফল্য, ফিফা কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনাল খেলা। ২০০১ সালে ফাইনালে উঠলেও ফ্রান্সের কাছে হেরে যায় তারা।

এশিয়ার পরাশক্তি হিসেবে আরেক পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেই জাপানিদের চিরন্তন লড়াই। সেটা হোক মাঠে কিংবা মাঠের বাইরে। শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের সুযোগ পেলেই একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রাণান্তকর চেষ্টা। চিরন্তন এই লড়াই’ই এশিয়ার ফুটবলকে আজ বিশ্বমানে উন্নীত করে দিয়েছে। দু’দুবার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় ঠাই করে নিয়েছিল সুর্যোদয়ের দেশটি।

২০১০ সালের বিশ্বকাপে ক্যামেরুন এবং ডেনমার্কের মতো ফুটবল শক্তিকে হারিয়ে সবাইকে হতবাক করে দিয়েছিল জাপান। দ্বিতীয় রাউন্ডেও প্যারাগুয়েকে ঠেকিয়ে রেখেছিল ১২০ মিনিট পর্যন্ত। তবে পারেনি টাইব্রেকারে গিয়ে। এছাড়া ২০০২ সালে ঘরের মাঠে আয়োজিত বিশ্বকাপেও দ্বিতীয় রাউন্ড খেলেছিল জাপানিজরা। সেবার বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র, রাশিয়া এবং তিউনিশিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নই হয়ে যায় ব্লু সামুরাইরা। যদিও দ্বিতীয় রাউন্ডে তুরষ্কের কাছে ১-০ গোলে হেরে থমকে যায় নিজ দেশে তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্নযাত্রা। তবে ওই বিশ্বকাপই ছিল মূলতঃ জাপানের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সোপান। এরপর আন্তর্জাতিক ফুটবল মোটামুটি অন্যতম শক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে তারা।

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপটা ছিল জাপানের জন্য হতাশার। ৩ ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি। ১ ম্যাচ ড্র করেছিল গ্রিসেরর সঙ্গে (গোলশূন্য)। কলম্বিয়ার কাছে ৪-১ এবং আইভরি কোস্টের কাছে হেরেছিল ২-১ গোলে। যে কারণে সি গ্রুপে চার নম্বর দল হয়েই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অপরাজিত থেকেই রাশিয়ায় ঠাঁই করে নেয় জাপানিরা। ৮ ম্যাচের ৭টিতেই জিতেছিল। ড্র করেছিল একটিতে।

১৯৬৮ সালের আন্তর্জাতিক ফুটবলে অন্যতম শক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে, যখন ওই বছরেই মেক্সিকো অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জয় করে জাপান। তবে এরপরও পেশাদার ফুটবল লিগের অনুপিস্থিতি দেশটিতে ফুটবলের তেমন প্রসার ঘটেনি। প্রায় ৩০ বছর পর ১৯৯৩ সালে পেশাদার লিগ চালুর পরই থেকে মূলতঃ জাপানে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বাড়ে এবং জাতীয় দলও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নিয়ে গ্রুপপর্বের সবক’টিতেই হেরে বিদায় নেয় জাপান। এরপরের চার আসরেই সরব উপস্থিতি সুর্যোদয়ের দেশের। এশিয়া কাপে চার বারের চ্যাম্পিয়ন তারা। ১৯৯৯ সালের কোপা আমেরিকায় আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে খেলেছিল জাপান।

১৯১৭ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক ঘটে জাপানিজদের। টোকিওতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে  হেরেছিল ৫-০ গোলে। ১৯৬৭ সালে ফিলিপাইনের বিপক্ষে এক ম্যাচে ১৫-০ গোলের জয়ই তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়। অথচ এর আগে এই ১৯১৭ সালে এই ফিলিপাইনের বিপক্ষেই ১৫-২ গোলে হেরেছিল তারা। ১৯১৭ সালের হারের বদলা ১৯৬৭ সালে নিয়ে নেয় জাপান।

রাশিয়া বিশ্বকাপে জাপান খেলবে এইচ গ্রুপে পোল্যান্ড, সেনেগাল এবং কলম্বিয়ার বিপক্ষে। ১৯ জুন কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রথম মাঠে নামবে। কোচ আকিরা নিশিনোর অধীনে এবারও দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল নিয়ে খেলতে যাচ্ছে জাপান। কেইসুকে হোন্ডা, জেনকি হারাগুচি, মাকাতো হাসিবি কিংবা ইয়োতো নাগামোতোর মত ফুটবলাররা রয়েছেন জাপান দলে।

Player Image

কেইসুকে হোন্ডা

সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে জাপানের পতাকা যার হাতে ছিল, তার নাম কেইসুকে হোন্ডা। এশিয়ান ফুটবলে এক নামে পরিচিত। হোন্ডার মত সেট পিচ মাস্টার এশিয়ান ফুটবল কেন, বিশ্ব ফুটবলে কমই আছে। সেট পিচে তাকে সেরা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে কারও দ্বিমত নেই।

এক ফুটবলারের মধ্যে নানা গুণ। তিনি একাধানে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, উইঙ্গার এবং প্লে মেকার। এসি মিলানের হয়ে খেলার সময়, ২০১৪-১৫ মৌসুমে টানা রাইট উইংয়ে খেলে গেছেন হোন্ডা।

  • পুরো নাম : কেইসুকে হোন্ডা
  • জন্ম : ১৩ জুন, ১৯৮৬
  • বয়স : ৩১
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ১১ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার
  • জাপানের হয়ে : ৯৩ ম্যাচে ৩৬ গোল

গতিশিল, ক্রিয়েটিভ, শক্তি-সামর্থ্য এবং দারুণ তেজোদ্দীপ্ত ফুটবলার তিনি। আগেই বলা হয়েছে সেট পিচ মাস্টার। অনেক দুর থেকে নেয়া নিখুঁত ফ্রি-কিকে তার জুড়ি মেলা ভার। অনেকদুর থেকে হঠাৎ শট করে গোল করারও অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে তার। একই সঙ্গে দুর্দান্ত ড্রিবলিং- অন্যদের চেয়ে হোন্ডাকে আলাদা করে দিয়েছে।

২০০৮ সালে জাপানের জাতীয় দলের হয়ে খেলার শুরু করেন হোন্ডা। তবে ২০০৯ সালে এসে পান প্রথম গোলের দেখা। ২০১০ বিশ্বকাপেই নিজেকে চেনান। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ক্যামেরুনের বিপক্ষে একমাত্র গোলটি করেন তিনি। জাপান জয় পায় ১-০ গোলে।

নিজেদের দেশের বাইরে বিশ্বকাপে জাপানের প্রথম জয় ওটা। ফিফা তাকে ম্যাচ সেরা ঘোষণা করে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ডেনমার্কের বিপক্ষে ৩০ গজ দুর থেকে দারুণ এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন তিনি। এরপর ৮৮ মিনিটে ‘ক্রুইফ টর্নে’ ডেনিস ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে শিনজি ওকাজাকিকে গোল তৈরি করে দেন তিনি। ডেনমার্ককে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে নাম লেকায় জাপান। হোন্ডা নির্বাচিত হন ম্যাচ সেরা।

২০১১ এশিয়া কাপের শিরোপা জাপানকে উপহার দেন তিনি। ২০১৪ বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত খেলেন তিনি। প্রথম ম্যাচেই আইভরি কোস্টের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক গোল করেন তিনি। সে সঙ্গে প্রথম জাপানি হিসেবে দুই বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়েন। যদিও ওই ম্যাচে হারতে হয়েছিল জাপানকে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় হোন্ডা এবারও রয়েছেন জাপান দলে। বিশ্বকাপে তার দিকেই তাকিয়ে জাপানসহ পুরো এশিয়া।

ওসাকায় জন্ম এবং বেড়ে ওঠা। ছোট বেলায় গাম্বা ওসাকায় খেলা শুরু করেন। ২০০৪ সালেই নাগোয়া গ্রাম্পাসের হয়ে জেওয়ান লিগে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেন হোন্ডা। ২০০৮ সালে হোন্ডা পাড়ি জমান ইউরোপে। নাম লেখান ডাচ লিগের ক্লাব ভিভিভি-ভেনলোয়। হোন্ডা ভিভিভি-তে নাম লেখানোর পরের ৬ মাসেই দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যায় তার ক্লাব।

পরের মৌসুমে হোন্ডার অসাধারণ পারফরম্যান্স, ৩৬ ম্যাচে ১৬ গোলের সুবাধে আবারও প্রথম বিভাগে উঠে আসে ভিভিভি। ২০০৯ সালে নেদারল্যান্ড ছেড়ে রাশিয়ায় চলে যান জাপানি এই ফুটবলার। নাম লেখান সিএসকেএ মস্কোয়। রাশিয়ান জায়ান্টদের হয়ে ২০০৯ থেকে খেলে যান ২০১৪ সাল পর্যন্ত। ৯৪ ম্যাচে গোল করেন ২০টি।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এসি মিলানে নাম লেখান কেইসুকে হোন্ডা। তিন বছরের চুক্তিতে মিলানে আসার পর কোচ ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি ১০ নম্বর জার্সি দিয়ে দেন হোন্ডাকে। মিলানের হয়ে ৮১ ম্যাচ খেলে ১০ গোল করেন তিনি। তবে মিলানের দারুণ এক প্লে-মেকারে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে ম্যাক্সিকান লিগের দল পাচুকায় নাম লেখান তিনি।

Coach Image

আকিরা নিশিনো

আকিরা নিশিনো। ১৯৫৫ সালের ৭ই এপ্রিল জাপানের সাইতামা শহরে জন্মগ্রহণ করে নিশিনো। প্রফেশনাল ফুটবলে মিডফিল্ডার হিসেবেই বেশিরভাগ সময় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন জাপানিজ লিগ। ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটির হয়ে ইয়ুথ ক্যারিয়ার শুরু করার পর ১৯৭৮ সাল পাড়ি জমান হিটাচি ক্লাবে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এই ক্লাবেরই অপরিহার্য সদস্য ছিলেন নিশিনো।

ক্যারিয়ারের শুরু দিকে জাপানের জাতীয় দলেও খেলার সুযোগ হয়েছিল ৬৩ বছর বয়সী সাবেক এই ফুটবলারের। ১২ ম্যাচে তার ঝুলিতে ছিল মাত্র এক গোল। ফুটবলকে বিদায় জানানোর পর মনোনিবেশ করেন কোচিং সেক্টরে। ১৯৯১-৯২ সালে ছিলেন জাপানের অনূর্ধ্ব-২০, ১৯৯৪-৯৬ পর্যন্ত ছিলেন জাপানের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ। ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হওয়া সামার অলিম্পিকে জাপান ফুটবল দলের কোচও ছিলেন তিনি।

১৯৯৮ সাল প্রথমবারের মত কোন ক্লাবের দায়িত্ব নেন নিশিনো। কাশিওয়া রেয়সোল ক্লাবের হয়ে দুই বছর কোচিং করানোর পর জাপানিজ লিগের অন্যতম সেরা ক্লাব গাম্বা ওসাকার কোচ হয়ে আসেন তিনি। একমাত্র জাপানিজ কোচ হিসেবে চারটি ভিন্ন ট্রফি জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তার। গাম্বা ওসাকাকে ২০০৮ সালে জেতান এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ।

২০১২ সালে গাম্বা ওসাকা থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ক্ষুদ্র মেয়াদে নাগোয়া গ্রাম্পাস এবং ভিসেল কবে ক্লাবের কোচের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। জাপানের সাবেক কোচ ভাহিদ হালিহোজিচকে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বরখাস্ত করার পর তার স্থলাভিষিক্ত হন নিশিনো।

জাপানের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : আইজি কাওয়সিমা, মাসাকি হিগাশিগুচি, কসুকে নাকামুরো

ডিফেন্ডার : ইয়ুতো নাগাটোমো, তমোইয়াকি মাকিনো, ওয়াতারু এন্দো, মায়া ইয়োশিদা, হিরকো সাকাই, গোতোকু সাকাই, গেন শজি, নাওমিচি ইয়েদা

মিডফিল্ডার : মাকোতো হাসেবে, তোশিহিরো আয়োয়ামা, কেইসুকে হোন্ডা, তাকাশি ইনুই, শিনজি কাগাওয়া, হোতারু ইয়ামাগুচি, জেঙ্কি হারাগুচি, তাকাশি উসামি, গাকু শিবাসাকি, রায়োতা ওশিমা, কেন্তো মিসাও, ইয়োসুকে, ইদেগুচি

স্ট্রাইকার : শিনজি ওকাজাকি, ইউয়া ওসাকো, ইয়োশিনরি মুতো, তাকুমা আসানো।

 

 জাপান

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
৯ মে, ১৯১৭, টোকিও
জাপান ০ : ৫ চীন

সবচেয়ে বড় জয়
২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৭, টোকিও
জাপান ১৫-০ ফিলিপাইন

সবচেয়ে বড় হার
১০ মে, ১৯১৭, টোকিও
জাপান ২ : ১৫ ফিলিপাইন

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৬ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (২০০২, ২০১০)
এশিয়া কাপে অংশগ্রণ : ৮ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৪ বার (১৯৯২, ২০০০, ২০০৪, ২০১১)
কোপা আমেরিকায় অংশগ্রহণ : ১ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (১৯৯৯)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (২০০১)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ইয়াশিহিতো এন্ডো (১৫২ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : কুনিসিঙ্গে কামামোতো (৮০টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো জাপান

জাপান ২-১ সৌদি আরব
জাপান ২-০ অস্ট্রেলিয়া
জাপান ১-২ আরব আমিরাত
জাপান ২-১ ইরাক
জাপান ৪-০ থাইল্যান্ড
সৌদি আরব ১-০ জাপান
অস্ট্রেলিয়া ১-১ জাপান
আরব আমিরাত ০-২ জাপান
ইরাক ১-১ জাপান
থাইল্যান্ড ০-২ জাপান

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

জাপান

১০

+১০

২০

সৌদি আরব

১০

+৭

১৯

অস্ট্রেলিয়া

১০

+৫

১৯

আরব আমিরাত

১০

-৩

১৩

ইরাক

১০

-১

১১

থাইল্যান্ড

১০

-১৮

 

সময়সূচি

১৯ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

কলম্বিয়া কলম্বিয়া ১ - ২ জাপান জাপান

ম্যাচ রিপোর্ট
২৪ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

জাপান জাপান ২ - ২ সেনেগাল সেনেগাল

ম্যাচ রিপোর্ট
২৮ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , ভলগোগ্রাদ এরেনা

জাপান জাপান ০ - ১ পোল্যান্ড পোল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
০২ জুলাই, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ , রোস্তভ এরেনা

বেলজিয়াম বেলজিয়াম ৩ - ২ জাপান জাপান

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...