দক্ষিণ কোরিয়া

Team Image

এশিয়ার পরাশক্তি বলা যায় দক্ষিণ কোরিয়াকে। এশিয়া মহাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ১০বার বিশ্বকাপ খেলা দলটির নাম দক্ষিণ কোরিয়া। এমনকি এশিয়া থেকে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাফল্যও তাদের। ২০০২ সালে নিজেদের দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে কোরিয়ানরা সেমিফাইনালে খেলেছিল। জার্মানির কাছে না হারলে ফাইনালেও খেলতে পারতো তারা। এশিয়ান দেশ হিসেবে প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ সেমিফাইনালিস্ট ‘তায়েজুক যোদ্ধারা’।

১৯৫৪ সালের বিশ্বকাপে প্রথম এশিয়ান দল হিসেবে অংশগ্রহণ করে দক্ষিণ কোরিয়া। এরপর ১৯৮২ পর্যন্ত বিশ্বকাপে অংশ নেয়া হয়নি দেশটির। ১৯৮৬ থেকে রাশিয়া বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা নবম বিশ্বকাপ খেলছে দক্ষিণ কোরিয়ানরা।

যদিও টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে কোন জয় ছিল না তাদের। ২০০২ সালে সেমিফাইনাল খেলার পর কোরিয়ান ফুটবলে অভাবনীয় উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। এরপর থেকে বিদেশের মাটিতে খেলার যে ভয় তা পুরোপুরি কেটে গেছে কোরিয়ান খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে। এমনকি ইউরোপ-আফ্রিকাতে খেলতে গিয়েও জয় নিয়ে ফেরে কোরিয়ানরা। তবে এবার জার্মানি, সুইডেন এবং মেক্সিকোর মতো দলের সাথে একই গ্রুপে হওয়ায় গ্রুপ পর্ব পেরুনোও বেশ কঠিন হবে তাদের জন্য।

১৮৮২ সালের আগে ফুটবলের সাথে পরিচিতই ছিলো কোরিয়ানরা। সে বছরই একদল ব্রিটিশ নাবিক প্রথম ফুটবল খেলে ইনচিয়ন বন্দরে। পরিচিতি পর্ব সারার পর থেকে কোরিয়ানদের মধ্যে ফুটবল নিয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে এবং ১৯২১ সালে প্রথম অল কোরিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ পর্যন্ত এশিয়ান ফুটবলে একক অবস্থান ছিল কোরিয়ার। সেই ধারা বজায় রেখে এখনো বিশ্ব আসরে এশিয়ার সেরা দেশ দক্ষিণ কোরিয়া। নিজেদের এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ন রাখার মিশনেই রাশিয়ায় যাবে দ্য রেডসরা।

Player Image

সন হিউং মিন

নিঃসন্দেহে এশিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে সেরা তারকা। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকারই নয়, এবার রাশিয়া বিশ্বকাপে এশিয়ানদের সব আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে তিনি লড়াই করবেন জার্মানি, মেক্সিকো এবং সুইডেনের বিপক্ষে। দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় তারকা ছিলেন পার্ক জি সুং। তার বিদায়ের পর সেরার পতাকাটা বহন করছেন সন হিউং মিন।

ফুটবল খেলার কারণে পড়ালেখাটা ঠিকমত চালিয়ে যেতে পারেননি সন। ১৬ বছর বয়সেই ডংবুক হাই স্কুল (সাবেক এফসি সিউল অনুর্ধ্ব-১৮ টিম) থেকে চলে যেতে বাধ্য হন তিনি। যদিও ফুটবল প্রতিভার কারণে জায়গা পেতে কষ্ট হয়নি। যোগ দেন হামবুর্গ এসভি টু ক্লাবের ইয়থ একাডেমিতে।

  • পুরো নাম : সন হিউং মিন
  • জন্ম : ৮ জুলাই, ১৯৯২
  • বয়স : ২৫
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ০ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : ফরোয়ার্ড
  • দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে: ৬৩ ম্যাচে ২০ গোল

২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত হামবুর্গ এসভি টু’র ইয়থ দলের হয়ে খেলেন। এরপর চলে আসেন হামবুর্গ এসভি টু-এ। সেখানে খেলেন মাত্র ৬টি ম্যাচ। গোল করেন একটি। এরপরই কোরিয়ান এই তারকাকে নিয়ে আসা হয় হামবুর্গ এসভি দলে।

দক্ষিণ কোরিয়ান তারকা সন হিউং মিনের ফুটবল ক্যারিয়ারটা শুরু এভাবেই। পার্ক জি সুং যতদিন খেলেছেন, ততদিন হয়তো ছায়াতেই পড়ে থাকতে হয়েছে; কিন্তু পার্ক অবসর নেয়ার পরই দক্ষিণ কোরিয়া তথা এশিয়ান ফুটবলে অন্যতম সেরা তারকায় পরিণত হন সন হিউং মিন।

হামবুর্গ এসভিতে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন সং। খেলেছেন ৭৩ ম্যাচ। গোল করেছেন ২০টি। তার পারফরম্যান্সের মুগ্ধ জার্মান বুন্দেসলিগার আরেক ক্লাব বায়ার লেভারকুসেন। ১০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তাকে কিনে নেয় দলটি। বায়ার লেভারকুসেনের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ে পরিণত হন সন।

বায়ারের হয়ে শুরুতেই সাবেক ক্লাব হামবুর্গের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে তুমুল আলোচনার জন্ম দেন সন হিউং। একই বছর ডিসেম্বরে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এক গোল করেন তিনি। এরপর ওয়েডার ব্রেমেনের বিপক্ষে আরও একটি গোল করেন। যে গোলের কারণে ২০১৪-১৫ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে বায়ার লেভারকুসেন। ২০১৫ সালে বুন্দেসলিগার আরেক শক্তিশালী ক্লাব উলফসবার্গের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ৪২ ম্যাচে ১৭ গোল করেন তিনি।

২০১৫-১৬ মৌসুমে বায়ার লেভারকুসেনের হয়ে খেলা শুরু করলেও আগস্টে এসে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চলে আসেন সন হিউং মিন। যোগ দেন ৩০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে। টটেনহ্যামে নাম লেখানোর পরই স্বদেশি পার্ক জি সুংকেও পেছনে ফেলে দেন সন হিউং। পরিণত হন সবচেয়ে দামি এশিয়ান ফুটবলারে।

তার আগে অবশ্য সবচেয়ে বেশি দাবি এশিয়ান ফুটবলার ছিলেন জাপানের হিদেতোশি নাকাতা। তার মূল্য ছিল ২৫ মিলিয়ন ইউরো। টটেনহ্যামে আসার আগে বায়ার লেভারকুসেনের হয়ে ৬২ ম্যাচে করেন ২১ গোল। ২০১৫ থেকে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন টটেনহ্যামে। ৯৫ ম্যাচে করেছেন ৩০ গোল।

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করেছিলেন সন। তবুও ওই ম্যাচে ৪-২ গোলে হারতে হয়েছিল কোরিয়ানদের। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকেই। দলীয় পারফরম্যান্স খুব বাজে হলেও দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলার সন হিউং মিন খুব প্রশংসিত হয়েছিলেন তার নিজের পারফরম্যান্সের জন্য।

২০১৪ এশিয়ান গেমসের জন্য বায়ার লেভারকুসেনের কাছে সন হিউংকে ছেড়ে দেয়ার আবেদন জানিয়েছিলো দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জিততে পারলে সনকে মিলিটারি সার্ভিস দেয়া থেকে অব্যহতি দেয়ারও প্রতিশ্রতি দেয়া হয়েছিল; কিন্তু বায়ারলেভারকুসেন তাকে ছাড়েনি। যদিও দক্ষিণ কোরিয়ার স্বর্ণ জয়ের পথে কোনো সমস্যা হয়নি।

২০১৫ এএফসি এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয়ী ম্যাচের দুটি গোলই তিনি করেছিলেন। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইনজুরি সময়ে গোল করে দলকে সমতায় ফেরালেও অতিরিক্ত সময়ের গোলে ১-২ ব্যবধানে হেরে যায় কোরিয়ানরা। ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে লাওসের বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে হ্যাটট্রিক করেন সন।

তবে, কাতারের বিপক্ষে বাছাই পর্বের ম্যাচে ডান হাতের কনুই ভেঙে অনেক দিন মাঠের বাইরে ছিলেন। ইনজুরি কাটিয়ে আবারও ফিরলেন দলে এবং বিশ্বকাপে এশিয়ান স্বপ্ন বহন করে চলছেন তিনি।

Coach Image

শিন তায়ে ইয়ং

শিন তায়ে ইয়ং। ১৯৬৯ সালের ১১ই এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়েংডিওক কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। এটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনের সূচনা হয় তার। ১৯৯২ সালে দক্ষিন কোরিয়ার ক্লাব শিওংনাম এফসি ক্লাবের হয়ে প্রফেশনাল ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন।

এই ক্লাবেই ১২ বছর খেলে ২৯৬ ম্যাচে করেন ৭৬ গোল। দক্ষিণ কোরিয়ার বয়সভিত্তিক দলগুলোতে ভালো পারফরম্যান্সের মূল্য হিসেবে সুযোগ পান জাতীয় দলে। ১৯৯২-৯৭ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে ২৩টি ম্যাচ খেলে করেছেন ৩ গোল। ২০০৫ সালে ফুটবলকে বিদায় জানানোর পর আসেন কোচিং ক্যারিয়ারে।

২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান ফুটবল ক্লাব কুইন্সল্যান্ড রোয়ার এফসির সহকারি কোচের দায়িত্ব পান ইয়ং। ২০১০ সালেই তিনি তার শৈশবের ক্লাব শিওংনাম এফসি ক্লাবের কোচ হয়ে সবাইকে চমকে দেন। কোচ হিসেবে যত সাফল্য পেয়েছেন তার সিংহভাগই এসেছে এই ক্লাবের মাধ্যমে।

২০১০ সালে তার অধীনেই শিওংনাম এফসি এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় করে নেয়। তাছাড়া ২০১১ সালে জিতে কোরিয়ান এফএ কাপ এবং ২০১২ সালে জয় করে লুমার নিউ ইয়ার কাপ। ক্লাবের হয়ে এমন অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণেই তাকে দক্ষিণ কোরিয়ার বয়সভিত্তিক কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয় ২০১৬ সালে।
২০১৭ সাল পর্যন্ত বয়সভিত্তিক দলগুলোকে সামলান। সেই বছরেরই জুনে জার্মান কোচ উলরাইখের স্থলাভিষিক্ত হন ৪৯ বছর বয়সী ইয়ং। তার তত্ত্ববধানেই দক্ষিণ কোরিয়া টানা নবমবারের মত ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : কিম সিউং গিউ, কিম জিন হিউন, চো হিউন উ।

ডিফেন্ডারস : লি ইয়ং, জুং সিউং হিউন, ওহ বান সুক, ইউন ইয়ুং সুন, পার্ক জু হো, কিম মিন উ, হং চুল, কিম ইয়ুং গুন, জ্যাং হিউন সু, গো ইয়ু-হান।

মিডফিল্ডার : জু সি জং, লি সিউং উ, কো জা সেউল, জাং উ ইয়ং, কি সিউং ইয়ুয়েং (অধিনায়ক), লি জায়ে-সুং, মুন সিওন-মিন।

ফরোয়ার্ড : কিম শিন উক, সন হিউং মিন, ওয়াং হি চান।

দক্ষিণ কোরিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
৬ জুলাই, ১৯৪৮, হংকং
হংকং ১ : ৫ দক্ষিণ কোরিয়া

সবচেয়ে বড় জয়
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৩, ইনচেয়ন
দক্ষিণ কোরিয়া ১৬-০ নেপাল

সবচেয়ে বড় হার
৫ আগস্ট, ১৯৪৮, লন্ডন
দক্ষিণ কোরিয়া ০ : ১২ সুইডেন

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ১০ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (চতুর্থ, ২০০২)
এশিয়া কাপে অংশগ্রণ : ১৩ বার, চ্যাম্পিয়ন : ২ বার (১৯৫৬, ১৯৬০)
কনকাকাফ গোল্ড কাপে অংশগ্রহণ : ২ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (চতুর্থ, ২০০২)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ১ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (২০০১)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : চা বুম-কুন (১৩৮ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : চা বুম-কুন (৫৯টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়া ০-০ ইরান
দক্ষিণ কোরিয়া ১-০ সিরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়া ২-১ উজবেকিস্তান
দক্ষিণ কোরিয়া ৩-২ চীন
দক্ষিণ কোরিয়া ৩-২ কাতার
ইরান ১-০ দক্ষিণ কোরিয়া
সিরিয়া ০-০ দক্ষিণ কোরিয়া
উজবেকিস্তান ০-০ দক্ষিণ কোরিয়া
চীন ১-০ দক্ষিণ কোরিয়া
কাতার ৩-২ দক্ষিন কোরিয়া

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

ইরান

১০

+৮

২২

দক্ষিণ কোরিয়া

১০

+

১৫

সিরিয়া

১০

+১

১৩

উজবেকিস্তান

১০

-১

১৩

চীন

১০

-২

১২

কাতার

১০

-৭

 

সময়সূচি

১৮ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম

সুইডেন সুইডেন ১ - ০ দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২৩ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , রোস্তভ এরেনা

দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ১ - ২ মেক্সিকো মেক্সিকো

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , কাজান এরেনা

দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ২ - ০ জার্মানি জার্মানি

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ফিফা র‌্যাংকিং যদি শক্তির মাপকাঠি হয় তাহলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ‘ই’...

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের মিশন শুরুর আগে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে...

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অ্যাওয়ে ম্যাচটি হবে কলকাতার...

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

লাওসকে হারিয়ে কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ওঠার পর বাংলাদেশের অপেক্ষা...