মেক্সিকো

Team Image

ফুটবল ইতিহাসে মাঝারি মানের দল হিসেবে সব সময়ই একটা জায়গা দখল করে রেখেছে মেক্সিকো। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দৌড় কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত। এবারের আগ পর্যন্ত মোট ১৫টি বিশ্বকাপ খেলেছে উত্তর আমেরিকার এই দেশটি। দু’বার ছিল বিশ্বকাপের আয়োজক। প্রতিবারই আন্ডারডগ হিসেবে বিশ্বকাপ খেলেছে মেক্সিকানরা।

কখনও কখনও জায়ান্ট কিলার হিসেবেও নাম কুড়িয়েছে; কিন্তু নিজেদের ইতিহাসে বড় কোনো সাফল্য যোগ করতে পারেনি তারা। যা পেরেছে, সেটা হলো আন্তঃমহাদেশীয় টুর্নামেন্ট কনকাকাফ গোল্ড কাপে ১০বারের চ্যাম্পিয়ন তারা। আরও একটি সাফল্য রয়েছে তাদের নামের পাশে। যেটা রয়েছে শুধুমাত্র ব্রাজিল এবং জার্মানির। এই দুই বিশ্বসেরা দলের সঙ্গে কেবল মেক্সিকোই সর্বশেষ ৬টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব পার হয়ে নকআউট পর্বে যেতে পেরেছে। যদিও, সর্বশেষ ৬ বিশ্বকাপেই দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মেক্সিকো।

প্রথম বিশ্বকাপে খেলা যে ১৩টি গৌরবান্বিত দল রয়েছে, তাদের মধ্যে মেক্সিকোও একটি। যদিও ১৩ দলের মধ্যে ১৩তম হয়েই বিশ্বকাপ শেষ করতে হয়েছে তাদের। ১৯৩৪ সালের পর খেলতে পারেনি। ১৯৩৮ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রত্যাহারই করে নিয়েছিল তারা।

ফুটবল ইতিহাসে দারুণ একটি জায়গা দখল করে রেখেছে মেক্সিকো ফুটবল। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দল উত্তর আমেরিকার এই দেশটি। ১৯২৩ সাল থেকে মূলতঃ দেশটির আন্তর্জাতিক ফুটবলে পথচলা শুরু। ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের আয়োজক মেক্সিকো সিটি। সেবারই প্রথম আন্তর্জাতিক কোনো আসরে অংশগ্রহণ করে মেক্সিকান ফুটবল দল।

এরপর ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা, চিলি এবং ফ্রান্সের গ্রুপসঙ্গী হয়ে বিদায় নিতে হয়েছিল সবগুলো ম্যাচ হারের প। পরের দুই বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি। ১৯৫০,৫৮ এবং ৫৮, ৬২ এবং ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিলেও প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছিল তারা।

১৯৭০ সালে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়ে প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ নেয় মেক্সিকানরা। এমনকি কোয়ার্টার ফাইনালও খেলেছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৭০ বিশ্বকাপে প্রথমবারেরমত কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা। এরপর আবার ১৯৭৪ এবং ১৯৮২ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায়নি মেক্সিকো।

মাঝে ১৯৭৮ সালে বিশ্বকাপে খেললেও প্রথম রাউন্ডেই বিদায়ঘণ্টা বাজে তাদের। ১৯৮৬ সালে আবারও বিশ্বকাপের আয়োজক হয় মেক্সিকো। স্বাগতিক হিসেবেই খেলার সুযোগ পায় এবং নিজ দেশে বিশ্বকাপ বলে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে মেক্সিকানরা।

১৯৯৪ সাল থেকে নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ চলছে। তবে সবগুলো আসরেই তাদের দৌড় দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত। এ কারণে মেক্সিকোকে বলা হয় ‘দ্বিতীয় রাউন্ডের বৃত্তবন্দি’ দল। বড় আসরগুলোর মধ্যে মেক্সিকোর সাফল্য ১৯৯৯ সালের ফিফা কনফেডারেশনস কাপ জয়। অলিম্পিক গেমসে ১০ বার অংশ নিয়ে ১টি স্বর্ণ পেয়েছে মেক্সিকো। তাও ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে নেইমারের ব্রাজিলকে হারিয়ে।

Player Image

হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ

চিচারিতো নামেই বেশ পরিচিত হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ। বাবাও ছিলেন ফুটবলার। নিজের জন্মশহর গুয়াডালাজারায় শুরু করেন অ্যামেচার ফুটবল খেলে। শুধু আনন্দের জন্য ওই ফুটবল খেলতে খেলতে একসময় হয়ে গেলেন পেশাদার ফুটবলার। ১৫ বছর বয়সে তিনি যোগ দেন সি ডি গুয়াডালাজারায়। ওই সময়ই, ২০০৫ সালে মেক্সিকো অনুর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে ফিফা অনুর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার সুযোগ পান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর খেলতে পারেননি। ইনজুরিতে পড়ে চলে যান সাইডলাইনে।

চিচারিতোর ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল স্বপ্নময়। কারণ, হুগো সানচেজ এবং রাফায়েল মার্কুয়েজর মত ফুটবলারকে শুরুতেই পেয়েছিলেন নিজের আইডল হিসেবে, যাদের দেখে এবং তাদের সঙ্গে খেলে ক্যারিয়ারকে শুরুতেই সমৃদ্ধ করতে পেরেছিলেন তিনি।

  • নাম: হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ বালকাজার
  • জন্ম : ১ জুন, ১৯৮৮
  • বয়স : ২৯ বছর
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৯ ইঞ্চি
  • পজিশন : স্ট্রাইকার
  • জার্মানির হয়ে : ১০০ ম্যাচে ৪৯ গোল

কিন্তু শেষ পর্যন্ত এক ভাগ্য বিড়ম্বিত ফুটবলারের নাম হয়ে যায় হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজের। তার মত বিরল প্রতিভার স্ট্রাইকার নষ্ট হয়েছে যেন অযত্নে-অবহেলায়। ক্লাব পর্যায়ে খেলেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের মত দলের হয়ে; কিন্তু সারাজীবনই তার নামের পাশে খোদাই করা হয়ে গেছে, ‘সুপার সাব’- শব্দ দুটি। সুপারসাব হিসেবে বারবার মাঠে নেমে দ্রুত গোল করে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে আনার পরও কোনো দলের কোচেরই নিয়মিত একাদশে খেলার ব্যাপারে আস্থা অর্জন করতে পারেননি মেক্সিকান এই ফুটবলার।

নিজের শহরের ক্লাব গুয়াডালারাজায় থাকতেই নিজের জাত অনেকটাই ছিনিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। যে কারণে হার্নান্দেজের ওপর চোখ পড়ে ইউরোপিয়ানদের। বিশেষ করে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। ক্লাবটির স্কাউটরা মেক্সিকো গিয়ে হার্নান্দেজের খেলা পর্যবেক্ষণ করে ইতিবাচক রিপোর্ট পাঠায়। এরপর আরও একটি দলকে পাঠানো হয় মেক্সিকোয়। শেষ পর্যন্ত ম্যানইউ সিদ্ধান্ত নেয় তাকে স্বাক্ষর করানোর। শেষ পর্যন্ত ম্যানইউর একটি উচ্চ পর্যায়ের টিম গিয়ে হার্নান্দেজের চুক্তির বিষয়ে প্রাথমিক কাগজপত্র তৈরি করে নেয়।

২০১০ বিশ্বকাপের দুই মাস আগে হার্নান্দেজ ম্যানইউর সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে নেয়। ম্যানইউতে নাম লেখানো একমাত্র মেক্সিকান ফুটবলার হয়ে গেলেন তিনি। জুলাইতে এসে ম্যানইউর হয়ে অভিষেক ঘটে হার্নান্দেজের। প্রথম থেকেই হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ পরিণত হন সুপার সাব হিসেবে। তাতেও রুড ফন নিস্টলরয়ের পর হার্নান্দেজই একমাত্র ফুটবলার, যিনি অভিষেক মৌসুমেই ২০টির ওপর গোল করেছেন। ওই বছরই ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফুটবল হিস্টোরি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্স হার্নান্দেজকে ‘ওয়াল্ড গোলগেটার ২০১১’ উপাধীতে ভূষিত করে। যেখানে তার পেছনে পড়েন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, গুইসেপ্পে রোসি এবং লিওনেল মেসি।

২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ম্যানইউতে কাটালেন হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ অনেকটা অবহেলায়। অধিকাংশ সময়ই ছিলেন সাইডবেঞ্চে। মাঝে-মধ্যে সুযোগ পেতেন পরিবর্তিত ফুটবলার হিসেবে। পরিবর্তিত হিসেবে মাঠে নেমেই গোল করতেন এবং দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তেন। তবুও, সেরা একাদশে কখনোই ঠাঁই মিলতো না চিচারিতোর। শেষ পর্যন্ত ২০১৪ সালে লোনে তিনি খেলতে যান রিয়াল মাদ্রিদে। মাদ্রিদের হয়ে ২৩ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যার অধিকাংশই ছিল পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে। গোল করেছেন ৭টি।

শেষ পর্যন্ত ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগও নয়, স্প্যানিশ লা লিগাও নয়, হার্নান্দেজ তিন বছরের জন্য নাম লেখালেন বুন্দেসলিগার ক্লাব বায়ার লেভারকুসেনে। এই ক্লাবে কাটালেন দুই বছর। ৫৪ ম্যাচ খেলে করেছেন ২৮ গোল। ২০১৭ সালে তিনি আবার ফিরে আসেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। নাম লেখান ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডে। এই ক্লাবের হয়ে এখনও পর্যন্ত ২৬ ম্যাচে করেন ৮ গোল।

মেক্সিকোর হয়ে ২০০৯ সালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে অভিষেক ঘটে হার্নান্দেজের। ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপ খেলেন তিনি। খেলেছেন ২০১১ এবং ২০১৫ কনকাকাফ গোল্ড কাপ, ২০১৩, ২০১৭ কনফেডারেশন্স কাপ এবং ২০১৬ কোপা আমেরিকার শতবর্ষ পূর্তি টুর্নামেন্টেও। মেক্সিকোর হয়ে ১০০ ম্যাচ খেলে ৪৯ গোল করেছেন তিনি। একই সঙ্গে মেক্সিকোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও দখল করেছেন তিনি।

Coach Image

হুয়ান কার্লোস অসরিও আরবেলায়েজ

হুয়ান কার্লোস অসরিও আরবেলায়েজ। ১৯৬১ সালের ৮ জুন কলম্বিয়ার সান্তা রোসা দে সাবাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে মিডফিল্ডার হিসেবেই খেলে গেছেন পুরোটা সময়। ১৯৮২ সালে কলম্বিয়ার ক্লাব দেপোর্তিভো পেরেইরার হয়ে ফুটবল খেলা শুরু করেন অসরিও।

দুই মৌসুম ক হেলে যোগ দেন ব্রাজিলের ক্লাব ইন্টারন্যাসিওনালে। এক মৌসুম সেখানে খেলে আবারো ফিরে আসেন কলম্বিয়াতে। অন্সে সালদাসের হয়ে ১৯৮৭ সালেই মাত্র ২৬ বছর বয়সে ফুটবলকে বিদায় জানান অসরিও। এর মূল কারণ ছিল অবশ্য ইনজুরি। ইনজুরি তাকে সফল ফুটবলার হওয়ার রাস্তায় বাঁধা হয়ে দাড়ালেও কোচ হওয়ার ক্ষেত্রে সেটা পারে নি।

২০০৬ সালে কলম্বিয়ার ক্লাব মিলিওনারিওসের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার আগে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন ৫ বছর। মিলিওনারিওসের হয়ে এক মৌসুম কোচের ভূমিকায় থেকে যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব শিকাগো ফায়ার্সে।

সামান্য কিছুদিন শিকাগোর কোচ থাকার পর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সেখান থেকে পদত্যাগ করেন অসরিও। কিন্তু এই পদত্যাগের মাত্র ৮ দিন পরেই তাকে কোচ হিসেবে নিয়োগের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় মেজর লিগ সকারের আরেক ক্লাব নিউ ইয়র্ক রেড বুলস। তার অধীনেই ২০০৮ সালে প্রথমবারের মত এমএলএস কাপের ফাইনালে ওঠে রেড বুলস যদিও তারা সেখানে হস্টন ডায়নামোর কাছে ৪-১ গোলে হেরে যায়।

ফাইনালের ওঠার আনন্দ বেশি দিন ছিল রেড বুলস শিবিরে। খুব দ্রুতই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে থাকেন এই কলম্বিয়ান। লীগে তার অধীনে ক্লাব ইতিহাসে সবথেকে বাজে পারফরম্যান্স করে রেড বুলস এমনকি কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বাছাইপর্বে জ্যামাইকার অখ্যাত ক্লাবের কাছে হেরে রেড বুলস বিদায় নিলে তার বিদায় ঘন্টাও বেজে যায়। ২০০৯ সালের ২১ আগস্ট পদত্যাগ করেন অসরিও।

বেশি দিন বসে থাকতে হয় নি তাকে। ঐ বছরের নভেম্বরেই অনসে সালদাসের কোচ হন অসরিও। ২০১০ সালে ক্লাবকে লীগ শিরোপাও জেতান তিনি। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে আকস্মিকভাবে ঘোষণা আসে অসরিও হন্ডুরাস জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের ম্যাচে হন্ডুরাসের কোচও ছিলেন তিনি। কিন্তু সালদাসের সাথে চুক্তি সম্পর্কিত জটিলতার কারণে হন্ডুরাসের কোচের পদ থেকে সরে আসতে হয় তাকে পাশাপাশ সালদাসও তাকে বহিষ্কার করে।

২০১১ সালের নভেম্বরে যোগ দেন মেক্সিকান ক্লাব পিউয়েবলাতে। মাত্র ৭ ম্যাচ কোচ হিসেবে থাকার পর তাকে বহিষ্কার করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। এর পর চারবছর কাটিয়েছেন কলম্বিয়ান ক্লাব অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালে। ২০১৫ সালের মে মাসে যোগ দেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সাও পাওলোতে। মাত্র ৫ মাস পরেই মেক্সিকোর কোচ হিসেবে নিয়োগ পান অসরিও।

২০১৫ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব পেয়ে ভালোই পারফর্ম করতে থাকেন তিনি। কোপা আমেরিকা সেন্টেনারিওতে উরুগুয়ে এবং জ্যামাইকাকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে মেক্সিকো। সেখানে চিলির কাছে ৭-০ গোলে হেরে বিদায় নেয় তারা।

সেই হারের আগে টানা ২২ ম্যাচ অপরাজিত ছিল অসরিওর দল। লজ্জাজনক হারে বিদায় নেওয়ার পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান তিনি। ফিফা কনফেডারেশন্স কাপেও মেক্সিকোকে চতুর্থ করেন এই কলম্বিয়ান। এছাড়া ১৯৯৭ সালের পর প্রথমবারের মত কনকাকাফ অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে মেক্সিকো তার কোচিংয়ের কল্যাণেই।

মেক্সিকোর ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : গুইলের্মো ওচোয়া, আলফ্রেডো তালাভেরা, হোসে ডি হেসুস করোনা।

ডিফেন্ডার : হুগো আয়ালা, কার্লোস স্যালসেদো, রাফায়েল মার্কুয়েজ, দিয়েগো রেয়েস, হেক্টর মোরেনো, হেক্টর হেরেরা, এডসন আলভারেজ।

মিডফিল্ডার : জোনাথন ডস সান্তোস, মিগুয়েল লাইয়ুন, জিওভানি ডস সান্তোস, হিসুস ম্যানুয়েল করোনা, আন্দ্রেস গুয়ার্দাদো (অধিনায়ক), হ্যাভিয়ের অ্যাকুইনো, হেসুস গ্যালার্ডো।

ফরোয়ার্ড : মার্কো ফ্যাবিয়ান, রাউল জিমেনেজ, কার্লোস ভেলা, হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ, ওরিবে পেরালতা, হার্ভিং লোজানো।

 

মেক্সিকো

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১ জানুয়ারি, ১৯২৩, গুয়াতেমালা সিটি
গুয়াতেমালা ২ : ৩ মেক্সিকো

সবচেয়ে বড় জয়
২৮ এপ্রিল, ১৯৮৭, তোলুকা, মেক্সিকো
মেক্সিকো ১৩ : ০ বাহামাস

সবচেয়ে বড় হার
১০ মে, ১৯৬১, লন্ডন
ইংল্যান্ড ৮ : ০ মিশর

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ১৬ বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল ২বার (১৯৭০, ১৯৮৬)
কনকাকাফ গোল্ড কাপে অংশগ্রণ : ২২ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১০ বার (১৯৬৫, ১৯৭১, ১৯৭৭, ১৯৯৩, ১৯৯৬, ১৯৯৮, ২০০৩, ২০০৯, ২০১১ ও ২০১৫)
কোপা আমেরিকায় অংশগ্রহণ : ১০বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ ২ বার (১৯৯৩ ও ২০০১)
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ৭ বার, সর্বোচ্চ ফল : চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৯)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ক্লদিও সুয়ারেজ (১৭৭ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : হ্যাভিয়ের হার্নান্দেজ (৪৯টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো মেক্সিকো

মেক্সিকো ২-০ কোস্টা রিকা
মেক্সিকো ১-০ পানামা
মেক্সিকো ৩-০ হন্ডুরাস
মেক্সিকো ১-১ আমেরিকা
মেক্সিকো ৩-১ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
কোস্টা রিকা ১-১ মেক্সিকো
পানামা ০-০ মেক্সিকো
হন্ডুরাস ৩-২ মেক্সিকো
আমেরিকা ১-২ মেক্সিকো
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ০-১ মেক্সিকো

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোলপার্থক্য

পয়েন্ট

মেক্সিকো

১০

+৯

২১

কোস্টারিকা

১০

+৬

১৬

পানামা

১০

−১

১৩

হন্ডুরাস

১০

−৬

১৩

আমেরিকা

১০

+৪

১২

ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো

১০

−১২

 

সময়সূচি

১৭ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

জার্মানি জার্মানি ০ - ১ মেক্সিকো মেক্সিকো

ম্যাচ রিপোর্ট
২৩ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , রোস্তভ এরেনা

দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ১ - ২ মেক্সিকো মেক্সিকো

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

মেক্সিকো মেক্সিকো ০ - ৩ সুইডেন সুইডেন

ম্যাচ রিপোর্ট
০২ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , সামারা এরেনা

ব্রাজিল ব্রাজিল ২ - ০ মেক্সিকো মেক্সিকো

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...