মরক্কো

Team Image

বিশ্বকাপের বাছাই পর্বটা তাদের মোটেও ভালো ছিল না। আফ্রিকান অঞ্চলে তৃতীয় পর্যায়ের বাছাই পর্ব যখন গ্রপ করে রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়, তখন প্রথম দুই ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছিল মরক্কানরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই গ্যাবনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বসে উত্তর আফ্রিকান দেশটি। পরের ম্যাচেও একই ভাগ্য। শক্তিশালী আইভরি কোস্টের সঙ্গেও ড্র। যদিও বাছাই পর্বে গ্রুপ ‘সি’তে মরক্কোর সঙ্গে পড়েছে শক্তিশালী আইভরি কোস্টের মত দল। সবাই ধরে নিয়েছিল এই গ্রুপ থেকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বকাপে নাম লেখাবে আইভরিয়ানরাই।

কিন্তু মরক্কো বাজির দান উল্টে দিতে থাকে মালিকে সামনে পেয়েই। ৬-০ গোলে হারিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযাত্রা শুরু। যদিও মালির সঙ্গে ফিরতি ম্যাচেই আবার গোলশূন্য ড্র করে ফেলে তারা। গ্যাবনের সঙ্গে ৩-০ গোলে জিতে বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখে মরক্কো। শেষ পর্যন্ত গ্রুপ পর্র্বের শেষ ম্যাচটি মরক্কো এবং আইভরি কোস্টের জন্য পরিণত হয় ফাইনালরূপে।

ম্যাচটি আইভরি কোস্টের মাঠে। ৯ পয়েন্ট নিয়ে মরক্কানরা এগিয়ে থাকলেও আইভরি কোস্ট এই ম্যাচটি জিতে গেলে তারাই বিশ্বকাপে। ড্র করলেও চলবে মরক্কোর জন্য। এ পরিস্থিতিতে আবিদজানে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক আইভরি কোস্টকে ২-০ গোলে অবিশ্বাস্যভাবে হারিয়ে দেয় মরক্কো। দিদার এবং মেধি বেনাতিয়ার অসাধারণ দুটি গোলই ১৯৯৮ সালের পর আবারও মরক্কোকে তুলে দেয় বিশ্বকাপের মঞ্চে।

মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযাত্রাটা এভাবেই ছিল স্বপ্নের মতো। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মত বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা। ১৯৭০ সালে খেলে তারা প্রথম বিশ্বকাপ। সেবার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়। ১৯৮৬ সালে এসে খেলে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে। ১৯৯৪ এবং ১৯৯৮ সালে টানা দুই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। যদিও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের।

১৯৯৮ সালের পর ২০ বছর অপেক্ষা। এবার আবারও স্বপ্নের বিশ্বকাপে মরক্কো। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে মরক্কোর যে ঐতিহ্য রয়েছে, সেটা আর কারও নেই। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে তারাই প্রথম জয় পায়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে এফ গ্রুপে ইংল্যান্ড পোল্যান্ড এবং পর্তুগালের মত দেশকে পেছনে ফেলে তারা হয়েছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।

প্রথম ম্যাচে পোল্যান্ডকে গোলশূন্যভাবে ঠেকিয়ে দেয় তারা। ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে সবাই ভেবেছিল মরক্কো বুঝি উড়ে যাবে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে তারা এই ম্যাচও ড্র করলো গোলশূন্যভাবে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে পর্তুগালকে হারিয়ে দিল ৩-১ গোলে। দ্বিতীয় রাউন্ডে সেবারের রানারআপ পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের।

১৯৯৮ বিশ্বকাপেও একই ইতিহাস রচনা করতে যাচ্ছিল তারা। প্রথম ম্যাচেই নরওয়েকে ২-২ গোলে ঠেকিয়ে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরেছিল ব্রাজিলের কাছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল তারা; কিন্তু দুর্ভাগ্য শেষ ম্যাচে ব্রাজিলকে হারিয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। এ কারণে আর দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারেনি মরক্কানরা।

ফরাসি কোচ হার্ভ রেনার্ডের অধীনে মরক্কো এবারও তেমন কোনো চমক দেখাতে প্রস্তুত। বিশ্বকাপে যদিও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীতার মুখোমুখি হবে তারা। বি গ্রুপে মরক্কোর সঙ্গী শিরোপা প্রত্যাশী স্পেন এবং পর্তুগাল। সঙ্গে রয়েছে এশিয়ার ইরান।

জুভেন্তাসে খেলা মেধি বেনাতিয়া মরক্কোর সবচেয়ে বড় ভরসার নাম। ডিফেন্সে তার সঙ্গী ফেনেরবাখে খেলা নাবিল দিরার এবং ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব উলভারহ্যাম্পটনের রোমেইন সাইয়াস, রিয়াল মাদ্রিদের আশরাফ হাকিমি। মিডফিল্ডে স্প্যানিশ লা লিগার ক্লাব লেগানেসের নুরদিন আমরাবাত, গেটাফের ফেইকল ফজর, ডাচ ক্লাব আয়াক্সের হাকি জিয়েখ, সাউদাম্পটনের সুফিয়ানে বউফলের মত ফুটবলাররা। ফরোয়ার্ডে ইতিমধ্যেই সবার নজর কেড়ে নিয়েছেন আইয়ুব এল কাবি। ৮ ম্যাচে তিনি ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন ১০ গোল। এছাড়া রয়েছেন স্প্যানিশ লা লিগার ক্লাব মালাগায় খেলা ইউসেফ এন নেসেরি।

Player Image

মেধি বেনাতিয়া

মেধি বেনাতিয়া সাম্প্রতিককালে মোটামুটি পরিচিত এক নাম। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে গিয়ে যখন জুভেন্টাস ৩-০ গোলে এগিয়ে এবং এই অবস্থায় ম্যাচ শেষ করার পথে, তখনই আচমকা নিজেদের ডি বক্সে রিয়ালের লুকাস ভাসকুয়েজকে ফাউল করে বসেন মেধি বেনাতিয়া। জুভেন্টাসের এই সেন্টার ব্যাকের এমন ছোট ভুলেই টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হলো জুভেন্টাসকে। কারণ ওই ভুলেই রেফারি বাজালেন পেনাল্টির বাঁশি। প্রতিবাদ করায় লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল জিয়ানলুইজি বুফনকে।

মেধি বেনাতিয়া মরক্কান ফুটবলার। তবে, জুভেন্টাসের এই ডিফেন্ডারকে ‘শঙ্কর’ বললেও কম বলা হবে না। তার বাবা মরক্কান, মা আলজেরিয়ান। জন্ম হয়েছে ফ্রান্সে। খেলেছেন ফ্রান্স থেকে ইতালি এবং জার্মানিতে। কিন্তু তার জাতীয় পরিচয়, তিনি মরক্কান। বাবার দেশকেই নিজের দেশ হিসেবে বেছে নিয়েছেন মেধি বেনাতিয়া। সে কারণেই মরক্কোর হয়ে খেলে যাচ্ছিলেন তিনি দীর্ঘদিন। এতদিনে তার নামের পাশে যোগ হয়ে গেছে ৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ।

মেধি বেনাতিয়াদের নৈপুণ্যেই ২০ বছর পর আফ্রিকান অঞ্চল থেকে আবারও বিশ্বকাপে নাম লেখোতে সক্ষম হয় মরক্কো। মেধি বেনাতিয়ার ক্যারিয়ারটা শুরু হয়েছে ফরাসি ক্লাব মার্সেইয়ের হয়ে। কিন্তু মার্সেইর জার্সি গায়ে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তার। এ সময় তাকে আবার লোন দেয়া হয় ট্যুরস এবং লরিয়েন্তের কাছে। লোনে খেলতে খেলতেই অন্যদিকে, অন্যক্লাবগুলোর নজরে পড়ে যান। যে কারণে তিনি নাম লেখান ক্লেরমন্টে। দুই মৌসুম এখানে খেলার পর মেধি নাম লেখান উদিনেসে।

ইতালিয়ান ক্লাব উদিনেসে খেলেন ৩ মৌসুম। ৮০ ম্যাচে রক্ষণ সামলান তিনি। গোল করেন ৬টি। পরের বছরই নাম লেখান রোমায়। এক বছর সেখানে থাকার পর পাড়ি জমান জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে। জার্মানদের ডিফেন্স সামলানোর কাজ খুব বেশি ছিল না। কারণ ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি বায়ার্নে খেলার সুযোগ পান মাত্র ২৯ ম্যাচে। ২০১৬-১৭ মৌসুম জুভেন্টাসে খেলতে আসেন লোনে। শেষ পর্যন্ত জুভেন্টাস কিনেই নিলো মেধিকে।

২০০৮ সালে জাম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মরক্কোর হয়ে অভিষেক ঘটে বেনাতিয়ার। তবে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর থেকে খুব বেশি সাফল্য কিন্তু মরক্কোকে দিতে পারছিলেন না বেনাতিয়ারা। ২০১৭ সালে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে তাকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। এই টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে মিশরের কাছে হেওে বিদায় নিতে হয় মরক্কোকে। জুভেন্তাসের হয়ে নিয়মিত খেলার কারণে মাঝে তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়, যার কঠেরা সমালোচনা করেন বেনাতিয়া। তবে, বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে আইভরি কোস্টেও বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে এক গোল করে অবদান রাখেন তিনি। যে জয়, মরক্কোকে ২০ বছর পর বিশ্বকাপে জায়গা করে দেয়।

Coach Image

হার্ভ রেনার্ড

হার্ভ রেনার্ড। ১৯৬৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের বেইন্স শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রফেশনাল ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি ছিলেন ডিফেন্ডার। ফুটবল ক্যারিয়ারে এস কানেস, স্টেড দে ভ্যালাউরিস এবং ড্রাগুইনান ক্লাবের হয়ে ২১৫ ম্যাচ খেলে করেছিলেন ৩ গোল। ১৮৮৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ফুটবল খেলে গেলেও তারপর মনোনিবেশ করেন কোচিং ক্যারিয়ারে।

১৯৯৯ সালেই ড্রাগুইনান ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পান যা স্থায়ী ছিল মাত্র ২ বছর। ২০০৪-২০০৭ পর্যন্ত ক্যামব্রিজ ইউনাইটেড, সং দা নাম দিনহ, এএস শারবার্গ ক্লাবের কোচ হলেও কোথায় তেমন সাফল্য পান নি। প্রথম কোন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান ২০০৮ সালে। জাম্বিয়ার ফুটবল ফেডারেশন তাকে কোচের দায়িত্ব দেয়। ২০১০ আফ্রিকান নেশন্স কাপে জাম্বিয়াকে গেল ১৪ বছরের ভেতর প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন রেনার্ড।

কিন্তু কোয়ার্টারে হেরে যাওয়ার কারোনে তিনি কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০১০ সালেই আফ্রিকার আরেক দেশ এঙ্গোলার জাতীয় দলের দায়িত্ব পেলেও সেখান থেকে পদত্যাগ নিয়ে যোগ দেন আলজেরিয়ান ক্লাব ইউএসএম আলজারে। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় দফায় জাম্বিয়ার কোচ হয়েই সাফল্য এনে দেন রেনার্ড।

২০১২ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপে প্রথমবারের মত জাম্বিয়াকে চ্যাপিয়ন করেন। জাম্বিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রী এই সাফল্যের জের ধরে তাকে নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেন। কিন্তু ২০১৩ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপের প্রথম রাউন্ড থেকেই জাম্বিয়ার বিদায়ের কারণে সব ভুল নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন রেনার্ড। জাম্বিয়ার কোচের পদ ত্যাগ করে যোগ দেন আফ্রিকার আরেক দেশ আইভরি কোস্টের কোচের পদে।

মাঝে ফ্রেঞ্চ লিগের ক্লাব সসাক্সের দায়িত্বে ছিলেন ৭-৮ মাসের মত। আইভরি কোস্টের কোচ হয়ে আবারো আফ্রিকান নেশন্স কাপ জয়ের সুবাস পান রেনার্ড। ইয়া ইয়া তোরেদের নেশন্স কাপ জেতান তিনি। এই শিরোপা জেতার ফলে একটি অনবদ্য কীর্তিও গড়েছেন তিনি। প্রথম কোচ হিসেবে দুইটি ভিন্ন দলের হয়ে দুবার আফ্রিকান নেশন্স কাপ জেতা একমাত্র কোচ রেনার্ড।

২০১৫ সালে আইভরি কোস্টের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ক্লাব লিলের কোচ হন তিনি। কিন্তু লিগে মাত্র ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পাওয়ায় বরখাস্ত হন রেনার্ড। চাকরি হারিয়েও বসে থাকতে হয় নি তাকে। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষেই মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব পান রেনার্ড। আর দায়িত্ব নিয়ে ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে নেয় আফ্রিকান দেশ মরক্কো।

মরক্কোর ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : মুনির এল কাজুই, ইয়াসিন বোনু, আহমাদ রেদা।

ডিফেন্ডার : মেধি বেনাতিয়া, রোমান সেইস, ম্যানুয়েল দ্য কস্তা, বাদ্র বেনোন, নাবিল দিরার, আশরাফ হাকিমি, হামজা মেন্দিল।

মিডফিল্ডার : এমবার্ক বোসুফা, করিম এল আহমাদি, ইউসুফ আইত বেনাসের, সুফিয়ান আমরাবাত, ইউনুস বেলহানদা, ফ্যাকেল ফাজর, আমিন হারিত।

ফরোয়ার্ড : খালিদ বোতাইব, আজিজ বোহাদ্দুজ, আইয়ুব এল কা’বি, নরদিন আমরাবাত, মেধি সারসেলা, হাকিম জিয়েচ।

মরক্কো

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৯ অক্টোবর, ১৯৫৭, বেইরুত, লেবানন
মরক্কো ৩ : ৩ ইরাক

সবচেয়ে বড় জয়
৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১, ক্যাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো
মরক্কো ১৩-১ সৌদি আরব

সবচেয়ে বড় হার
১১ অক্টোবর, ১৯৬৪, টোকিও, জাপান
হাঙ্গেরি ৬ : ০ মরক্কো

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (১৯৮৬)
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে অংশগ্রণ : ১৬ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১ বার (১৯৭৬)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : আবদেলমাজিদ দোলমি (১৪২ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : আহমেদ ফারাজ (৪২টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো মরক্কো

মরক্কো ০-০ আইভোরি কোস্ট
মরক্কো ৩-০ গ্যাবন
মরক্কো ৬-০ মালি
আইভোরি কোস্ট ০-২ মরক্কো
গ্যাবন ০-০ মরক্কো
মালি ০-০ মরক্কো

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

মরক্কো

+১১

   ১২

আইভোরি কোস্ট

+২

গ্যাবন

−৫

মালি

−৮

 

সময়সূচি

১৫ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ বি , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

মরক্কো মরক্কো ০ - ১ ইরান ইরান

ম্যাচ রিপোর্ট
২০ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ বি , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

পর্তুগাল পর্তুগাল ১ - ০ মরক্কো মরক্কো

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম

স্পেন স্পেন ২ - ২ মরক্কো মরক্কো

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...