নাইজেরিয়া

Team Image

জায়ান্ট কিলার বললেও ভুল বলা হবে নাইজেরিয়াকে। আর্জেন্টিনার সামনে বারবার পড়া এবং তাদেরকে ভোগানোই যেন নাইজেরিয়ানদের বড় কাজ। এ কারণে, বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা যদি নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হয়, তাহলে পিলে চমকে যায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের। যদিও বিশ্বকাপে এখনও আর্জেন্টিনাকে নাইজেরিয়ার কাছে হারতে হয়নি। তবে প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে পেলে ছেড়ে কথা বলে না নাইজেরিয়া। গত বছর নভেম্বরেই নাইজেরিয়ার কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে আর্জেন্টিনা।

এবারও বিশ্বকাপে সেই নাইজেরিয়ারই মুখোমুখি হতে হবে আর্জেন্টাইনদের। যে কারণে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে একটা অস্বস্তির কারণ হয়েই থাকবে নাইজেরিয়া। আফ্রিকান এই দেশটি টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ খেলছে। এর আগে ২০০৬ বিশ্বকাপ মিস করেছিল তারা। ১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২ বিশ্বকাপও খেলেছিল সুপার ঈগলসরা।

আফ্রিকান ফুটবলে দারুণ সমৃদ্ধ নাইজেরিয়ানদের ইতিহাস। আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে তিনবার চ্যাম্পিয়ন। চারবার রানারআপ এবং সাতবার খেলেছে সেমিফাইনাল খেলেছে তারা। এমন দেশটি বিশ্বকাপে যখন উঠে আসে, তখন তাদেরকে ভয় পেতেই হয় প্রতিপক্ষ দলগুলোর। রাশিয়া বিশ্বকাপে নাইজেরিয়া আতঙ্ক রয়েছে ডি গ্রুপের বাকি তিন দেশ আর্জেন্টিনা, ক্রোয়েশিয়া এবং আইসল্যান্ডের মধ্যে। কৌশলী ফুটবলের পরিবর্তে নাইজেরিয়ানরা খেলে পাওয়ার ফুটবল। শারীরিক শক্তিই তাদের ফুটবলের মূল উপজীব্য।

নাইজেরিয়ারই রয়েছে এমন একটা রেকর্ড, যা অন্য কারও নেই। ১৯৯৪ সালে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে নাইজেরিয়া উঠে এসেছিল ৫ম স্থানে। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে নাইজেরিয়াই সর্বোচ্চ এই স্থানে আসতে সক্ষম হয়েছে। সর্বশেষ ৭টি বিশ্বকাপের ৬টিতেই খেলেছে তারা। এর মধ্যে তিনবারই উঠেছেন দ্বিতীয় রাউন্ডে। ২০১৪ এবং ২০১৮- এই দুই বিশ্বকাপে টানা খেলার যোগ্যতা অর্জন করা একমাত্র আফ্রিকান দেশ নাইজেরিয়া।

১৯৩০ সাল থেকেই টুকটাক ফুটবল খেলে আসছিল নাইজেরিয়া। যদিও সেটা ছিল ব্রিটিশ কলোনির অংশ হয়ে। কারণ, ১৯৬০ সাল পর্যন্ত তারা ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে। তবুও ১৯৪৯ সালে প্রথম অফিসিয়াল ম্যাচ খেলে নাইজেরিয়ানরা। এরই মধ্যে ইংল্যান্ডে এসে ব্রোমলি, ডালউইচ হ্যামলেট, বিশপ অকল্যান্ড এবং দক্ষিণ লিভারপুলের বিপক্ষে ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলতো তারা।

১৯৭৩ সালে এসে প্রথম বড় কোনো সাফল্য পায় নাইজেরিয়া। সেবার অল-আফ্রিকান গেমসে স্বর্ণ পদক জয় করে নেয় সুপার ঈগলরা। ১৯৭৬ এবং ১৯৭৮- পরপর দুই বছর আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে তৃতীয়স্থান অর্জন করে তারা। ১৯৮০ সালে এসে ক্রিশ্চিয়ান চুকুর নেতৃত্বে সেগুন ওদেগবামি এবং বেস্ট ওগেডেগবেরা জয় করেন আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স।

১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্বিকের স্বর্ণ পদক জয় করে নেয় নাইজেরিয়ার অলিম্পিকের স্বর্ণপদক জয় করে নেয় তারা। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকের ফাইনালেও উঠেছিল নাইজেরিয়া। তবে, মেসি-আগুয়েরোর আর্জেন্টিনার কাছে হেরে আর স্বর্ণ পদক জয় করা হয়নি তাদের।

১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ থেকে নাইজেরিয়ার উপস্থিতি নিয়মিতই, শুধু ২০০৬ বিশ্বকাপছাড়া। ২০১৪ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডেও উঠেছিল সুপার ঈগলসরা। রাশিয়া বিশ্বকাপে কী আর্জেন্টিনা, ক্রোয়েশিয়া এবং বিশ্বকাপে নবাগত আইসল্যান্ডকে পেছনে ফেলে নকআউটে জায়গা করে নিতে পারবে? সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায়।

Player Image

জন অবি মিকেল

সুপার ঈগলদের হয়ে বিশ্বকাপে ইরানের বিপক্ষে অভিষেক ব্রাজিল বিশ্বকাপেই। প্রথম ম্যাচেই জিতলেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। শুধু তাই নয়, ১৯৯৮ সালের পর সেবারই প্রথম নাইজেরিয়াকে নকআউট পর্বে তুলে দিতে সক্ষম হলেন অবি মিকেলরা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্ট চেলসির হয়ে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় খেলা জন অবি মিকেল শুধু আফ্রিকা নয়, মাতিয়েছেন বিশ্ব ফুটবলও।

মূলতঃ নাইজেরিয়ান ফুটবলের পোস্টারবয় জন অবি মিকেল। ২০০৫ সাল থেকেই ফুটবল বিশ্বে অন্যতম উচ্চারিত নাম অবি মিকেল; কিন্তু তার দুর্ভাগ্য, বিশ্বকাপটা খেলতে হয়েছিল ২০১৪ সালে এসে। ২০০৬ সালে নাইজেরিয়া যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ২০১০ বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে এসে পড়েছিলেন ইনজুরিতে। যে কারণে, অবি মিকেলকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

  • পুরো নাম : জন মাইকেল এনচেকুবে ওবিন্না
  • জন্ম : ২২ এপ্রিল, ১৯৮৭
  • বয়স : ৩১
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ২ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : মিডফিল্ডার
  • নাইজেরিয়ার হয়ে : ৮২ ম্যাচে ৬ গোল

১২ বছর বয়সেই নিজেকে ছেনান অবি মিকেল। নাইজেরিয়ার ৩ হাজার প্রতিভাবান ফুটবলার থেকে পেপসি ফুটবল একাডেমির জন্য মাত্র কয়েকজন ফুটবলারকে বাছাই করা হয়। সেই একাডেমি থেকেই প্লাটেউ ইউনাইটেডের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেন মিকেল। যে ক্লাব থেকে উঠে এসেছেন নাইজেরিয়ার সব জাতীয় তারকারা। তবে অবি মিকেল নিজেকে ভালোভাবে চেনান ফিনল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফিফা অনুর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলতে গিয়ে। এরপরই তিনি চলে যান কেপটাউনের ক্লাব আয়াক্স কেপটাউনে ট্রায়াল দিতে।

কিন্তু মিকেল আর থাকলেন না আফ্রিকা মহাদেশে। ক্যারিয়ারের শুরুতেই পাড়ি দিলেন তিনি ইউরোপে। নরওয়ের অসলোভিত্তিক ক্লাব লিন ফোটবলে যোগ দেন তিনি। ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অবি মিকেল কাটিয়েছেন লিনে।

২০০৩ ফিফা অনুর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপে নাইজেরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ভুল করে অবি মাইকেলের পরিবর্তে তার নাম জমা দেয় অবি মিকেল হিসেবে। তিনি নিজেও আর শেষ পর্যন্ত নতুন এই নামটি বাদ দিলেন না। রেখে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সে কারণেই ‘মাইকেল’ থেকে তিনি হয়ে যান ‘মিকেল’।

২০০৫ সালেই ফিফা ওয়ার্ল্ড ইয়থ চ্যাম্পিয়নশিপের নাইজেরিয়ার হয়ে খেলেছিলেন তিনি। ওই টুর্নামেন্টে সুপার ঈগলদের তুলেছিলেন ফাইনালে। শিরোপা লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে ২-০ গোলে হেরে গিয়েছিল তারা।

যুব দলের হয়ে তার দারুণ পারফরম্যান্স উদ্বুদ্ধ করেছিল ম্যানইউকে। এমনকি ম্যানইউ ঘোষণাও দিয়েছিল তাকে কেনার। নরওয়ের ক্লাব লিনের সঙ্গে এ নিয়ে নাকি চুক্তিও হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ চেলসি ঘোষণা দেয়, তারা ইতিমধ্যেই চার বছরের চুক্তি করে ফেলেছে। এ নিয়ে ত্রিমুখি দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে মিকেল, ম্যানইউ এবং চেলসি।

মিকেল ম্যানইউতে খেলতে ইচ্ছুক হলেও লিনের একটি ম্যাচে অসলোয় স্টেডিয়াম থেকেই কিডন্যাপ হন তিনি। ম্যানইউ থেকে অভিযোগ ওঠে, চেলসিই কিডন্যাপ করিয়েছেন তাকে। মূলতঃ মিকেল কিডন্যাপ হননি। তিনি এজেন্টের সঙ্গে চলে আসেন লন্ডন। সব মিলিয়ে ৯দিন উধাও ছিলেন তিনি।

অবশেষে লন্ডনে এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি জানিয়ে দেন, মূলতঃ চেলসির সঙ্গেই চুক্তি হয়েছে তার। বিষয়টা ফিফা পর্যন্ত গড়িয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চেলসিতেই থাকলেন তিনি। এরপর চেলসির ঘরের ছেলেতেই পরিণত হন অবি মিকেল। প্রায় ১১ মৌসুমে খেলেছেন ২৪৯টি ম্যাচ। জিতেছেন দুটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা। ২০১৭ সালে এসে ছেড়ে দেন স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ। যোগ দেন চাইনিজ ক্লাব তানজিন তেদায়।

২০০৫ সালে মিকেলের অভিষেক হয় নাইজেরিয়া ফুটবল দলের হয়ে। এরপর জিতেছেন একটি আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স। রাশিয়া বিশ্বকাপেও সুপার ঈগলদের অন্যতম বড় ভরসা এই মিডফিল্ডার। তাকে সবচেয়ে বেশি ভয় আর্জেন্টিনারই। কারণ, গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে লিৗনেল মেসিরা।

Coach Image

গার্নট রোর

গার্নট রোর। ১৯৫৩ সালের ২৮ জুন পশ্চিম জার্মানির ম্যানহেইম প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। প্রফেশনাল ফুটবলে ছিলেন একজন ডিফেন্ডার। ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার রোর ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন জার্মানির সবথেকে সফল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে।

কিন্তু ৬ ম্যাচ খেলে ইতি টানতে হয় বায়ার্ন ক্যারিয়ারের। পরবর্তীতে যোগ দেন জন্মস্থানের ক্লাব এসভি ওয়াল্ডহফ ম্যানহেইমে। ফুটবল ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় কাটান ফ্রেঞ্চ ক্লাব বোর্দোর হয়ে। ১৯৭৭ সালে যোগ দিয়ে ১২ বছর ছিলেন ক্লাবের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ৩৫২ ম্যাচ খেলে ১৩ গোল করে হয়ে যান বোর্দোর কিংবদন্তি। বার্লিন প্রাচীর ধ্বংসের আগেই ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানেন রোর।

এরপর মনোনিবেশ করেন কোচিং ক্যারিয়ারে। ১৯৯০-১৯৯৬ সালে তিন দফায় বোর্দোর কোচের ভূমিকা পালন করলেও কোনবারই সফল হতে পারেন নি। ১৯৯৬ সালে বোর্দোকে ইউরোপা লিগের ফাইনালে ওঠালেও বায়ার্নের কাছে হেরে যাওয়া কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা পান নি রোর।

বোর্দোর কোচ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ফ্রেঞ্চ ক্লাব নাইসে এবং সুইস ক্লাব ইয়াং বয়েসের দায়িত্ব পেলেও ব্যর্থ হন ট্রফি জিততে। ২০১০ সালে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনের ফুটবল দলের কোচ হন রোর। কিন্তু দু বছর পরেই পদত্যাগ করেন তিনি। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে আরেক আফ্রিকান দেশ নাইজারের কোচ হলেও এখানেও থিতু হতে পারেননি রোর।

২০১৪ সালের অক্টোবরেই পদত্যাগ করেন তিনি। ২০১৫ সালে বুরকিনা ফাসোর কোচ হলেও আরো ভালো দলের কোচ হওয়ার জন্য চাকরি খুঁজতে থাকেন এই জার্মান ডিফেন্ডার। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে গিনি জাতীয় দলের কোচের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় তার নাম থাকলেও তাকে কোচ করা হয় নি। ২০১৬ সালের আগস্ট মাসেই সুপার ঈগল নাইজেরিয়ার কোচ হিসেবে নিয়োগ পান রোর।

তার অধীনে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসেই প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে জাম্বিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে সুযোগ করে নেয় আফ্রিকার অন্যতম সফল এই দলটি।

নাইজেরিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : ফ্রান্সিস উঝো, ইকেচুকু এজেনওয়া, ড্যানিয়েল আকপি।

ডিফেন্ডার: ব্রায়ান ইদু, এলডারসন ইচিজিলি, উইলিয়াম ট্রুস্ট-একং, লিওন বালোগান, আব্দুল্লাহি শেহু, চিদোজি আওয়াজিয়েম, টাইরন ইবুয়েহি, কেনেথ অমেরো।

মিডফিল্ডার: উইলফ্রেড এনদিদি, ওঘেনেকারো ইতেবো, জন অবি মিকেল (অধিনায়ক), জোয়েল অবি, ওগেনি ওনাজি, জন ওগু।

ফরোয়ার্ড: আহমেদ মুসা, ওডিওন ইঘালো, ভিক্টর মোসেস, সিমিওন এনওয়াংকো, কেলেচি ইহেনাচো, অ্যালেক্স ইওবি।

 

নাইজেরিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
৪ অক্টোবর, ১৯৪৯, ফ্রিটাউন, সিয়েরালিওন
সিয়েরালিওন ০ : ২ নাইজেরিয়া

সবচেয়ে বড় জয়
২৮ নভেম্বর, ১৯৫৯, লাগোস, নাইজেরিয়া
নাইজেরিয়া ১০-১ দাহোমি

সবচেয়ে বড় হার
১ জুন, ১৯৫৫, আক্রা, গোল্ডকোস্ট
গোল্ডকোস্ট ও ব্রিটিশ টোগোল্যান্ড ৭-০ নাইজেরিয়া

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৬ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০১৪)
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে অংশগ্রণ : ১৭ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৩ বার (১৯৮০, ১৯৯৪, ২০১৩)
আফ্রিকান নেশন্স চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ৩ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (২০১৮)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ২ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (চতুর্থ, ১৯৯৫)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ভিনসেন্ট এনিয়েমা ও জোসেফ ইয়োবো (১০১ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : রশিদি ইয়েকিনি (৩৬টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো নাইজেরিয়া

নাইজেরিয়া ১-০ জাম্বিয়া
নাইজেরিয়া ৪-০ ক্যামেরুন
নাইজেরিয়া ৩-১ আলজেরিয়া
জাম্বিয়া ১-২ নাইজেরিয়া
ক্যামেরুন ১-১ নাইজেরিয়া
আলজেরিয়া ৩-০ নাইজেরিয়া

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

নাইজেরিয়া

+

১৩

জাম্বিয়া

+১

ক্যামেরুন

−২

আলজেরিয়া

−৪

 

সময়সূচি

১৬ জুন, ২০১৮, ০১:০০ এএম

গ্রুপ ডি , কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম

ক্রোয়েশিয়া ক্রোয়েশিয়া ২ - ০ নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২২ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ ডি , ভলগোগ্রাদ এরেনা

নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া ২ - ০ আইসল্যান্ড আইসল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
২৬ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ডি , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

নাইজেরিয়া নাইজেরিয়া ১ - ২ আর্জেন্টিনা আর্জেন্টিনা

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...