পানামা

Team Image

লাতিন এবং উত্তর আমেরিকার সংযোগ স্থাপনকারী দেশ পানাম। আবার আটলান্টিক এবং প্রশান্স মহাসাগরকে বিভক্তকারী রেখাও এই পানামা দেশটি। যদিও সমূদ্র বাণিজ্য এবং যাতায়াতের সুবিধার্থে পানামা খাল দিয়ে দুই মহাসাগরকে যুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ছোট্ট এই দেশটি এবার বিশ্বকাপে খেলছে প্রথমবারেরমত। যে দুটি নতুন দেশ বিশ্বকাপে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছে তাদের মধ্যে পানামাও একটি। পানামার বিশ্বকাপে খেলার সুবাধে ১৯৯০ সাল থেকে টানা বিশ্বকাপ খেলতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিদায় ঘটেছে বাছাই পর্ব থেকেই।

পানামা ফুটবল ইতিহাস খুব বেশি নিদেরও নয়। কনকাকাফ অঞ্চলে নিজেদের শক্তির পরিচয় দেয়াও শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকবছর আগে। ২০০৫ এবং ২০১৩ কনকাকাফ গোল্ড কাপে রানারআপ হয়েছিল তারা।

২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপেও প্রায় নাম লিখে ফেলেছিল তারা। কিন্তু বাছাই পর্বের চতুর্থ রাউন্ডের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২-১ গোলে হেরে প্লে-অফে চলে যেতে হয় তাদের। প্লে-অফে নিউজিল্যান্ডের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি আর লজ ক্যানালেরোজদের।

অবশেষে আরও চার বছর অপেক্ষার পর সেই স্বপ্ন ধরা দিল পানামার হাতে। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে কোস্টা রিকাকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে নাম লিখে ফেলেছে তারা। সে সঙ্গে বাছাই পর্ব থেকেই বিদায় করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। যদিও ত্রিনিদান অ্যান্ড টোবাগোর বিপক্ষে যদি যুক্তরাষ্ট্র জিতে যেতো, তাহলে ভিন্ন কথা ছিল। কিন্তু উল্টো তারা হেওে গিয়েছিল ২-১ গোলের ব্যবধানে। চার বছর আগে যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে পানামার বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়েছিল, এবার তাদেরকে বিদায় করে দিয়েই বিশ্ব মঞ্চে নাম তুলে দিলো মধ্য আমেরিকার দেশটি।

বিশ্বকাপেও পানামার জন্য চমক দেখানোর দারুণ সুযোগ রয়েছে। কারণ, জি গ্রুপে পানামার খুব বড় প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। বেলজিয়াম এবং ইংল্যান্ড। সঙ্গে রয়েছে তিউনিসিয়া। বিশ্বকাপে খেলতে আসা প্রতিটি দলেরই সামর্থ্য থাকে অন্য যে কোনো দলকে হারানোর। পানামার সামনেও দারুণ সুযোগ রয়েছে এবার।

কলম্বিয়ান কোচ হার্নান দারিও গোমেজের অধীনেই স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত রেখেছে পানামা ফুটবল দল। তার অধীনে রাশিয়াতেও চমক দেখানোর অপেক্ষায় তারা। রয়েছে তরুণ এবং অভিজ্ঞ ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত শক্তিশালী একটি দল। স্ট্রাইকার ব্লাজ পেরেজ, লুইস তাজেদা, গ্যাব্রিয়েল তোরেস, মিডফিল্ডে গ্যাব্রিয়েল গোমেজ, আর্মান্দো কুপার, আলবার্তো কুইন্তেরো কিংবা ডিফেন্সে রোমান তোরেস, ফেলিপে বালয়, অ্যাডোলফো মাচাদোরা রয়েছেন পানামা দলে। সুতরাং, বিশ্বকাপে যদি পানামা বড় কোনো চমক দেখিয়ে দেয়, তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

Player Image

ব্লাজ পেরেজ

 

২০০১ সালে এল সালভাদরের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটে ব্লাজ পেরেজের। ২০১৬ সালের ৬ জুন ক্যারিয়ারে ১০৬তম ম্যাচ খেলে পানামার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলারে পরিণত হন তিনি। গ্যাব্রিয়েল গোমেজ এবং জেমি পেনেদোর পেছনেই রয়েছে তার নাম। এছাড়া লুইস তাজেদার সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে রয়েছে তার নাম।

পানামার ইতিহাসে সোনালি প্রজন্মের ফুটবলার ব্লাজ পেরেজ। এদের হাত ধরে এই প্রথমবারেরমত বিশ্বকাপে নাম লিখিয়েছে মধ্য আমেরিকার দেশটি। পৃথিবীর মানচিত্রে পানামা দেশটি যেন দুই আমেরিকা মহাদেশের সংযোগ সেতু। পানামা খাল দিয়ে আবার ভাগ করে দেয়া হয়েছে দেশটিকে। সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে আটলান্টিক আর প্রশান্ত মহাসাগরকে। পৃথিবীর মানুষ এভাবেই হয়তো চিনতো পানামা দেশটিকে; কিন্তু তারাও যে ফুটবল খেলতে পারে, সেটা চিনিয়েছে ব্লাজ পেরেজরা। ফুটবলের মানচিত্রে গৌরবের জায়গায় তুলে এনেছে তারা পানামাকে।

  • নাম: ব্লাজ আন্তোনিও মিগুয়েল পেরেজ ওর্তেগা
  • জন্ম : ১৩ মার্চ, ১৯৮৮
  • বয়স : ২৯ বছর
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৯ ইঞ্চি
  • পজিশন : স্ট্রাইকার
  • জার্মানির হয়ে : ১০০ ম্যাচে ৪৯ গোল

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে সর্বমোট ২২টি ম্যাচ খেলেছেন ব্লাজ পেরেজ। এছাড়া পানামার হয়ে ২০০৭ কনকাকাফ গোল্ড কাপেও খেলেছেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল পানামাকে। সেই যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করে দিয়েই পেরেজরা ইতিহাসে প্রথমবারেরমত বিশ্বকাপে নাম লিখিয়েছে।

২০০৭ গোল্ড কাপের সেরা একাদশেও নাম উঠেছিল তার। এরপর ২০০৯, ২০১১, ২০১৩ এবং ২০১৫ কনকাকাফ গোল্ড কাপেও খেলেছিলেন তিনি। খেলেছেন কোপা আমেরিকার শতবর্ষ উৎসবেও।

২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের নিজেদের শেষ ম্যাচে পানামা মুখোমুখি হয়েছিল কোস্টা রিকার। ওই ম্যাচে হারলেই বিদায়। জিতলে সম্ভাবনা থাকবে বিশ্বকাপে নাম লেখানোর। তবুও অনেক হিসাব-নিকাশ বাকি থাকবে। তার আগে তো নিজেদের জিততে হবে!

এমন পরিস্থিতিতে কোস্টা রিকার বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ভেনেগাসের গোলে পিছিয়ে পড়ে পানামা। খেলার ৫৩ মিনিটে ব্লাজ পেরেজের গোলেই সমতায় ফেরে পানামা। ৮৮ মিনিটে রোমান তোরেসের গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মধ্য আমেরিকার দেশটি। বাকি সময়টা তো ইতিহাস। ত্রিনিদাদের কাছে হেরে গেলো যুক্তরাষ্ট্র এবং কোস্টারিকাকে হারানোর কারণে রাশিয়া বিশ্বকাপে নাম লিখিয়ে ফেললো পানামা। এর আগে হন্ডুরাসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র ম্যাচে একট গোল করেছিলেন পেরেজ।

ক্যারিয়ারে অসংখ্য ক্লাবের হয়ে খেলেছেন পেরেজ। ১৯৯৮ সাল থেকে শুরু করেছেন ক্লাব ক্যারিয়ার। গত ২০ বছর ধরে মোট ১৯টি ক্লাবে খেলেছেন তিনি। বর্তমানে রয়েছেন গুয়েতেমালার ক্লাব মিউনিসিপ্যালে (২০১৭ সাল থেকে)।

Coach Image

হার্নান দারিও গোমেজ

হার্নান দারিও গোমেজ। ১৯৫৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার মেদেলিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে ছিলেন একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। কলম্বিয়ার মেদেলিন এবং অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালের ক্লাবের হয়েই খেলে গেছেন ফুটবল ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়। ফুটবলার হিসেবে বেশি নাম করতে না পারলেও কোচ হিসেবে ছিলেন অন্য সবার থেকে অনন্য।

১৯৮৬ সালে অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনালের সহকারি কোচের ভূমিকায় আবির্ভুত হন তিনি। তিনি সহকারী কোচ থাকাকালীন অ্যাটলেটিকো ন্যাসিওনাল ১৯৮৯ সালে কোপা লিবারতোদরেস জয় করে। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে ন্যাসিওনালেরই প্রধান কোচ হিসেবে পদন্নোতি হয় তার। প্রথম বছরেই সেই ক্লাবের হয় জয় করেন কলম্বিয়ান লিগ। কলম্বিয়ার গোল্ডেন জেনারেশনের সময়ে নিজ দেশের জাতীয় ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব আসে গোমেজের হাতে।

১৯৯৫ সালে সেই দায়িত্ব নিয়েই কলম্বিয়াকে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন। যদিও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। কলম্বিয়ার কোচ থেকে পদত্যাগ করে যোগ দেন ইকুয়েডরের কোচ হিসেবে। ১৯৯৯ সালে কোচ হয়েই ইকুয়েডরের ফুটবল ইতিহাসে কিংবদন্তী বনে যান গোমেজ।

২০০২ সালে প্রথমবারের মত ল্যাটিন আমেরিকার দেশটিকে বিশ্বকাপে সুযোগ করে দেন তিনি। ২০০৪ সালের কোপা আমেরিকায় ইকুয়েডরের বাজে পারফরম্যান্সের সব দায় নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন গোমেজ। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছেন ল্যাটিন আমেরিকার একটি টিভি চ্যানেলে।

২০১০ সালে আবারো কলম্বিয়া ফুটবল দলের কোচ হন যদিও এক বছর পরেই তাকে সরিয়ে দেয় দেশটির ফুটবল কর্তৃপক্ষ। এক বছর মেদেলিন ক্লাবে কোচিং করিয়ে প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দেন উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে। ২০১৪ সালে দায়িত্ব নিয়ে ৪ বছরে অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে তৃতীয় কোন দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন তিনি।

পানামাও তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পায় গোমেজের অধীনে থেকেই। ২০১৫ সালে কনকাকাফ অঞ্চলের সেরা কোচও হয়েছিলেন তিনি। তার একটি বিরল রেকর্ডও রয়েছে। পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় কোচ হিসেবে ৩টি ভিন্ন ভিন্ন দলকে বিশ্বকাপের প্রথম বাছাইপর্বের ম্যাচ থেকে শেষ পর্যন্ত খেলে বিশ্বকাপে ওঠানো দলগুলোর কোচ ছিলেন গোমেজ। তার আগে কেবল ফ্রান্সের হেনরি মিশেল ১৯৯৪ সালে ক্যামেরুনকে, ১৯৯৮ সালে মরক্কোকে, ২০০২ সালে তিউনিসিয়াকে বিশ্বকাপে তুলেছিলেন।

পানামার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : হোসে ক্যালদেরন, জেমি পেনেদো, অ্যালেক্স রদ্রিগেজ।

ডিফেন্ডার : মাইকেল আমির মুরিলো, হ্যারল্ড কামিংস, ফিদেল এসকোবার, রোমান তোরেস, অ্যাডলফো মাকাদো, এরিক ডেভিস, লুইস ওভালে, ফেলিপে ব্যালয় (অধিনায়ক)।

মিডফিল্ডার : গ্যাব্রিয়েল গোমেজ, এডগার বার্সেনাস, আরমান্দো কুপার, ভ্যালেন্তিন পিমেন্টেল, রিকার্ডো অ্যাভিলা, অ্যানিবাল গুডোয়, হোসে লুইস রদ্রিগেজ।

স্ট্রাইকার : ব্লাজ পেরেজ, গ্যাব্রিয়েল তোরেস, ইসমায়েল দিয়াজ, আবদেইল অ্যারোয়, লুইজ তাজেদা।

পানামা

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮, পানামা সিটি
পানামা ৩ : ১ ভেনেজুয়েলা

সবচেয়ে বড় জয়
১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৬, বারাঙ্কুইলা, কলম্বিয়া
পানামা ১২ : ১ পুয়ের্তোরিকো

সবচেয়ে বড় হার
১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৮, পানামা সিটি
পানামা ০ : ১১ কোস্টারিকা

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবারই প্রথম
কনকাকাফ গোল্ড কাপে অংশগ্রণ : ৮ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (২০০৫, ২০১৩)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : গ্যাব্রিয়েল গোমেজ (১৪৩ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : লুইস তাজেদা, ব্লাজ পেরেজ (৪৩টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো পানামা

পানামা ০-০ মেক্সিকো
পানামা ২-১ কোস্টা রিকা
পানামা ২-২ হন্ডুরাস
পানামা ১-১ আমেরিকা
পানামা ৩-০ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো
মেক্সিকো ১-০ পানামা
কোস্টা রিকা ০-০ পানামা
হন্ডুরাস ০-১ পানামা
আমেরিকা ৪-০ পানামা
ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো ১-০ পানামা

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোলপার্থক্য

পয়েন্ট

মেক্সিকো

১০

+৯

২১

কোস্টারিকা

১০

+৬

১৬

পানামা

১০

১৩

হন্ডুরাস

১০

−৬

১৩

আমেরিকা

১০

+৪

১২

ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো

১০

−১২

 

সময়সূচি

১৮ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ জি , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

বেলজিয়াম বেলজিয়াম ৩ - ০ পানামা পানামা

ম্যাচ রিপোর্ট
২৪ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ জি , নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ৬ - ১ পানামা পানামা

ম্যাচ রিপোর্ট
২৮ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ জি , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

পানামা পানামা ১ - ২ তিউনিসিয়া তিউনিসিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...