পেরু

Team Image

লাতিন আমেরিকান দেশ পেরুর ফুটবল ইতিহাস পর্যালোচনা করলে তিনটি যুগ পাওয়া যায়। যার শেষটি চলমান। অর্থ্যাৎ এই যুগের শুরু হয়েছে ২০১৫ থেকে। আগের দুটি যুগের সূচনা ছিল ১৯৩০ এবং ১৯৭০ সালে।

১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের অন্যতম অংশগ্রহণকারী দেশ ছিল পেরু। সেবার তারা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিল। ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে খেলতেই আসেনি তারা। তবে ১৯৩৬ অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিল। ১৯৩৮ বলিভিয়ারিয়ান গেমস জয় করেছিল তারা। পরের বছরই জিতেছে কোপা আমেরিকার শিরোপা। ওই সময়কার পেরু ফুটবলের সেরা তারকা ছিলেন গোলরক্ষক হুয়ান ভালদিভিয়েসো, স্ট্রাইকার টিওডোরো ফার্নান্দেজ, আলেজান্দ্রো ভিলানুয়েভা।

১৯৭০ সালে এসে আবারও পেরু ফুটবল যেন জেগে ওঠে। এ সময় পেরু ফুটবল ইতিহাসে সেরা তারকার আগমণ ঘটে। হুগো সোতিল, তিওফিলো কিউবিলাসকে পেরু ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবেই গণ্য করা হয়। তাদের সঙ্গে ছিলেন ডিফেন্ডার হেক্টর চুম্পিটাজ। কিউবিলাসদের দলটি তিনটি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। ১৯৭০, ১৯৭৮ এবং ১৯৮২ সালে। এর মধ্যে ১৯৭৫ সালের কোপা আমেরিকাও জিতে নেয় তারা। ১৯৮২ সালেই সর্বশেষ বিশ্বকাপ খেলতে পেরেছিল পেরু।

হ্যালির ধুমকেতুর মতই হঠাৎ হঠাৎ আবির্ভাব ঘটে যেন পেরুভিয়ানদের। সেই ১৯৮২ সালের পর, ৩৬ বছর বিরতি দিয়ে আবারও বিশ্বকাপে ঠাঁই করে নিয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। তাও লাতিন আমেরিকান বাছাই পর্বে পঞ্চম হওয়ার পর ইন্টার কন্টিনেন্টাল প্লে-অফে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ঠাঁই করে নেয় তারা।

পেরুর এই যুগটা শুরু হয়েছে মূলতঃ ২০১৫ কোপা আমেরিকা থেকেই। সেবার সেমিফাইনাল খেলেছিল দেশটি। ফাইনালে উঠতে না পারলেও হয়েছিল তৃতীয়। পরের বছর কোপা আমেরিকার শতবর্ষ উদযাপন টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল তারা। যদিও ৭ম হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। এরই ধারাবাহিকতায় নাম লিখে নিতে পারলো রাশিয়া বিশ্বকাপে।

বৃটিশ অভিবাসি এবং ইংল্যান্ড থেকে ফিরেস আসা পেরুভিয়ানদের হাত ধরেই ১৮৫৯ সালে লাতিনের দেশটিতে ফুটবলের পরিচয় ঘটে। পেরু রাজধানী লিমায় থাকা প্রথম একটি ক্লাব গঠন করে মূলতঃ ক্রিকেট খেলার জন্য। নাম ছিল লিমা ক্রিকেট ক্লাব। এখান থেকেই পরবর্তীতে ক্রিকেট, রাগবি এবং ফুটবলের প্রচলন শুরু করা হয় পেরুর রাজধানীতে। ক্রিকেটকেই ইংরেজরা প্রাধান্য দিতে থাকে।

প্রায় এক দশক ধরে লিমার উঁচু শ্রেণির মধ্যে ক্রিকেটের প্রচলন ঘটে। পাশাপাশি ফুটবলেরও কিছু চর্চা বাড়ে। এরপরই শুরু হয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ। পেরু যুদ্ধ করে চিলির বিপক্ষে। ১৮৮৩ সালে যুদ্ধের পর ক্রিকেট হারিয়ে যায় এবং পেরুর উপকুলীয় অঞ্চলে ফুটবলই ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। শহর এবং তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলও শুরু হয়। ব্রিটিশ কর্মী এবং নাবিকরাও ফুটবলকে জনপ্রিয় করে তুলতে ভূমিকা রাখেন।

১৯০১ সালে প্রথম আলিয়াঞ্জা লিমা নামে প্রথম ফুটবল ক্লাব গঠন করা হয়। ১৯১২ সালে শুরু করা হয় পেরু ফুটবল লিগ, যা চলে ১৯২১ সাল পর্যন্ত। ১৯২২ সালে গঠন করা হয় পেরু ফুটবল ফেডারেশন। ১৯২৬ সালে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে ফুটবল লিগ। তার এক বছর আগে কনমেবলের সদস্য নির্বাচিত হয়। ১৯২৭ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে তারা। ১৯৩০ সালে গিয়ে তারা প্রথম বিশ্বকাপে খেলে এবং নতুন প্রজন্মের সূচনা করে।

আর্জেন্টাইন কোচ রিকার্ডো গ্যারেসার অধীনেই বলতে গেলে পেরু তৃতীয় প্রজন্মের উত্থান ঘটেছে। জেফারসন ফারফান, আন্দ্রে ক্যারিলো, ইউশিমার ইয়োতুন, সার্জিও পেনা, আলবার্তো রদ্রিগেজদের নিয়ে শক্তিশালী পেরু স্কোয়াড। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তারা খেলবে সি গ্রুপে ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এবং ডেনমার্কের বিপক্ষে।

Player Image

জেফারসন ফারফান

বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত চারটি আসরে খেলেছে লাতিন আমেরিকার দেশ পেরু। ১৯৩০ সালে, প্রথম আসরে উপস্থিতি ছিল তাদের। ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপ ইউরোপে হওয়ায় নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল লাতিনের দেশটি। ১৯৫০ এবং ১৯৫৪ বিশ্বকাপ থেকেও নাম প্রত্যাহার করে নেয় তারা। ১৯৩০-এর ৪০ বছর বিরতি দিয়ে ১৯৭০ বিশ্বকাপে আবার খেলার সুযোগ পায় লাতিন আমেরিকান দেশটি। সেবার তারা খেলেছিল কোয়ার্টার ফাইনালেও। এরপর ১৯৭৮ এবং ১৯৮২ বিশ্বকাপে খেলে দ্বিতীয় ও প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয়। ১৯৮২ সালের পর ৩৬ বছর বিশ্বকাপে উপস্থিতি নেই পেরুভিয়ানদের। অবশেষে আবারও বিশ্ব আসরে ঠাঁই করে নিলো জেফারসন ফারফানের দল।

  • পুরো নাম : জেফারসন অসাস্টি ফারফান
  • জন্ম : ২৬ অক্টোবর, ১৯৮৪
  • বয়স : ৩৩
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৮ ইঞ্চি
  • পজিশন : ফরোয়ার্ড/উইঙ্গার
  • পেরুর হয়ে : ৮১ ম্যাচে ২৪ গোল

জেফারসন ফারফানের নৈপুণ্যেই রাশিয়া বিশ্বকাপে ঠাঁই মেলে পেরুর। এরআগে, ২০১৫ সালে কোপা আমেরিকা থেকেই নিজেদের উত্থানের কথা জানান দিয়েছিল পেরু। সেবার টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলেছিল তারা এবং হয়েছিল তৃতীয়। জেফারসন ফারফানদের অসাধারণ পারফরম্যান্স তখন অনেকেরই মন কেড়ে নিয়েছিল। তবে, ফারফানের মূল অবদানটা নিজের দেশকে ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে তুলে আনা। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান তিনি। যদিও মাত্র ৩ গোল করেছিলেন; কিন্তু দলকে তো নিয়ে এসেছেন রাশিয়া বিশ্বকাপে।

সেটপিচ বিশেষজ্ঞ। কর্ণার কিক, ডিরেক্ট এবং ইনডিরেক্ট ফ্রি কিক, পেনাল্টি কিক বলতে যা বুঝায়, সবকিছুরই মাস্টার ফারফান। বিশেষ করে জার্মান ক্লাব শাল্কে০৪-এ থাকাকালীন ফ্রি কিক স্পেশালিস্ট হিসেবে খ্যাতি পেয়ে যান ফারফান। ফারফানের সবচেয়ে বড় পরিচয়, তিনি খুব দ্রুতগতি সম্পন্ন। টেকনিক্যালি অনেক বেশি ক্ষমতাবান এবং নিজে গোল করতে পারুক আর না পারুক, অন্যকে দিয়ে গোল করাতে দারুন ওস্তাদ। জার্মান বুন্দেসলিগায় তো তাকে আটকানোর জন্য প্রতিপক্ষের কয়েকজন ডিফেন্ডারকে নিয়োগ করতে হতো কোচকে।

চিলির বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৪-৩ গোলে হেরেছিল পেরু। ওই ম্যাচে জোড়া গোল করেন ফারফান। তবে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে এগিয়ে যায় তারা। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে লাতিন আমেরিকান অঞ্চলে পেরু হয়েছিল পঞ্চম। যে কারণে ওসেনিয়ান চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে খেলতে হয়েছিল প্লে-অফ।
বিশ্বকাপে টিকিট লেখানোর শেষ পরীক্ষায় নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারায় তারা। ওই ম্যাচে এক গোল করেছিলেন ফারফান। বাছাই পর্বে তার সবচেয়ে স্মরণীয় পারফরম্যান্স ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের। সেবার লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাই পর্বে ৭ গোল করে হয়েছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা; যদিও সেবার দলকে বিশ্বকাপে তুলতে পারেননি তিনি।

২০০৩ সালেই জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটে ফারফানের। সে থেকেই পেরু জাতীয় দলের একজন নিয়মিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। খেলেছেন ৮১টি ম্যাচ। গোল করেছেন ২৪টি। আলিয়াঞ্জা লিমার হয়ে ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিন বছর ছিলেন এই ক্লাবে। এরপরই পাড়ি জমান ইউরোপে।

ডাচ ক্লাব পিএসভিতে যোগ দেন। ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চার বছর ছিলেন এই ক্লাবে। ১১৮ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ৫৭টি। এরপর পাড়ি জমান জার্মানিতে। নাম লেখান শাল্কে জিরোফোর-এ। ক্যারিয়ারের বড় অংশটাই তিনি কাটিয়েছেন এই ক্লাবে। ৭ বছর খেলেন সেখানে।

২০১৫-১৬ মৌসুমে আল জাজিরার হয়ে খেলার পর আবারও ইউরোপে চলে যান ফারফান। এখন তিনি খেলছেন রাশিয়ান ক্লাব লোকোমোটিভ মস্কোয়। রাশিয়ার আবহাওয়া তার পরিচিত। সুতরাং, ফারফানদের ওপর ভর করে বিশ্বকাপে পেরুও দেখাতে পারে বিশেষ কিছু।

Coach Image

রিকার্ডো গারেসা

রিকার্ডো গারেসা। ১৯৫৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী আর্জেন্টিনার তাপিয়ালসে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে ছিলেন একজন ফরোয়ার্ড। ১৯৭৭ সালে বোকাজুনিয়র্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় তার। প্রথম তিন বছরে ক্লাবের হয়ে মাত্র ১৬টি ম্যাচ খেলার সৌভাগ্য হয় তার।

১৯৮১ সালে লোনে চলে যান সারমিয়েতো ক্লাবে সেখানে ৩৩ ম্যাচে ১৩ গোল করে আবার ফিরে আসেন বোকাতেই। ১৯৮২ সালে কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে একসাথে একই ক্লাবে খেলে চ্যাম্পিয়নশীপে ৮ গোল করেন তিনি। ১৯৮৫ সালে বোকার চিরশত্রু রিভার প্লেটে যোগ দেন সাথে কিংবদন্তি ফুটবলার অস্কার রুগেরিও ছিলেন তার সাথে।

১২ ম্যাচে ৪ গোল করে চলে যান কলম্বিয়ার ক্লাব আমেরিকা দে সালতে। সেখানে ৩ মৌসুমে ৫৩ ম্যাচে ৩১ গোল করে আবার ফিরে আসেন আর্জেন্টিনায়। তবে এবার ভেলেজ সার্সফিল্ডের হয়ে মাঠ মাতাতে আসেন। নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ মৌসুমটি কাটান আর্জেন্টাইন ক্লাব ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টে ক্লাবে। আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের শীর্ষ চার সফল ক্লাবের চারটিতেই খেলে ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টের হয়ে আর্জেন্টিনা প্রিমিয়ার ডিভিশন জেতেন গারেসা।

ক্লাব ফুটবলে গোলের পর গোল করে গেলেও আর্জেন্টিনা দলে তেমন সুযোগ পান নি তিনি। জাতীয় দলের হয়ে ২০ ম্যাচ খেলে মাত্র ৫ গোল করতে পেরেছিলেন এই সাবেক ফুটবলার। সুযোগ হয়নি আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দল ১৯৮৬ সালে দলের স্কোয়াডে। ১৯৯৪ সালে ফুটবলকে বিদায় জানানোর পর প্রথমবারের মত কোন দলের কোচ হন ১৯৯৬ সালে।

আর্জেন্টিনার ক্লাব টলার্সের কোচ হয়ে পরের বছর চলে যান ইন্ডিপেন্ডিয়েন্টেতে। সেখান থেকে ঐ বছরেই আবার টলার্সে ফিরে এসে ক্লাবটিকে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে উন্নীত করেন ১৯৯৯ সালে। ২০০০ সালে সোলন সান্তা ফে ক্লাবে যোগ দিলেও কিছু দিন আবার টলার্সে তৃতীয় মেয়াদে ফিরে কোচ হন তিনি।

এক মৌসুম পর ২০০২ সালে যোগ দেন কুইলমস ক্লাবে। ২০০৩ সালে আর্জেন্টিনার আরেক ক্লাব আর্জেন্টিনোস জুনিয়র্সের কোচ হলে এখানেও থিতু হতে পারেন নি তিনি।২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন মোট ৪টি ক্লাব পাল্টিয়ে ২০০৮ এ যোগ দেন ভেলেজ সার্সফিল্ডের কোচের দায়িত্বে। ২০০৮-১৩ সাল পর্যন্ত ক্লাবটিকে তিনবার লীগ চ্যাম্পিয়ন করে ২০১৪ সালে যোগ দেন ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাসে।

তাদের সাথে চুক্তি থাকা অবস্থাতেই ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারীতে তাকে পেরুর জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। কোচের দায়িত্ব নিয়েই দেশটির ফুটবল চিত্রকে বদলে দিতে শুরু করেন তিনি। পেরুকে ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার পাশাপাশি ১৯৮২ সালের পর প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে পেরুকে জায়গা করে নিতে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন গারেসা। ২০১৮ বিশ্বকাপের প্লে অফে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে তারা খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নেয়।

পেরুর ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : পেদ্রো গ্যালেস, কার্লোস ক্যাসেদা, হোসে কার্ভালো

ডিফেন্ডার : আলবার্তো রদ্রিগেজ, ক্রিশ্চিয়ান রামোস, মিগুয়েল আরাউজো, অ্যান্ডারসন সান্তামারিয়া, লুইস অ্যাডভিনচুলা, অ্যাদো করজো, মিগুয়েল ত্রাউকো, নিলসন লয়োলা।

মিডফিল্ডার : পেদ্রো অ্যাকুইনো, উইলডার ক্যার্টাগেনা, ইয়োশিমার ইয়োতুন, রেনাতো তাপিয়া, ক্রিশ্চিয়ান চুয়েভা, পাওলো হার্তাদো, অ্যান্ডি পোলো, এডিসন ফ্লোরেজ।

ফরোয়ার্ড : জেফারসন ফারফান, আন্দ্রে ক্যারিওলা, রাউল রুইদিয়াজ, পাওলো গুয়েরেরো।

পেরু

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১ নভেম্বর, ১৯২৭, লিমা, পেরু
পেরু ০ : ৪ উরুগুয়ে

সবচেয়ে বড় জয়
১১ আগস্ট, ১৯৩৮, বোগোটা, কলম্বিয়া
পেরু ৯ : ১ ইকুয়েডর

সবচেয়ে বড় হার
২৬ জুন, ১৯৯৭, সান্তা ক্রুজ ডি লা সিয়েরা, বলিভিয়া
ব্রাজিল ৭ : ০ পেরু

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ৪ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেরা আট ( ১৯৭০ কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ১৯৭৮ দ্বিতীয় রাউন্ড)
কোপা আমেরিকায় অংশগ্রহণ : ২৯ বার, চ্যাম্পিয়ন : ২ বার (১৯৩৯, ১৯৭৫)।
কনকাকাফ গোল্ড কাপে অংশগ্রহণ : ১ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (২০০০)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : রবার্তো প্যালাসিও (১২৮ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : পাওলো গুয়েরেরো (৩২টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো পেরু

পেরু ০-২ ব্রাজিল
পেরু ২-১ উরুগুয়ে
পেরু ২-২ আর্জেন্টিনা
পেরু ১-১ কলম্বিয়া
পেরু ৩-৪ চিলি
পেরু ১-০ প্যারাগুয়ে
পেরু ২-১ ইকুয়েডর
পেরু ২-১ বলিভিয়া
পেরু ২-২ ভেনিজুয়েলা
ব্রাজিল ৩-০ পেরু
উরুগুয়ে ১-০ পেরু
আর্জেন্টিনা ০-০ পেরু
কলম্বিয়া ২-০ পেরু
চিলি ২-১ পেরু
প্যারাগুয়ে ১-৪ পেরু
ইকুয়েডর ১-২ পেরু
বলিভিয়া ০-৩ পেরু
ভেনিজুয়েলা ২-২ পেরু
নিউজিল্যান্ড ০-০ পেরু (প্লে-অফ)
পেরু ২-০ নিউজিল্যান্ড (প্লে-অফ)

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

ব্রাজিল

১৮

১২

+৩০

৪১

উরুগুয়ে

১৮

  ৯

+১২

৩১

আর্জেন্টিনা

১৮

+৩

২৮

কলম্বিয়া

১৮

+২

২৭

পেরু

১৮

+

২৬

চিলি

১৮

−১

২৬

প্যারাগুয়ে

১৮

−৬

২৪

ইকুয়েডর

১৮

১০

−৩

২০

বলিভিয়া

১৮

১২

−২২

১৪

১০

ভেনিজুয়েলা

১৮

১০

−১৬

১২

 

সময়সূচি

১৬ জুন, ২০১৮, ১০:০০ পিএম

গ্রুপ সি , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

পেরু পেরু ০ - ১ ডেনমার্ক ডেনমার্ক

ম্যাচ রিপোর্ট
২১ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ সি , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

ফ্রান্স ফ্রান্স ১ - ০ পেরু পেরু

ম্যাচ রিপোর্ট
২৬ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ সি , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ০ - ২ পেরু পেরু

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...