পর্তুগাল

Team Image

এই দলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো খেলেন বলেই তাদের হিসাবের মধ্যে রাখতেই হয়। ন্যানি, পেপে, নেলসন সেমেদো, রিকার্ডো পেরেরা, হোয়াও মুতিনহো, আন্দ্রে গোমেজ, এডার, রিকার্ডো কারেসমাদের ভুললেও চলবে না। ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নও তারা। রোনালদোদের অসাধারণ ফুটবলের সামনে মাথানত করেছিল ইউরোপের অন্য দেশগুলো। তাই রাশিয়া বিশ্বকাপেও বড় আশা নিয়েই খেলতে নামবে পর্তুগিজরা।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো কতটা ভয়ঙ্কর তা নতুন করে বলার কিছু নেই। নিজ দেশ পর্তুগাল কিংবা স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে রোনালদোর নানান কীর্তিই সাক্ষী দেয় তার মহিমার। লিওনেল মেসির সঙ্গে সমানতালে নিজেকে লড়াইয়ে টিকে রয়েছেন তিনি। সমান চারটি গোল্ডেন বুটের সঙ্গে (এবার অবশ্য মেসির ৫টি হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা বেশি) সমান ৫টি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন তিনি। টানা তৃতীয়বার রিয়াল মাদ্রিদকে তুলে এনেছেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে।

২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে ২০১২ সালের ইউরোতেও সেমিফাইনাল খেলেছিল রোনালদোর পর্তুগাল। রাশিয়া বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে পর্তুগালের তিন প্রতিপক্ষ স্পেন, মরক্কো এবং ইরান।

১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো নজর কাড়ে পর্তুগিজরা। দেশটির ইতিহাসে সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ইউসেবিওর নেতৃত্বে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল খেলে তারা, পরে সোভিয়েত ইউনিয়নকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে পর্তুগাল। ইউসেবিও সেই বিশ্বকাপে একাই করেছিলেন ৯ গোল।

এরপর আবার ডেকো, লুইস ফিগো, নুনো গোমেজদের নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে পর্তুগিজরা। ১৯৯০, ১৯৯৪ এবং ১৯৯৮ বিশ্বকাপে অনুপস্থিতির পর লুই ফিগোদের হাত ধরে ২০০২ সালের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তারা।

২০০৬ সালে জার্মান বিশ্বকাপে দ্য নেভিগেটরদের কোচ হয়ে আসেন লুই ফেলিপে স্কলারি। যিনি ২০০২ সালে শেষবারের মতো বিশ্বকাপ জেতান ব্রাজিলকে। তার অধীনে ২০০৪ ইউরোর ফাইনালের পর ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় পর্তুগাল। তবে ফ্রান্সের কাছে হেরে থেমে যায় পর্তুগিজ সোনালি প্রজন্মের গল্প।

তখন থেকেই শুরু হয় রোনালদোরেএকক জাদু। যেই জাদুতে ইউরোপ তথা বিশ্বের অন্যতম সেরা দলে রূপ নিয়েছে পর্তুগাল। তারা এই ধারা বজায় রাখতে চাইবে আসন্ন বিশ্বকাপেও। ইউরো জয়ী কোচ ফার্নান্দো সান্তোস এবারও রয়েছেন। যদিও রাশিয়া বিশ্বকাপে বেশ কঠিন গ্রুপে পর্তুগিজরা। তবুও, ইউরোজয় এবং বিশ্বসেরা ফুটবলার রোনালদোর অনুপ্রেরণাতে পর্তুগাল এবারও দুর্দান্ত কিছু করে দেখাবে, এটা নিশ্চিত বলাই যায়।

Player Image

বার্নার্ডো সিলভা

ম্যানচেস্টার সিটির ১০০ পয়েন্ট জয়ী দলের অন্যতম সেরা তারকা বার্নার্ডো সিলভা। প্রথম মৌসুমেই সিটিতে যোগ দিয়ে পেয়েছেন নজরকাড়া সাফল্য। মূলতঃ তার উত্থান ঘটে ফ্রেঞ্চ ক্লাব মোনাকোর হয়ে। ২০১৬-১৭ মৌসুমে মোনাকোকে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে। সেমিতে মোনাকোর স্বপ্নযাত্রার ইতি ঘটলেও সিলভা জায়গায় করে নেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শীর্ষ ৬ জন মিডফিল্ডারের ভেতর। সেখান থেকে ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে যোগ দেন পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটিতে।

  • পুরো নাম: বার্নার্ডো মোতা ভেইগা ডে কার্ভালহো ই সিলভা
  • জন্ম : ১০ আগস্ট, ১৯৯৪
  • বয়স : ২৩
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৮ ইঞ্চি
  • পজিশন : মিডফিল্ডার (উইঙ্গার)
  • পর্তুগালের হয়ে : ২৩ ম্যাচে ২ গোল

বেনফিকার যুব দলের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা সিলভা ২০১৩ সালে বেনফিকার হয়ে জয় করে পর্তুগিজ জুনিয়র লিগ। তারপরেই বেনফিকার মূল দলে ডাক পড়ে তার। ১৯ অক্টোবর, ২০১৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে পর্তুগিজ কাপে অভিষেক হয়। লিগে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেই চলে যান মোনাকোতে। সেখানে এক মৌসুমে লিগে ১৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে করেন দুটি গোল। তার খেলায় এতটাই মুগ্ধ হয় মোনাকো যে, তাকে স্থায়ীভাবে কিনে নেয় দলটি। তারপর থেকেই তার ফুটবলের মূল পথচলা শুরু।

ফ্রেঞ্চ লিগে ৮৬ ম্যাচে ২২ গোল করে যোগ দেন ম্যান সিটিতে। প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম মৌসুমেই দলের অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন সিলভা। সিটিজেনদের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম গোলটি পান অক্টোবর মাসে। স্টোক সিটিকে ৭-২ গোলে হারানোর ম্যাচে একটি গোলও আসে তার পা থেকে।

প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ক্লাব কাপগুলোতেও ছিল তার চোখ ধাধানো পারফরম্যান্স। সিটিজেনদের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে ৩৫ ম্যাচে করেছেন ৬ গোল এবং করিয়েছেন ৪টি। মূলত সতীর্থদের দিয়েই গোল করানো তার মূল কাজ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের যাত্রা সেমিফাইনালে শেষ হলেও ৯ ম্যাচে ১ গোল দিয়ে এবং ২ গোল সতীর্থদের দিয়ে করিয়ে নিজে ছিলেন উজ্জ্বল।

২০১৩ সালের যুব ইউরোপিয়ান কাপে তার নেতৃত্বে সেমি ফাইনালে ওঠে পর্তুগাল। ২০১৫ সালের ৩১শে মার্চ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক হয় বা পায়ে দক্ষতাসম্পন্ন এই ফুটবলারের। কেপ ভার্দের বিপক্ষে হওয়া সেই ম্যাচে পর্তুগাল ২-০ গোলে জয়লাভ করে। ২০১৭ সালের ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে পর্তুগালের হয়ে দলে জায়গা পান সিলভা।

পর্তুগালের জার্সি গায়ে নিজের প্রথম গোলটিও করেন এই টুর্নামেন্টে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-০ গোলে জয়ের ম্যাচে একটি গোল আসে তার পা থেকে। যদিও সেমি ফাইনালে তার দল চিলির কাছে হেরে গেলে সেখানেই টুর্নামেন্ট শেষ হয় আর। পর্তুগালের হয়ে তৃতীয় নির্ধারণী ম্যাচটি খেলতে পারেন নি সিলভা। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে সব মিলিয়ে ২৩টি ম্যাচ খেলে ২টি গোল করেন তিনি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে মাত্র ৭টি ম্যাচ খেললেও সবগুলো ম্যাচেই চেষ্টা করেছেন নিজের সেরাটা দিতে।

Coach Image

ফার্নান্দো সান্তোস

ফার্নান্দো সান্তোস। ১৯৫৪ সালের ১০ই অক্টোবর পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ডিফেন্ডার হিসেবে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পর্তুগিজ ক্লাব এসতরিলে যোগ দেন তিনি। পরবর্তীতে এই ক্লাবের হয়েই পর্তুগাল সর্বোচ্চ পর্যায়ের তিনটি ডিভিশনেই ফুটবল খেলেছেন। লিগে তার অভিষেক হয় ১৯৭৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর।

প্রথম মৌসুমে মাত্র ১২বার মাঠে নামার সুযোগ হয়েছিল তার। ঐ মৌসুমে লিগে তার ক্লাব অষ্টম স্থান অর্জন করে। নিজের ক্লাব ফুটবলে প্রথম গোলটি করেন ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে। পরের মৌসুমে মারিতিমো ক্লাব থেকে আবার ফিরে আসেন এস্তরিল ক্লাবে। এখানে ক্যারিয়ারের বাকি ৭ বছর কাঁটিয়ে ১৯৮৭ সালে মাত্র ৩৩ বছর বয়সে ফুটবলকে বিদায় জানান তিনি।

ক্লাব ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে নেমে পড়েন কোচিংয়ে। ১৯৮৭ সালেই তিনি এস্তরিল ক্লাবের সহকারী এবং পরের বছর থেকে প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। ১৯৯৪ সালে এস্ত্রেলা আমাদোরা ক্লাবে যোগ দিয়ে এখানে কাটান চার বছর। ১৯৯৮ সালে পর্তুগালের অন্যতম সেরা ক্লাব পোর্তোর কোচ হিসেবে যোগ দেন। লিগ জয়ের পাশাপাশি প্রথম মৌসুমেই জেতেন সুপার কাপ। পরের মৌসুমে লিগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করার পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে পোর্তো।

২০০১ সালে সান্তোস যোগ দেন গ্রিসের ক্লাব এথেন্স এফসিতে। এক মৌসুমে গ্রিসের ঘরোয়া কাপ জিতলেও লিগ শিরোপা হারাতে হয় অলিম্পিয়াকসের কাছে গোল ব্যবধানে। এথেন্স ছেড়ে যোগ দেন গ্রিসের শীর্ষ ক্লাবগুলোড় একটি প্যানাথিনাইকসে। ২০০৩ সালে আবার পর্তুগালে ফিরে আসেন তবে এবার পর্তুগিজ আরেক ক্লাব স্পোর্টিং লিসবনের কোচ হিসেবে।

লিগে তৃতীয় হওয়ার কারণে বহিষ্কার হয়ে আবার যোগ দেন এথেন্স ক্লাবে। সেখান এ ২০০৪-০৬ পর্যন্ত ক্লাবটিকে টানা তিন বছর শীর্ষ তিনে থেকে লিগ শেষ করানোর পাশাপাশি জয় করেন বর্ষসেরা কোচের পুরস্কারও। ২০০৬ সালে পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকার কোচ হলে এথেন্স থেকে কস্তাস কাতসাউরানিসকে দলে নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রথম মৌসুমে পোর্তোর থেকে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে লিগ শেষ করায় বহিষ্কার হতে হয় তাকে।

২০০৭ সালে গ্রিসে ফিরে পাওক ক্লাবের কোচের দায়িত্ব আসে তার কাঁধে। ২০১০ সালে পাওকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পদত্যাগ করেন সান্তোস। দুই মাস পরেই দুই বছরের চুক্তিতে গ্রিস জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন তিনি। গ্রিসকে ২০১২ ইউরো কাপে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছায় গ্রিস তার অধীনে।

সান্তোসের অধীনে গ্রিস সুযোগ পায় ২০১৪ বিশ্বকাপেও। সেখানে তারা প্রথমবারের মত জায়গা করে নেয় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে। যদিও সেখানে কোস্টার রিকার বিপক্ষে ৫-৩ গোলে হেরে বিদায় নেয় সান্তোসের দল। সেই ম্যাচে রেফারির সাথে বাদানুবাদে জড়িয়ে ৮ ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।

২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ধারাবাহিক ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া পর্তুগাল দলের কোচের দায়িত্ব নেন সান্তোস। নিজের প্রথম ম্যাচেই ডেনমার্কের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় লাভ করেন। তার অধীনেই পর্তুগাল তাদের ফুটবল ইতিহাসের একমাত্র ইউরো কাপ জয় করে। ইউরো ২০১৬ কাপে গ্রুপে তৃতীয় হয়ে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেয় পর্তুগিজরা।

সেমিতে ওয়েলস এবং ফাইনালে স্বাগতিক ফ্রান্সকেই অতিরিক্ত সময়ে ০-১ গোলে হারিয়ে পর্তুগালের হয়ে ইউরো জেতেন সান্তোস। ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচে সান্তোসের ৬৩তম জন্মদিনে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতে পর্তুগাল সরাসরি সুযোগ করেন রাশিয়া বিশ্বকাপে।

পর্তুগালের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : অ্যান্থোনি লোপেজ, বেতো, রুই প্যাট্রিসিয়া।

ডিফেন্ডার : ব্রুনে আলভেজ, কেডরিক, হোসে ফন্তে, মারিও রুই, পেপে, রাফায়েল গুয়েরেইরো, রিকার্ডো পেরেইরা, রুবেন ডিয়াজ।

মিডফিল্ডার : অ্যাদ্রিয়েন সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, হোয়াও মারিও, জোয়াও মুতিনহো, ম্যানুয়েল ফার্নান্দেজ, উইলিয়াম কার্ভালহো।

ফরোয়ার্ড : আন্দ্রে সিলভা, বার্নার্ডো সিলভা, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, জেলসন মার্টিন্স, গনক্যালো গুয়েদেস, রিকার্ডো কারেসমা।

পর্তুগাল

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৮ ডিসেম্বর, ১৯২১, মাদ্রিদ, স্পেন
স্পেন ৩ : ১ পর্তুগাল

সবচেয়ে বড় জয়
১৮ নভেম্বর, ১৯৯৪, লিজবন
পর্তুগাল ৮ : ০ লিচনস্টেইন

৯ জুন, ১৯৯৯, কোইমবরা, পর্তুগাল
পর্তুগাল ৮ : ০ লিচনস্টেইন

১৯ নভেম্বর, ২০০৩, লেইরিয়া
পর্তুগাল ৮ : ০ কুয়েত

সবচেয়ে বড় হার
২৫ মে, ১৯৪৭, লিজবন
পর্তুগাল ০ : ১০ ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ৭ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (তৃতীয়, ১৯৬৬)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ৭ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১বার (২০১৬)।
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ১বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (২০১৭)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (১৪৯ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৮১)।

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো পর্তুগাল
পর্তুগাল ২-০ সুইজারল্যান্ড
পর্তুগাল ৩-০ হাঙ্গেরী
পর্তুগাল ৫-১ ফারো আইল্যান্ড
পর্তুগাল ৪-১ লাটভিয়া
পর্তুগাল ৬-০ অ্যান্ডোরা
সুইজারল্যান্ড ২-০ পর্তুগাল
হাঙ্গেরী ০-১ পর্তুগাল
ফারো আইল্যান্ড ০-৬ পর্তুগাল
লাটভিয়া ০-৩ পর্তুগাল
অ্যান্ডোরা ০-২ পর্তুগাল

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোলপার্থক্য

পয়েন্ট

পর্তুগাল

১০

+২৮

২৭

সুইজারল্যান্ড

১০

+১৬

২৭

হাঙ্গেরী

১০

১৩

ফারো আইল্যান্ড

১০

−১২

লাটভিয়া

১০

−১১

অ্যান্ডোরা

১০

−২১

 

সময়সূচি

১৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

পর্তুগাল পর্তুগাল ৩ - ৩ স্পেন স্পেন

ম্যাচ রিপোর্ট
২০ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ বি , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

পর্তুগাল পর্তুগাল ১ - ০ মরক্কো মরক্কো

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

ইরান ইরান ১ - ১ পর্তুগাল পর্তুগাল

ম্যাচ রিপোর্ট
৩০ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

উরুগুয়ে উরুগুয়ে ২ - ১ পর্তুগাল পর্তুগাল

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...