রাশিয়া

Team Image

বিশ্বকাপ ফুটবল যে কয়টি দেশ জিতেছে তাদের অধিকাংশেই স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা নিয়ে সোনালি ট্রফিটা ঘরে তুলে নিয়েছে। উরুগুয়ে, ইতালি, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড- সবাই বিশ্বকাপ জিতেছে স্বাগতিক হিসেবে।

যদিও আর্জেন্টিনা প্রথমটি স্বাগতিক হিসেবে জিতলেও পরেরটি জিতেছে অন্যের (মেক্সিকো) মাঠ থেকে। নিজের দেশ থেকে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি কেবল ব্রাজিল, জার্মানি এবং স্পেন। তবে স্বাগতিক হওয়ার সুবিধা নিয়ে ফাইনালে উঠে গিয়েছিল সুইডেন (১৯৫৮), সেমিফাইনাল খেলেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার মত দেশ (২০০২)।

ধারণা করা হয়, সোভিয়েত ইউনিয়ন যদি বিশ্বকাপের শুরুর দিকটাতে কিংবা ৫০-৭০’এর দশকে স্বাগতিক হতে পারতো, তাহলে অন্তত একটি বিশ্বকাপ হলেও চলে যেতে তাদের ঘরে। লেভ ইয়াসিনের নেতৃত্বে যে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্বকাপ কাঁপিয়ে দিয়ে গিয়েছিল, সেই দলটি অন্যের মাঠে ছিল এতটা প্রবল পরাক্রমশালী। নিজ দেশ হলে হয়ে উঠতো অপরাজেয়।

সোভিয়েত ইউনিয়ন ফুটবলে যতটা শক্তিশালী ছিল, ততটা থাকতে পারেনি স্নায়ু যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের রাশিয়া। ফুটবলে তাদের যা অর্জন, তা মূলতঃ সোভিয়েত ইউনিয়ন থাকার সময়ই। স্নায়ুযুদ্ধ পূর্ববর্তী সময়ে ফুটবলে সোভিয়েত ইউনিয়নের যে শক্তি, তাতে তাদের বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলেছিল বিখ্যাত গোলরক্ষক লেভ ইয়াসিনের সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পর রাশিয়ান ফুটবলকে ধরা হয় উদীয়মান শক্তি হিসেবে। তবুও গত দুই যুগে এ নিয়ে মাত্র পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে রাশিয়ার। যদিও এবার বিশ্বকাপ খেলছে তারা স্বাগতিক হওয়ার সুবাধে, কোনো বাছাই পর্ব খেলতে হয়নি।

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপেও রয়েছে তাদের সরব উপস্থিতি। সোভিয়েত ইউনিয়ন থাকা অবস্থায় তো ইউরো চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা। ১৯৬০ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লেভ ইয়াসিনের দেশ। ১৯৬৪ সালে হয়েছিল রানারআপ। ১৯৬৮ সালে সেমিতে উঠে হয়েছিল চতুর্থ। ১৯৭২ সালে আবারও হয়েছিল রানরআপ। অর্থ্যাৎ দেশটির সোনালি প্রজন্মের সময় একটিমাত্র ইউরোছাড়া আর কিছুই জিততে পারেনি তারা। অথচ, আরও দুটি ইউরোর শিরোপা জিততে পারতো তারা।

সোভিয়েত ভাঙার পর ১৯৯৬ সালে রাশিয়া প্রথমবার ইউরোয় অংশ নেয়। এরপর কেবল ২০০০ সালেই ইউরো খেলা হয়নি তাদের। এরপর ২০০৪, ২০০৮, ২০১২, ২০১৬ সালে টানা ইউরো খেলে গেছে তারা। ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোয় তারা।

এবার স্বাগতিক দেশ হিসেবে বাছাইপর্ব ছাড়াই বিশ্বকাপে অংশগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে রাশিয়া। ‘এ’ গ্রুপে রাশিয়ার তিন প্রতিপক্ষ সৌদি আরব, মিশর এবং উরুগুয়ে। আপাতদৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও, গ্রুপ পর্বের বাধা পেরুতে রাশিয়াকে জিততে হবে মোহাম্মদ সালাহ’র মিশরের বিপক্ষে।

সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার ১৯৯২ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবলে অংশ নেয় রাশিয়া। মেক্সিকোর বিপক্ষে সেই ম্যাচে ২-০ গোলে জেতে ফুটবলে নবাগত দলটি। ১৯৯৫ সালে সান মারিনোর বিপক্ষে ৭-০ গোলের সবচেয়ে বড় জয়টি পেয়েছিল তারা। সবচেয়ে বড় হার পর্তুগালের বিপক্ষে ৭-১ গোলে। নিজেদের ঘরের মাঠে রাশিয়ানরা কতদুর যেতে পারে সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Player Image

আলেকজান্ডার সামেদভ

বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হওয়ার দৌড়ে এর আগেও বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিল রাশিয়া। তখন অবশ্য সোভিয়েত ইউনিয়নের হয়ে বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ার জন্য বিড করেছিল তারা। পৃথিবীর অন্যতম পরাশক্তি হয়েও বিশ্বকাপের আয়োজক হতে পারেনি তখন। লেভ ইয়াসিনসহ সোনালি একটি প্রজন্মও অতীত হয়ে গেছে। অবশেষে ভ্লাদিমির পুতিনের দারুণ ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব এবং কুটনৈতিক তৎপরতার ফলে এবার প্রথমবারেরমত বিশ্বকাপের আয়োজক হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশটি।

কিন্তু আয়োজক হিসেবে যেমন ৬টি দেশ বিশ্বকাপ জয় করতে সক্ষম হয়েছিল, তেমনি তাদের কাতারে রাশিয়া যে নাম লেখাতে পারবে না, এটা প্রায় নিশ্চিত। সোনালি প্রজন্মটাও নেই আর এখন। কিছুদিন আগেও আন্দ্রে আরশাভিন নামে ইউরোপ কাঁপানো ফুটবলার ছিলেন দলে; কিন্তু তিনিও বুটজোড়া তুলে রেখেছেন। দলে তারকা বলতে খুব বেশি চেনা নাম নেই। তবুও যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে আলেকজান্ডার সামেদভ অন্যতম।

  • পুরো নাম : আলেকজান্ডার সামেদভ
  • জন্ম : ১৯ জুলাই, ১৯৮৪
  • বয়স : ৩৩
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৯ ইঞ্চি
  • পজিশন : উইঙ্গার
  • রাশিয়ার হয়ে : ৪৭ ম্যাচে ৬ গোল

রাশিয়ার দুই রাজনৈতিক রূপই দেখার সুযোগ হয়েছে সামেদভের। জন্ম যেহেতু ১৯৮৪ সালে। সোভিয়ে ইউনিয়নের হয়েই জন্ম নিয়েছেন। শৈশব কেটেছে সোভিয়েতেই। তবে, শৈশব কাটতে না কাটতেই দেখেছেন নিজের দেশ ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যেতে। অন্তত ১৫টি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে যেতে।

জন্ম মস্কোয়। যদিও তার বাবা ছিলেন আজারবাইজানি। মা রাশিয়ান। শুধু তাই নয়, ২০১২ সালে এসে ধর্মও পরিবর্তন করে নেন সামেদভ। তার রাশিয়ান স্ত্রী ইউলিয়ার পরামর্শেই খৃষ্টান হয়ে যান সামেদভ। ধর্ম পরিবর্তন করার আগে বেশ কিছুদিন হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।

জন্ম যেহেতু মস্কোয়, তারওপর দারুণ ফুটবল প্রতিভা। খুব সহজেই সুযোগ পেয়ে যান স্পার্তাক মস্কোর একাডেমিতে। ক্লাবও তাকে দারুণ সম্ভাবনাময়ী এক ফুটবলার হিসেবে বরণ করে নেয়। নেভিও স্কালার অধীনে নিয়মিত দলে সুযোগ পেয়ে যান সামেদভ। তবে স্পার্তাক মস্কোয় আলেকজান্ডার স্টারকভের আগমনে জায়গা হারান সামেদভ। এরপর স্পার্তাক কিনে নেয় ভ্লাদিমির বেইস্ট্রভকে। ২০০৫ সালের গ্রীষ্মে ৩.৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে লোকোমেটিভ মস্কোয় নাম লেখান তিনি।

তবে লোকোমোটিভ মস্কোয় এসেও ব্যর্থতার পরিচয় দেন। নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। যদিও এই ক্লাবে খেলেছিলেন ২০০৮ সাল পর্যন্ত। ফলে ছেড়ে দিতে হয় লোকোমোটিভকে। যোগ দেন এফসি মস্কোয়। এই ক্লাবে এসেই নিজেকে আলাদাভাবে চেনান সামেদভ। কোচ মিওদ্রাগ বোজোভিকের অধীনে নিজের জাত ভালোভাবে চিনিয়ে রাখেন তিনি।

এফসি মস্কোই সামেদভকে তৈরি করে দেয় বড় ক্লাবে যাওয়ার জন্য। ২০০৯-১০ শীতকালীন ট্রান্সফারের সময় ডায়নামো মস্কোয় যোগ দেন সামেদভ। ডায়নামো মস্কোয় খেলেন ২ মৌসুম। এরপর আবারও তিনি পাড়ি জমান লোকোমোটিভ মস্কোয়। প্রকাশ করা না হলেও বিভিন্ন সূত্র জানায়, ৮.২ মিলিয়ন ইউরো পরিশোধ করতে হয়েছে এবার লোকোমোটিভকে।

লোকোমোটিভের পরের স্পেলে নিজেকে সেরা ফুটবলারে পরিণত করেন সামেদভ। নিয়মিত একাদশের একজন অপরিহার্য ফুটবলারে পরিণত করেন তিনি। ২০১৬ সাল পর্যন্ত খেলেন লোকোমোটিভে। ১২৮ ম্যাচ খেলে গোল করেন ২৬টি। ক্লাবের সমর্থকদের চোখে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও ওঠে তার হাতে। ২০১৭ সালেই নিজের শৈশবের ক্লাব স্পার্তাক মস্কোয় ফিরে আসেন সামেদভ।

জাতীয় দলের হয়ে খেলার প্রশ্ন আসলে সামেদভ চেষ্টা করেছিলেন বাবার দেশ আজারবাইজানের হয়ে খেলতে; কিন্তু ২০০৩ সালে আজারবাইজান ফুটবল ফেডারেশন শর্ত দেয়, রাশিয়ার পাসপোর্ট বাতিল করতে হবে তাকে। এ শর্ত তিনি মেনে নেননি। পরে রাশিয়া অনুর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলেন তিনি। সর্বশেষ ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে রাশিয়া জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটে সামেদভের।

অভিষেকের পর থেকেই নিয়মিত রাশিয়ান জাতীয় দলের হয়ে খেলে আসছেন আলেকজান্ডার সামেদভ। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপেও খেলেছেন তিনি। সুযোগ পেলেন নিজের দেশে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপেও। তাদের ওপর ভর করেই স্বাগতিক হিসেবে নিজের দেশের জনগনকে ভালো কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করবে রাশিয়া।

Coach Image

স্তানিস্লাভ চেরিসভ

 

স্তানিস্লাভ চেরিসভ। ১৯৬৩ সালের সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বর্তমান রাশিয়ার আলগির শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে গোলকিপার হিসেবেই খেলেছেন পুরোটা সময়। ১৯৮১ সালে স্পার্টাক ভ্লাদিকাভাজের হয়ে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। তিন মৌসুম পর যোগ দেন রাশিয়ার অন্যতম শীর্ষ ক্লাব স্পার্টাক মস্কোতে।

সেখানে তিন মৌসুম কাটানোর পর যোগ দেন মস্কোর আরেক ক্লাব লুকোমটিভ মস্কোতে। লুকোমটিভের হয়ে এক মৌসুমে ৩০ ম্যাচ খেলে আবার ফিরে আসেন স্পার্টাক মস্কোতে। তবে প্রথমবারের মত এবার আর উপেক্ষিত হন নি তিনি। চার মৌসুম স্পার্টাকের হয়ে খেলে ১২১টি ম্যাচেই মাঠে নামার সুযোগ পান এই বর্ষীয়ান রুশ গোলকিপার।

১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ান ক্লাব তিরোল ইনসব্রাকে যোগ দিলে সেই ক্লাবের মূল খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভুত হন চেরিসভ। ১৮২ ম্যাচ খেলে তিরোলকে বিদায় জানিয়ে ২০০২ সালে ফিরে আসেন তার প্রাণের ক্লাব স্পার্টাক মস্কোতে। এখানে সেই বছরেই ফুটবল থেকে অবসর নেন এই গোলকিপার।

ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি সক্রিয় ছিলেন রাশিয়ার জাতীয় দলেও। রুশদের হয়ে ১৯৯৪ এবং ২০০২ বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। তাছাড়া ইউরো ১৯৯৬ সালেও রাশিয়ার হয়ে খেলেছেন তিনি। সাদা-লাল জার্সি গায়ে ৩৯টি ম্যাচে মাঠে নামার সৌভাগ্য হয়েছিল তার। ১৯৯৫ সালে ফিফা কর্তৃক আয়োজিত এক চ্যারিটি ম্যাচে আফ্রিকার বিপক্ষে ইউরোপের হয়ে খেলেছিলেন চেরিসভ।

ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে নেমে পড়েন কোচিংয়ে। ২০০৪ সালে কুফস্টেইনের হয়ে তার কোচিং অধ্যায়ের শুরু হয়। যদিও মাত্র ১১ মাস পরেই তিনি সেই ক্লাব ছেড়ে কোচ হিসেবে যোগ দেন অস্ট্রিয়ান ক্লাব এফসি ওয়াকার তিরোলে। ২০০৬ সালে স্পার্টাক মস্কোর স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে যোগ দিলেও ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেই ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন তিনি।

২০১৩ সালে আমকার পার্ম এবং ২০১৪ সালে দিনামো মস্কোর হয়ে এক মৌসুম করে কোচের দায়িত্ব পালন করে যোগ দেন পোলিশ ক্লাব লেগিয়া ওয়ার্শতে। এখানে এসেই নিজেকে শাণিত করে চেরিসভ। ২০১৫-১৬ মৌসুমে ক্লাবটিকে লিগ জয়ের পাশাপাশি জেতান পোলিশ কাপও। ইউরোতে ব্যর্থতার দায়ে ২০১৬ সালে রাশিয়ার সাবেক কোচ লিওনিভ স্লাতস্কির স্থলাভিষিক্ত হন চেরিসভ। দায়িত্ব নিয়েই রাশিয়াকে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ৫৪ বছর বয়সী এই কোচ।

রাশিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : ইগোর আকিনফিভ, ভ্লাদিমির গাবুলভ, আন্দ্রে লুনিয়ভ।

রক্ষণভাগ : ভ্লাদিমির গ্রানাত, ফেদর কুদরিয়াসভ, ইলিয়া কুতেপভ, আন্দ্রে সেমেনভ, সার্গেই ইগনাশেভিক, মারিও ফার্নান্দেস, ইগোর স্মলনিকভ।

মধ্যমাঠ : ইউরি গ্যাজিনস্কি, আলেকজান্ডার গলোভিন, অ্যালান জাগোয়েভ, আলেকজান্ডার ইরোখিন, ইউরি ঝিরকভ, দালের কুজইয়ায়েভ, রোমান জবনিন, আলেকজান্ডার সামেদভ, অ্যান্তন মিরানচুখ, ডেনিস চেরিশেভ।

আক্রমণভাগ : আর্তেম জিউভা, আলেক্সি মিরানচুক, ফেদর স্মলভ।

 

 রাশিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৬ আগস্ট, ১৯৯২, মস্কো, রাশিয়া
রাশিয়া ২ : ০ মেক্সিকো

সবচেয়ে বড় জয়
৭ জুন, ১৯৯৫, সান মারিনো
সান মারিনো ০ : ৭ রাশিয়া

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫, ভাদুজ, লিচনস্টেইন
লিচনস্টেইন ০ : ৭ রাশিয়া

সবচেয়ে বড় হার
১৩ অক্টোবর, ২০০৪, লিজবন
পর্তুগাল ৭ : ১ রাশিয়া

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ১১ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (১৯৬৬)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ১১ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১বার, (১৯৬০)।
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ১বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (২০১৭)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : সার্গেই ইগনাসেভিক (১২০ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : সোভিয়ে ইউনিয়নের হয়ে - ওলেগ ব্লখিন (৪২টি), রাশিয়ার হয়ে- আলেকজান্ডার কারজাকভ (৩০)।

স্বাগতিক হওয়ার কারণে বাছাই পর্ব খেলতে হয়নি রাশিয়াকে।

সময়সূচি

১৪ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এ , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

রাশিয়া রাশিয়া ৫ - ০ সৌদি আরব সৌদি আরব

ম্যাচ রিপোর্ট
১৯ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ এ , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

রাশিয়া রাশিয়া ৩ - ১ মিসর মিসর

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এ , সামারা এরেনা

উরুগুয়ে উরুগুয়ে ৩ - ০ রাশিয়া রাশিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
০১ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

স্পেন স্পেন ১ (৩) - (৪) ১ রাশিয়া রাশিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
০৭ জুলাই, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

রাশিয়া রাশিয়া ২ (৩) - (৪) ২ ক্রোয়েশিয়া ক্রোয়েশিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম দুই হোম ম্যাচের জন্য দুটি ভেন্যু বেছে নিয়েছিল ভারত।...

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে ফুটবলারদের প্রায় দুই সপ্তাহ ছুটি দিয়েছেন...

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

কথায় আছে- শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। মঙ্গলবার রাতে তাজিকিস্তানের দুশানবেতে...

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম টেস্ট ঘিরে গত পাঁচদিন ক্রীড়ামোদীদের চোখ ছিল চট্টগ্রামে।...