সৌদি আরব

Team Image

বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণ ১৯৯৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে গিয়েই হইচই ফেলে দিয়েছিল আরবরা। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে হারলেও পরের দুই ম্যাচে মরক্কো এবং বেলজিয়ামের মত শক্তিশালী দুই দেশকে হারিয়ে দিয়েছে তারা। মরক্কোকে ২-১ এবং বেলজিয়ামকে হারিয়েছে ১-০ গোলে। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে সৌদি আরবও। দ্বিতীয় রাউন্ডে সুইডেনের মুখোমুখি হয়ে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়। তবে, গ্রুপ পর্বে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে তারা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে, তা অবিস্মরণীয় হয়ে রইলো সৌদিদের জন্য।

১৯৫৬ সালে প্রথম সৌদি আরবের ফুটবল ফেডারেশন গড়ে ওঠে। তবে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত ফুটবলের কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টেই অংশগ্রহণ ছিল না তাদের। ১৯৮৪ সালে প্রথম এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এবং প্রথম আসরেই জিতে নেয় এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। চীনকে হারিয়ে শিরোপা জেতে তারা।

সৌদি ফুটবলের উত্থান শুরু সেই থেকে। এরপর টানা চারটি এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছে সৌদি আরব। ১৯৮৮, ১৯৯২, ১৯৯৬ এবং ২০০০ সালে। এর মধ্যে দুটিতে হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। দুটিতে রানারআপ। ২০০৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল। ২০০৭ সালের এশিয়া কাপেও ফাইনাল খেলেছিল তারা। যদিও শিরোপা আর জেতা হয়নি।

বিশ্বকাপে প্রথম খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ১৯৯৪ সালে। সেবার তো চমকই দেখিয়েছিল তারা। এরপর টানা তিনটি বিশ্বকাপের অংশ নিলেও গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি তারা। এমনকি গ্রুপ পর্বে কোনো জয়ই ধরা দেয়নি সৌদির। যদিও এর মধ্যে ২০১০ এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি তারা। এবার অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট কেটে নেয় হুয়ান আন্তোনিও পিজ্জির শিষ্যরা।

বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে সৌদি আরব মুখোমুখি হবে স্বাগতিক রাশিয়া, মোহামেদ সালাহর মিশর এবং সুয়ারেজ-কাভানির উরুগুয়ের। উদ্বোধনী ম্যাচেই মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে সৌদি আরব। কোচ হুয়ান আন্তোনিও পিজ্জির অধীনে সালেম আল দাওসারি, ফাহাদ আর মুয়াল্লাদ, মোহাম্মদ আল সাহলাউভি, মুহান্নাদ আস্সিরি, ইয়াহইয়া আল সেহরি, ওসামা হাওসাভিদের মত তারাকা ফুটবলাররা রয়েছে, যারা যে কোনো দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত।

Player Image

ফাহাদ আল মুয়াল্লাদ

ফাহাদ আল মুয়াল্লাদ কী এই বয়সে এসে কিছুটা আফসোসে পুড়ছেন? জেদ্দার শহরতলীতে জন্ম হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। তার হাঁটা শেখাই হয়েছে যেন ফুটবলকে কেন্দ্র করে। ৫-৬ বছরের মধ্যেই নিজের এলাকায় তুমুল নাম-ডাক ছড়িয়ে পড়ে ফাহাদের। অসাধারণ ফুটবল প্রতিভা তার। নজর এড়ায়নি সৌদি আরবের তৃণমূল থেকে প্রতিভা খুঁজে বের করতে পাঠানো বার্সেলোনা স্কাউটের। মাত্র ৬ বছর বয়সেই তার পরিবারের কাছে প্রস্তাব যায়, বার্সার ইয়থ একাডেমি লা মাসিয়াতে নিয়ে যাওয়ার; কিন্তু কী মনে করে যেন বার্সেলোনার এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে ফাহাদকে ভর্তি করিয়ে দেয়া হলো স্থানীয় ক্লাব আল ইত্তিহাদের ইয়থ একাডেমিতে। যদি বার্সার লা মাসিয়ায় বেড়ে ওঠার সুযোগ পেয়ে যেতেন আল মুয়াল্লাদ, তাহলে তার ক্যারিয়ারটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াতো আজ?

সে যাই হোক, প্রতিভা তো আর দামাচাপা দিয়ে রাখা যায় না। তার বিচ্ছুরণ হবেই। আল ইত্তিহাদে থেকেও নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন ফাহাদ আল মুয়াল্লাদ। ১৫ বছর বয়সেই আল ইত্তিহাদের সিনিয়র দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস শুরু করেন তিনি, ১৬ বছর বয়সেই অভিষেক হয়ে যায় সিনিয়র দলের হয়ে। এরপর নিয়মিতই সৌদি পেশাদার লিগে খেলতে শুরু করেন ফাহাদ। অসাধারণ শট নেয়ার ক্ষমতা এবং দারুন টেকনিক্যাল ক্ষমতার জন্য খুব কম সময়ের মধ্যেই সৌদি আরবজুড়ে নাম-ডাক ছড়িয়ে পড়ে।

২০১১ অনুর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ ফুটবলে কলম্বিয়ায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দারুণ এক গোল করেন ফাহাদ আল মুয়াল্লাদ। ১৬ বছর বয়সেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ওটাই ছিল তার প্রথম গোল। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে গুয়াংজু এভারগ্রান্ডের বিপক্ষে শেষ ১০ মিনিটে পরিবর্তিত হিসেবে মাঠে নেমেই গোল করলেন তিনি। যেটা ছিল আল ইত্তিহাদের জয়সূচক গোল।

এশিয়া কাপের বাছাই পর্বে চীনের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে যে ম্যাচ জিতে রাশিয়ার টিকিট নিশ্চিত হয়েছিল সৌদি আরবের, ওই ম্যাচেও জয়সূচক গোলটি এসেছিল ফাহাদ আল মুয়াল্লাদের পা থেকে। অল্প সময়ের ক্যারিয়ারে দারুণ ধারাবাহিক ফুটবল খেলে সবার মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। যে কারণে, শুধু সৌদি আরবই নয়, পুরো এশিয়াতেই দারুণ সম্ভাবনাময়ী এবং প্রতিভাবান ফুটবলারের খেতাব পেয়ে গেছেন ফাহাদ।

ক্লাব ফুটবলে এখনও আল ইত্তিহাদের ঘরের ছেলে হয়েই রয়েছেন। ২০১১ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ১২০ ম্যাচ। গোল করেছেন ৩৬টি। অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে স্প্যানিশ ক্লাব লেভান্তের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন লোনে। যদিও এখনও পর্যন্ত ইউরোপিয়ান ফুটবলে অভিষেক হয়নি ফাহাদ আল মুয়াল্লাদের।

২০১২ সালে সৌদি জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত মোট ৪১টি ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে ফাহাদের। গোল করেছেন মোট ১০টি।

Coach Image

হুয়ান অ্যান্থনিও পিজ্জি

হুয়ান অ্যান্থনিও পিজ্জি। ১৯৬৮ সালের ৭ মে আর্জেন্টিনার সান্তা ফেতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। প্রফেশনাল ফুটবলার ক্যারিয়ারে ছিলেন একজন স্ট্রাইকার। ভ্যালেন্সিয়া, ভিয়ারিয়াল, পোর্তো, বার্সেলোনার মত ইউরোপিয়ান বড় বড় জায়ান্টদের ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকারের।

১৯৯৬-৯৮ দুই মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে জিতেছেন ৬টি ট্রফি। তাছাড়া বার্সার জার্সি গায়ে করেছেন ৪৮ ম্যাচে ১১ গোলও। ১৯৮৭ সালে প্রথম ক্যারিয়ার শুরু করেন আর্জেন্টাইন ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে। ক্যারিয়ারের মধ্যভাগে ইউরোপের বিভিন্ন ক্লাবে খেলে রোজারিও সেন্ট্রালেই ক্যারিয়ারের ইতি ঘটান পিজ্জি। জন্ম আর্জেন্টিনায় হলেও স্পেনের ক্লাবে খেলার সুবাদে স্পেনের নাগরিকত্ব পান তিনি।

আর সেটিরই ফলপ্রসূতিতে স্পেনের হয়ে জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান পিজ্জি। ১৯৯৪-৯৮ সাল পর্যন্ত স্পেনের জার্সি গায়ে ২২ ম্যাচে করেছেন ৮ গোল। ১৯৯৫ সালে তার জন্মভূমি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে স্পেনের ২-১ গোলের জয়ের ম্যাচে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন পিজ্জি।

২০০২ সালে ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে নেমে পড়েন কোচিংয়ে। ২০০৫ সালে কোলন সান্তা ফে ক্লাবের কোচ হওয়ার মাধ্যমে কোচিং অধ্যায়ের সূচনা হয় তার। তবে ক্লাব পর্যায়ে প্রথম বড় সাফল্য পান আর্জেন্টিনার ক্লাব সান লরেঞ্জোতে থাকাকালীন। আর্জেন্টাইন প্রিমিয়ার ডিভিশন লিগ জেতানোর ফলে নজর কাড়েন সারা বিশ্বের। সান লরেঞ্জোর পর ২০১২-১৩ মৌসুমে ভ্যালেন্সিয়া এবন গ ২০১৩-১৪ মৌসুমে ছিলেন লিওনের কোচ।

পিজ্জি কোচিং ক্যারিয়ারের সবথেকে বড় সাফল্য আসে ২০১৬ সালে। সাম্পাওলি চিলির কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর পিজ্জিকে কোচ করে চিলি ফুটবল কর্তৃপক্ষ। ২০১৬ সালে হওয়া শতবর্ষী কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মত কোপা আমেরিকা জয়ের অনন্য কীর্তি করে চিলি।

তবে সেই সাফল্য বেশি দিন সুখ দিল না তাকে। চিলিকে বিশ্বকাপে উঠাতে ব্যর্থ হওয়া বরখাস্ত হতে হয় চিলির কোচের পদ থেকে। আর তখনই তাকে লুফে নেয় সৌদি আরব। ২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর সৌদি আরবের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৪ ম্যাচে কোচ ছিলেন তাদের। চার ম্যাচের মাত্র ১টিতে জয় এবং ১টি ড্রয়ের পাশাপাশি দুটি হার বরণ করতে হয় সৌদি আরবকে।

সৌদি আরবের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : মোহাম্মদ আল-ওয়াইজ, ইয়াসির আল মুসাইলেম, আব্দুল্লাহ আল-মায়ুফ।

ডিফেন্ডার : মানসুর আল-হারবি, ওসামা হাওজাভি (অধিনায়ক), আলি আল-বুলাইহি, ওমর হাওজাভি, মোহাম্মদ আল-ব্রেইক, ইয়াসের আল-শাহরানি, মোতাজ হাওজাভি।

মিডফিল্ডার : সালমান আল-ফারাজ, ইয়াহইয়া আল-শেহরি, হাত্তান বাহেব্রি, আব্দুল মালেক আল-খাইবারি, মোহাম্মদ কানো, আব্দুল্লাহ ওতায়েফ, আব্দুল্লাহ আল-খাইবারি, হোসাইন আল-মোগাওভি, তাইসির আল-জসিম, সালেম আল-দাওসারি।

ফরোয়ার্ড : ফাহাদ আল-মুওয়াল্লাদ, মোহাম্মাদ আল-সাহলাভি, মুহান্নাদ আসসিরি।

 সৌদি আরব

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৮ জানুয়ারি, ১৯৫৭, বৈরুত
লেবানন ১ : ১ সৌদি আরব

সবচেয়ে বড় জয়
১৭ নভেম্বর, ২০১৫, দিলি
পূর্ব তিমুর ০-১০ সৌদি আরব

সবচেয়ে বড় হার
৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১, ক্যাসাব্লাঙ্কা, মরক্কো
ইউনাইটেড আরব রিপাবলিক ১৩ : ০ সৌদি আরব

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (১৯৯৪)
এশিয়া কাপে অংশগ্রণ : ৯ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৩ বার (১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৬)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ৪ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (১৯৯২)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : মোহাম্মদ আল-দিয়াইয়া (১৭৮ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : মাজেদ আবদুল্লাহ (৭১টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো সৌদি আরব

সৌদি আরব ১-০ জাপান
সৌদি আরব ২-২ অস্ট্রেলিয়া
সৌদি আরব ৩-০ আরব আমিরাত
সৌদি আরব ১-০ ইরাক
সৌদি আরব ১-০ থাইল্যান্ড
জাপান ২-১ সৌদি আরব
অস্ট্রেলিয়া ৩-২ সৌদি আরব
আরব আমিরাত ২-১ সৌদি আরব
ইরাক ১-২ সৌদি আরব
থাইল্যান্ড ০-৩ সৌদি আরব

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

জাপান

১০

+১০

২০

সৌদি আরব

১০

+

১৯

অস্ট্রেলিয়া

১০

+৫

১৯

আরব আমিরাত

১০

-৩

১৩

ইরাক

১০

-১

১১

থাইল্যান্ড

১০

-১৮

সময়সূচি

১৪ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এ , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

রাশিয়া রাশিয়া ৫ - ০ সৌদি আরব সৌদি আরব

ম্যাচ রিপোর্ট
২০ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এ , রোস্তভ এরেনা

উরুগুয়ে উরুগুয়ে ১ - ০ সৌদি আরব সৌদি আরব

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এ , ভলগোগ্রাদ এরেনা

সৌদি আরব সৌদি আরব ২ - ১ মিসর মিসর

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

তুরস্কের বিশ্বকাপ তারকা এখন উবার চালক

তুরস্কের বিশ্বকাপ তারকা এখন উবার চালক

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে তুরস্কের সেরা সাফল্য এসেছিল ২০০২ সালে জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ায় বসা...

সোলাইমানি হত্যাকাণ্ড : কাতারে ফুটবল দল পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

সোলাইমানি হত্যাকাণ্ড : কাতারে ফুটবল দল পাঠাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম...

দর্শক উচ্ছৃঙ্খলায় বাফুফেকে ফিফার জরিমানা

দর্শক উচ্ছৃঙ্খলায় বাফুফেকে ফিফার জরিমানা

নতুন বছরের প্রথম দিনই দুঃসংবাদ বাংলাদেশ ফুটবলের জন্য। এই দুঃসংবাদটা এসেছে ফুটবলের...

২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপও খেলা হচ্ছে না রাশিয়ার

২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপও খেলা হচ্ছে না রাশিয়ার

গত বিশ্বকাপের (২০১৮ সালে) আয়োজক ছিল রাশিয়া। স্বাগতিক হওয়ার কারণে তাদের বাছাইপর্বই...