সেনেগাল

Team Image

উত্থানেই চমক, সেনেগাল ফুটবলে যেন এই কথাটা সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০২ বিশ্বকাপে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই সারা বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল তারা। ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তারা মুখোমুখি হয়েছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছিল তেরঙ্গা সিংহরা।

কোচ ব্রুনো মেতসুর অধীনে হেনরি কামারা, এল হাজি দিউফদের স্বপ্নযাত্রা এরপরও অব্যাহত ছিল। ডেনমার্ক এবং উরুগুয়ের সঙ্গে ড্র করে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে গিয়েছিল তারা। নকআউট পর্বে গিয়েও জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছিল তারা। হারিয়ে দিয়েছিল সুইডেনকে। অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইডিশদের হারিয়ে উঠে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে।

কোয়ার্টার ফাইনালে তুরস্কের কাছে হেরে স্বপ্নযাত্রা থেমে যায় সেনেগালের। আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার রেকর্ড আছে সেনেগালছাড়া আর মাত্র দুটি দেশের। ১৯৯০ সালে ক্যামেরুন এবং ২০১০ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল ঘানা।

ফ্রান্সের কাছ থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে সেনেগাল। ওই বছরই গঠন করা হয় সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন। ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে দাহোমির (বর্তমানে বেনিন) বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে সেনেগালিজরা। ১৯৬২ সালে ফিফার সদস্য নির্বাচিত হয় তারা।

১৯৬৩ সালে আফ্রিকান কনফেডারেশন্সের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরই ওই বছরই ফিফা বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে অংশ নেয় আফ্রিকান এই দেশটি। কিন্তু বাছাই পর্ব থেকেই বিদায় নিতে থাকে। ১৯৬৫ সালে প্রথম অংশ নেয় আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে। গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় হয়ে নকআউটে ওঠে তারা। শেষ পর্যন্ত খেলে সেমিফাইনাল এবং চতুর্থ হিসেবেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।

১৯৯০ সালে এসে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে আবারও সেমিফাইনালে উঠে বিদায় নিতে হয়। চতুর্থ হয়েছিল তারা শেষ পর্যন্ত। ১৯৯২ সালে এসে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের আয়োজক হয় তারা। নিজ দেশের মাটিতে ক্যামেরুনের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের।

তবে, আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে একবারই ফাইনালে উঠতে পেরেছিল সেনেগালিজরা। ২০০২ সালে। কিন্তু দুর্ভাগ্য তাদের, বিশ্বকাপ ট্রফিটা উঁচিয়ে ধরতে পারেনি। ফাইনালে অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত খেলা গোলশূন্য ড্র থাকার পর পেনাল্টি শ্যুটআউটে ক্যামেরুনের কাছে হেরে যায় সেনেগাল।

পশ্চিম আফ্রিকান দেশগুলোকে নিয়ে আয়োজিত অ্যামিলকার ক্যাব্রাল কাপেই সর্বোচ্চ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। মোট আটবার। বিপরীতে গিনি জিতেছে মাত্র ৫বার। ২০০২ বিশ্বকাপেই ব্রুনো মেতসুর অধীনে সোনালি প্রজন্মের উত্থান ঘটে সেনেগালের। বাছাই পর্বে মরক্কো, মিশর এবং আলজেরিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ঠাঁই করে নেয় তারা। এল হাজি দিউফ ৯ গোল করে হয়েছিলেন সেবারের বাছাই পর্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।

তবে সেনেগালের দুঃসময়টা গেলো মূলতঃ ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে। ২০১০ সালের পর আবারও সেনেগাল ফুটবলের উত্থান। তবে, ২০১৪ বিশ্বকাপে খেলা হয়নি বাছাই পর্বে টিকতে না পারার কারণে। ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েই রাশিয়ার টিকিট নিশ্চিত হয় সেনেগালের।

বিশ্বকাপে এইচ গ্রুপে সেনেগাল খেলবে পোল্যান্ড, কলম্বিয়া এবং জাপানের সঙ্গে। কোচ আলিউ সিসের অধীনে একঝাঁক অভিজ্ঞ এবং উদীয়মান ফুটবরারের সমন্বয় ঘটেছে সেনেগাল দলে। লিভারপুলের তারকা ফুটবলার সাদিও মানের সঙ্গে রয়েছেন স্টোক সিটির মেমে বিরাম দিউফ, এভার্টনের ওমর নিয়াসে, বার্সাস্পোরের মুসা শ, স্টোক সিটির বাদাউ এনদিয়াই, ওয়েস্টহ্যামের চেইখুু কিউয়াতে, ক্রিস্টাল প্যালেসের পেপে সুয়ারে। বিশ্বকাপে নিশ্চিত এই দলটি আবারও চমক সৃষ্টি করবে, তাতে সন্দেহ নেই।

Player Image

সাদিও মানে

আফ্রিকার ফুটবল ইতিহাসে স্যামুয়েল ইতো, দিদিয়ের দ্রগবার মত বড় বড় তারকা ফুটবলাররা এসেছেন; কিন্তু সাদিও মানের মত দামি হতে পারেননি। ২০১৬ সালের ২৮ জুন সাউদাম্পটন থেকে মানে নাম লেখান লিভারপুলে। ট্রান্সফার ফি ৩৪ মিলিয়ন পাউন্ড। আফ্রিকান ফুটবলারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে দামি ফুটবলারে পরিণত হন। মৌসুমের শুরুতেই লিভারপুলের হয়ে আর্সেনালের বিপক্ষে মাঠে নামেন এবং গোল করেই অল রেডদের জার্সিতে ক্যারিয়ার শুরু করেন।

লিভারপুলে যোগ দেয়ার পর থেকেই ইয়ুর্গেন ক্লুপের অন্যতম সেরা অস্ত্রে পরিণত হন তিনি। ব্রাজিলিয়ান তারকা কৌতিনহো ক্লাব ছেড়ে বার্সায় যোগ দেয়ার পরও লিভারপুল যে দুর্দমনীয় গতিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছেছে তার পেছনে সাদিও মানের অবদানও কম নয়। মোহামেদ সালাহ কিংবা রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে সাদিও মানেও লিভারপুলের নতুন জাগরণের অন্যতম সৈনিক।

  • পুরো নাম : সাদিও মানে
  • জন্ম : ১০ এপ্রিল, ১৯৯২
  • বয়স : ২৬
  • উচ্চতা : ৫ ফিট, ৯ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : উইঙ্গার
  • সেনেগালের হয়ে : ৪৯ ম্যাচে ১৪ গোল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে পোর্তোর বিপক্ষে অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক করেন সাদিও মানে। এফসি বোর্নমাউথের বিপক্ষে গোল করে স্বদেশি ডেম্বা বাকে ছাড়িয়ে যান তিনি এবং ৪৩তম গোল নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে কোনো সেনেগালিজ হিসেবে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।

রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে মোহামেদ সালাহ, রবার্তো ফিরমিনোর সঙ্গে শুরু থেকে যে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন মানে, তাতে রিয়াল ভক্তরা তো শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিলেন, না জানি লিভারপুল কোন অঘটন ঘটিয়ে বসে। যদিও সালাহকে আহত করে সার্জিও রামোস মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেয়ার পর অল-রেডদের সব ভরসা চলে যায় মানের ওপর। বেনজেমা গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দিলেও মানে দুর্দান্ত এক টাচে লিভারপুলকে সমতায় ফিরিয়ে এনেছিলেন।

২০১২ সালে ফরাসি ক্লাব মেটজের হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মানে। দুই বছর এই ক্লাবে খেলেন মাত্র ২২ ম্যাচ। গোল করেছিলেন ২টি। এরপর চলে যান অস্ট্রিয়ায়, রেড বুল সালজবার্গে। রেড বুলকে তিনি উপহার দেন অস্ট্রিয়ান বুন্দেসলিগা। জেতেন অস্ট্রিয়ান কাপও। দুই মৌসুম খেলার পর নাম লেখান ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সাউদাম্পটনে। এখানেই মূলতঃ নিজেকে চেনান সাদিও মানে।

২০১৫ সালে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুততম হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড গড়েন তিনি। অ্যাস্টনভিলার বিপক্ষে মাত্র ১৭৬ সেকেন্ডের ব্যবধানে করেন তিন গোল। ২০১৬ সালে তিনি নাম লেখান লিভারপুলে। সাউদাম্পটনের হয়ে ৬৭ ম্যাচে ২১ গোল করলেও লিভারপুলে এসে ৫৫ ম্যাচ খেলে করে ফেলেছেন ২৩ গোল।

২০০২ বিশ্বকাপে হেনরি কামারা আর এল হাজি দিউফের কথা মনে আছে নিশ্চয় ফুটবল প্রেমীদের। তাদের অসাধারণ ফুটবলে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিল সবাই। সেবার সেনেগালকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে গিয়েছিলেন কামারা আর দিউফরা।

সেই থেকে বিশ্বকাপে অনুপস্থিত আফ্রিকান তিন রঙের সিংহরা (লেস লায়ন্স ডি লা তেরাঙ্গা)। অবশেষে ১৬ বছর অনুপস্থিত থাকার পর বিশ্বকাপে নাম লিখেছে সেনেগাল। সেনেগালিজদের দ্বিতীয়বারেরমত বিশ্বকাপে তুলে আনার নেপথ্য কারিগর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লিভারপুলে খেলা সাদিও মানে।

২০১২ অলিম্পিক গেমস থেকেই সাদিও মানে সেনেগাল ফুটবল দলের সদস্য। এরপর নিয়মিতই সেনেগাল দলের হয়ে খেলতে থাকেন। দেশের হয়ে খেলেছেন মোট ৪০টি ম্যাচ এবং খেলেছেন একটি অলিম্পিক ও দুটি আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে।

Coach Image

আলিও সিসে

আলিও সিসে। ১৯৭৬ সালের ২৪শে মার্চ সেনেগালের জিজুইনসর শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে মিডফিল্ডার এবং ডিফেন্ডার উভয় পজিশনেই খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফ্রেঞ্চ ক্লাব লিলের হয়ে ১৯৯৪ সালে ফুটবল অধ্যায়ের সূচনা হলেও মাত্র ৬ ম্যাচ খেলতে পেরেছেন এই ক্লাবে।

১৯৯৭ সালে যোগ দেন আরেক ফ্রেঞ্চ ক্লাব সেদানে। সেখানে কোন ম্যাচ না খেলেই যোগ দেন বর্তমান সময়ের অন্যতম শক্তিশালী ফ্রেঞ্চ ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে। প্যারিসে ৩ বছর ৪৩ ম্যাচ খেলার সুযোগ হয় তার। প্যারিস থেকে পাড়ি জমান মন্টেপেলিয়ের। সেখান থেকে আসেন ইংলিশ ক্লাব বার্মিংহ্যামে।
বার্মিংহ্যামে ৩৬ ম্যাচ খেলে যোগ দেন আরেক ইংলিশ ক্লাব পোর্টসমাউথে। এখানেও বেশি সময় থাকতে পারেন নি সিসে। দুই মৌসুম পর আবার ফিরে যান ফ্রেঞ্চ ক্লাব সেদানে। ২০০৮-০৯ মৌসুমে নাইমস ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানেন সেনেগালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। জাতীয় দলের হয়েও তার পারফরম্যান্স ছিল ঈর্ষণীয়।

২০০২ সালের বিশ্বকাপ সবাইকে চমকে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌছেছিল সেনেগাল। সেই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন সিসে। তাছাড়া জিদানের ফ্রান্স দলকে হারিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেওয়ার ম্যাচেও সেনেগালের জার্সি গায়ে মাঠে ছিলেন তিনি। ২০০২ আফ্রিকান নেশন্স কাপের ফাইনালে পেনাল্টি শুটআউটে পরাজয় বরণ করে নিতে হয় সেনেগালকে। সেই দলেরও অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।

২০০৯ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে মন দেন কোচিংয়ে। ২০১২ সালে সেনেগাল অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সহকারি কোচ পববর্তীতে ২০১৩-১৫ পর্যন্ত বয়সভিত্তিক দলটার প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০১৫ সালে সেনেগাল জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্ব আসে তার কাঁধে। আর দায়িত্ব নিয়েই ২০০২ সালের পর আবারো আফ্রিকান দলটিকে বিশ্বকাপে তোলেন সিসে।

সেনেগালের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক: আবদোলাই দিয়ালো, আলফ্রেড গোমিস, খাদিম এনদিয়াই।

ডিফেন্ডার: সালিউ সিস, কালিদু কোলিবালি, কারা এমবোজি, ইউসুফ সাবালি, লামিন গাসামা, মুসা ওয়াগ।

মিডফিল্ডার: ইদ্রিসা গুইয়ে, সালিফ সানে, চেইখো কোয়েত (অধিনায়ক), আলফ্রেড এনদিয়াই, চেইখ এনদিয়াই, বাদু এনদিয়াই।

ফরোয়ার্ড: মুসা সো, মামে বিরাম দিউফ, সাদিও মানে, মুসা কোনাতে, দিয়াফ্রা সাখো, ইসমাইলা সার, কেইটা বালদে, এমবায়ে নিয়াং।

সেনেগাল

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১৯৫৯, গাম্বিয়া
ব্রিটিশ গাম্বিয়া ১ : ২ ফ্রেঞ্চ সেনেগাল

সবচেয়ে বড় জয়
৯ অক্টোবর, ২০১০, ডাকার, সেনেগাল
সেনেগাল ৭-০ মরিশাস

সবচেয়ে বড় হার
২ নভেম্বর, ১৯৬৬, প্রাগ, চেকোস্লোভাকিয়া
চেকোস্লোভাকিয়া ১১ : ০ সেনেগাল

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ২ বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল (২০০২)
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে অংশগ্রণ : ১৪ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ (২০০২)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : হেনরি কামারা (৯৯ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : হেনরি কামারা (২৯টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো সেনেগাল
সেনেগাল ০-০ বুরকিনা ফাসো
সেনেগাল ২-০ কেপ ভার্দে
সেনেগাল ২-১ দক্ষিণ আফ্রিকা
বুরকিনা ফাসো ২-২ সেনেগাল
কেপ ভার্দে ০-২ সেনেগাল
দক্ষিণ আফ্রিকা ০-২ সেনেগাল

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

সেনেগাল

+

১৪

বুরকিনা ফাসো

+৪

কেপ ভার্দে

−৮

দক্ষিণ আফ্রিকা

−৩

 

সময়সূচি

১৯ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , স্পার্টাক স্টেডিয়াম

পোল্যান্ড পোল্যান্ড ১ - ২ সেনেগাল সেনেগাল

ম্যাচ রিপোর্ট
২৪ জুন, ২০১৮, ০৯:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

জাপান জাপান ২ - ২ সেনেগাল সেনেগাল

ম্যাচ রিপোর্ট
২৮ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এইচ , সামারা এরেনা

সেনেগাল সেনেগাল ০ - ১ কলম্বিয়া কলম্বিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ফিফা র‌্যাংকিং যদি শক্তির মাপকাঠি হয় তাহলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ‘ই’...

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের মিশন শুরুর আগে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে...

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অ্যাওয়ে ম্যাচটি হবে কলকাতার...

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

লাওসকে হারিয়ে কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ওঠার পর বাংলাদেশের অপেক্ষা...