সার্বিয়া

Team Image

ফুটবল ইতিহাসে সম্ভবত আর কোনো দেশের এতটা পরিবর্তন হয়নি। যতটা হয়েছে সার্বিয়ার। যুগোস্লাভিয়া নামেই ফুটবল ইতিহাসকে বেশি সমৃদ্ধ করে গেছে পূর্ব ইউরোপের এই অঞ্চলটি। কখনও কিংডোম অব যুগোস্লাভিয়া, কখনও সোশ্যালিস্ট যুগোস্লাভিয়া, কখনও সার্বিয়া-মন্টেনেগ্রো আবার কখনও তারা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে সার্বিয়া নামে।

মূলতঃ দুই বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়টাতেই ছিল কিংডোম অব যুগোস্লাভিয়া। সার্বস, ক্রোয়াট এবং স্লোভেন্সদের নিয়েই গঠিত ছিল কিংডোম অব যুগোস্লাভিয়া। ১৯৩০ বিশ্বকাপে তারা এই নামেই অংশ নিয়েছিল। যদিও জাগরেব থেকে যুগোস্লাভিয়া ফুটবল ফেডারেশনের কার্যালয় বেলগ্রেডে সরিয়ে আনার কারণে জাগরেব সাব-অ্যাসোসিয়েশন ক্রোয়াট ফুটবলারদের সেবার খেলতে দেয়নি। শুধুমাত্র সার্ব ফুটবলারদের নিয়েই গঠিত ছিল যুগোস্লাভিয়া দল।

সেবার লাতিন পাওয়ার হাউজ ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে চমকে দেয়। তার আগে খেলেছিল অলিম্পিক গেমসেও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কিংডোম অব যুগোস্লাভিয়া নাম পরিবর্তন হয়ে যায়। সামজতন্ত্রীদের অধীনে যাওয়ার ফলে দেশটির নাম হয় সোশ্যালিস্ট সার্বিয়া।

নাম পরিবর্তন হলেও শক্তিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। সোশ্যালিস্ট যুগোস্লাভিয়া ১৯৪৮ এবং ১৯৫২ অলিম্পিক গেমসের রৌপ্য পদক জিতে নেয়। ১৯৫০ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও তাদের বিদায় নিতে হয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। যে গ্রুপে ছিল ব্রাজিল।

১৯৫৪ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে মোটামুটি ভালোই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল তারা। খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল। ব্রাজিলের সঙ্গে গ্রুপ রানারআপ হয়ে কোয়ার্টারে গেলেও সেবারের চ্যাম্পিয়ন পশ্চিম জার্মানির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল যুগোস্লাভিয়াকে। ১৯৫৮ সুইডেন বিশ্বকাপেও যুগোস্লাভিয়া খেলেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। সেবারও কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের হারতে হয়েছিল পশ্চিম জার্মানির কাছে।

তবে ১৯৬২ বিশ্বকাপে যুগোস্লাভিয়া অর্জন করে তাদের ইতিহাসে সেরা সাফল্য। সেমিফাইনাল খেলেছিল সার্বরা। সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে গ্রুপ রানারআপ হয়ে উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। এবারও কোয়ার্টারে তারা মুখোমুখি পশ্চিম জার্মানির। আগের দুই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যুগোস্লাভিয়াকে বিদায় করে দিয়েছিল পশ্চিম জার্মানি। এই বিশ্বকাপে পশ্চিম জার্মানিকে বিদায় করে সেমিফাইনালে উঠে যায় যুগোস্লাভরা। যদিও সেমিতে চেকোস্লোভাকিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

এরপর যেন খর্ব শক্তির দল হয়ে যায় যুগোস্লাভিয়া। ১৯৬৬ এবং ১৯৭০- টানা দুটি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি তারা। ১৯৭৪ বিশ্বকাপে খেলতে এলেও বিদায় নেয় দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে। ১৯৭৮ সালে খেলতে পারেনি, ১৯৮২ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকেই। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে আবারও বাইরে, যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ১৯৯০ সালে ফের বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে যুগোস্লাভিয়া। তবে বিদায় নেয় কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে।
গৃহযুদ্ধে কবলে পড়ে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ থেকে বহিস্কারই হতে হয় ১৯৯২ সালে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে স্বাধীনতা পাওয়া সার্বিয়া অ্যান্ড মন্টেনেগ্রোকে। খেলতে পেরেছিল কেবল ১৯৯৮ বিশ্বকাপে। দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে আর বেশিদুর যেতে পারেনি। ২০০২ সালে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করেনি। ২০০৬ সালে সর্বশেষ সার্বিয়া অ্যান্ড মন্টেনেগ্রো নামে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেয় দেশটি। এরপরই আলাদা হয়ে যায় সার্বিয়া অ্যান্ড মন্টেনেগ্রো। শুধুমাত্র সার্বিয়া নামে বিশ্বকাপে অংশ নেয় ২০১০ সালে। ২০১৪ সালে যদিও দেশটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পরেনি। এক আসর বিরতি দিয়ে আবারও বিশ্বকাপ খেলতে এলো সার্বরা।

ইউরোপিয়ান অঞ্চলের ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সেরা হয়েই বিশ্বকাপে ঠাঁই করে নেয় দেশটি। বিশ্বকাপে ‘ই’ গ্রুপে খেলতে হবে ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড এবং কোস্টা রিকার বিপক্ষে। কোচ ম্লাডেন ক্রাস্টাজিকের অধীনে রয়েছে এক ঝাঁক ফুটবলার। ম্যানইউ তারকা নেমানজা ম্যাটিক থেকে শুরু করে সাউদাম্পটনের দুসান তাদিক, ক্রিস্টাল প্যালেসের লুকা মিলোভোজেভিক, লা লিগা জায়ান্ট ভ্যালেন্সিয়ার নেমানজা মাকসিভোমিক, ফুলহ্যামের স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার মিত্রোভিক কিংবা ভিয়ারিয়েলের ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুকাভিনা রয়েছেন। রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে তাই সার্বরা এবার চমক দেখানোর প্রত্যাশা করতেই পারে।

Player Image

নেমানজা ম্যাটিক

নেমানজা ম্যাটিক এমন এক পরিবারে জন্মেছেন, যে পরিবার ফুটবলকে আশ্রয় করেই আবর্তিত। বাবা ছিলেন স্থানীয় ক্লাব ভ্রেলোর কোচ। সে সূত্রেই ভ্রেলোর হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন মাত্র ৫ বছর বয়সে। শিশু, কিশোর এবং তরুণ বয়সে ভ্রেলো, অব্রেনোভ্যাক, রেড স্টার বেলগ্রেড, পার্টিজান, জেডিনেস্টভোর হয়ে খেলেন ম্যাটিক। ২০০৫ সালে কলুবারা ক্লাবের হয়ে শুরু করেন পেশাদার ক্যারিয়ার। তবে ২০০৭ সাল থেকেই মূলতঃ নেমানজা ম্যাটিকের ক্যারিয়ার সবার নজরে আসতে শুরু করে, যখন তিনি নাম লেখান স্লোভাক ক্লাব কোসিসে। এই ক্লাবের হয়ে দুই বছরে তিনি খেলেন ৭০ ম্যাচ।

  • নাম: নেমানজা ম্যাটিক
  • জন্ম : ১ আগস্ট, ১৯৮৮
  • বয়স : ২৯ বছর
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ৪ ইঞ্চি
  • পজিশন : ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার
  • সার্বিয়ার হয়ে : ৩৮ ম্যাচে ২ গোল

২০০৯ সালে কোসিস থেকে ১.৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব চেলসিতে নাম লেখান ম্যাটিক। চেলসির হয়ে অবশ্য মাঠে নামতে অপেক্ষায় থাকতে হয় ম্যাটিককে। কারণটা ইনজুরি। পুরো মৌসুমই বলতে গেলে কাটিয়েছেন সাইডবেঞ্চে। ২০১০ সালে এসে লোনে খেলতে যান ডাচ ক্লাব ভিটেসে। সেখানে এক মৌসুম কাটান ২৭ ম্যাচ খেলে।

ভিটেসে থেকে ফিরে আর চেলসিতে যাওয়া হয়নি। চুক্তি করেন পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকার সঙ্গে। বিনিময় ২৫ মিলিয়ন ইউরোর সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান সেন্টারব্যাক ডেভিড লুইজকে চেলসির সঙ্গে পরিবর্তন করে বেনফিকা। পর্তুগালে গিয়ে ৩ মৌসুম কাটান তিনি। এ সময়ই কোচ হোর্হে জেসাস ম্যাটিককে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার থেকে পুরোপুরি প্লে মেকারে পরিণত করেন। তিন মৌসুমে তিনি খেলেন ৫৬ ম্যাচ। জিতেছেন একটি প্রিমেরা লিগা এবং একটি লিগ কাপ।

২০১৪ সালের জানুয়ারিতে আবারও চেলসিতে ফিরে আসেন ম্যাটিক। চারদিন পরই উইলিয়ানের পরিবর্তে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে মাঠে নামেন। চেলসিতে দ্বিতীয়বার ফেরেন তিনি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একজন ফুটবলার হিসেবে। তিন মৌসুমেই খেলেছেন ১২১টি ম্যাচ।

এই তিন মৌসুমে ক্লাবকে উপহার দিয়েছেন দুটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা। ২০১৭ সালে এসে একটি ছবি ফাঁস হয়ে যায়, যেখানে দেখা গেছে ম্যানইউর ট্রেনিং জার্সি পরেছেন ম্যাটিক। তখনই গুঞ্জন শুরু হয়, সাবেক কোচ হোসে মরিনহোর কাছেই হয়তো যাচ্ছেন তিনি। অবশেষে সেটাই সত্যি হলো। দু’দিন পর ম্যানইউ থেকে ঘোষণা দেয়া হলো ম্যাটিক চুক্তি করেছেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটির হয়ে।

২০০৮ সালে সার্বিয়ার হয়ে পোল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে ম্যাটিকের। তবে, শুরু থেকে কিছুটা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও ২০১৫ সালে এসে নিজ দেশের হয়ে থিতু হন তিনি এবং নিয়মিত খেলতে থাকেন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৮ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন তিনি। গোল করেছেন ৩৮টি।

Coach Image

ম্লাদেন ক্রাসতজিচ

ম্লাদেন ক্রাসতজিচ। ১৯৭৪ সালের ৪ মার্চ সাবেক যুগোস্লাভিয়া এবং বর্তমান বসনিয়ার জেনিচা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাদার ফুটবলে তিনি ছিলেন একজন ডিফেন্ডার। মা বসনিয়ান এবং বাবা মন্টেনেগ্রিয়ান হওয়ার কারণে দুই দেশের হয়েই সুযোগ ছিল খেলার। বসনিয়ার ইয়ুথ ক্লাব জাবলাকের ১৯৮৪-৯২ সাল পর্যন্ত খেলে গেছেন তিনি। বসনিয়া যুদ্ধের কারণে পরবর্তীতে সার্বিয়াতে পরিবারসহ চলে আসেন ক্রাসতাজিচ।

১৯৯২ সালের এপ্রিলে বাসস্থান গড়েন সার্বিয়ার কিকিন্দাতে। বসনিয়ার যুদ্ধের কারণে সার্বিয়াতে এসে এফকে সেন্তা ক্লাবের হয়ে ৬ মাস খেলেন তিনি। পরবর্তীতে ওএফকে কিকিন্দা ক্লাবে ১৯৯৩-৯৬ পর্যন্ত ৫৫ ম্যাচ খেলে ২ গোল করেন। কিকিন্দার হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ১৯৯৬ সালে নজরে আসেন সার্বিয়ার শীর্ষ ক্লাব পার্টিজেন বেল্গ্রেডের। পার্টিজেনের হয়ে চার বছরে ৩টি লীগ শিরোপা জয়ের পাশাপাশি দলটির হয়ে লিগে ৮৪ ম্যাচ খেলে করেছেন ৭ গোল।

পার্টিজেনের হয়ে অসামান্য কৃতিত্ব দেখানোর পর তার উপর নজর পড়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ ইয়ুপ হেইঙ্কেসের। ২০০০ সালে ১.৮ মিলিয়ন ইউরোতে তাকে জার্মান ক্লাব ওয়ের্ডার ব্রেমেনে নিয়ে আসেন হেইঙ্কেস। তারপর থেকে দলটির কর্ণধার হয়ে যান তিনি। ২০০৪ সালে ব্রেমেনের হয়ে বুন্দেসলীগা জয়ের পাশাপাশি জার্মান কাপও জিতেন ক্রাস্তাজিচ। চার বছরের ব্রেমেন অধ্যায়ের পাট চুকিয়ে ২০০৪ সালে যোগ দেন আরেক জার্মান জায়ান্ট শালকে০৪ ক্লাবে।

শালকের হয়ে চার মৌসুমে ১৩১ ম্যাচে করেন ৭ গোল। ২০০৯ সালের ১৭ই মার্চ প্রথমবারের মত শালকের অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরেন ক্রাস্তাজিচ। ফুটবল ক্যারিয়ারের অন্তিমলগ্নে আবারো নিজ দেশের ক্লাব পার্টিজেনে ফিরে আসেন তিনি। দুই মৌসুম সাফল্যের সাথে খেলে ২০১১ সালের মে মাসে ফুটবলকে বিদায় জানান এই সার্বিয়ান ফুটবলার।

বিদায়ের পরপরই তাকে ক্লাবের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয় পার্টিজেন। ক্লাবের পাশাপাশি সার্বিয়ার জাতীয় দলের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন এই ডিফেন্ডার। ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে সার্বিয়া এন্ড মন্টিনেগ্রোর হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন এই ফুটবলার। জাতীয় দলের হয়ে ৫৯টি ম্যাচে ২ গোল করে ২০০৯ সালেই দেশের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে তাকে সার্বিয়া জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটির ফুটবল এসোসিয়েশন। বিশ্বকাপ পর্যন্তই থাকছে তার মেয়াদ।

সার্বিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : ভ্লাদিমির স্টোজকোভিক, প্রেদরাগ রাজকোভিক, মার্কো দিমিত্রোভিক।

ডিফেন্ডার : আন্তোনিও রুকাভিনা, দুস্কো তোসিক, ইউরোজ স্পাজিক, ব্রানিস্লাভ ইভানোভিক, আলেকজান্ডার কোলারভ (অধিনায়ক), মিলোস ভেলজকোভিক, মিলান রোদিক, নিকোলা মিলেনকোভিক।

মিডফিল্ডার : লুকা মিলিভোজেভিক, আন্দ্রিজা জিভকোভিক, দুজান তাদিক, মার্কো গ্রুজিক, ফিলিপ কোস্তিক, নেমানজা ম্যাটিক, সার্গেই মিলিনকোভিক-সাভিক, অ্যাদেম এলজাজিক।

স্ট্রাইকার : আলেকজান্ডার মিত্রোভিক, আলেকজান্ডার প্রিজোভিক, নেমানজা রাদোনজিক, লুকা জোভিক।

সার্বিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
২৮ আগস্ট ১৯২০, অনটার্প, বেলজিয়াম
চেকোস্লোভাকিয়া ৭ : ০ কিংডম অব যুগোস্লাভিয়া
সার্বিয়া হিসেবে
১৮ আগস্ট, ২০০৬, উহেরেস্কে হার্দিস্তে, চেক প্রজাতন্ত্র
চেক প্রজাতন্ত্র ১ : ৩ সার্বিয়া

সবচেয়ে বড় জয়
১৪ জুন, ১৯৭২, কুরিতিবা, ব্রাজিল
সমাজতন্ত্রী যুগোস্লাভিয়া ১০ : ০ ভেনেজুয়েলা

সবচেয়ে বড় হার
২৮ আগস্ট, ১৯২০, অনটার্প, বেলজিয়াম
চেকোস্লোভাকিয়া ৭ : ০ কিংডম অব যুগোস্লাভিয়া

২৪ মে, ১৯২৪, প্যারিস, ফ্রান্স
উরুগুয়ে ৭ : ০ কিংডম অব যুগোস্লাভিয়া

২৪ অক্টোবর, ১৯২৫, প্রাগ, চেকোস্লোভাকিয়া
চেকোস্লোভাকিয়া ৭ : ০ কিংডম অব যুগোস্লাভিয়া

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ১২ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (তৃতীয়, ১৯৩০)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ ২ বার (১৯৬০, ১৯৬৮)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ডেজান স্টানকোভিক (১০৩ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : স্টিফেন বোবেক (৩৮)।

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো সার্বিয়া

সার্বিয়া ২-২ আয়ারল্যান্ড
সার্বিয়া ১-১ ওয়েলস
সার্বিয়া ৩-২ অস্ট্রিয়া
সার্বিয়া ১-০ জর্জিয়া
সার্বিয়া ৩-০ মালদোভা
আয়ারল্যান্ড ০-১ সার্বিয়া
ওয়েলস ১-১ সার্বিয়া
অস্ট্রিয়া ৩-২ সার্বিয়া
জর্জিয়া ১-৩ সার্বিয়া
মালদোভা ০-৩ সার্বিয়া

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

  ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

সার্বিয়া

১০

+১০

২১

আয়ারল্যান্ড

১০

+৬

১৯

ওয়েলস

১০

+৭

১৭

অস্ট্রিয়া

১০

+২

১৫

জর্জিয়া

১০

−৬

মালদোভা

১০

−১৯

 

সময়সূচি

১৭ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ ই , সামারা এরেনা

কোস্টারিকা কোস্টারিকা ০ - ১ সার্বিয়া সার্বিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২২ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম

সার্বিয়া সার্বিয়া ১ - ২ সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , স্পার্টাক স্টেডিয়াম

ব্রাজিল ব্রাজিল ২ - ০ সার্বিয়া সার্বিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ঢাকায় ফিরে বিশ্বকাপ বাছাই নিয়ে যা বললেন জেমি ডে

ফিফা র‌্যাংকিং যদি শক্তির মাপকাঠি হয় তাহলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ‘ই’...

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় ইরান

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের মিশন শুরুর আগে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে...

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপের ম্যাচ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে

কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বের ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অ্যাওয়ে ম্যাচটি হবে কলকাতার...

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

নির্ধারিত হলো বিশ্বকাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ

লাওসকে হারিয়ে কাতার-২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে ওঠার পর বাংলাদেশের অপেক্ষা...