স্পেন

Team Image

কুড়ি বছর ধরে স্পেনের খোলনলচে জানার পর ‘দ্য স্টোরি অব স্প্যানিশ ফুটবল’ লিখেছিলেন ব্রিটিশ লেখক ফিল বল। বইটার একটা লাইন এরকম, ‘মহৎপ্রাণ শিল্পী এবং কবিরা হয়তো এখান থেকে চলে গেছে কিন্তু ফুটবল এখনো শ্বাস টেনে চলছে স্প্যানিশদের হৃদয়ে।’

স্প্যানিশদের এমন ফুটবলপ্রীতি সত্ত্বেও অবাক করা তথ্যটা হলো, শুধু বেলজিয়াম অলিম্পিকে নামকাওয়াস্তে অংশগ্রহণের জন্য ১৯২০ সালে তারা প্রথমবারের মতো গঠন করেছিল জাতীয় দল। অথচ সে দলটাই জিতে নেয় রৌপ্যপদক। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ‘লা ফুরিয়া রোজা’দের সেই শুরু। এরপর ২০টি বিশ্বকাপের ১৪টিতে অংশগ্রহণ করে স্পেন।

রাশিয়া বিশ্বকাপটা তাদের জন্য টানা এগারতম অংশগ্রহণ। ৫৯ ম্যাচের ২৯টি জিতে স্পেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের পঞ্চম সফল দল। সে সঙ্গে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন। ফিফা র‌্যাংকিংয়ের এক সময় শীর্ষে থাকলেও এবার ৮ম স্থানে থেকে অংশ নিচ্ছে একবিংশ বিশ্বকাপের আসরে।

২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কোন ম্যাচ হারেনি লা রোজারা। ১০ ম্যাচের ৯টিতেই জিতেছে। একটিতে ড্র করেছে মাত্র। ‘বি’ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ পর্তুগাল, মরক্কো এবং ইরান। রোনালদোর ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের মুখোমুখি হতে হবে স্প্যানিশদের। সঙ্গে রয়েছে আফ্রিকান শক্তিশালী দল মরক্কো এবং যে কোনো অঘটন ঘটানোর ওস্তাদ ইরান।

২০০৮ থেকে ২০১২ পর্যন্ত টানা বিশ্ব শাসন করা স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে যেন ২০১৪ বিশ্বকাপে এসে। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। ব্রাজিল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই নেদারল্যান্ডসের কাছে ৫ গোল হজম করতে হয়েছিল জাভি-ইনিয়েস্তাদের। পরের ম্যাচে চিলির কাছে হারতে হয়েছিল ২-০ গোলে। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোনোমতে একটা জয় নিয়ে দেশে ফিরতে পেরেছে তারা। ২০০২ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে ইতালির ভাগ্যই বরণ করতে হয়েছে স্পেনকে। বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরের বছর এসে গ্রুপ পর থেকেই বিদায় নেয়ার ভাগ্য।

তবে, এবার কোচ হুলেন লোপেতেগুইয়ের অধীনে সোনালি যুগটা আবারও ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় স্প্যানিশরা। বিশ্বকাপে যে কয়টি দলকে সেরা বিবেচনা করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে স্পেনও একটি। জাভি নেই, ডেভিড ভিয়া নেই। এমনকি ইকার ক্যাসিয়াসও এবার নেই। তবে আন্দ্রে ইনিয়েস্তা, সেস ফ্যাব্রেগাস, ডেভিড সিলভা, সার্জিও রামোস, রেজার্ড পিকে, সার্জিও বুস্কেটসদের মত তারকা ফুটবলাররা রয়েছেন। সঙ্গে ইসকো, আসেনসিওদের মত একঝাঁক তারকা ফুটবলারের সমন্বয় ঘটেছে এই দলটিতে।

এবার আর ‘তিকিতাকা’র ওপর নেই স্পেন। তিকিতাকা দিয়ে ব্রাজিল বিশ্বকাপে কিছুই করতে পারেনি তারা। এ কারণে কোচ লোপেতেগুই তিকিতাকার সঙ্গে সমন্বয় ঘটিয়েছেন আধুনিক গতিময় ফুটবলের। যে কারণে, মাত্র কিছুদিন আগেই আর্জেন্টিনাকে ৬-১ গোলে হারিয়েছে তারা।

স্পেন এমন একটি দল, যারা একমাত্র দল হিসেবে টানা তিনটি বড় শিরোপা জয়ের কীর্তি (২০০৮ ইউরো, ২০১০ বিশ্বকাপ, ২০১২ ইউরো) দেখিয়েছে। মাঠে পাসের ফুলঝুরি ছুটিয়ে, তিকিতাকা দিয়ে স্প্যানিশদের খেলার কৌশলটা খুব বেশি পুরনো নয়।

যদিও এই ‘তিকিতাকা’ শব্দের উৎপত্তি মূলত ফুটবলের কুৎসিত দিক বোঝাতে। বিদ্রুপাত্মক ভঙ্গিতে ‘তিকিতাকা’ শব্দটার জন্ম দেন হ্যাভিয়ের ক্লেমেন্তে। ’৯২ থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত স্পেন জাতীয় দলের কোচ ছিলেন তিনি। তার মতে ছোট ছোট পাসে ধীরগতির খেলায় প্রতিপক্ষ গুছিয়ে নেয়ার সময় পেয়ে যায়; কিন্তু তার কথা ভুল প্রমাণ করে তিকিতাকার ধ্রুপদী ফুটবলেই বিশ্বকে শাসন করেছিল স্পেন।

২০১০ সালের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে বারবার দ্বিতীয় রাউন্ড বা কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়া স্পেনের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে চতুর্থ স্থান অর্জন করা। ২০০৬ সাল থেকেই মূলতঃ স্পেনের ভাগ্য বদলাতে শুরু করে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত টানা ৩৫ ম্যাচ অপরাতি ছিল তারা। যে রেকর্ড রয়েছে কেবলমাত্র ব্রাজিলেরই। ২০০৯ সালে এসে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে এই রেকর্ড ভাঙে তাদের। ফুটবলের ইতিহাসে ২০১০ বিশ্বকাপ এবং ২০১২ ইউরোর স্প্যানিশ দলটিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা দল হিসেবেই বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

Player Image

ইসকো

রিয়াল মাদ্রিদের বর্তমান এই তারকা ফুটবলার প্রথম সবার নজরে আসেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। মালাগার হয়ে ২০১২-১৩ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ী পোর্তোর বিপক্ষে তার অসাধারণ নৈপূণ্যেই জয় লাভ করে প্রথমবারের মত কোয়ার্টার ফাইনালে তোলেন দলকে। সেখান থেকেই ইসকো এখন প্রধান খেলোয়াড় বনে গেছেন রিয়াল মাদ্রিদ এবং স্পেন জাতীয় দলের।

মালাগার বেনালমাদেনায় জন্মগ্রহণ করলেও নিজের ফুটবল অধ্যায় শুরু করেন ভ্যালেন্সিয়ার যুব দলে। ২০১০ সালে ভ্যালেন্সিয়া ‘বি’ দলের হয়ে কোপা দেল রেতে অভিষেক হয় লেগানেসের বিপক্ষে। প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে দলকে ৪-১ ব্যবধানে বড় জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হন। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সুযোগ করে নেন ভ্যালেন্সিয়ার প্রধান দলে। ২০১০ সালে গেতাফের বিপক্ষে লা লিগায় তার অভিষেক হয়। জয় দিয়ে অভিষেকটা স্মরণীয় করে রাখেন।

  • নাম : ফ্রান্সিসকো রোমান আলারকন সুয়ারেজ
  • জন্ম : ২১ এপ্রিল, ১৯৯২
  • বয়স : ২৬ বছর
  • উচ্চতা : ৫ ফিট ৯ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : এটাকিং মিডফিল্ডার
  • স্পেনের হয়ে : ২৬ ম্যাচে ১০ গোল

ভ্যালেন্সিয়া ‘বি’ দলের লিগ থেকে অবনমন হলে পাঁচ বছরের চুক্তিতে যোগ দেন লা লিগার ক্লাব মালাগায়। এখান থেকেই তার সেরাদের কাতারে উঠে যাওয়ার পথচলা শুরু। মাত্র ৬ মিলিয়ন ইউরোতে যোগ দিয়ে প্রথম মৌসুমেই ৩২ ম্যাচে করেন ৫ গোল। সাহায্য করেন দলকে প্রথমবারের মত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নিতে।  

তার আসল খেলাটা মূলতঃ দেখা যায় পরের মৌসুমেই। মালাগার হয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচেই জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন তিনি এবং ৩-০ গোলে জয় পায় মালাগাল। ইসকো হন ম্যাচ সেরা। তার কল্যাণেই মূলতঃ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় দলটি। সেখানে বুরুশিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় তারা।

২০১৩ সালে ৩০ মিলিয়ন ইউরোতে কার্লো আনচেলত্তির রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ইসকো। ২০১৩ সালের আগস্টে রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে মাদ্রিদের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখেন ইসকো। এক গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করান আরেক গোল।

নিজের প্রথম মৌসুমে রিয়ালের হয়ে খেলেন ৫৩টি ম্যাচে যেখানে তার গোলসংখ্যা ১১টি। এছাড়াও রিয়াল মাদ্রিদের ঐতিহাসিক লা দেসিমা জয়ের ফাইনাল ম্যাচটিতেও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি।

নিজের দ্বিতীয় মৌসুমে অনেকটা নিষ্প্রভই কাটান রিয়ালের জার্সি গায়ে। তবুও তার প্রশংসা থেমে থাকেনি। প্রথমবারের মত জিনেদিন জিদান নিজেই তার সঙ্গে ইসকোর তুলনা করেন। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সব মিলিয়ে ২৩৯টি ম্যাচে করেন ৪১টি গোল।

লস ব্ল্যাঙ্কোসজদের জার্সি গায়ে জয় করেছেন তিনটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, একটি লা লিগা, ১টি কোপা দেল রে, ১টি সুপার কোপা দে স্প্যানিশ, ৩টি ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ এবং ৩টি উয়েফা সুপার কাপ।

স্পেনের জাতীয় দলের হয়েও বেশ উজ্জ্বল ইসকো। ২০০৭ সালের যুব দলের বিশ্বকাপে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে সহায়তা করেন। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকেও স্পেন দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্পেন জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় তার।

স্পেনের জার্সি গায়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে নিজের জাত চেনান ইসকো। ২০১৮ সালের ২৭ মার্চ হওয়া সেই ম্যাচে তার হ্যাটট্রিকের কল্যাণেই আর্জেন্টিনাকে ৬-১ গোলের লজ্জাস্কর এক পরাজয়ের স্বাদ দেয়। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে আরেকট চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে নামার আগে সুযোগ করে নিয়েছেন স্পেনের বিশ্বকাপ দলে। এবার মূল মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের পালা।  

Coach Image

ফার্নান্দো হিয়েরো

স্পেন দলের নতুন কোচ। বিশ্বকাপের একদিন আগে হুলেন লোপেতেগুেইকে বরখাস্ত করার পর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক অধিনায়ক ফার্নান্দো হিয়েরোকেই বিশ্বকাপে স্পেন দলের নতুন কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বিস্তারিত আসছে...

স্পেনের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : পেপে রেইনা, ডেভিড দি গিয়া, কেপা আরিজাবালাগা।

ডিফেন্ডার : দানি কারভাহাল, জেরার্ড পিকে, নাচো, আলভারো ওদ্রিজোলা, সিজার আজপিলিকুয়েতা, সার্জিও রামোস (অধিনায়ক), জর্ডি আলবা, নাচো মনরিয়েল।

মিডফিল্ডার : আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, সার্জিও বুসকেটস, সাউল নিগুয়েজ, কোকে, ইস্কো, মার্কো আসেনিসও, থিয়াগো আলকানতারা, ডেভিড সিলভা।

ফরোয়ার্ড : ইয়াগো আসপাস, রদ্রিগো, ডিয়েগো কস্তা, লুকাস ভাজকুয়েজ।

স্পেন

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
২৮ আগস্ট, ১৯২০, ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
স্পেন ১ : ০ ডেনমার্ক

সবচেয়ে বড় জয়
২১ মে, ১৯৩৩, মাদ্রিদ, স্পেন
স্পেন ১৩ : ০ বুলগেরিয়া

সবচেয়ে বড় হার
৪ জুন, ১৯২৮, আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
স্পেন ১ : ৭ ইতালি

৯ ডিসেম্বর, ১৯৩১, লন্ডন, ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ড ৭ : ১ স্পেন

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ১৫ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১ বার (২০১০)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ১০ বার, চ্যাম্পিয়ন : ৩ বার (১৯৬৪, ২০০৮, ২০১২)।
ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ২বার, সর্বোচ্চ ফল : রানারআপ (২০১৩)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : ইকার ক্যাসিয়াস (১৬৭ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : ডেভিড ভিয়া (৫৯)।

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড ২-১ স্লোভাকিয়া
ইংল্যান্ড ৩-০ স্কটল্যান্ড
ইংল্যান্ড ১-০ স্লোভেনিয়া
ইংল্যান্ড ২-০ লিথুনিয়া
ইংল্যান্ড ২-০ মাল্টা
স্লোভাকিয়া ০-১ ইংল্যান্ড
স্কটল্যান্ড ২-২ ইংল্যান্ড
স্লোভেনিয়া ০-০ ইংল্যান্ড
লিথুনিয়া ০-১ ইংল্যান্ড
মাল্টা ০-৪ ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

স্পেন

১০

+৩৩

২৮

ইতালি

১০

+১৩

২৩

আলবেনিয়া

১০

−৩

১৩

ইজরায়েল

১০

−৫

১২

মেসিডোনিয়া

১০

১১

লিচেনস্টাইন

১০

১০

−৩৮

 

সময়সূচি

১৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

পর্তুগাল পর্তুগাল ৩ - ৩ স্পেন স্পেন

ম্যাচ রিপোর্ট
২০ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , কাজান এরেনা

ইরান ইরান ০ - ১ স্পেন স্পেন

ম্যাচ রিপোর্ট
২৫ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ বি , কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম

স্পেন স্পেন ২ - ২ মরক্কো মরক্কো

ম্যাচ রিপোর্ট
০১ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , লুঝনিকি স্টেডিয়াম

স্পেন স্পেন ১ (৩) - (৪) ১ রাশিয়া রাশিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

পৃথিবীর ৩৫০ কোটি মানুষের বিশ্বকাপ দেখার রেকর্ড

বিশ্বকাপ ফুটবলকে বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কেন বিশ্বকাপকে এই...

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

মাঠে ফুটবলাররা বারবার কুলি করেন কেন?

ফুটবলাররা যে তরল বস্তু কুলি করে ফেলছেন তা আসলে পানি নয়, সেসব...

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

জাগো নিউজ-গুডলাক বিশ্বকাপ কুইজের পুরস্কার বিতরণ

রাশিয়া বিশ্বকাপের জমজমাট আসর শেষ হয়েছে কিছুদিন আগে। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখনও...

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

‘বিশ্বকাপে জার্মানির বিপর্যয়ের কারণ ওজিল নয়’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে একবারই মাত্র প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল জার্মানিকে। সেই...