সুইডেন

Team Image

ফুটবল ঐতিহ্য যতটা, ততটা সাফল্য নেই সুইডেনের। ফুটবল ইতিহাসে বড় পরাশক্তি হিসেবেও আবির্ভূত হতে পারেনি তারা। ১৯৫৮ বিশ্বকাপের আয়োজন করে ফাইনাল খেলেছিল তারা; কিন্তু পেলে-ব্রাজিলের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শিরোপাটা অধরাই থেকে যায় তাদের।

তিনবার খেলেছে সেমিফাইনাল; কিন্তু সাফল্যের দৌড় খুব বেশিদুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেনি তারা। শুধু তাই নয়, ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে খেলারও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি সুইডিশরা। যদিও ওই দুই বিশ্বকাপে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের মত তারকা ফুটবলার ছিলেন তাদের দলে। এমনকি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ পর্যন্ত কখনো জিততে পারেনি সুইডিশরা।

টানা দুই মৌসুম বাইরে থাকার পর এবার আবারও বিশ্বকাপে ফিরে এসেছে সুইডিশরা। শুধু ফিরে আসাই নয়, প্লে-অফ থেকে ইতালির মত চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে দিয়েই তারা রাশিয়ার টিকিট কাটতে পেরেছে।

বিশ্বকাপ কিংবা ইউরোয় সাফল্য খুব বেশি না থাকলেও অলিম্পিকের একটি স্বর্ণ পদক গলায় ঝুলিয়ে নিয়েছে তারা। ১৯৪৮ অলিম্পিক গেমের স্বর্ণ পদক উঠেছে সুইডিশদের গলায়। ১৯২৪ এবং ১৯৫২ অলিম্পিকের ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে তারা। আর ইউরোয় সর্বোচ্চ সাফল্য ১৯৯২ সালের সেমিফাইনালে পৌঁছা।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে ১১বার অংশ নিয়েছে সুইডিশরা। অলিম্পিকে জিতেছে তিনটি পদক। যে কারণে ইউরোপিয়ান অঞ্চলে অন্তত সমীহ করার মত দল তারা। ১৯০৮ সালে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে সুইডিশরা। ওই ম্যাচে ১১-৩ গোলের ব্যবধানে জয় পায় সুইডেন। মোট ১৪ গোলের ম্যাচ। তবে এর চেয়েও বড় ব্যবধানে জয় রয়েছে তাদের। ১৯২৭ সালে লাটভিয়াকে ১২-০ গোলে হারিয়েছিল সুইডেন। ১৯০৮ সালেই প্রথম অলিম্পিকে অংশ নেয় সুইডিশরা।

১৯৩০ বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি। ১৯৩৪ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে যায় তাদের দৌড়। এরপর ১৯৩৮ বিশ্বকাপে অংশ নেয় তারা। প্রথম রাউন্ডে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। এরই মধ্যে অস্ট্রিয়াকে দখল করে নেয় জার্মানি। ফলে অস্ট্রিয়া খেলতে পারেনি। এ কারণে, প্রথম রাউন্ডে না খেলেই সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে যায় সুইডিশরা। যেখানে কিউবাকে ৮-০ গোলে হারিয়েছে তারা। হ্যারি এন্ডারসন (অভিষেক ম্যাচ ছিল তার সেটি), গুস্তাভ ওয়েটারস্ট্রম- দু’জনই হ্যাটট্রিক করেন ওইদিন।

১৯৪৮ অলিম্পিকে অংশ নেয় সুইডিশরা। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ কোরিয়াকে ১২-০ গোলে হারিয়েছে তারা। অলিম্পিকের ইতিহাসে এটাই বড় জয় তাদের। সেমিফাইনালে সুইডেন হারিয়েছে তাদের চির প্রতিদ্ব›দ্বী ডেনমার্ককে। ফাইনালে মুখোমুখি হয় যুগোস্লাভিয়া। লন্ডনের ওয়েম্বলিতে ৪০ হাজার দর্শকের সামনে ৩-১ গোলে জিতে স্বর্ণপদক জয় করে নেয় তারা।

১৯৫০ বিশ্বকাপেও অংশ নেয় তারা। এবারও সুইডেন ছিল টপ ফেবারিট। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় হয়েছে তারা। এরপর ১৯৫৮ সালে তো বিশ্বকাপের আয়োজকই তারা। ওই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও জিততে পারেনি শিরোপা। ১৯৬২ আর ১৯৬৬ বিশ্বকাপে খেলতেই পারেনি তারা। মূলতঃ ১৯৫৮ বিশ্বকাপের শিরোপা জিততে না পারার কারণে, সুইডেনের ফুটবল ভাগ্যও যেন বিদায় নেয় তাদের কাছ থেকে।

১৯৭০, ৭৪ এবং ৭৮ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও সুইডেনের দৌড় ছিল সর্বোচ্চ দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত। এরপর দ্ইু আসরে আবারও অনুপস্থিতি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে এসে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে আবারও সুইডেনের সুর্য উদিত হয়। সেমিফাইনাল খেলে তারা। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে অনুপস্থিত থেকে আবারও ২০০২ এবং ২০০৬ সালে এসে বিশ্বকাপ খেললেও দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্তই ছিল সুইডিশদের দৌড়। এরপর অনুপস্থিত দুই আসর। এবার আবারও বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে সুইডেন। রাশিয়া থেকে কি সাফল্য নিয়ে তারা ফেরে, সেটাই দেখার।

কোচ জেন এন্ডারসনের অধীনে একঝাঁক তরুণ এবং অভিজ্ঞ ফুটবলার রয়েছে সুইডেন দলে। ইব্রাহিমোভিচ খেলতে চাইলেও তাকে অনুমতি দেয়নি সুইডেন ফুটবল ফেডারেশন। তবুও সেবাস্তিয়ান লারসন, জিমি ডারমাজ, জন গুইডেত্তি, অস্কার হেলজমার্ক, ভিক্টর ক্লেসন, ভিক্টর লিনডেলফরা রয়েছে সুইডেন দলে। সুতরাং, এফ গ্রুপে জার্মানি, মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য কঠিন একটি গ্রুপই হয়তো অপেক্ষা করছে রাশিয়া বিশ্বকাপে।

Player Image

মার্কাস বার্গ

জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের চেয়ে কোনো অংশে কম নয় মার্কাস বার্গ। যার প্রমাণ ২০১৮ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বেই পেয়েছে সুইডিশরা। ইব্রাহিমোভিচের আমলে ২০১০ এবং ২০১৪- টানা দুটি বিশ্বকাপ মিস করেছে সুইডেন। ২০০৬ সালের পর, এক যুগ বিরতি দিয়ে আবারও সুইডিশরা বিশ্বকাপে নাম লেখাতে পেরেছে কেবল মার্কাস বার্গদের অসাধারণ নৈপুন্যে। যেটা ইব্রাহিমোভিচ পারেননি, সেটা করে দেখিয়েছেন মার্কাস বার্গরা।

ইব্রাহিমোভিচ অবসর নেয়ার পর থেকেই সুইডেনের মূল তারকা এখন মার্কাস বার্গ। তরুণ বয়সেই এসভার্টে-মার্কাস (ব্ল্যাক মার্কাস) উপাধি পেয়ে গিয়েছিলেন। বাল্যকালেই গোল করার অসাধারণ দক্ষতা এবং একের পর এক গোল করার কারণেই এই উপাধিতে ভূষিত করা হয় মার্কাস বার্গকে।

  • পুরো নাম : মার্কাস বার্গ
  • জন্ম : ১৭ আগস্ট, ১৯৮৬
  • বয়স : ৩১
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ১ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : স্ট্রাইকার
  • সুইডেনের হয়ে: ৫৫ ম্যাচে ১৮ গোল

রাশিয়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচেই নেদারল্যান্ডসকে ১-১ গোলে ঠেকিয়ে দিয়েছিল সুইডেন। ওই ম্যাচে সুইডিশদের গোলের সূচনা করেছিলেন মার্কাস বার্গ। পরের ম্যাচেই লুক্সেমাবার্গের বিপক্ষে একাই ৪ গোর করেছিলেন তিনি। ওই ম্যাচে লুক্সেমবার্গকে ৮-০ গোলে হারিয়েছিল সুইডেন। ৭৯ বছরের মধ্যে ওটা ছিল সুইডিশদের সবচেয়ে বড় জয়। যদিও ৫০ হাজার দর্শকে ভরা স্টেডিয়াম শেষ দিকে সংঘাতময় হয়ে উঠেছিল এবং সেই সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছিল মাঠের বাইরেও।

মার্কাস বার্গের দুর্দান্ত সাফল্যে সুইডেন গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে খেলার সুযোগ পায় প্লে-অফে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে সামনে আসে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালি; কিন্তু আজ্জুরিদের লাভের লাভ কিছুই হলো না। দুই লেগ মিলিয়ে ১-০ গোলে ইতালিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে নাম লেখায় সুইডেনই। যদিও ইতালির বিপক্ষে প্রথম লেগে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর ফিরতি লেগে মার্কাস বার্গরা সবাই হয়ে গিয়েছিলেন ডিফেন্ডার। ইতালিয়ানদের গোল ঠেকানোই ছিল যেন শুধুমাত্র তাদের কাজ।

খুব কম বয়সেই ক্লাব ফুটবল শুরু করেছিলেন মার্কাস বার্গ। ২০০২ সালে নাম লেখান টর্সবাই আইএফ-এ। এরপর ২০০৩ সালে যোগ দেন আইএফকে ভেলেনে। দুই বছর এই ক্লাবে খেলেন ইয়থ দলের হয়ে। ২০০৫ সালে তিনি নাম লেখান আইএফকে গোটেবোর্গে। দুই মৌসুম এই ক্লাবে কাটিয়ে যোগ দেন ডাচ ক্লাব গ্রোনিঙ্গেনে। এখানেও কাটালেন দুই বছর। ৫৬ ম্যাচে ৩২ গোল করেন তিনি।

২০০৯ সালে পাড়ি জমান জার্মানিতে। বুন্দেসলিগার ক্লাব হামবুর্গ এসভিতে যোগ দেন তিনি। এই ক্লাবে ছিলেন ৪ বছর। তবে মাঝে এক বছর লোনে খেলতে যান ডাচ ক্লাব পিএসভিতে। ২০১৩ সালে চলে যান গ্রিসে। সেখানকার ক্লাব প্যানাথিনাইকসে নাম লেখান তিনি। চার মৌসুমেই এই ক্লাবের হয়ে খেলেন ৯৯ ম্যাচ। গোল করেন ৬৫টি। ২০১৭ সালে এসে মার্কাস বার্গ যোগ দেন দুবাইর ক্লাব আল আইনে। দুবাইতে এখনও রয়েছেন এই সুইডিশ স্ট্রাইকার।

২০০৮ সালে তুরস্কের বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে অভিষেক ঘটে তার। এরপর নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই এগুচ্ছে তার ক্যারিয়ার। এখনও পর্যন্ত ৫৫ ম্যাচ খেলে মার্কাস বার্গের গোল সংখ্যা ১৮টি।

Coach Image

ইয়ান এন্ডারসন

ইয়ান এন্ডারসন। ১৯৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সুইডেনের হাল্মস্টাড শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে তেমন পরিচিত না হলেও কোচিং ক্যারিয়ারে ইতোমধ্যেই বেশ নামঢাক কুড়িয়েছেন এই সুইডিশ কোচ। এলেটস আইকের হয়ে ১৯৮৮ সালে কোচিং অধ্যায়ের সূচনা হয় এন্ডারসনের।

এক মৌসুম পর যোগ দেন নিজ শহরের ক্লাব হালস্টাডের সহকারি কোচের দায়িত্বে। সেখান থেকে ১৯৯৩ সালে নাম লেখান লাহমস এফকে ক্লাবে। ২০০৯ সালে তিনি যোগ দেন সুইডিশ ক্লাব ওরগ্রেটে। যেখানে তার ব্যর্থতায় ক্লাবটি নেমে যায় সুইডিশ দ্বিতীয় বিভাগ লিগে।

ওরগ্রেটের কোচের পদ থেকে বহিষ্কার হলেও চাকরি পেয়ে যান এন্ডারসন। ২০১১ সালে যোগ দেন সুইডেনের আরেক ক্লাব নরকোপিংয়ে। সেই ক্লাবে যোগ দিয়ে ৩৬ বছর পর ক্লাবকে লিগ জেতান এন্ডারসন। তার এমন ঈর্শ্বনীয় সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে ২০১৬ সালেই তাকে সুইডেনের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয় সুইডিশ ফুটবল ফেডারেশন।

২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অসাধারণ নৈপূণ্য দেখিয়ে বাঘা বাঘা দলকে টপকে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় সুইডেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে প্লে-অফে সুযোগ করে নেয় সুইডেন। সেখানে চারবারের বিশ্বকাপ জয়ী দল ইতালির বিপক্ষে খেলতে হয় তাদের। তার অধীনেই দুই লেগ মিলিয়ে শক্তিশালী ইতালিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় সুইডেন।

সুইডেনের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : রবিন ওলসেন, কাল-জোহান জনসন, ক্রিস্টোফার নর্দফেল্ডট।

ডিফেন্ডার : মিকায়েল লাসটিগ, ভিক্টর নিলসন লিন্ডেলফ, আন্দ্রেস গ্রাঙ্কভিস্ট, মার্টিন ওলসেন, লুডউইগ অগাস্টিনসন, ফিলিপ হেলান্ডার, এমিল ক্রাফথ, পোন্টাস জ্যানসন।

মিডফিল্ডার : সেবাস্তিয়ান লারসন, আলবিন একদাল, এমিল ফরসবার্গ, গুস্তাভ এসভেনসন, অস্কার হিলজেমার্ক, ভিক্টর ক্লায়েসন, মার্কাস রোহডেন, জিমি ডার্মাজ।

স্ট্রাইকার : মার্কাস বার্গ, জন গুইদেত্তি, আইজ্যাক কিয়েসে থেলিন, ওলা তোইভোনেন।

সুইডেন

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১২ জুলাই, ১৯০৮, গোথেনবার্গ, সুইডেন
সুইডেন ১১ : ৩ নরওয়ে

সবচেয়ে বড় জয়
১২ মে, ১৯২৭, স্টকহোম, সুইডেন
সুইডেন ১২ : ০ লাটভিয়া

৫ আগস্ট, ১৯৪৮, লন্ডন
সুইডেন ১২ : ০ দক্ষিণ কোরিয়া

সবচেয়ে বড় হার
২০ অক্টোবর, ১৯০৮, লন্ডন
গ্রেট ব্রিটেন ১২ : ১ সুইডেন

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ১২ বার, সর্বোচ্চ ফল : রানার্স আপ ১বার (১৯৫৮)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ৬ বার, সর্বোচ্চ ফল : সেমিফাইনাল (১৯৯২)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : আন্দ্রেস এসভেনসন (১৪৮ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ (৬২টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো সুইডেন

সুইডেন ২-১ ফ্রান্স
সুইডেন ১-১ নেদারল্যান্ডস
সুইডেন ৩-০ বুলগেরিয়া
সুইডেন ৮-০ লুক্সেমবার্গ
সুইডেন ৪-০ বেলারুশ
ফ্রান্স ২-১ সুইডেন
নেদারল্যান্ডস ২-০ সুইডেন
বুলগেরিয়া ৩-২ সুইডেন
লুক্সেমবার্গ ০-১ সুইডেন
বেলারুশ ০-৪ সুইডেন
সুইডেন ১-০ ইতালি (প্লে-অফ)

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

ফ্রান্স

১০

+১২

২৩

সুইডেন

১০

+১৭

১৯

নেদারল্যান্ডস

১০

+৯

১৯

বুলগেরিয়া

১০

−৫

১৩

লুক্সেমবার্গ

১০

−১৮

বেলারুশ

১০

−১৫

 

সময়সূচি

১৮ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম

সুইডেন সুইডেন ১ - ০ দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২৩ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ এফ , ফিশ্ট স্টেডিয়াম

জার্মানি জার্মানি ২ - ১ সুইডেন সুইডেন

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ এফ , একাতেরিনবার্গ স্টেডিয়াম

মেক্সিকো মেক্সিকো ০ - ৩ সুইডেন সুইডেন

ম্যাচ রিপোর্ট
০৩ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

সুইডেন সুইডেন ১ - ০ সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
০৭ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , সামারা এরেনা

সুইডেন সুইডেন ০ - ২ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম দুই হোম ম্যাচের জন্য দুটি ভেন্যু বেছে নিয়েছিল ভারত।...

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে ফুটবলারদের প্রায় দুই সপ্তাহ ছুটি দিয়েছেন...

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

কথায় আছে- শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। মঙ্গলবার রাতে তাজিকিস্তানের দুশানবেতে...

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম টেস্ট ঘিরে গত পাঁচদিন ক্রীড়ামোদীদের চোখ ছিল চট্টগ্রামে।...