সুইজারল্যান্ড

Team Image

ফুটবল ইতিহাস পুষ্টকর, কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স হতাশাজনক। ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর দেশ, কিন্তু বিশ্বকাপ ফুটবলে রঙহীন সুইজারল্যান্ড। ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে তিনবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেও বিদায় নিতে হয়েছে। সুইসদের দুর্বলতা হলো বড় দলগুলোর বিপক্ষে পড়লেই অসহায় আত্মসমপর্ন করে তারা।

ব্যতিক্রম কিছুটা ছিল ২০১০ সালের বিশ্বকাপে। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে স্পেনকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল তারা। সেটা আরও বড় চমক হয়ে দাঁড়ায় সুইজারল্যান্ড প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরুতে ব্যর্থ হওয়ার পর। অথচ তাদের কাছে ধরাশায়ী হওয়া স্পেনই শেষপর্যন্ত বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে নেয়।

বিশ্বকাপের ইতিহাস তাদের খুব বেশি ভালো না হলেও একটি রেকর্ডের সঙ্গী হয়ে রয়েছে তারা। ২০০৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে তাদের বিদায় ঘটেছে কোনো গোল হজম না করেই। এটা বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটা রেকর্ড।

সুইজারল্যান্ডের সিনিয়র দল যখন সব সময় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছিল, তখন সুইসদের জুনিয়র দল অনেক বেশি সফল আন্তর্জাতিক ফুটবলে। ২০০২ উয়েফা ইউরোপিয়ান অনুর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেয় তারা। এছাড়া ২০০৯ সালে ফিফা অনুর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ফুটবল জিতে নেয় তারা।

আরেকটি বিশ্বকাপ যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে তখন সুইসদের নিয়ে ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন এবার কি তারা পারবে অপয়া কোয়ার্টার ফাইনাল অতিক্রম করতে? গ্রুপ ‘ই’তে সুইজারল্যান্ডের বাকি তিন প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল, কোস্টারিকা এবং সার্বিয়া।

কোচ ভ্লাদিমির পেটকোভিকের অধীনে দারুণ একটি দল রয়েছে সুইজারল্যান্ডের। আর্সেনাল তারকা গ্রানিত জাকা, বাসেলের ফ্যাবিয়ান ফেরি, বেনফিকার হ্যারিস সেফেরোভিক, শাল্কের ব্রিল এমবোলো, উদিনেসের ভ্যালন বেহরামি, জুভেন্তাসের স্টিফেন লিচেস্টেইনার, এসি মিলানের রিকার্ডো রদ্রিগেজরা রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের দলে।

ব্রাজিল ছাড়া সুইসদের জন্য গ্রুপ পর্ব মোটামুটি সহজই বলা চলে। তবুও তাদের নিয়ে আকাশচুম্বী স্বপ্ন দেখার জো নেই। কেননা যে তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা, তিনবারই ছিল তাদের সোনালি সময়। ১৯৩৪, ১৯৩৮ এবং ১৯৫৪- এ তিনবার বিশ্বমঞ্চে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল লা নাটিরা। এরপর যে ছয়টি বিশ্বকাপ খেলে, তার মধ্যে কেবল তিনটিতেই প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরুতে পেরেছিল সুইজারল্যান্ড।

তবে এবার তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ায় দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা খুব একটা কঠিন হবে না সুইসদের জন্য। প্রথম রাউন্ডের ধাধায় ঘুরপাক খেতে থাকা দলকে শেষ ষোলো কিংবা সম্ভব হলে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়েই রাশিয়া উড়াল দেবেন সুইজারল্যান্ড কোচ।

Player Image

গ্রানিত জাকা

গ্রানিত জাকা মূলতঃ সার্বিয়ান বংশোদ্ভূত। তার আরেক ভাই তওলান্ত জাকাও পেশাদার ফুটবলার এবং খেলেন এফসি বাসেল ও সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে। গ্রানিত জাকার বাবা রাগিপ ইউনিভার্সিটি অব প্রিস্টিনার যখন ছাত্র তখন, ১৯৮৬ সালে কসভোয় কম্যুনিস্ট যুগোস্লাভিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনে যোগ দেন। সেখান থেকে তিনি গ্রেফতার হন এবং সাড়ে তিন বছর কারাবরণ করেন। কারাবরণ থেকে মুক্তি পাওয়ার পরই ১৯৯০ সালে প্রিস্টিনা থেকে রাগিপ এবং তার স্ত্রী পাড়ি জমান সুইজারল্যান্ডে।

সুইজারল্যান্ডে আসার পরই সুইস শহর বাসেলে পৃথিবীর আলো দেখেন গ্রানিত। সুইজারল্যান্ডের কনকর্ডিয়া বাসেলের হয়ে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। এরপর ২০০২ সালে একসঙ্গেই গ্রানিত এবং তার ভাই তওলান্ত জাপা পাড়ি জমান এফসি বাসেলে।

  • পুরো নাম : গ্রানিত জাকা
  • জন্ম : ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২
  • বয়স : ২৫
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ১ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : মিডফিল্ডার
  • সুইজারল্যান্ডের হয়ে : ৬১ ম্যাচে ৯ গোল

যদিও বড় ভাইয়ের চেয়ে গ্রানিত জাকাই সবচেয়ে বেশি আলো কেড়ে নেন। ২০০৮ সাল পর্যন্ত এফসি বাসেলের নানা বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। ২০০৮ সালে এসে অন্তর্ভূক্ত হন অনুর্ধ্ব-২১ দলে। এরপর ২০১০ সাল পর্যন্ত এই দলের হয়ে মোট ৩৭টি ম্যাচ খেলেন তিনি। গোল করেন ১১টি।

২০১০ সাল থেকেই এফসি বাসেলের হয়ে সিনিয়র ক্যারিয়ার শুরু করেন গ্রানিত জাকা। বাসেলের সিনিয়র দলের হয়ে মাত্র ২ বছর খেললেন তিনি। মাঝমাঠে তিনি ছিলেন বাসেল কোচের নির্ভরতার প্রতীক। দুই মৌসুমে ৪২ ম্যাচ খেলার পরই তার ওপর নজর পড়ে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া মঞ্চেনগ্ল্যাডবাখের।

এফসি বাসেল থেকে প্রায় সাড়ে আট মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া মঞ্চেনগ্ল্যাডবাখে নাম লেখান গ্রানিত জাকা। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মঞ্চেনগ্ল্যাডবাখে কাটান জাকা। পেশাদার ক্যারিয়ারের বড় সময়টা তিনি কাটিয়েছেন জার্মানিতেই। ক্লাবের হয়ে মোট ১০৮ ম্যাচ খেলেন তিনি। গোল করেন ৬টি।

৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ২০১৬ সালে গ্রানিত জাকা নাম লেখান ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব আর্সেনালে। গানার শিবিরে নাম লেখানোর পরই এমএলএস অল-স্টারসের পরিবর্তিত হিসিবে খেলতে নামেন তিনি।

২০১৬-১৭ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচ থেকেই আর্সেনালের জার্সিতে মাঠে নামেন জাকা। মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামেন লিভারপুলের বিপক্ষে। যদিও ওই ম্যাচে ৪-৩ গোলে হারতে হয়েছিল গানারদের। আর্সেনালে সেই যে অভিযাত্রার শুরু, এরপর এখনও খেলে যাচ্ছেন গ্রানিত জাকা। দুই মৌসুমে এখনও পর্যন্ত ৬৬টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন এই সুইস ফুটবলার।

সুইজারল্যান্ডকে ইউরোপের পরাশক্তি হিসেবে ধরা যায় না। তবে বিশ্বকাপে আগের তিন আসরে নিয়মিত। এবার নিয়ে টানা চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছে দেশটি। ফুটবল রাজনীতির অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ হয় এই দেশের জুরিখে বসে। কারণ জুরিখে যে ফিফার সদর দপ্তর অবস্থিত! ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে সুইজারল্যান্ড বরাবরই শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীতা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। যাদের ওপর ভর করে নিজেদেরকে এই পর্যায়ে তুলে এনেছে সুইসরা, তাদের অন্যতম গ্রানিত জাকা।

সুইসদের বয়সভিত্তিক দলগুলোর নিয়মিত সদস্য ছিলেন গ্রানিত জাকা। ২০০৮ সাল থেকে অনুর্ধ্ব-১৭, ১৮, ১৯ এবং ২১- সবগুলো দলের হয়েই খেলেছেন তিনি। ২০১১ সালেই তার গায়ে ওঠে সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সি। তবে, সুইসদের হয়ে খেলার আগে গ্রানিত কিছুটা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন। তিনি কী নিজের পৈত্রিক দেশ আলবেনিয়ার হয়ে খেলবেন নাকি, জন্মস্থান সুইজারল্যান্ডের হয়ে খেলবেন!

তিনি চেয়েছিলেন আলবেনিয়ার হয়েই খেলতে। তবে, মিডিয়ার কাছে গ্রানিত জাকা অভিযোগ করেন, আলবেনিয়ান ফুটবল ফেডারেশন তাকে খুব একটা মূল্যায়ণ করেনি, যতটা করছে সুইজারল্যান্ড ফুটবল ফেডারেশন।

২০১২ সালের ইউরো বাছাই পর্বে লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের হয়ে অভিষেক ঘটে গ্রানিত জাকার। ওই ম্যাচটা শেষ হয়েছিল ২-২ গোলের ড্রয়ে। লুক্সেমবাগের বিপক্ষে করেন নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল।

এরপর নিয়মিতই খেলে যাচ্ছেন তিনি সুইজারল্যান্ডের হয়ে। ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব, ব্রাজিল বিশ্বকাপ, ২০১৬ ইউরো এবং ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই তিনি ছিলেন সুইস দলের নিয়মিত সদস্য। তবে, ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের আগে গুঞ্জন উঠেছিল, তিনি ফিরে যাবেন কসভোয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজে থেকেই থেকে গেলেন সুইজারল্যান্ডে এবং ঘোষণা দিলেন তিনি আর দেশ পরিবর্তন করবেন না।

Coach Image

ভ্লাদিমির পেতকোভিচ

ভ্লাদিমির পেতকোভিচ। ১৯৬৩ সালের ১৫ই আগস্ট তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া এবং বর্তমান বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভেনিয়ার রাজধানী সারায়েভ শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পেশাদার ফুটবলে ছিলেন একজন মিডফিল্ডার।

মাত্র এগার বছর বয়সেই পেতকোভিচ যোগ দেন শহরের লিদজা ক্লাবে। ১৫ বছর বয়সে বসনিয়ার অন্যতম শীর্ষ দল এফকে সারায়েভোতে যোগ দেন তিনি। এরপরে সুইস, স্লোভেনিয়া এবং বসনিয়ান লিগের বিভিন্ন ক্লাবে খেলে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। ১৯৮১ সালে পেশাদার ফুটবলে পা রাখেন পেতকোভিচ।

পারিবারিক সূত্রে ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড তিন দেশেরই পাসপোর্টের অধিকারী তিনি। ১৯৮৪-৮৮৫ সালে যুগোস্লাভিয়ার প্রথম বিভাগ লিগ জয় করেন সারায়েভোর হয়ে। ১৯৯৭ সালে সুইস ক্লাব বেলিনজোনার কোচের পাশাপাশি প্লেয়ার হিসেবে মাঠে খেলতে থাকেন তিনি।

যদিও মাত্র একবছর ছিল তার এমন দৈরত্ব। ১৯৯৯ সালে সুইস ক্লাব বখসের হয়ে পেশাদার ফুটবলকে ইতি টানেন তিনি। তার আগে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ২৭৫ ম্যাচে করে গেছেন ৫২ গোল। ১৯৯৯ সালেই যোগ দেন আরেক সুইস ক্লাব সালসান্তোনে আনো ক্লাবে। চার মৌসুম সেই ক্লাবে কাঁটিয়ে যোগ দেন লুগানোতে।
লুগানোর হয়ে ২০০৮ সালে সুইস ক্লাবের ফাইনালে কোচের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। যদিও এফসি বাসেলের কাছে হেরে যায় তার দল। ২০০৮-০৯ মৌসুমে লুগানোর হয়ে সাফল্যের দরুন কোচ হিসেবে যোগ দেন সুইস শীর্ষ ক্লাবগুলোর একটি ইয়াং বয়েস ক্লাবে। ২০১১ সালে ক্লাবকে লিগ জেতাতে না পারার কারণে বরখাস্ত হন পেতকোভিচ।

২০১১ সালে তুর্কিশ ক্লাব সামসুন্সপোরে যোগ দিয়ে মাত্র ছয় মাস কাটান সেই ক্লাবে। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে পদত্যাগ করে মৌসুমের বাকি মাসগুলো সিওনের কোচ হিসেবে কাটান তিনি। পেতকোভিচের বড় সাফল্য আসে ইতালিয়ান ক্লাভ লাতসিওর হয়ে। ২০১২ সালে তাকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় ইতালির অন্যতম সেরা ক্লাবটি। ২০১৩ সালে তার অধীনেই ইতালীয়ান কাপ জিতে লাতসিও।

২০১৩ সালে জিজফিল্ডের পরিবর্তে সুইজারল্যান্ডের প্রধান কোচের দায়িত্ব কাঁধে আসে পেতকোভিচের। কিন্তু লাতজিওর সাথে বনিবনা না হওয়ায় ঝুলে থাকে তার সুইজারল্যান্ডের কোচ হওয়া। অবশেষে ২০১৪ সালের ৪ জানুয়ারি ক্লাবটির কোচের পদ থেকে সরে গিয়ে সুইসদের দায়িত্ব নিয়ে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে সুইজারল্যান্ডের হয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। কোচ হিসেবে সুইসদের হয়ে ৩৮ ম্যাচ জয়ে পেয়েছেন ২৪টিতেই। যেখানে হার মাত্র ৮টিতে।

সুইজারল্যান্ডের ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : রোমান বুরকি, ইয়োভন এমভোগো, ইয়ান সোমের।

ডিফেন্ডার : স্টিফেন লিচস্টেইনার (অধিনায়ক), ফ্রাঙ্কোইজ মোবান্ডজি, নিসো এলভেদি, ম্যানয়েল আকানজি, মিকায়েল ল্যাঙ, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, ইয়োহান জুরু, ফ্যাবিয়ান স্কার।

মিডফিল্ডার : রেমো ফ্রুয়েলার, গ্রানিত জাকা, ভ্যালন বেহরামি, স্টিভেন জুবের, ব্লেরিম জেমাইলি, জেলসন ফার্নান্দেজ, ডেনিস জাকারিয়া, জাদরান শাকিরি।

স্ট্রাইকার : ব্রিল এমবোলো, হ্যারিস সেফেরোভিক, মারিও গাভ্রানোভিক, জোসিপ দ্রিমিক।

সুইজারল্যান্ড

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫, প্যারিস, ফ্রান্স
ফ্রান্স ১ : ০ সুইজারল্যান্ড

সবচেয়ে বড় জয়
২৫ মে, ১৯২৪, প্যারিস, ফ্রান্স
সুইজারল্যান্ড ৯ : ০ লিথুনিয়া

সবচেয়ে বড় হার
২০ মে, ১৯০৯, বাসেল, সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড ০ : ৯ ইংল্যান্ড

২৯ অক্টোবর, ১৯১১, বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি
হাঙ্গেরি ৯ : ০ সুইজারল্যান্ড

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : এবার নিয়ে ১০ বার, সর্বোচ্চ ফল : কোয়ার্টার ফাইনাল, ৩ বার (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৫৪)
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ : ৪ বার, সর্বোচ্চ ফল : দ্বিতীয় রাউন্ড (২০১৬)।
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : হেইঞ্জ হারম্যান (১১৮ ম্যাচ)।
সর্বোচ্চ গোলদাতা : আলেকজান্ডার ফ্রেই (৪২)।

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো সুইজারল্যান্ড

সুইজারল্যান্ড ২-০ পর্তুগাল
সুইজারল্যান্ড ৫-২ হাঙ্গেরী
সুইজারল্যান্ড ২-০ ফারো আইল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড ১-০ লাটভিয়া
সুইজারল্যান্ড ৩-০ অ্যান্ডোরা
পর্তুগাল ২-০ সুইজারল্যান্ড
হাঙ্গেরী ২-৩ সুইজারল্যান্ড
ফারো আইল্যান্ড ০-২ সুইজারল্যান্ড
লাটভিয়া ০-৩ সুইজারল্যান্ড
অ্যান্ডোরা ১-২ সুইজারল্যান্ড
সুইজারল্যান্ড ০-১ উত্তর আয়ারল্যান্ড (প্লে-অফ)

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোলপার্থক্য

পয়েন্ট

পর্তুগাল

১০

+২৮

২৭

সুইজারল্যান্ড

১০

+১৬

২৭

হাঙ্গেরী

১০

১৩

ফারো আইল্যান্ড

১০

−১২

লাটভিয়া

১০

−১১

অ্যান্ডোরা

১০

−২১

 

সময়সূচি

১৭ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , রোস্তভ এরেনা

ব্রাজিল ব্রাজিল ১ - ১ সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
২২ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , কালিনিনগ্রাদ স্টেডিয়াম

সার্বিয়া সার্বিয়া ১ - ২ সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
২৭ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ ই , নিঝনি নভগোরদ স্টেডিয়াম

সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড ২ - ২ কোস্টারিকা কোস্টারিকা

ম্যাচ রিপোর্ট
০৩ জুলাই, ২০১৮, ০৮:০০ পিএম

গ্রুপ , সেন্ট পিটার্সবার্গ স্টেডিয়াম

সুইডেন সুইডেন ১ - ০ সুইজারল্যান্ড সুইজারল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বাংলাদেশকে চাপে রাখতে ভারতের নতুন কৌশল

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম দুই হোম ম্যাচের জন্য দুটি ভেন্যু বেছে নিয়েছিল ভারত।...

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

ফুটবলারদের কাতার-পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু ২৫ সেপ্টেম্বর

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে ফুটবলারদের প্রায় দুই সপ্তাহ ছুটি দিয়েছেন...

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে একমাত্র জয়টি ৪০ বছর আগে

কথায় আছে- শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। মঙ্গলবার রাতে তাজিকিস্তানের দুশানবেতে...

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের পর দুশানবে, কাল আবারও আফগানদের সামনে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের প্রথম টেস্ট ঘিরে গত পাঁচদিন ক্রীড়ামোদীদের চোখ ছিল চট্টগ্রামে।...