তিউনিসিয়া

Team Image

আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে তিউনিশিয়ার যে গৌরব রয়েছে, সেটা আর কারও নেই। বিশ্বকাপে তারা খেলা শুরু করেছে ১৯৭৮ সাল থেকে। তার আগে বিশ্বকাপে আরও আফ্রিকান দেশ খেলছে; কিন্তু প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের গৌরব অর্জন করে তিউনিসিয়াই। আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে মেক্সিকোকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দারুণ এক চমক তৈরি করলো। পরের ম্যাচ পশ্চিম জার্মানির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করলো তারা। তবে পোল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ার কারণে আর দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা হয়নি তিউনিসিয়ার।

১৯৭৮ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করার পর তিউনিসিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সুযোগ পায় ১৯৯৮ সালে এসে। এরপর টানা তিনটি বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করেছিল তারা। এবারের আগে মোট চারবার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও প্রতিবারই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের।

ফুটবলের ইতিহাস বলতে যা বোঝায়, সেটা মূলতঃ ফিফা গঠনের পর থেকেই শুরু। এরপর বিশ্বকাপের সূচনা ১৯৩০ সাল থেকে। তিউনিসিয়ার অস্তিত্ব ছিল না তখন। তারা ছিল ফ্রান্সের অধীন। পরাধীন থাকাকালীনই অবশ্য তিউনিসিয়া ফুটবল দল গঠন করা হয় ১৯২৮ সালে। ফ্রান্স জাতীয় ‘বি’ দলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলে তিউনিসিয়া। যদিও ওই ম্যাচে তারা হেরে যায় ৮-২ গোলে।

১৯৫৬ সালে ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে তিউনিসিয়া। ১৯৫৭ সালেই তিউনিসিয়া ফুটবল ফেডারেশন গঠন করা হয়। ১৯৬০ সালে ফিফার সদস্য নির্বাচিত হয় তারা। তবে তার আগেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে তারা নিজেদের ইতিহাসে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে। যদিও ওই ম্যাচে হারা হেরে গিয়েছিল। ১৯৬০ অলিম্পিক গেমসে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তিউনিসিয়া। ওটাই ছিল তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। ১৯৬০ সালের জুলাইতে হাঙ্গেরির কাছে ১০-১ গোলে হেরেছিল তিউনিসিয়া। যা তাদের নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয়। তবে তার কয়েক মাস পরই তাইওয়ানকে তারা হারিয়েছে ৮-১ গোলের বড় ব্যবধানে।

১৯৬২ থেকে ১৯৭৮ সাল ছিল তিউনিসিয়ার সোনালি প্রজন্ম। ১৯৬২ সালেই প্রথম আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এবং তৃতীয় হয়ে শেষ করে তারা। ১৯৬৫ সালের আফ্রিকান কাপ অব নেশন্স আয়োজন করে তারা। সেবার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল তারা। কিন্তু ফাইনালে হেরে যায় ঘানার কাছে। এরপর ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত আর আফ্রিকান সেরা টুর্নামেন্টটিতে অংশ নেয়নি।

১৯৭৭ সালে কোচ আবদেল মজিদ চেতালির অধীনে আবারও আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে খেলার সুযোগ পায় এবং একই সঙ্গে তারা প্রথমবারের মত বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করে ফেলে। ১৯৭৮ বিশ্বকাপে চমক দেখানোর পর আবারও হারিয়ে যায় তারা। তবে ১৯৯৪ সালে পোল্যান্ডের কোচ হেনরিক ক্যাস্পারজাককে নিয়োগ দেয়ার পরই তিউনিসিয়া ঘুরে দাঁড়ায়।

যে কারণে, ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০০৬- টানা তিনটি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তারা। যদিও হেনরিক ছিলেন ২০০২ পর্যন্ত। এরপর ২০০৮ পর্যন্ত কোচ ছিলেন ফরাসি কোচ রজার লেমেরে। তার অধীনে ২০০৬ বিশ্বকাপই সর্বশেষ খেলেছিল আফ্রিকান দেশটি। সর্বশেষ ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপ বিরতি দিয়ে এবার আবারও ফিরে এলো তারা বৈশ্বিক মঞ্চে।

জি গ্রুপে তিউনিসিয়া লড়াই করবে বেলজিয়াম, পানামা এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

Player Image

ওয়াহাব খাজরি

আফ্রিকার এই ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি তিউনিসিয়ার সোনালী সময়টা কেটেছে ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। এই সময়টাতে বিশ্বকাপেও খেলেছে তারা; কিন্তু ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপে ছিল অনুপস্থিত। এবার আবারও রাশিয়া বিশ্বকাপে নাম লিখেছে তিউনিসিয়া। ১৯৯৮ সালের আগে মাত্র একবার, ১৯৭৮ সালে খেলেছিল বিশ্বকাপে। সর্বশেষ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ খেলার পর আরও একযুগ অনুপস্থিত তারা। এবার আবারও বিশ্ব আসরে আফ্রিকান প্রতিনিদিদের একটি হয়ে লড়াই করছে তিউনিসরা। যাদের অন্যতম তারকা ওয়াহবি খাজরি।

  • পুরো নাম : ওয়াহবি খাজরি
  • জন্ম : ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১
  • বয়স : ২৭
  • উচ্চতা : ৬ ফিট, ০ ইঞ্চি
  • খেলার পজিশন : অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার
  • তিউনিসিয়ার হয়ে : ৩৬ ম্যাচে ১২ গোল

নিঃসন্দেহে তিউনিসিয়ার বড় তারকা ছিলেন ইউসেফ সাকনি, কিন্তু দুর্ভাগ্য তিউনিসদের। ইনজুরির কারণে ৬ মাস মাঠের বাইরে তিনি। ফলে ইউসেফ সাকনি না থাকার কারণে, তিউনিসিয়ার এখন সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সান্ডারল্যান্ড এবং ফরাসি লিগ ওয়ানে রেনেসের হয়ে খেলা খাজরি।

ছোটবেলা থেকেই ফ্রান্সে বড় হচ্ছিলেন। মার্সেইয়ের অদুরে আজাচ্চিও নামক দ্বীপে জিউনিস স্পোর্র্টিভ আজাচ্চিওর হয়ে খেলা শুরু করেন। তবে খুব বেশি সময় আজাচ্চিওয় ছিলেন না। চলে যান বাস্তিয়ায়। ফরাসি লিগ ওয়ানে খেলা এই ক্লাবের হয়েই মূলতঃ ক্যারিয়ারের পরিস্ফুটন ঘটান তিনি।

২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি খেলেন বাস্তিয়ার ইয়থ টিমের হয়ে। ২০০৯ সালে এই ক্লাবেই শুরু করেন সিনিয়র ক্যারিয়ার। খেলেন ২০১৪ সাল পর্যন্ত। অথ্যাৎ, জীবনের প্রায় ১১টি বছর তিনি কাটিয়ে দেন বাস্তিয়ায়। সিনিয়র দলের হয়ে খেলেন ১৭১টি ম্যাচ। গোল করেন ৩১টি।

এরপরই যোগ দেন বোর্দক্সে। ছিলেন ২ বছর। খেলেন ৫২টি ম্যাচ। গোল করেছেন ১৪টি। ২০১৬ সালে খাজরি যোগ দেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব সান্ডারল্যান্ডে। এক বছওে ৩৮টি ম্যাচ খেলেন এই ক্লাবের হয়ে। ২০১৭ সালেই আবার ফ্রান্সে চলে আসেন লোনে। নাম লেখান রেনেসে। এখনও খেলে যাচ্ছেন এই ক্লাবের হয়ে। রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড কিংবা পানামার দারুণ পরীক্ষা নেবেন তিনি, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

২০০৯ সাল থেকেই তিউনিসিয়ার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের হয়ে খেলছিলেন তিনি। থেলেছেন ফ্রান্সের হয়েও। খাজরি যদি তিউনিসিয়ার না হয়ে ফ্রান্সের হয়ে খেলতেন, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু থাকতো না। কারণ, ২০১২ সালে ফ্রান্স অনুর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ইতালির বিপক্ষে একটি ম্যাচও খেলেন তিনি। তবে, নিজের দেশের টান উপেক্ষা করতে পারেননি। এ কারণে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সিদ্ধান্তটা নেন নিজের দেশের হয়ে খেলার।

২০১২ সালেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক ঘটে তিউনিসিয়ার হয়ে। ফ্রান্স-তিউনিসিয়া যখন খাজরিকে নিয়ে টানাটানি করছিল তখন কোচ স্যামি ট্রাবেলসি তাকে ডেকে নেন তিউনিসিয়া জাতীয় দলে। সেই ডাক উপেক্ষা করতে পারেননি খাজরিও।

শেষ পর্যন্ত তিনি হয়ে গেলেন তিউনিসিয়ান ফুটবলার। যার হাত ধরে ২০১৮ বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে সক্ষম হয়েছে তিউনিসিয়া। জাতীয় দলের হয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৬টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন ওয়াহবি খাজরি। করেছেন ১২টি গোল। ২০১৮ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বেও একটি গুরুত্বপূর্ণ গোল রয়েছে তার।

Coach Image

নাবিল মা’লউল

নাবিল মা’লউল। ১৯৬২ সালের ২৫ জুলাই তিউনিসিয়ার রাজধানী তিউনিসে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাদার ফুটবল একজন মিডফিল্ডার হিসেবেই ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছেন সাবেক এই ফুটবলার। মাত্র ৬-৭ বছর বয়সেই ফুটবলের প্রতি অসম্ভব ঝোঁকের কারণে এস তিউনিস ক্লাবের ইয়ুথ দলে সুযোগ পেয়ে যান তিনি। ১৯৮১ সালে ১৮ বছর বয়সেই এই ক্লাবের হয়েই পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় তার।

১৯৮৯-৯১ সালে জার্মান ক্লাব হ্যানওভারের হয়েও খেলেছেন তিনি। ক্লাব আফ্রিকান ক্লাবের হয়ে ১৯৯৬ সালে ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানেন তিউনিসিয়ার অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। জাতীয় দলের হয়েও দশ বছর খেলেছেন সাবেক এই মিডফিল্ডার। ১৯৮৮ সালের সিওল অলিম্পিকেও তিউনিসিয়ার জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। ৭৪ ম্যাচে তিউনিসদের হয়ে তার গোলসংখ্যা ১১টি।

ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার এক বছর পরেই অলিম্পিক দু কেফ ক্লাবের কোচের দায়িত্ব নেন নাবিল। ২০০২ সালে আচমকাই তাকে তিউনিসিয়া জাতীয় ফুটবল দলের সহকারি কোচ করা হয়। ২০০৪ সালের আফ্রিকান নেশন্স কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় তিউনিসিয়া তখনও তিউনিসদের সহকারী কোচের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে ক্লাব আফ্রিকাইনের প্রধান কোচের জন্য পদে তাকে নিয়োগ দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যদিও মাত্র এক মৌসুম ক্লাবে স্থায়ী ছিলেন তিনি। বাইজারতিন ক্লাবের হয়েও এক মৌসুম কোচের দায়িত্ব পালন করে বরখাস্ত হতে হয় বাজে পারফরম্যান্সের কারণে।

২০১০-১৩ সাল পর্যন্ত শৈশবের ক্লাব ইএস তিউনিস ক্লাবের কোচ ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে ক্লাবের ঐতিহাসিক ট্রেবল জয় করে তার ক্লাব ইএস তিউনিস। লীগ, কাপ এবং আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। ২০১৩ সালের ১৪ই জানুয়ারি তাকে প্রথম দফায় তিউনিসিয়ার কোচ করা হয়।

প্রথম ম্যাচে সিয়েরা লিওনের সাথে জিতলেও পরের ম্যাচে কেপ ভার্দের কাছে ২-০ গোলে হেরে ২০১৪ বিশ্বকাপে তিউনিসিয়ার অংশগ্রহণের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি। কিন্তু চাকরিও পেয়ে যান দ্রুত। ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর কুয়েত জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে কুয়েত ফুটবল এসোসিয়েশন। কিন্তু ২০১৫ সালে কুয়েতকে নিষিদ্ধ করে ফিফা।

ফিফার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কুয়েতের কোচ ছিলেন তিনি। পরবর্তিতে ২০১৭ সালের এপ্রিলে আবারো তিউনিসিয়ার কোচ হিসেবে যোগ দেন তিনি। এবার আর ব্যর্থ হন নি তিনি। ২০০৬ সালের পর আবারো তিউনিসিয়াকে বিশ্বকাপের মত বড় মঞ্চে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার মূল কাজটাই করেন নাবিল।

তিউনিশিয়ার ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল

গোলরক্ষক : আয়মান মাথলৌথি (অধিনায়ক), ফারুক বিন মুস্তাফা, মোয়েজ হোসেন।

ডিফেন্ডার : সিয়াম বিন ইউসুফ, ইয়োহান বিনালুয়ানে, ইয়াসিন মেরিয়াহ, ওসামা হাদ্দাদি, র্যামি বেদুই, দাইলান ব্রুন, আলি মালোল, হামদি নাগুয়েজ।

মিডফিল্ডার : আনিস বদ্রি, ফারজানি সাসি, মোহাম্মদ আমিন বিন ওমর, ইলিয়াস এসখিরি।

ফরোয়ার্ড : সেইফে-দিন খুই, ফখরুদ্দিন বিন ইউসুফ, ওয়াহবি খাজরি, আহমেদ খলিল, বাসেম সারফি, সাবির খলিফা, ঘাইলেন চালালি, নাইম স্লিতি।

তিউনিসিয়া

প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ
২৫ জুন, ১৯৫৭, তিউনিসিয়া
তিউনিসিয়া ১ : ২ আলজেরিয়া

সবচেয়ে বড় জয়
১৮ আগস্ট, ১৯৬০, রোম, ইতালি
তিউনিসিয়া ৮-১ চাইনিজ তাইপে
১২ জুন, ২০১৫, র‌্যাডেস, তিউনিসিয়া
তিউনিসিয়া ৮-১ জিবুতি

সবচেয়ে বড় হার
২৪ জুলাই, ১৯৬০, বুদাপেস্ট
হাঙ্গেরি ১০-১ তিউনিসিয়া

বিশ্বকাপে অংশগ্রণ : এবার নিয়ে ৫ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (১৯৭৮, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬)
আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সে অংশগ্রণ : ১৮ বার, চ্যাম্পিয়ন : ১ বার (২০০৪)
কনফেডারেশন্স কাপে অংশগ্রহণ : ১ বার, সর্বোচ্চ ফল : গ্রুপ পর্ব (২০০৫)
সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা খেলোয়াড় : সাদোক সাসি (১১৬ ম্যাচ)
সর্বোচ্চ গোলদাতা : ইসাম জেমা (৩৬টি)

যেভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করলো তিউনিশিয়া

তিউনিশিয়া ২-১ ডি আর কংগো
তিউনিশিয়া ০-০ লিবিয়া
তিউনিশিয়া ২-০ গায়না
ডি আর কংগো ২-২ তিউনিশিয়া
লিবিয়া ০-১ তিউনিশিয়া
গায়না ১-৪ তিউনিশিয়া

বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের পয়েণ্ট টেবিল

অবস্থান

দল

ম্যাচ

জয়

ড্র

পরাজয়

গোল পার্থক্য

পয়েন্ট

তিউনিসিয়া

+

১৪

ডি আর কংগো

+৭

১৩

লিবিয়া

-৬

গায়না

-৮

 

সময়সূচি

১৮ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ জি , ভলগোগ্রাদ এরেনা

তিউনিসিয়া তিউনিসিয়া ১ - ২ ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড

ম্যাচ রিপোর্ট
২৩ জুন, ২০১৮, ০৬:০০ পিএম

গ্রুপ জি , স্পার্টাক স্টেডিয়াম

বেলজিয়াম বেলজিয়াম ৫ - ২ তিউনিসিয়া তিউনিসিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট
২৮ জুন, ২০১৮, ১২:০০ এএম

গ্রুপ জি , মোর্দোভিয়া স্টেডিয়াম

পানামা পানামা ১ - ২ তিউনিসিয়া তিউনিসিয়া

ম্যাচ রিপোর্ট

আরও

বাংলাদেশকে ‘বিন্দু পরিমাণ’ ছাড় দিতেও নারাজ ভারত

বাংলাদেশকে ‘বিন্দু পরিমাণ’ ছাড় দিতেও নারাজ ভারত

‘বিনা যুদ্ধে নাহি দেবো সুচাগ্র মেদিনি’- লড়াই ছাড়া সুচের মাথার সমান বিন্দু...

পাঁচ বছর পর ফুটবলে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

পাঁচ বছর পর ফুটবলে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত

শিরোনামটি দেখে অবাক হলেন? বাংলাদেশ আর ভারত তো মাঝেমধ্যেই ফুটবলে মুখোমুখি হয়।...

ফুটবল উত্তেজনায় কাঁপছে কলকাতা

ফুটবল উত্তেজনায় কাঁপছে কলকাতা

বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপ ফুটবল বাছাইয়ের ম্যাচটি নিয়ে দর্শক-সমর্থকদের উত্তেজনা প্রথম টের পাওয়া গেলো...

ভারতের মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ!

ভারতের মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ!

কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারত বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচ। প্রতিবেশী দুই দেশের খেলা, সেটা ক্রিকেট...