বাংলাদেশে মেডিকেলে ভর্তিতে ১২৬ বিদেশি শিক্ষার্থী নির্বাচিত

মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল
মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:৫০ পিএম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৮
বাংলাদেশে মেডিকেলে ভর্তিতে ১২৬ বিদেশি শিক্ষার্থী নির্বাচিত
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সরকারি মেডিকেলে পড়ার জন্য এবার সার্ক ও নন-সার্ক কোটায় মোট ১২৬ জন বিদেশি শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৮৫ জন সার্ক কোটায় এবং ৪১ জন নন-সার্ক কোটায় ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। চলতি বছর এমবিবিএস কোর্সের প্রথমবর্ষে তারা ভর্তি হতে পারবেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের (চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখা) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর ভর্তির জন্য আট শতাধিক আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্ক কোটায় সবচেয়ে বেশি ভারতের শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। ভারতের ২২ জন বাংলাদেশে ভর্তি হতে পারবেন। আর নন-সার্ক কোটায় সর্বোচ্চ সুযোগ পেয়েছেন ফিলিস্তিনের শিক্ষার্থীরা। দেশটির মোট ১৪ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সার্ক কোটায় নির্বাচিত বিভিন্ন দেশের ৮৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ভারতের ২২ জন, পাকিস্তানের ২১, নেপালের ১৯, ভুটানের ১০ ও শ্রীলঙ্কার ১৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। অপরদিকে নন-সার্ক কোটায় ৪১ জনের মধ্যে ফিলিস্তিনের ১৪ জন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাতজন, যুক্তরাজ্যের তিনজন, কানাডার পাঁচজন, আয়ারল্যান্ডের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সার্ক কোটায় ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেলের মধ্যে নয়জন ঢাকা মেডিকেল কলেজে, সাতজন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে, শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে নয়জন, ময়মনসিংহে চারজন, চট্টগ্রাম মেডিকেলে ১০ জন, রাজশাহী মেডিকেলে চারজন, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেলে সাতজন, রংপুর মেডিকেলে ১০ জন, এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজে ১১ জন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে নয়জন ও খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঁচজন নির্বাচিত হয়েছেন।

নন-সার্ক কোটায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে নয়জন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেলে দুজন, শহীদ সোহরাওয়ার্দীতে তিনজন, ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছয়জন, চট্টগ্রাম মেডিকেলে চারজন, সিলেট এম এ জি ওসমানীতে চারজন, বরিশাল শেরে-ই বাংলায় পাঁচজন, কুমিল্লা মেডিকেলে চারজন ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে চারজন নির্বাচিত হন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজভেদে ২৯ জানুয়ারি এবং ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভর্তি হতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার একজন কর্মকর্তা জানান, চলতি বছর সার্ক ও নন-সার্ক মিলিয়ে আট শতাধিক শিক্ষার্থী আবেদন করেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি যাছাই-বাছাই শেষে ১২৬ জনকে চূড়ান্তভাবে ভর্তির জন্য নির্বাচিত করে।

এমইউ/জেডএ/বিএ

সার্ক কোটায় সর্বোচ্চ সুযোগ পেল ভারতের শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে নন-সার্ক কোটায় ফিলিস্তিনের শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ সুযোগ পেয়েছেন।