স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রজ্ঞাপনে চটেছেন স্বাচিপ সভাপতি

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০১:১৪ পিএম, ২২ আগস্ট ২০১৯

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চটেছেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার এম ইকবাল আর্সলান।

বুধবার (২১ আগস্ট) পরিচালক (শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডাক্তার এ কে এম আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে যেসব চিকিৎসক কর্মরত আছেন তারা কোনো কোর্সে অধ্যায়নের জন্য শিক্ষা ছুটি অথবা অসাধারণ ছুটি আবেদনের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা এবং সিভিল সার্জনের কাছ থেকে এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করতে হবে যে, ওই প্রতিষ্ঠানে পাঁচজনের বেশি চিকিৎসক কর্মরত আছেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হবে না। এতে মহাপরিচালকের সম্মতি আছে।

এ ধরনের অফিস আদেশ যাদের পড়ে বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অধ্যাপক ইকবাল আর্সলান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে স্ট্যাটাস দেন। তার দেয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো-

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের, ২১ আগস্ট পরিচালক (শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) স্বাক্ষরিত জারি করা প্রজ্ঞাপণ আমার গোচরীভূত হয়েছে। দুঃখ হয় এই নির্বোধগুলোর সঙ্গে কাজ করি, এদের জন্যই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি। প্রশ্ন হতে পারে, অনিয়ন্ত্রিত(এটা বাস্তবতা) উচ্চ শিক্ষা দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী বিন্যস্ত করা প্রয়োজন, বাস্তবিক অর্থেই প্রয়োজন। কিন্তু যে সার্কুলার দেয়া হেয়েছে সেটা যার মাথা থেকে এসেছে তার অবসরে যাওয়া উচিত, তিনি ঐ পদের যোগ্যতা হারিয়েছেন। কারণ মাথাব্যথার সমাধান তিনি মাথা কেটে করতে চেয়েছেন। আরও অনেক কথা লেখা যেতো এবং লেখা উচিত। কতৃপক্ষের উচিত এই ভাবে হুটহাট হঠকারী সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করা। তবে আমাদের চরিত্রের বৈশিষ্ট হলো, চেয়ারে বসলে আমরা সর্বজ্ঞানী হয়ে যাই।

এমইউ/এমএসএইচ/জেআইএম