স্বাচিপ সভাপ‌তির স্ট্যাটা‌সে সেই বিত‌র্কিত আদেশ বা‌তিল!‌

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:৪৯ পিএম, ২২ আগস্ট ২০১৯

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জারিকৃত সেই আদেশটি ২৪ ঘণ্টা না পেরু‌তেই বা‌তিল করা হ‌লো। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বা‌চিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান আজ (বৃহস্প‌তিবার) সকা‌লে বিত‌র্কিত আদেশ‌টির সমা‌লোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ ক‌রে সামা‌জিক যোগা‌যোগমাধ্যম ফেসবু‌কে স্ট্যাটাস দি‌লে তা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য মহাপ‌রিচাল‌কের নজ‌রে আসে। তা‌দের নি‌র্দেশনায় তাৎক্ষ‌ণিকভা‌বে আদেশ‌টি বা‌তিল হয়। আদেশ‌টি বা‌তিল হওয়ায় রা‌তে ফেসবু‌কে দেয়া এক স্ট্যাটা‌সে ইকবাল আর্সলান লেখেন, ধন্যবাদ, শুভবু‌দ্ধি‌র উদ‌য়ের জন্য।

ikbal

উ‌ল্লেখ্য, গতকাল (২১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে যে সকল চিকিৎসক কর্মরত আছেন তারা কোনো কোর্সে অধ্যায়নের জন্য, শিক্ষাছুটি অথবা অসাধারণ ছুটি আবেদনের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তা এবং সিভিল সার্জনের কাছ থেকে এই মর্মে প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করতে হবে যে ওই প্রতিষ্ঠানে পাঁচের অধিক চিকিৎসক কর্মরত আছেন এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। এতে মহাপরিচালকের সম্মতি আছে।

এ ধরনের অফিস আদেশের পর আজ সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অধ্যাপক ইকবাল আর্সলান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে স্ট্যাটাস দেন। তার দেয়া স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো।

ikbal

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) স্বাক্ষরিত জারি করা প্রজ্ঞাপন আমার গোচরিভূত হয়েছে। দুঃখ হয় এই নির্বোধগুলোর সঙ্গে কাজ করি, এদের জন্যই নিজেকে উজার করে দিয়েছি। প্রশ্ন হতে পারে অনিয়ন্ত্রিত (এটা বাস্তবতা) উচ্চশিক্ষা দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী বিন্যাস্ত করা প্রয়োজন, বাস্তবিক অর্থেই প্রয়োজন। কিন্তু যে সার্কুলার দেয়া হয়েছে সেটা যার মাথা থেকে এসেছে তার অবসরে যাওয়া উচিত, তিনি ওই পদের যোগ্যতা হারিয়েছেন, কারণ মাথাব্যথার সমাধান তিনি মাথা কেটে করতে চেয়েছেন। আরও অনেক কথা লেখা যেত এবং লেখা উচিত। কর্তৃপক্ষের উচিত এইভাবে হুটহাট হটকারী সিদ্ধান্ত না নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক সিদ্ধান্তে আসার চেষ্টা করা। তবে আমাদের চরিত্রের বৈশিষ্ট হলো, চেয়ারে বসলে আমরা সর্বজ্ঞানী হয়ে যাই।

এমইউ/বিএ