বারডেমে দু’দিনব্যাপী কর্মশালা সম্পন্ন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৪৭ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০১৯

বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেসথেসিওলজিস্ট ও বারডেম জেনারেল হাসপাতালের এনেসথেসিওলজিস্ট বিভাগের উদ্যোগে জটিল ব্যথার রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির ওপর দু’দিনব্যাপী কর্মশালা শেষ হয়েছে। আজ শনিবার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলার অডিটোরিয়ামে এটি সম্পন্ন হয়।

সকাল সোয়া ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রশীদ-ই-মাহবুব, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি, অধ্যাপক জাকির আহমেদ লতিফ, ডাইরেক্টর জেনারেল, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, অধ্যাপক নাজমুন নাহার এক্স-ডাইরেক্টর জেনারেল।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক এম খলিলুর রহমান, অধ্যাপক এবিএম মাকসুদুল আলম, অধ্যাপক দেবব্রত বনিক, অধ্যাপক নূরনবী চৌধুরী প্রমুখ।

দুই দিনের এই কর্মশালার সমন্বয়কের ভূমিকায় ছিলেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের ব্যথা বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেসথেসিওলজিস্টের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কাওছার সরদার।

প্রশিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর স্ট্যাডি অব পেইনের সভাপতি ডা. গৌতম দাস, মহাসচিব ডা. পঙ্কজ সুরঙ্গে, অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সাইন্সের ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডা. ভিকে মোহান, ইন্ডিয়ার ডা. শান্তনু মল্লিক, কলকাতার ডা. দেব জ্যোতি দত্ত ও জম্মুর ডা. রোাহিত লাহরী।

এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় একশত পঞ্চাশ জন বাংলাদেশি চিকিৎসককে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। বারডেম হাসপাতালের ব্যথা বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেসথেসিওলজিস্ট এর মহাসচিব এবং এই কর্মশালায় প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. কাওছার সরদার জানান, প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে যেসব ব্যথার রোগীর ব্যথা প্রশমন হয় না তাদের নির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধান করে মিনিমাম ইনভেসিভ পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যথ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

কোমর ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, মাথা ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, কাঁধ ব্যথা, ক্যান্সার জনিত ব্যথার রোগীদের এই বিশেষ ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। উন্নত বিশ্বে এই পদ্ধতি মেরুণ্ডের জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশনের বিকল্প হিসাবেও প্রয়োগ করা হয়। বাংলাদেশে এই সকল রোগী সঠিক চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষিত চিকিৎসক তৈরি করার জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

এইউ/এমআরএম/এমএস