রোববার থেকে শুরু ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৫ পিএম, ০১ অক্টোবর ২০২০

আগামী ৪ অক্টোবর (রোববার) থেকে শুরু হচ্ছে পক্ষকালব্যাপী জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন। ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত।

এই কর্মসূচির আওতায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশু ভিটামিন-এ ক্যাপসুল পাবে।

এই সময়ে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ‘জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী ২৭ লাখ শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী এক কোটি ৯৩ লাখ শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুখে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশবাসীর কাছে আমার আবেদন ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর থেকে একটি শিশুও যেন বাদ না পড়ে। সকল শিশুকে যেন ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। কেউ বাদ পড়লেও তাদেরকে পরবর্তী সময়ে টিকা খাওয়ানো হবে।’

ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়। এছাড়া সকল ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ, হামজনিত মৃত্যুহার ৫০ শতাংশ এবং ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুহার ৩০ শতাংশ কমায় বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শিশুকে ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। কাঁচি দিয়ে ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ খাওয়ানো হবে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে তাকেও এই ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘কোভিড-১৯ পেক্ষাপটে অভিভাবকরা অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন।’

এক লাখ ২০ হাজার টিকা কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যাম্পেইনে নিয়োজিত থাকবেন ২ লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী এবং ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গতবছর ক্যাপসুলে সমস্যা দেখা দেয়ায় সেই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়। এবার পরীক্ষা করা হয়েছে, ক্যাপসুলে কোনো।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরএমএম/এফআর/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]