দেশের জনসংখ্যার আড়াই শতাংশ কিডনি রোগী, নেই প্রাথমিক প্রতিরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:০৮ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০২১

৯০-এর দশকে দেশের মোট জনসংখ্যার এক শতাংশ যেখানে কিডনি জটিলতায় ভুগেছে, বর্তমানে সেখানে তা বেড়ে হয়েছে আড়াই শতাংশ। কিডনি অকেজো হওয়ার পর ডায়ালাইসিস করে বেঁচে থাকতে ১২ থেকে ২২ শতাংশ কিডনি রোগীকে নিজের সম্পদ বিক্রি করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নেফ্রলজিস্ট সম্মেলনে বিশিষ্ট কিডনি বিশেষজ্ঞরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের বীর উত্তম মেজর হায়দার অডিটরিয়ামে যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন এবং আইএসএন।

সম্মেলনে কিডনি হাসপাতাল ও কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিফ অব কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. হারুন উর রশীদ বলেন, ডায়ালাইসিসের ফলে রোগীর পরিবার দ্রুত দরিদ্র হয়ে যাচ্ছে। কিডনি রোগীর মোট এক শতাংশেরও কম কিডনি প্রতিস্থাপন করতে পারে। তবে কিডনি রোগটি প্রাথমিক অবস্থায় নিরূপন করতে পারলে চিকিৎসায় সুস্থ হওয়া যায়। প্রয়োজনের তুলনায় কিডনি রোগের চিকিৎসক বা নেফ্রলজিস্ট অনেক কম বলেও জানান তিনি।

শিশু নেফ্রলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হানিফ বলেন, বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নেফ্রলজিস্ট নেই। যারা আছেন তাদের বেশিরভাগ রাজধানীতে। ফলে ঢাকার বাইরের কিডনি রোগীরা প্রাথমিক চিকিৎসা পান না। কিডনি রোগ ঠেকাতে প্রাথমিক লেভেল থেকেই প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হয় বাংলাদেশে ১৫ লাখ শিশু নেফ্রলজির রোগী রয়েছে। কিন্তু তাদের চিকিৎসার জন্যও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নেই।

সম্মেলনে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন ফিজিশিয়ান অব বাংলাদেশ প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রাফিকুল আলম, সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মামুন মোস্তাফী, সান্ট্রিফিক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাহবুবুর রহমান ও সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এসএম/এমকেআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]