থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২০ পিএম, ২৩ জুন ২০২২

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেমিনার, র্যালি ও আলোচনা সভা করেছে ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশন অব থ্যালাসেমিয়া ও রোটারি ক্লাব অব তুরাগ উত্তরা।

ল্যাব ওয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব হেমাটোললি অ্যান্ড হাসপাতালের ম্যানেজার বাপ্পী ভৌমিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. লিয়াকত হোসেন তপন, রোটারি ক্লাব অব তুরাগ উত্তরার প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান আনিস-উর রশিদ (পিএইচএফ), ল্যাব ওয়ান হাসপাতাল লিমিটেডের পরিচালক ডা. জিনাত আরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশন অব থ্যালাসেমিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহ্উদ্দীন শাহ্।

অধ্যাপক ডা. মো. সালাহ্উদ্দীন শাহ্ বলেন, এটি একটি বংশগত রক্তের রোগ। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেন স্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি পর্যন্ত ঘটতে পারে। বাবা অথবা মা, অথবা বাবা-মা উভয়েরই থ্যালাসেমিয়ার জিন থাকলে বংশানুক্রমে এটি সন্তানের মধ্যে ছড়ায়। এই রোগ কোন ছোঁয়াচে রোগ নয়। জিনগত ত্রুটির কারণে এই রোগ হয়ে থাকে।

রোটারিয়ান আনিস-উর রশিদ বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগের চিকিৎসা নিয়মিত নিতে হয়। এসব রোগীকে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশন অব থ্যালাসেমিয়া। থ্যালাসেমিয়া রোগটি বংশগত হলেও এটা রোধ করা সম্ভব যদি আমরা এই রোগ সম্পর্কে বাংলাদেশের সব নাগরিককে অবগত করতে পারি। তাছাড়া থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়মিত রক্ত পরিসঞ্চালন করে বেঁচে থাকতে হয়, এজন্য এদের নিরাপদ রক্ত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বেচ্ছায় রক্তাদানের ব্যাপারেও সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীরা তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। এ সময় রক্ত রোগের চিকিৎসার জন্য তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিস অর্থাৎ একটি হাসপাতালেই সমন্বিত সব সেবা চালু করার জন্য সরকার ও ল্যাব ওয়ান ফাউন্ডেশনের প্রতি দাবি জানান।

অধ্যাপক ডা. লিয়াকত হোসেন তপন বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসায় অন্যতম একটা প্রয়োজন নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন করা। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এখনো স্বেচ্ছায় রক্তদান করার প্রবণতা সৃষ্টি হয়নি। যার যার জায়গা থেকে এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারণা চালানো গেলে একসময় রক্তের অভাবে এদের চিকিৎসা ব্যহত হবে না।

এমএইচআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]