অ্যান্টিবডি তৈরিতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন চিকিৎসা পদ্ধতি বায়োলজিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:১২ এএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২

চিকিৎসা বিজ্ঞানের বদৌলতে এখন প্রায় সব রোগই নিরাময়যোগ্য। তবুও মানবদেহের জন্য চিকিৎসাকে আরও উপযোগী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন করে তুলতে প্রতিনিয়ত কাজ করছেন সংশ্লিষ্টরা। এমনই এক প্রচেষ্টার ফল বায়োলজিক চিকিৎসা পদ্ধতি।

বায়োলজিক হলো এমন এক চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে কোনো মানবদেহ বা প্রাণীদেহের সেল থেকে অ্যান্টিবডি নিয়ে তা রোগীর দেহে প্রবেশ করানো হয়। সম্পূর্ণ ক্যামিকেলমুক্ত হওয়ায় এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে নোভারটিসের উদ্যোগে দেশের ‘প্রথম বায়োলজিক সামিট-২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়। এই সামিটে অংশগ্রহণ করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নীতি নির্ধারক এবং বিভিন্ন অংশীজনরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ডায়াবেটিস, বাত এবং সোরিয়াসিসের মতো রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে বায়োলজিক ওষুধ। তবে এ জন্য সবার (চিকিৎসক, রোগী ও সংশ্লিষ্টদের) মাঝে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে এক্সপার্ট প্যানেল হিসেবে ছিলেন কনসালটেন্ট ফিজিসিয়ান জেনারেল, বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স এবং ডিরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট মে. জে. প্রফেসর ড. মো. আজিজুল ইসলাম, ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক মে. জে. মো. ইউসুফ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহাপরিচালক ব্রি. জে. মো. নাজমুল হকসহ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নোভারটিস বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রেসিডেন্ট ডা. রিয়াদ মামুন প্রধানী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর শরীফ আখতারুজ্জামান এবং নোভারটিস ফার্মাসিউটিকাল সুইজারল্যান্ডের সিনিয়র গ্লোবাল মেডিকেল অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর ড. প্যাট্রিসিয়া পারটেল।

অনুষ্ঠানে নোভারটিস বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রেসিডেন্ট ডা. রিয়াদ মামুন প্রধানী বলেন, বায়োলজিক মেডিসিনগুলো নির্দিষ্ট রোগের সমাধানের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়। বায়োলজিক মেডিসিনই আগামী দিনে বহুল ব্যবহৃত হবে। এর চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং উপকারিতা নিয়ে চিকিৎসকরা এবং রোগীদের আরও সচেতনতা প্রয়োজন। বায়োলজিক দীর্ঘমেয়াদি ফলপ্রসূ চিকিৎসা তবে আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের বিভিন্ন অংশীজনরা এগিয়ে আসলে আমাদের দেশে আরও বিস্তৃত পরিসরে এই চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা সম্ভব।

১৯ শতক থেকে বায়োলজিকের ব্যবহার শুরু হয়। বাংলাদেশে ২০০০ সালের গোঁড়ার দিকে প্রথম ব্যবহার শুরু হয় বায়োলজিক।

এএএম/জেডএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।