ICC ODI Worldcup 2023
আফগানিস্তান

Team Image

চমক দেখাতে পারবে আফগানিস্তান?

ঊনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আফগানিস্তানে ক্রিকেট খেলার প্রচলন হয়। দেশটির ক্রিকেট বোর্ড ‘আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড’ নামে পরিচিত। ১৯৯৫ সালে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড গঠিত হয় । মজার ব্যাপার হলো, আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তানের তৈরি।

২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সহযোগী সদস্য হয় আফগানিস্তান। এর দুই বছর পর দেশটি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) এর সদস্য পদ লাভ করে। প্রায় এক যুগ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে বিচরণের পর দেশটি ২০১৭ সালে আইসিসি’র পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে। একই সঙ্গে টেস্ট খেলুড়ে দেশের কাতারে উঠে আসে। নাম লেখায় ১২তম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে।

ঊনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে খেলা শুরু করলেও আফগানিস্তান একুশ শতকের শুরুর দিকে সাফল্য পেতে শুরু করে। এরই মধ্যে রেকর্ডের পাতায়ও স্থান করে নিয়েছে দেশটি। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের র‌্যাংকিংয়ের দশম স্থানে উঠে আসে। এর আগে তারা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রানের কীর্তিও গড়েছিলো। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগানরা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২০ ওভারের খেলা করেছিলো ৩ উইকেটে ২৭৮ রান (সম্প্রতি নেপাল এই রেকর্ড ভেঙে দেয়। এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে নেপাল মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে করেছিলো ৩১৪ রান)।

আফগানিস্তানে ক্রিকেটের একটা অন্ধকার দিকও রয়েছে। তবে সে দিকটা বিশ্ববাসীকে দেখতে হয়নি। আফগানিস্তানকে আর কখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যাবে না- এমন একটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ২০২১ সালে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর এমন শঙ্কা জেগেছিল। শুধু তাই নয়, দেশটির ক্রিকেটারদের জীবন নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছিল।

এমন শঙ্কার মাঝে স্বস্তি হয়ে দেখা দিয়েছিল তালেবান মুখপাত্রের ঘোষণা। তারা জানিয়ে দেয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আফগানিস্তানের খেলার পথে তারা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। তবে তাদের এই প্রতিশ্রুতি শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য।

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের এটা তৃতীয় অংশ গ্রহণ। এর আগে তারা ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে অংশ নেয়। দু’বারই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয় মোহাম্মদ নবি-রশিদ খানদের।

দুই বিশ্বকাপে তাদের পারফরম্যান্সের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য বিস্তর। বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের অতীত পারফরম্যান্স যে কাউকে হতবাক করবে। কেননা, যে আফগানিস্তান বর্তমানে যে কোনো দলকেই চমকে দিতে পারে, তারা গত দুই বিশ্বকাপে নিজেদের পারফরম্যান্সে নিজেরাই লজ্জা পাবে। দুই বিশ্বকাপে ১৫ ম্যাচ থেকে তাদের জয় মাত্র একটিতে। অথচ কানাডা, নেদারল্যান্ডসও তাদের থেকে বেশি ম্যাচে জয় পেয়েছে।

অংশগ্রহণকারী দশ দলকে নিয়ে একটা গ্রুপ হওয়ায় এবার প্রত্যেক দলকে প্রত্যেকের বিপক্ষে খেলতে হবে। আফগানিস্তান এবারের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ৭ অক্টোবর মাঠে গড়াচ্ছে এ ম্যাচটি। এরপর আফগানিস্তান একে একে ভারত, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে। ১০ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে তাদের গ্রুপ পর্বের লড়াই।

একঝাঁক দারুণ ক্রিকেটার নিয়ে এবার বিশ্বকাপে আফগানিস্তান। আগের দুই বিশ্বকাপের তুলনায় তারা অভিজ্ঞ। দলে যেমন রয়েছে অভিজ্ঞ ব্যাটার, তেমনি পারদর্শী বোলার। রশিদ খান তার ঘূর্নি বোলিংয়ে যে কোনো দলের যে কোনো ব্যাটারের মাথা ব্যথা ধরিয়ে দিতে পারেন। তার সঙ্গে রয়েছেন রহস্যময় স্পিনার মুজিব-উর রহমান। ফজলহক ফারুকি তার পেস দিয়ে আতঙ্ক ছড়াতে প্রস্তুত। একঝাকঁ চমৎকার ব্যাটার স্কোরবোর্ড সচল রাখার সামর্থ্য রাখে।

সর্বশেষ ৯ সিরিজে আফগানিস্তানের সাফল্য-ব্যর্থতা সমানে সমান। ৯ সিরিজের চারটিতে তারা জিতেছে, চারটিতে হেরেছে। একটি ড্র। এ সময়ে তারা যেমন হোয়াইট ওয়াশ হয়েছে তেমনি করেছেও। পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হোয়াইট ওয়াশ হয়েছে। আর সাফল্যের হাসি হেসেছে তারা জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডস এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের দুই সিরিজে একবার হেরেছে অন্যবার জিতেছে।

এমন এমটি সম্ভাবনাময় দল নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে এসে বিশ্বকে চমকে দিতে প্রস্তুত হাশমতউল্লাহ শহিদির দল। তারা কী সত্যি সত্যি পারবে বিশ্বকে চমকে দিতে?

Captain Image

হাশমতউল্লাহ শহিদি

জম্ম: ৪ নভেম্বর ১৯৯৪, বয়স: ২৯

ব্যাকগ্রাউন্ড

আফগানিস্তানের লোগর শহরে জম্ম হাসমতউল্লাহ শহীদির। মধ্যবিত্ত এক মুসলমান পরিবারে তার জম্ম। শহীদির পরিবার ক্রিকেট দেখতে ভালবাসতো। সেখান থেকেই ক্রিকেটের প্রতি তার ভালবাসা। শৈশবেই বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতেন তিনি। ক্রিকেটের প্রতি ভালবাসা দেখে তার বাবা তাকে একটা ক্রিকেট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি করে দেন। সেখানে তিনি তার ব্যাটিং দক্ষতা বাড়িয়ে তোলেন।

স্কুল ক্রিকেটে দারুণ দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি। বিশাল বিশাল ছয় হাঁকিয়ে সবার নজর কাড়েন। সুযোগ পেয়ে যান অনুর্ধ্ব-১৯ দলে। একই সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটে আমো রিজিওন ও ব্যান্ড-ই-আমির রিজিওনের হয়ে খেলতে থাকেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে চমৎকার পারফরম্যান্স তাকে জাতীয় দলে সুযোগ করে দেয়। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-২০ তে অভিষেক হয় তার। পরের মাসে ওয়ানডে ক্রিকেটে।

আফগানিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম টেস্ট দলের ছিলেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেট এক অনন্য কীর্তি রয়েছে। প্রথম আফগান ব্যাটার হিসেবে তিনি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন। মাত্র ছয় টেস্টের ক্যারিয়ারে তিনি এই কীর্তি গড়েন।

অধিনায়কত্ব

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড একজনের হাতে সব ফরম্যাটের ক্রিকেটের নেতৃত্বে না রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তারই অংশ হিসেবে ২০২১ সালের জুন মাসে হাসমতউল্লাহ শহীদিকে একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। সে সময়ের অধিনায়ক আসগার আফগানাসকে সরিয়ে তাকে অধিনায়ক করা হয়। একদিনের ক্রিকেটের পাশাপাশি সাদা পোশাকের ক্রিকেটের নেতৃত্বও তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

যত সাফল্য

২০২১ সালের জুন মাসে হাসমতউল্লাহ শহীদি একদিনের ক্রিকেটে দেশটির অধিনায়কের দায়িত্ব পান। এশিয়া কাপের আগ পর্যন্ত পাঁচটি সিরিজে তিনি দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সে সময় পর্যন্ত সাফল্যটা কম নয়। সাফল্য ও ব্যর্থতা সমানে সমান। তার নেতৃত্বে জিম্বাবুয়ে এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জয় করেছে আফগানিস্তান। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অন্য একটা সিরিজে তারা ১-১ এ ড্র করে।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

ওয়ানডে ক্রিকেট দুটো রেকর্ডের অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহীদি। ওয়ানডে ক্রিকেটে এ পর্যন্ত ৬২ টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। করেছেন ১৬৬৫ রান। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো শতকের দেখা পাননি। ক্যারিয়ারে এক হাজারের বেশি রান করেছেন অথচ সেঞ্চুরির দেখা পাননি এমন ক্রিকেটার তালিকায় তিনি রয়েছেন ৩৬তম স্থানে। এ তালিকায় সবার উপরে আছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাউল হক। ৫১২২ রান তার, আছে ৪২টি হাফ সেঞ্চুরি। হাসমতউল্লাহ শহীদির আরো একটা কীর্তি রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে একটা সিরিজে ৩৫১ রান আছে তার। এমন কীর্তিতে তিনি রয়েছেন ৫০তম স্থানে।

ব্যক্তিগত জীবন

যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তানে কঠিন এক জীবন পাড়ি দিয়ে হাসমতউল্লাহ শহীদি বেড়ে উঠেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এখনো অবিবাহিত।

Coach Image

জোনাথন ট্রট

জন্ম: ২২ এপ্রিল, ১৯৮১, বয়স: ৪২

কোচিং ক্যারিয়ার

জোনাথন ট্রটের কোচিং ক্যারিয়ারটা দীর্ঘ নয়। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০২২ সালের জুলাই মাসে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। আফগানিস্তানের ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নেন তিনি।

কোনো সিনিয়র ক্রিকেট দলের এটাই তার প্রথম মিশন। অবশ্য এর আগে সংক্ষিপ্ত আকারে কোচিংয়ের কিছুটা অভিজ্ঞতা তার ছিল। ইংল্যান্ড দলে কিছুদিনের জন্য ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া টি-২০ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ড দলে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছিলেন। অনেকটা নাটকীয়ভাবে ট্রট আফগানিস্তানের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। মূলত গ্রাহাম থর্পের সঙ্গে আফগানিস্তানের কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছিল। কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসে এবং ট্রটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সাফল্য

এশিয়া কাপে আফগানিস্তান ভালো করতে পারেনি। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল, তবে তাদের সুপার ফোরে খেলার দারুণ সম্ভাবনা ছিল। যোগ্য দল হিসেবেই তারা সুপার ফোরের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নিজেদের দাঁড় করিয়েছিল। কিন্তু রান ও বলের হিসেবে ভুল করার তারা সুপার ফোরে খেলার সুযোগ পায়নি। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকে টপকে আফগানিস্তান শেষ চারে পৌঁছেছিল। তবে এই বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানিস্তানের দারুণ সাফল্য রয়েছে। গত জুলাইতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের ওয়ানডেপ সিরিজে তারা ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-২০ সিরিজে স্তদ্ধ করে দিয়েছিল পাকিস্তানকে। ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল তারা।

সম্ভাবনা

এবারের বিশ্বকাপের ফরমেশন একটু জটিল। গ্রুপভিত্তিক খেলায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের জন্য ম্যাচ পরিত্যক্ত বা পয়েন্ট ভাগাভাগি একটা বাড়তি সুবিধা এনে দেয়। একটা বড় অঘটনের পাশাপাশি এক ম্যাচের পয়েন্ট ভাগাভাগি এসব দলের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দেয়। কিন্তু এবার সুপার ফোরে বা সেমিফাইনালে যেতে লম্বা পথ পাড়ি দিতে হবে। সেখানে একাধিক অঘটনের জম্ম দিতে হবে। আফগানিস্তানের অবশ্য সে সামর্থ্য রয়েছে। বিশ্বকাপে অনেক সময় ফেভারিটের তালিকায় না থেকেও অনেক দল সেমিফাইনালে খেলেছে। এবার সেই সুযোগ আফগানিস্তানের সামনে।

ব্যক্তিগত জীবন

এক ইংলিশ পরিবারে জম্ম জোনাথন ট্রটের। রন্ডেবস বয়েজ হাই স্কুলের পর স্টেলেনবস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০০৯ সালের এপ্রিলে তিনি বিবাহিত জীবন শুরু করেন। ইংলিশ কাউন্টি দলের সাবেক অধিনায়ক টম ডোলেরির নাতনি আবি ডোলেরিকে বিয়ে করেন তিনি। ডোলেরি একই ক্লাবের প্রেস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের দুই সন্তান। লিলি।

আফগান স্কোয়াড

হাশমতুল্লাহ শহিদি (অধিনায়ক), রহমানুল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, রিয়াজ হাসান, রহমত শাহ, নাজিবুল্লাহ জাদরান, মোহাম্মদ নবি, ইকরাম আলিখিল, আজমতুল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান, মুজিব-উর রহমান, নুর আহমেদ, ফজলহক ফারুকি, আব্দুল রহমান ও নাভিন উল হক।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

হাশমতউল্লাহ শহীদি

৬৪

৬৪

১৭৭৫

৯৭*

৩২.২৭

১/১

ইব্রাহিম জাদরান

১৯

১৯

৯১১

১৬২

৫৩.৫৮

৪/৪

ইকরাম আলিখিল

১৪

১৩

২৩৮

৮৬

২৩.৮০

০/২

নাজিবুল্লাহ জাদরান

৯০

৮২

২০৫৩

১০৪*

২৯.৭৫

১/১৫

রহমানুল্লাহ গুরবাজ

২৬

২৬

৯৫৮

১৫১

৩৮.৩২

৫/২

রিয়াজ হাসান

১২০

৫০

৩০.০০

০/১

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

আব্দুল রহমান

১৩৩.০০

০/০

১/৮৩

৭.৬৭

ফজলহক ফারুকী

২১

৩২

২৭.৫০

২/০

৪/৪৯

৫.৫৬

মুজিব উর রহমান

৬৬

৯৩

২৫.৮৬

৩/১

৫/৫০

৪.১৫

নাভিন উল হক

১৪

২৫.৪২

১/০

৪/৪২

৫.৭৮

নুর আহমদ

৭৮.০০

০/০

১/৫৪

৭.৪২

 অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

আজমাতুল্লাহ ওমরজাই

১৩

১৩৭

২২.৮৩

০/১

৫৬

৭৭.৪০

৫৯.০০

০/০

১/১৭

৪.৯৩

মোহাম্মদ নবী

১৪৩

৩১৫৩

২৭.১৮

১/১৬

১১৬

৮৬.১৭

১৫৪

৩২.৩০

৪/০

৪/৩০

৪.২৯

রহমত শাহ

৯৭

৩২৬৯

৩৬.৩২

৫/২৩

১১৪

৭০.৬৫

১৫

৩৪.৬৬

০/১

৫/৩২

৫.৮১

রশিদ খান

৯৪

১২১১

১৯.৫৩

০/৫

৬০*

১০৬.৩২

১৭২

১৯.৫৩

৬/৪

৭/১৮

৪.২১

ওয়ানডে বিশ্বকাপে আফগানিস্তান : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ২
  • চ্যাম্পিয়ন: নাই
  • রানার্স আপ: নাই
  • সেমিফাইনাল: নাই
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: নাই
  • সুপার এইট: নাই
  • গ্রুপ পর্ব: ২০১৫ ও ২০১৯।

সংক্ষেপে আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ

 

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০১৫-২০১৯

১৫

১৪

২৮৮

১২৫

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

২৮৮

হার

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

লিডস

২০১৯

২৪৭/৮

হার

ইংল্যান্ড

ম্যানচেস্টার

২০১৯

২৩২

হার

শ্রীলঙ্কা

ডুনেডিন

২০১৫

২২৭/৯

হার

পাকিস্তান

লিডস

২০১৯

২১৩

হার

ভারত

সাউদাম্পটন

২০১৯

২১১/৯

জয়

স্কটল্যান্ড

ডুনেডিন

২০১৫

২০৭

হার

অস্ট্রেলিয়া

ব্রিস্টল

২০১৯

২০০

হার

বাংলাদেশ

সাউদাম্পটন

২০১৯

১৮৬

হার

নিউজিল্যান্ড

ন্যাপিয়ার

২০১৫

১৭২

হার

নিউজিল্যান্ড

টনটন

২০১৯

 বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

নাজিবুল্লাহ জাদরান

১৪

৩৫৩

৫৬

২৭.১৫

কামিউল্লাহ শিনওয়ারি

৩২৮

৯৬

৪৬.৮৫

রহমত শাহ

২৫৪

৬২

২৮.২২

আসগর আফগান

১১

২২৬

৫৪

২০.৫৪

হাশমতউল্লাহ শহীদি

১৯৭

৭৬

২৪.৬২

মোহাম্মদ নবী

১৫

১৯৭

৫২

১৩.১৩

গুলবাদিন নাইব

১০

১৯৪

৪৭

১৯.৪০

ইকরাম আলিখিল

১৪২

৮৬

২৮.৪০

নওরোজ মানগাই

১০৮

৩৩

১৮.০০

রশিদ খান

১০৫

৩৫

১১.৬৬

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

দৌলত জারদান

১০

৮০

৫৩৬

১৪

৩/২৯

৩৮.২৮

মোহাম্মদ নবী

১৫

১১৮.২

৫৯৬

১৩

৪/৩০

৪৫.৮৪

শাপুর জাদরান

৫১

২৬৫

১০

৪/৩৮

২৬.৫০

গুলবাদিন নাইব

১০

৭৪.৪

৪৭৩

১০

৩/৬৮

৪৭.৩০

হামিদ হাসান

১১

৭৭

৩৮৩

৩/৪৫

৪২.৫৫

মুজিব উর রহমান

৫৭.৫

২৫৯

৩/৩৯

৩৭.০০

আফতাব আলম

২৯.১

১৭০

৩/৪৫

২৮.৩৩

রশিদ খান

৭১.৫

৪১৬

২/১৭

৬৯.৩৩

মিরওয়াইজ আশরাফ

১৭.১

৬৩

২/৩২

৩১.৫০

নওরোজ মানগাই

১৪

১/১৪

১৪.০০

সময়সূচি