ICC ODI Worldcup 2023
অস্ট্রেলিয়া

Team Image

শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে অস্ট্রেলিয়া

 বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। সর্বাধিক পাঁচবার তারা ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে। বিশ্বকাপে তাদের এতটাই আধিপত্য যে, হ্যাটট্রিক শিরোপাও রয়েছে দেশটির। শুধু তাই নয়, ১৯৯৯-২০১৫, এই পাঁচ আসরের মধ্যে তারা চারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়েছে। বিশ্বকাপের মোট ১২ আসরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া প্রায় অর্ধেক শিরোপা জয় করে নিয়েছে। সব মিলিয়ে তাদের ভান্ডারে রয়েছে পাঁচটি বিশ্বকাপ।

পরিসংখ্যানটা ক্রিকেট মাঠে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিমত্তার পরিচয় দেয়। মূলত অস্ট্রেলিয়া প্রথম বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়ে আসছে। প্রথম আসরেই তারা শিরোপা কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছে গিয়েছিল। ১৯৭৫ সালে প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়। সেবারই ফাইনালে খেলেছিল তারা।

এবারও দারুণ সব অর্জন নিয়ে ভারত বিশ্বকাপে শুরু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ ১০ সিরিজে আটটিতেই জয় পেয়েছে তারা। দুটো সিরিজে হেরেছে। যে দুই সিরিজে হেরেছে সে দুটোতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।

আর দুটো সিরিজেই সফরকারী দল ছিল তারা নিজেরা। অর্থাৎ এই উপমহাদেশে অনুষ্ঠিত দুই সিরিজে হেরেছিল। এই পরিসংখ্যান অবশ্য অস্ট্রেলিয়াকে হতাশায় ডুবিয়ে দিতে পারে। কেননা এবারের বিশ্বকাপের আয়োজক যে এই উপমহাদেশ!

ভারত বিশ্বকাপ আয়োজক বলে হয়তো একটু মনোবলে ঘাটতি দেখা দিতে পারে অস্ট্রেলিয়ার। তবে ভারতের বিপক্ষে তাদের মাটিতে সর্বশেষ সিরিজ আবার তাদের উজ্জ্বীবিত করার জন্য যথেষ্ঠ। গত মার্চে ভারতের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ অস্ট্রেলিয়া ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিলো।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ তো ভারত কখনোই মনে করতে চাইবে না। পারলে যেভাবে হোক এ ম্যাচটা ইতিহাসের পাতা থেকে তারা মুছে দিতে চাইবে। অস্ট্রেলিয়ার কাছে সে ম্যাচে তারা ভয়াবহরকম নাস্তানাবুদ হয়।

৫০ ওভারের খেলায় ২৬ ওভারেই অলআউট হয়েছিল ভারত। করেছিল মাত্র ১১৭ রান। এই রান টপকে জয় পেতে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১১ ওভার বোলিং মোকাবেলা করতে হয়েছিল। এ ম্যাচে এমন বিধ্বংসী ক্রিকেট খেলেছিল অস্ট্রেলীয়রা।

বিশ্বকাপের আগে র‌্যাংকিংও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে কথা বলছে। র‌্যাংকিংয়ে তারা ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে কখনো শীর্ষস্থান হারাচ্ছে, আবার তা পুনরুদ্ধার করছে। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে এ মূহুর্তে দারুণ ক্রিকেট উপহার দিয়ে চলেছে অস্ট্রেলিয়া।

ভারতের মাটিতে তাদেরই বিপক্ষে সিরিজ জয় তার উজ্জ্বল প্রমাণ। এমন কয়েকজন ব্যাটারকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং ডিপার্টমেন্ট গড়ে উঠেছে যারা যে কোনো বোলিং আক্রমণকে তছনছ করে দেওয়ার সামর্থ্য রাখে। কামিন্সের নেতৃত্বে এ দলে রয়েছেন ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, ডেভিড ওয়ার্নার, মার্নাশ লাবুশেন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যালেক্স ক্যারের মত ব্যাটাররা।

অন্যদিকে বল হাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের দুঃশ্চিন্তার কারণ হতে পারেন অধিনায়ক কামিন্স নিজে, জস হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিজ, সিন অ্যাবট আর অ্যাডাম জাম্পার মত বোলাররা।

বিশ্বকাপ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার রয়েছে ঈর্ষণীয় সাফল্য ও রেকর্ড। বিশ্বকাপে টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি রয়েছে দলটির। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের কাছে হারের পর অনেব বছর অপরাজিত থেকেছে তারা। শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালের বিশ্বকাপে অপরাজিত থাকার মিশনের ইতি হয়। এবারও সেই পাকিস্তানের কাছে হার।

একদিনের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৪ উইকেটে ৪৩৪। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এ রান করেছিল তারা। সে সময়ে এটা ছিল বিশ্ব কেরর্ড। তবে খুব বেশি সময় এ রেকর্ডের স্থায়ীত্ব ছিল না। কেননা ওই ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকা অস্ট্রেলিয়ার এই সংগ্রহকে টপকে জয় তুলে নিয়েছিলো।

আয়োজক ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার এবার বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধারের মিশন শুরু হবে। এবারের বিশ্বকাপে সব দলকে সব দলেরই বিপক্ষে খেলতে হবে।

ভারতের পর একে একে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং সবার শেষে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। ৮ অক্টোবর ভারতের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি তারা খেলবে ১১ নভেম্বর।

Captain Image

প্যাট কামিন্স

জম্ম: ৮ মে ১৯৯৩; বয়স: ৩০

ব্যাকগ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে জম্ম প্যাট কামিন্সের। মাউন্ট রিভারভিউতে বড় হয়েছেন তিনি। পড়াশোনার শুরুটা সেন্ট পল গ্রামার স্কুলে। স্বদেশি ব্রেট লিকে আদর্শ মনে বড় হয়ে উঠেছেন তিনি। তার সঙ্গে ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও খেলেছেন।

গতিতে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরাচ্ছেন অথচ তার ডান হাতের মধ্যম আঙ্গুলের অগ্রভাগ নেই। ছোটোবেলায় দরজার চাপে আঙ্গুলের অগ্রভাগ হারান তিনি। কিন্তু তার প্রবল ইচ্ছা ক্রিকেটার হওয়ার পথে কোনো বাধা হতে পারেনি। ২০১০ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলার পর ২০১১ সালের অক্টোবরে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ওয়ানডে খেলেন। পরের মাসে টেস্ট অভিষেক হয় তার।

অধিনায়কত্ব

কামিন্সের ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্বের বয়সটা খুব একটা বড় নয়। অ্যারন ফিঞ্চ অবসরে যাওয়ায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে দলকে নেতৃত্ব দেন। ওয়ানডের আগেই টেস্ট নেতৃত্ব পেয়েছেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটে মাত্র দুই ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা দুই ম্যাচে জয় পেয়েছিল তার দল।

যত সাফল্য

ওয়ানডে ক্রিকেটে খুব বেশি দিন হয়নি প্যাট কামিন্সের নেতৃত্ব। প্রায় এক বছর হতে চললো তার নেতৃত্বে বয়স। খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি। বিশ্বকাপই হতে যাচ্ছে আইসিসি নিয়ন্ত্রিত প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্ট।

ব্যক্তিগত রেকর্ড: ওয়ানডে ক্রিকেটে ৭৫ ম্যাচে ১২৪ উইকেটের মালিক কামিন্স। উইকেট শিকারে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির তালিকায় ১৯তম স্থানে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার।

২৭তম ম্যাচে ৫০ উইকেট শিকারের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন তিনি। আর ১০০ উইকেট শিকার করতে তাকে খেলতে হয়েছে ৬২ ম্যাচে। দ্রুততম ১০০ উইকেট শিকারের তালিকায় তিনি রয়েছেন ২৫তম স্থানে।

বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে কামিন্সের পারফরম্যান্স বেশ ঈর্ষণীয়। এ পর্যন্ত ১২ ম্যাচে তিনি ১৯ উইকেট নিয়েছেন। সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৩৩ রানে ৩ উইকেট।

ব্যক্তিগত জীবন

সিডনির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি থেকে গ্রাজুয়েশন করেছেন প্যাট কামিন্স। এখানে শেষ নয় কামিন্সের পড়াশোনার দৌড়। ২০১৭ সালে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় ব্যাচেলর ডিগ্রি নিয়েছেন। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দীর্ঘদিনের বান্ধবী বেকি বোস্টনকে বিবাহের প্রস্তাব দনে। ২০২২ সালের আগষ্টে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পারিবারি জীবনে তিনি এক সন্তানের পিতা।

Coach Image

অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড

জম্ম: ৫ জুন ১৯৮১; বয়স: ৪২ বছর

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরই কোচিংয়ে জড়িয়ে পড়েন অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। লিচেস্টারশায়ার, ভিক্টোরিয়া ও মেলবোর্ন রেনেগাডেসের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোরের বোলিং কোচ ছিলেন। আর রাজস্থান রয়্যালসের প্রধান কোচ হিসেবেও কাজ করছেন। ২০১৯ সালের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া দলের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান।
প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার সরে দাঁড়ানোয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তবর্তী কোচ হিসেবে নিয়োগ পান অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। পরবর্তীতে গত বছরের ১৪ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড চার বছরের জন্য চুক্তি করে।

সাফল্য

জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার বয়সটা খুব বেশি হয়নি ম্যাকডোনাল্ডের। এক বছরের কিছুটা বেশি। এরই মধ্যে দলকে দারুণ এক সাফল্য এনে দিয়েছেন। তার প্রশিক্ষণাধীনে ২০২৩ সালের আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়ার। ফাইনালে তারা হারায় ভারতকে।

সম্ভাবনা

ম্যাকডোনাল্ডের খেলোয়াড়ি জীনব ছোট্ট হলেও এবারের বিশ্বকে দলকে শিরোপা এনে দেওয়ার লড়াইয়ে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে তাদের প্রশিক্ষণাধীন দলটির। তার দলটি কয়েকদিন আগে র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল।

ব্যক্তিগত জীবন

১৯৮১ সালে ভিক্টোরিয়াতে জম্ম ম্যাকডোনাল্ডের। খেলোয়াড় হিসেবে তার ক্যারিয়ারটা তেমন একটা দীর্ঘ নয়। মাত্র ৪ টেস্ট খেলা ম্যাকডোনাল্ড কখনো ওয়ানডে খেলেননি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক সন্তানের জনক।

অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড

প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, মিচেল মার্শ, ট্রাভিস হেড, স্টিভেন স্মিথ, মার্কাস স্টয়নিজ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারে, জস ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অ্যাস্টন অ্যাগার, অ্যাডাম জ্যাম্পা, জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক ও শন অ্যাবট।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

অ্যালেক্স ক্যারে

৭১

৬৫

১৮১৪

১০৬

৩৩.৫৯

১/৮

ট্রাভিস হেড

৫৮

৫৫

২০৬৪

১৫২

৪১.২৮

৩/১৫

জশ ইংলিশ

১৪৩

৫০

১৭.৮৭

০/১

স্টিভ স্মিথ

১৪৫

১২৯

৫০৫৪

১৬৪

৪৪.৩৩

১২/৩০

ডেভিড ওয়ার্নার

১৫০

১৪৮

৬৩৯৭

১৭৯

৪৫.০৪

২০/৩১

মার্নাশ লাবুশেন

৩৮

৩৬

১২৬৮

১২৪

৩৭.২৯

২/৮

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

প্যাট কামিন্স

৭৭

১২৬

২৭.৯৯

৬/১

৫/৭০

৫.২৩

জশ হ্যাজেলউড

৭৪

১১৬

২৬.৪১

১/৩

৬/৫২

৪.৭০

মিচেল স্টার্ক

১১১

২২০

২২.২৩

১২/৯

৬/২৮

৫.১৩

অ্যাডাম জাম্পা

৮৫

১৪২

২৯.০৫

৮/১

৫/৩৫

৫.৫৩

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

শন অ্যাবট

১৭

২২৮

১৭.৫৩

০/১

৫৪

১০৭.৫৪

২০

৩৬.৮৫

০/০

৩/২৩

৫.৬০

ক্যামেরন গ্রিন

২০

৩৭৯

৩৭.৯০

০/১

৮৯*

৮৪.৭৮

১৬

৪০.৩১

০/১

৫/৩৩

৫.৭২

মিচেল মার্শ

৭৯

২২৩১

৩৩.৪৭

১/১৭

১০২*

৯৪.২১

৫৪

৩৫.৪২

১/১

৫/৩৩

৫.৪৩

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

১২৯

৩৪৫৯

৩৩.৬০

২/২৩

১০৮

১২৪.৬৮

৬৪

৪৭.৭১

৪/০

৪/৪০

৫.৫৩

মার্কাস স্টয়নিস

৬৪

১৪০০

২৭.৪৫

১/৬

১৪৬*

৯৪.০২

৪৪

৪৩.৫৪

০/০

৩/১৬

৫.৯২

ওয়ানডে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১২
  • চ্যাম্পিয়ন: ১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৫
  • রানার্স আপ: ১৯৭৫, ১৯৯৬
  • সেমিফাইনাল: ২০১৯
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ২০১১
  • সুপার এইট: নাই
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৯২

সংক্ষেপে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৯৪

৬৯

২৩

৪১৭/৬

১২৯

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

 ৪১৭/৬

জয়

আফগানিস্তান

পার্থ

২০১৫

৩৮১/৫

জয়

বাংলাদেশ

নটিংহাম

২০১৯

৩৭৭/৬

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

বাসেতেরে

২০০৭

৩৭৬/৯

জয়

শ্রীলঙ্কা

সিডনি

২০১৫

৩৫৯/২

জয়

ভারত

জোহানেসবার্গ

২০০৩

৩৫৮/৫

জয়

নেদারল্যান্ডস

বাসেতেরে

২০০৭

৩৪৮/৬

জয়

নিউজিল্যান্ড

সেন্ট জর্জেস

২০০৭

৩৪২/৯

জয়

ইংল্যান্ড

মেলবোর্ন

২০১৫

৩৩৪/৬

জয়

স্কটল্যান্ড

বাসেতেরে

২০০৭

৩৩৪/৭

জয়

শ্রীলঙ্কা

দ্য ওভাল

২০১৯

 বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

রিকি পন্টিং

৪৬

১৭৪৩

১৪০*

৪৫.৮৬

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট

৩১

১০৮৫

১৪৯

৩৬.১৬

মার্ক ওয়াহ

২২

১০০৪

১৩০

৫২.৮৪

ডেভিড ওয়ার্নার

১৮

৯৯২

১৭৮

৬২.০০

ম্যাথু হেইডেন

২২

৯৮৭

১৫৮

৫১.৯৪

স্টিভ ওয়াহ

৩৩

৯৭৮

১২০*

৪৮.৯০

মাইকেল ক্লার্ক

২৫

৮৮৮

৯৩*

৬৩.৪২

স্টিভ স্মিথ

২৪

৮৩৪

১০৫

৪৬.৩৩

ডেভিড বুন

১৬

৮১৫

১০০

৫৪.৩৩

অ্যারন ফিঞ্চ

১৮

৭৮৭

১৫৩

৪৩.৭২

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

 গ্লেন ম্যাকগ্রা

৩৯

৩২৫.৫

৪২

১২৯২

৭১

৭/১৫

১৮.১৯

মিচেল স্টার্ক

১৮

১৫৬.১

৭২৬

৪৯

৬/২৮

১৪.৮১

ব্রেট লি

১৭

১৩৭.৩

১৫

৬২৯

৩৫

৫/৪২

১৭.৯৭

ব্রাড হগ

২১

১৫৮.৩

১০

৬৫৪

৩৪

৪/২৭

১৯.২৩

শন টেইট

১৮

১৩৬.৩

৭৩১

৩৪

৪/৩৯

২১.৫০

শেন ওয়ার্ন

১৭

১৬২.৫

১৬

৬২৪

৩২

৪/২৯

১৯.৫০

ক্রেগ ম্যাকডরমট

১৭

১৪৯

৫৯৯

২৭

৫/৪৪

২২.১৮

স্টিভ ওয়াহ

৩৩

১৭৩.১

৮১৪

২৭

৩/৩৬

৩০.১৪

ড্যামিয়েন ফ্লেমিং

১৬

১৩৩.২

১২

৫৮৩

২৬

৫/৩৬

২২.৪২

মিচেল জনসন

১৫

১২১

৫৫৭

২৫

৪/১৯

২২.২৮

সময়সূচি