ICC ODI Worldcup 2023
ইংল্যান্ড

Team Image

শিরোপা ধরে রাখার মিশন ইংলিশদের

ক্রিকেটের জনক বলা হয় ক্রিকেটকে। অথচ কোথায় যেনো একটা অপূর্ণতা ছিল তাদের। ২০১৯ সালের আগে তিনবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা হাতে তুলে নেয়ার স্বাদ নিতে পারেনি তারা। অবশেষে গত আসরে এসে সেই অপূর্ণতা পূর্ণতা পেলো। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে নেয় দলটি। অথচ বিশ্বকাপের প্রথম আসর থেকে তাদের এই না পাওয়ার বেদনা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল।

যে কোনো খেলায় আয়োজক দেশ একটা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে। সে সুবিধা কাজে লাগিয়ে ২০১৯ সালে তারা সাফল্যেরও দেখা পায়। পরিচিত পরিবেশে খেলা, সঙ্গে থাকে দর্শক সমর্থন। ভ্রমণের বাড়তি ক্লান্তিও থাকে না। ১৯৭৫ সাল থেকে টানা তিন আসরে ইংল্যান্ড এমন সুবিধা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। দেখা পায়নি সেরা সাফল্যের।

এমন ব্যর্থতায় ইংল্যান্ড যেনো আয়োজকের খাতা থেকে নিজেদের নাম মুছে ফেলেছিল প্রায়। সে কারণে অন্য দেশ একাধিকবার আয়োজক হলেও ইংল্যান্ড সে পথে হাঁটেনি। ১৯৯৯ সালে আবার তারা বিশ্বকাপের আয়োজক হয়। সেবারও তারা অসফল। তবে ২০১৯ সালে আর হতাশ হতে হয়নি। আয়োজক হয়েই তারা শিরোপা ঘরে তুলে নেয়।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে তারা। জস বাটলারের নেতৃত্বে দলটি এবারও বিশ্বকাপের ফেবারিট। শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়েই এবার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে তারা।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হলেও ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে ইংল্যান্ডের অবস্থা তেমন সুবিধাজনক নয়। অংশ নেওয়া দশ দলের মধ্যে তাদের অবস্থান পাঁচে। যে কোনো সময় ছয়েও নেমে আসতে পারে, উপরে ওঠার সুযোগও আছে। যদিও সে সম্ভাবনা কম। ছয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা এরই মধ্যে চার নম্বরে পৌঁছে গেছে আর নিউজিল্যান্ডকে ঠেলে দিয়েছে ছয় নম্বরে। ইংল্যান্ড রয়েছে ৫ নম্বরেই।

এবাররে বিশ্বকাপের প্রথম দিনই মাঠে নামছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। উদ্বোধনী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। একে একে ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডসের। গ্রুপ পর্বে তাদের শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে এ ম্যাচটি।

র‌্যাংকিংয়ে যেমন নাজুক অবস্থা, তেমনি সর্বশেষ পারফরম্যান্সেও। সর্বশেষ ১০ ওয়ানডে সিরিজে তাদের রয়েছে মিশ্র অভিজ্ঞতা। ১০ সিরিজের চারটিতে জয়, পাঁচটিতে হার, একটি সিরিজে ফল মীমাংসা হয়নি। অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে। প্রথম দুই দলের কাছে দুইবার করে হেরেছে। জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের বিপক্ষে। প্রথম দুই দলের বিপক্ষে তারা সাফল্য পেয়েছে নিজেদের মাঠে। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দুই দলকে অ্যাওয়ে সিরিজ হারিয়েছে।

তবুও দারুণ একটি দল নিয়ে ইংল্যান্ড এবার হাজির হলো বিশ্বকাপের মঞ্চে। প্রতিপক্ষের বোলারদের দুঃশ্চিন্তা বাড়াতে ইংল্যান্ড দলে আছেন ডেভিড মালান, জনি বেয়ারেস্ট, লিয়াম লিভিংস্টোন, হ্যারি ব্রুক, জস বাটলার আর মইন আলীর মতো ব্যাটাররা। সবারই ভালো ইনিংস খেলার যেমন অভিজ্ঞতা রয়েছে তেমনি দক্ষও তারা। জস বাটলার যেমন ব্যাট হাতে নেতৃত্বে দক্ষ তেমনি দল পরিচালনায়। ২৩ ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাফল্য ব্যর্থতা সমানে সমান। ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছেন, ১১ ম্যাচে হার। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত।

ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা কতটা মারদাঙ্গা, তার ভুরি ভুরি প্রমাণ রয়েছে। একদিনের ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ রানের যে ইনিংসের তালিকা রয়েছে সে তালিকায় প্রথম তিনটিই তাদের দখলে।

তিনটি ইনিংসেই তারা প্রথমে ব্যাট করে যথাক্রমে ৪৯৮/৪, ৪৮১/৬ ও ৪৪৪/৩ রান করেছে। এসব ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান। খুব বেশি আগে এ সব কীর্তি তারা গড়েছে তা নয়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছিল ২০১৮ সালে, আর পাকিস্তান প্রতপিক্ষ ছিল ২০১৬ সালে।

ইংলিশ দলের বোলিং শক্তিও সমীহ জাগানো। বল হাতে ক্রিস ওকস, মার্ক উড, আদিল রশিদ, রিসি টপলি- সবাই পরীক্ষিত। যদিও গত বিশ্বকাপের সেরা বোলার জোফরা আরচার এবার ইনজুরির কারণে দলে নেই। তবে ক্রিস ওকস, মার্ক উড, আদিল রশিদ, মইন আলি কিংবা স্যাম কারানরা সত্যিই প্রতিপক্ষের জন্য ভয়ঙ্কর।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড এ পর্যন্ত ৮৩ ম্যাচ খেলেছে। ৪৮ ম্যাচে জয় তাদের। আর হার ৩২ ম্যাচে। অন্যদিকে একদিনের ক্রিকেটে তাদের খেলা ম্যাচের সংখ্যা ৭৭৯। ম্যাচ জয়ের সংখ্যা ৩৯২। হার ৩৪৮ ম্যাচে।

Captain Image

জস বাটলার

জম্ম: ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯০, বয়স: ৩৩

ব্যাকগ্রাউন্ড

সমারসেটের যুব দলে খেলার মাধ্যমে ক্রিকেটাঙ্গনে প্রবেশ জস বাটলারের। বয়সভিত্তিক সব দলেই তিনি খেলেছেন। অনুর্ধ্ব-১৩, অনুর্ধ্ব-১৫, অনুর্ধ্ব-১৭ সব বিভাগেই খেলেছেন তিনি। সিনিয়র দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচে তো সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। চেডারের হয়ে গ্লাসটনবুরির বিপক্ষে ১৫ বছর বয়সী বাটলার উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে তিন ক্যাচ নিয়েছিলেন আর ব্যাট হাতে করেছিলেন ১৫ রান।

স্কুল ক্রিকেটে তো রেকর্ড গড়েন বাটলার। ২০০৮ সালের এপ্রিলে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অপরাজিত ২২৭ রান করেছিলেন। আর ওপেনিং জুটিতে গড়েছিলেন রেকর্ড। অ্যালেক্স বারোর সঙ্গে ৩৪০ রানের জুটি গড়েছিলেন। ২০০৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে বাটলার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বাদ পান। নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ খেলেছিলেন। তবে সিনিয়র জাতীয় দলে তার অভিষেক হয়েছিল টি-টোয়েন্টি দিয়ে। প্রতিপক্ষ ছিল ভারত, ২০১১ সালে।

অধিনায়কত্ব

নিয়মিত অধিনায়ক ইয়ন মর্গানের অবসরে জস বাটলার জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব পান। ২০২২ সালের জুন মাসে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নেতৃত্বের শুরুটা উপভোগ করতে পারেননি তিনি।ভারতের বিপক্ষে নিজেদের মাটিতে উভয় সিরিজে ১-২ ব্যবধানে হেরেছিল তার দল।

যত সাফল্য

২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছিল অধিনায়ক হিসেবে জস বাটলারের প্রথম টুর্নামেন্ট। শুরুতে বেশ চাপে পড়েছিল তার দল। আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করলেও আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে যায় তার দল। পরের ম্যাচে বৃষ্টির কারণে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় শেষ দুই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না। পরের দুই ম্যাচ জিতে তারা সেমিতে জায়গা করে নিয়েছিল। একটা ম্যাচে ৪৭ বলে করেছিলেন ৭৩ রান। আর সেমিফাইনালে অ্যালেক্স হেলের সঙ্গে ১৭০ রানের পার্টনারশিপ গড়েছিলেন।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

চমৎকার সব কৃতিত্বে সমৃদ্ধ জস বাটলারের ক্যারিয়ার। তবে ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন অসাধারণ এক ইনিংস। টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না। সে ম্যাচে ৪৭ বলে ৭৩ রানের দূর্দান্ত ইনিংসে খেলে দলকে শুধু জয় এনে দিয়েছিলেন তা নয়, ম্যাচ সেরাও হয়েছিলেন। সেমিফাইনালেও অনবদ্য এক ইনিংস খেলেছিলেন। ৪৯ বলে ৮০ রান করে ভারতের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয় বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক বাটলার। ২০১৭ সালে লুইসে ওয়েবেরকে বিয়ে করেন তিন। তাদের দুই সন্তান। প্রথম সন্তান জর্জিয়া রোজ ২০১৯ সালে জম্ম নেয়। দ্বিতীয় সন্তান মারগটের জম্ম ২০২১ সালে। ক্রিকেট খেললেও ফুটবলটা দারুণ পছন্দ বাটলারের। ম্যাঞ্চেস্টার সিটির সমর্থক তিনি।

Coach Image

ম্যাথিউ মট

জম্ম: ৩ অক্টোবর, ১৯৭৩; বয়স: ৪৯ বছর

কোচিং ক্যারিয়ার

নিউ সাউথ ওয়েলসে দুই বছর সহকারী কোচের দায়িত্ব পালনের পর ২০০৭-০৮ মৌসুমে তিনি প্রধান কোচ হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন ক্লাব কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের কোচ হয়ে কাজ শুরু করেন। ২০১৭ সালে একই দায়িত্বের জন্য নতুন করে চুক্তি করেন। ২০২২ সালের মে মাসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের দায়িত্ব পান তিনি।

সাফল্য

ম্যাথিউ মটের কোচিং ক্যারিয়ারটা সাফল্যে ভরপুর বললে ভুল বলা হবে না। যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানে সোনা ফলিয়েছেন। প্রথম মৌসুমেই তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসকে পুরা কাপ এনে দেন। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ার নারী দল তার প্রশিক্ষণাধীনে টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করে। ইংল্যান্ড দলের দায়িত্ব নিয়েই দলকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দেন। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ জয় করে ইংল্যান্ড।

সম্ভাবনা

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের কতটুকু সম্ভাবনা রয়েছে তা একটু পেছনে ফিরে দেখলেই বোঝা যাবে। দলটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। আবার টি-২০ বিশ্বকাপেরও চ্যাম্পিয়ন। ভিন্ন ঘরানার দুই দুটো বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন তারা। ফলে আরো একটা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন যেমন তারা দেখছে তেমনি সামর্থ্যও তাদের রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন

অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে জম্ম নেওয়া ম্যাথিউ মটের কোচিং মূল পেশা। ব্যক্তিগত জীবনে দুই সন্তানের জনক। ছেলে যাই এবং মেয়ে মিলা। দীর্ঘদিনের বান্ধবী টারিন বলকে তিনি জীবন সঙ্গী করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কখনো না খেললেও তিন একজন জনপ্রিয় ক্রিকেটার।

ইংল্যান্ড স্কোয়াড

জস বাটলার (অধিনায়ক), মইন আলি, গাস অ্যাটকিনসন, জনি বেয়ারেস্টো, স্যাম কারান, লিয়াম লিভিংস্টোন, ডেভিড মালান, আদিল রশিদ, জো রুট, হ্যারি ব্রুক, বেন স্টোকস, রিস টপলি, ডেভিড উইলি, মার্ক উড, ক্রিস ওকস।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

জস বাটলার

১৬৯

১৪২

৪৮২৩

১৬২*

৪১.৫৭

১১/২৫

জনি বেয়ারস্টো

৯৮

৮৯

৩৬৫৩

১৪১*

৪৫.০৯

১১/১৫

হ্যারি ব্রুক

১২৩

৮০

২০.৫০

০/১

ডেভিড মালান

২১

২১

১০৪৬

১৩৪

৬১.৫২

৫/৫

জো রুট

১৬২

১৫১

৬২৪৬

১৩৩*

৪৮.৭৯

১৬/৩৬

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

গাস অ্যাটকিনসন

৯৪.০০

০/০

১/২৩

৫.৫২

আদিল রশিদ

১২৬

১৮৪

৩২.৪১

৮/২

৫/২৭

৫.৬৭

রিসি টপলে

২৬

৩৮

২৬.৮১

১/১

৬/২৪

৫.২১

মার্ক উড

৫৯

৭১

৩৭.৮৮

২/০

৪/৩৩

৫.৪২

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

মঈন আলী

১৩২

২২৬০

২৪.৮৩

৩/৬

১২৮

৯৯.৪৭

১০৬

৪৭.৭৬

২/০

৪/৪৬

৫.২৯

স্যাম কুরান

২৬

৩৮৩

২৩.৯৩

০/১

৯৫*

৯৯.৭৩

২৮

৩৬.৭৮

১/১

৫/৪৮

৫.৮৯

লিয়াম লিভিংস্টোন

১৬

৪৩৬

৩৯.৬৩

০/৩

৯৫*

১১৬.৮৯

১০

২৪.২০

০/০

৩/১৬

৫.৪১

বেন স্টোকস

১০৮

৩১৫৯

৪০.৫০

৪/২২

১৮২

৯৬.৩৬

৭৪

৪২.৩৯

১/১

৫/৬১

৬.০৫

ডেভিড উইলি

৬৭

৫৮৫

২৫.৪৩

০/২

৫১

৯৩.৪৫

৮৯

৩০.৫১

৪/১

৫/৩০

৫.৫৭

ক্রিস ওকস

১১৪

১৩৯৩

২৪.৪৩

০/৫

৯৫*

৮৯.৫৮

১৬৩

৩০.০৩

১০/৩

৬/৪৫

৫.৪৩

ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১২
  • চ্যাম্পিয়ন: ২০১৯
  • রানার্স আপ:১৯৭৯, ১৯৮৭, ১৯৯২
  • সেমিফাইনাল: ১৯৭৫, ১৯৮৩
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ১৯৯৬, ২০১১
  • সুপার এইট: ২০০৭
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৯৯, ২০০৩, ২০১৫

সংক্ষেপে ইংল্যান্ডের  বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৮৩

৪৮

৩২

৩৯৭/৬

৯৩

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৩৯৭/৬

জয়

আফগানিস্তান

ম্যানচেস্টার

২০১৯

৩৮৬/৬

জয়

বাংলাদেশ

কার্ডিফ

 ২০১৯

৩৩৮/৮

টাই

ভারত

ব্যাঙ্গালোর

২০১১

৩৩৭/৭

জয়

ভারত

বার্মিংহাম

২০১৯

৩৩৪/৪

জয়

ভারত

লর্ডস

১৯৭৫

৩৩৪/৯

হার

পাকিস্তান

নটিংহাম

২০১৯

৩৩৩/৯

জয়

শ্রীলঙ্কা

টনটন

১৯৮৩

৩২৭/৮

হার

আয়ারল্যান্ড

ব্যাঙ্গালোর

 ২০১১

৩২২/৬

জয়

নিউজিল্যান্ড

দ্য ওভাল

১৯৮৩

৩১১/৮

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

দ্য ওভাল

২০১৯

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

গ্রাহাম গুচ

২১

৮৯৭

১১৫

৪৪.৮৫

জো রুট

১৭

৭৫৮

১২১

৫৪.১৪

ইয়ান বেল

২১

৭১৮

৮১

৩৫.৯০

অ্যালান ল্যাম্ব

১৯

৬৫৬

১০২

৫০.৪৬

গ্রায়েম হিক

২০

৬৩৫

১০৪*

৪২.৩৩

অ্যালেক স্টুয়ার্ট

২৫

৬০৬

৮৮

২৮.৮৫

ইয়ন মরগ্যান

২০

৫৮১

১৪৮

৩৪.১৭

কেভিন পিটারসেন

১৩

৫৭৫

১০৪

৪৭.৯১

জনি বেয়ারস্টো

১১

৫৩২

১১১

৪৮.৩৬

পল কলিংউড

১৮

৪৭৪

৯০

৩৯.৫০

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ইয়ান বোথাম

২২

২২২

৩৩

৭৬২

৩০

৪/৩১

২৫.৪০

ফিল ডিফ্রেইটাস

২২

১৮৭.৫

৩০

৭৪২

২৯

৩/২৮

২৫.৫৮

 জেমস অ্যান্ডারসন

২৫

২০৯

১০৮১

২৭

৪/২৫

৪০.০৩

অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ

১৮

১৩৫.৪

১২

৫৩৪

২৩

৪/৪৩

২৩.২১

ক্রিস ওকস

১৬

১২২.৪

৬৮০

২১

৩/২০

৩২.৩৮

জোফরা আরচার

১১

১০০.৫

৪৬১

২০

৩/২৭

২৩.০৫

বব উইলিস

১১

১১৮.১

২৭

৩১৫

১৮

৪/১১

১৭.৫০

মার্ক উড

১০

৮৯.৪

৪৬৩

১৮

৩/১৮

২৫.৭২

ক্রিস ওল্ড

৯০.৩

১৮

২৪৩

১৬

৪/৮

১৫.১৮

ড্যারেন গফ

১১

৯৯.৪

৪৩০

১৫

৪/৩৪

২৮.৬৬

সময়সূচি