ICC ODI Worldcup 2023
ভারত

Team Image

বিশ্বকাপ জয়ের আশা এবার করতেই পারে ভারত

বিশাল জনসংখ্যার দেশ ভারত ক্রিকেট পাগল এক জাতি। ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপি পরিচিতি করতে তারা প্রতিনিয়ত অবদান রেখে চলেছে। সেই ভারত এবারের বিশ্বকাপের একক আয়োজক।

দশ দেশ নিয়ে আয়োজিত বিশ্বকাপে দেশটি অন্যতম ফেবারিটও বটে। ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই তারা দাপটের সঙ্গে অংশ নিয়েছে। তবে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছে দু’বার। অর্থাৎ ১২ বার অংশ নিয়ে বিশ্বকাপ জয় করেছে দুইবার। ১৯৮৩ সালে কপিল দেবের হাত ধরে প্রথম এবং দ্বিতীয়বার ২০১১ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত ধরে।

দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের পর এক যুগ পার হতে চলেছে। তবে গত দুই আসরে অনেকটা কাছে পৌঁছেও তারা শিরোপার দেখা পায়নি। দুইবারই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। ২০১৫ সালের সেমিফাইনালটা যাই হোক না কেন ২০১৯ সালের সেমিফাইনাল ম্যাচ তাদের এখনো তাড়িয়ে বেড়ায়।

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ডকে ২৩৯ রানে আটকে দিয়ে ফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। তবে নিজেদের ইনিংসের শুরুতেই সেই স্বপ্ন গুড়িয়ে যায় ভারতের। মাত্র ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল তারা।

ম্যাট হেনরি একাই নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। এমন বিপর্যয় সত্ত্বেও মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রবিন্দ্র জাদেজা আশা দেখিয়েছিলেন; কিন্তু শেষ পর্যন্ত শত কোটি ভারতীয়র আশা পূরণ করতে পারেননি। ১৮ রান দূরে রাখতে তাদের লড়াই শেষ হয়ে যায়।

ফলাফল জানাচ্ছে, গত দুই আসার ভারতের জন্য কিছুটা হতাশার। আবার ভিন্নভাবে চিন্তা করলে এবার ভারত আশাবাদী হতেই পারে। কেননা আয়োজক তারা। গত দুই আসরেই যে আয়োজকরা শিরোপা জয় করেছে। একবার ইংল্যান্ড, অন্যবার অস্ট্রেলিয়া। শুধু তাই নয়, ভারত দ্বিতীয়বার যখন বিশ্বকাপ জয় করে তখনো তারা আয়োজক ছিল।

আয়োজক হিসেবে ভারত যেমন আশাবাদী হতে পারে, তেমনি বর্তমান পারফরম্যান্সও তাদের পক্ষে কথা বলছে। আশাহত হওয়ার কোনো কারণ নেই। রোহিত শর্মার দল বর্তমানে দারুণ সময় পার করছে। সর্বশেষ দশ ওয়ানডে সিরিজে তাদের সাফল্যের পতাকা পতপত করে উড়ছে।

সর্বশেষ দশ সিরিজের সাতটিতেই তারা সাফল্যের হাসি হেসেছে। এর মধ্যে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। দেশের বাইরে আবার নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেছে।

এ সময়ে মাত্র দুটো সিরিজ ভারতের দুঃশ্চিন্তার কারণ হয়েছিল। যার একটিতে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। বর্তমান সাকিব আল হাসানের দলের কাছে বাংলাদেশে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-২ ব্যবধানে হেরেছিল। অন্য যে সিরিজটি তাদের জন্য হতাশার ছিল সেখানে প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। এ সিরিজের তারা যে নিজেদের মাটিতে হেরেছিল।

এবারের বিশ্বকাপ সব দলেরই জন্য সমান। কঠিন বা সহজ গ্রুপ বলে কোনো কথা নেই। কেননা অংশ নেওয়া দশ দল নিয়ে একটা মাত্র গ্রুপ। সেখানে সব দলকেই ৯টি করে ম্যাচ খেলতে হবে। সোজা কথায় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলই সব দলের প্রতিপক্ষ। প্রত্যেক দলকে একে অপরকে একবার করে মুখোমুখি হতে হবে। ৫ অক্টোবর থেকে বিশ্বকাপ মূল বাশি বাজলেও ভারতের অভিযান শুরু হচ্ছে তিনদিন পর, অর্থাৎ ৮ অক্টোবর। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

ভারত এরপর একে একে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিফা ও নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে। গ্রুপ পর্বে ভারত তাদের শেষ ম্যাচ খেলবে ১২ নভেম্বর।

বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে গেছে ভারত। দলটিতে রয়েছে দারুণ ভারসাম্য। ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষ বোলারদের শায়েস্তা করতে সদা প্রস্তুত রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, লোকেশ রাহুল, শুভমান গিলের মতো ব্যাটাররা। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের দুঃশ্চিন্তা বাড়াতে আছেন জসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ শামি, কুলদিপ যাদব, মোহাম্মদ সিরাজ, শার্দুল ঠাকুরের মতো বোলাররা। অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া এবং রবিন্দ্র জাদেজাদের যে কেউ একজনই তো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।

Captain Image

রোহিত শর্মা

জম্ম: ৪০ এপ্রিল, ১৯৮৭; বয়স: ৩৬

ব্যাকগ্রাউন্ড

রোহিত শর্মার ক্রিকেট অঙ্গনে আসা অনেকটা নাটকীয় বলা যায়। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে জম্ম নেওয়া রোহিত শর্মার বাবা ছিলেন দরিদ্র এক শ্রমিক। ফলে তার বেড়ে ওঠা দাদার বাড়িতে। ১৯৯৯ সালে একটা ক্রিকেট ক্যাম্পে যোগ দেন তিনি। সেখানকার কোচ তাকে দেখে বুঝতে পারেন এ ছেলের মধ্যে আগুন আছে। সে কারণে তাকে বর্তমান স্কুলের তুলনা অনেক বেশি সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন স্কুল স্বামী বিবেকানন্দ স্কুলে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

কিন্তু অর্থের অভাবে রোহিত শর্মা সে প্রস্তাব বাতিল করে দেন। তবে তার কোচ হাল ছাড়ার পাত্র ছিলেন না। তার জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেন। ফলে কোনোরকম অর্থ ব্যয় ছাড়া ভালো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। রোহিত শর্মা একজন অফ স্পিনার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। কিন্তু কোচ তার মধ্যে ভালো একজন ব্যাটারের ছায়া দেখতে পান। তাইতো ব্যাটিং পজিশন আট থেকে এক লাফে চারে চলে আসেন।

অধিনায়কত্ব

২০২১ সালে টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর সে সময়ের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে সরিয়ে রোহিত শর্মার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। হঠাৎ করে রোহিত দায়িত্ব পান তা নয়, আবার অনভিজ্ঞও ছিলেন তা নয়। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে নিয়মিত নেতৃত্ব দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, দলকে এনে দিয়েছেন শিরোপাও। তাছাড়া জাতীয় দলে নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে দল পরিচালনার দায়িত্বটা তার কাঁধেই এসে পড়তো। সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত শর্মা ভারতের সবচেয়ে সফল অধিনায়কও বটে।

যত সাফল্য

ক্রিকেট ক্যারিয়ারে একের পর একসাফল্য ধরা দিয়েছে রোহিত শর্মার হাতে। তিনবার এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। একবার করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছেন। ২০১৯ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটের বর্ষসেরা নির্বাচিত হন তিনি। ২০২১ সালে টেস্ট টিম অব দ্য ইয়ার হন। আর তার দল ২০১১-২০২০ সালের ওডিআই ও টি টোয়েন্টিতে টিম অব দ্য ডিকেড নির্বাচিত হয়। ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখায় ২০১৫ সালে তিনি অর্জুন অ্যাওয়ার্ড পান।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

ক্রিকেটে রেকর্ড ও রোহিত শর্মা যেনো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। রেকর্ড আর রেকর্ডে সমৃদ্ধ রোহিত শর্মার ক্রিকেট ক্যারিয়ার। ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি রোহিত শর্মার দখলে। সেই ইনিংসটি ২৬৪ রানের। ২০১৪ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে খেলেছিলেন সেই মারদাঙ্গা ইনিংসটি। অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (২০৮*) রানও তার।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে রোহিত শর্মা বিবাহিত। ২০১৫ সালে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রীর নাম রিতিকা সাজদেহ। তাদের পরিবার আলো করে আছে এক কন্যা সন্তান। ২০১৮ সালে জম্ম তার। বাণিজ্যিকভাবে রোহিত শর্মা সিয়াট ও সুইজারল্যান্ডের ঘড়ি নির্মাণ কোম্পানী হাবলটের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। এছাড়া অনেক নামীদামী ব্রান্ডের সঙ্গেও কাজ করেছেন। যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ম্যাগি, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি, নিশান, অ্যাডিডাস ও অপ্পো মোবাইল।

Coach Image

রাহুল দ্রাবিড়

জম্ম: ১১ জানুয়ারি ১৯৭৩, বয়স: ৫০

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ২০১৪ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল রাজস্থান রয়্যালসের মেন্টর হিসেবে কাজ শুরু করেন রাহুল দ্রাবিড়। পাশাপাশি তিনি জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যান। শুরুতে অর্থাৎ ২০১৪ ভারতের ইংল্যান্ড সফরে ভারতীয় দলের মেন্টর হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। পরের বছর ভারত অনুর্ধ্ব-১৯ ও ভারত 'এ' দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ শুরু করেন।

সেখানে তিনি বর্তমানে জাতীয় দলে খেলা ঋষভ পন্ত, ঈষান কিষাণ ও ওয়াশিংটন সুন্দরের সঙ্গে কাজ করেছেন। কোচিংয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দলে বিশেষ করে আইপিএলের একাধিক দলের সঙ্গে মেন্টরের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাফল্যের সঙ্গে চার বছর জুনিয়র দলের দায়িত্ব পালনের পর ২০১৯ ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর প্রধান কোচ নিযুক্ত হন তিনি। আর ২০২১ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় মিস্টার ডিপেন্ডাবল খ্যাত দ্রাবিড়ের হাতে।

সাফল্য

জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েই সাফল্যের দেখা পান রাহুল দ্রাবিড়। ২০২১ সালের নভেম্বরে ভারত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজে অংশ নেয়। টি-টোয়েন্টি ৩-০ ব্যবধানে এবং টেস্ট ১-০তে জয় পায় দ্রাবিড়ের দল। এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয় করে ভারত। সাফল্য আর ব্যর্থতা মুদ্রার এপিঠঠ-ওপিঠ।

টি-২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে হার যেমন সঙ্গী হয়েছে তেমনি আছে, ২০২২ সালের এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের ঘটনা। পাকিস্তান ও হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোরে পৌঁছেছিল ভারত, তবে সেখানে এক জয়ের বিপরীতে দুই হার সঙ্গী হয়েছিল ভারতের। ফলে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল থেকে বিদায়ও সঙ্গী হয়েছে দ্রাবিড়ের।

ব্যক্তিগত জীবন

রাহুল দ্রাবিড় ২০০৩ সালের ৪ মে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী পেশায় একজন ডাক্তার। পারিবারিক জীবনে দ্রাবিড় দুই সন্তানের পিতা। বিয়ের দুই বছরের মাথায় তাদের পরিবারে প্রথম সন্তান জম্ম নেয়। সমিত তার নাম। ২০০৯ সালে দ্বিতীয় সন্তান আনভে জম্ম নেয় আনভে।

ভারতীয় স্কোয়াড

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক),শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আয়ার, লোকেশ রাহুল, ইশান কিশান, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া (সহ-অধিনায়ক), রবিন্দ্র জাদেজা, কুলদিপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ শামি, শার্দুল ঠাকুর, জসপ্রিত বুমরাহ।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

রোহিত শর্মা

২৫১

২৪৩

১০১১২

২৬৪

৪৮.৮৫

৩০/৫২

ইষান কিশান

২৫

২২

৮৮৬

২১০

৪৪.৩০

১/৭

শ্রেয়াস আইয়ের

৪৭

৪২

১৮০১

১১৩*

৪৬.১৭

৩/১৪

বিরাট কোহলি

২৮১

২৬৯

১৩৯৫০

১৮৩

৫৭.৮৩

৪৭/৬৬

লোকেশ রাহুল

৬১

৫৮

২২৯১

১১২

৪৭.৭২

৬/১৫

শুভমান গিল

৩৫

৩৫

১৯১৭

২০৮

৬৬,.১০

৬/৯

সূর্যকুমার যাদব

৩০

২৮

৬৬৭

৭২*

২৭.৭৯

০/৪

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

জসপ্রিত বুমরাহ

৭৮

১২৯

২৪.৩১

৫/২

৬/১৯

৪.৬৭

কুলদীপ যাদব

৯০

১৫২

২৫.৬২

৭/২

৬/২৫

৫.১৩

মোহাম্মদ শামি

৯৪

১৭১

২৫.৫০

৯/২

৫/৫১

৫.৫৭

মোহাম্মদ সিরাজ

৩০

৫৪

২০.০১

২/১

৬/২১

৪.৮৭

শার্দুল ঠাকুর

৪৪

৬৩

৩০.৩৪

৩/০

৪/৩৭

৬.২৪

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

হার্দিক পান্ডিয়া

৮২

১৭৫৮

৩৩.৮০

০/১১

৯২*

১১০.২১

৭৯

৩৬.০৩

১/০

৪/২৪

৫.৫১

রবিচন্দ্রন অশ্বিন

১১৫

৭০৭

১৬.৪৪

০/১

৬৫

৮৬.৯৬

১৫৫

৩৩.২০

১/০

৪/২৫

৪.৯৪

রবিন্দ্র জাদেজা

১৮৬

২৬৩৬

৩২.১৪

০/১৩

৮৭

৮৪.৪৩

২০৪

৩৬.৯৫

৭/১

৫/৩৬

৪.৯২

 

ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারত : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১২
  • চ্যাম্পিয়ন: ১৯৮৩, ২০১১
  • রানার্স আপ: ২০০৩
  • সেমিফাইনাল: ১৯৮৭, ১৯৯৬, ২০১৫, ২০১৯
  • কোয়ার্টার ফাইনাল:
  • সুপার এইট: ১৯৯৯
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ২০০৭

সংক্ষেপে ভারতের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৮৪

৫৩

২৯

৪১৩/৫

১২৫

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৪১৩/৫

জয়

বারমুডা

পোর্ট অব স্পেন

২০০৭

৩৭৩/৬

জয়

শ্রীলঙ্কা

টনটন

১৯৯৯

৩৭০/৪

জয়

বাংলাদেশ

মিরপুর

২০১১

৩৫২/৫

জয়

অস্ট্রেলিয়া

দ্য ওভাল

২০১৯

৩৩৮

টাই

ইংল্যান্ড

ব্যাঙ্গালোর

২০১১

৩৩৬/৫

জয়

পাকিস্তান

ম্যানচেস্টার

২০১৯

৩২৯/২

জয়

কেনিয়া

ব্রিস্টল

১৯৯৯

৩১৪/৯

জয়

বাংলাদেশ

বার্মিংহাম

২০১৯

৩১১/২

জয়

নামিবিয়া

পিটারমারিতজবার্গ

২০০৩

৩০৭/৭

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

মেলবোর্ন

২০১৫

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

শচীন টেন্ডুলকার

৪৫

২২৭৮

১৫২

৫৬.৯৫

১৫

বিরাট কোহলি

২৬

১০৩০

১০৭

৪৬.৮১

সৌরভ গাঙ্গুলি

২১

১০০৬

১৮৩

৫৫.৮৮

রোহিত শর্মা

১৭

৯৭৮

১৪০

৬৫.২০

রাহুল দ্রাবিড়

২২

৮৬০

১৪৫

৬১.৪২

বিরেন্দর শেবাগ

২২

৮৪৩

১৭৫

৩৮.৩১

মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

৩০

৮২৬

৯৩

৩৯.৩৩

মাহেন্দ্র সিং ধোনি

২৯

৭৮০

৯১*

৪৩.৩৩

যুবরাজ সিং

২৩

৭৩৮

১১৩

৫২.৭১

কপিল দেব

২৬

৬৬৯

১৭৫*

৩৭.১৬

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

জহির খান

২৩

১৯৮.৫

১২

৮৯০

৪৪

৪/৪২

২০.২২

জাভাগাল শ্রীনাথ

৩৪

২৮৩.২

২১

১২২৪

৪৪

৪/৩০

২৭.৮১

মোহাম্মদ শামি

১১

৯৬.১

৪৮৭

৩১

৫/৬৯

১৫.৭০

অনিল কুম্বলে

১৮

১৭৩.১

৭০৮

৩১

৪/৩২

২২.৮৩

কপিল দেব

২৬

২৩৭

২৭

৮৯২

২৮

৫/৪৩

৩১.৮৫

মনোজ প্রভাকর

১৯

১৪৫.১

১০

৬৪০

২৪

৪/১৯

২৬.৬৬

মদন লাল

১১

১১৬.২

১২

৪২৬

২২

৪/২০

১৯.৩৬

যুবরাজ সিং

২৩

৯২.৩

৪৬২

২০

৫/৩১

২৩.১০

হরভজন সিং

২১

১৯২.২

৮০৮

২০

৩/৫৩

৪০.৪০

রজার বিনি

৯৫

৩৮২

১৯

৪/২৯

২০.১০

 

সময়সূচি