ICC ODI Worldcup 2023
নেদারল্যান্ডস

Team Image

চূড়ান্ত পর্বে আসাটাই বড় সাফল্য

নেদারল্যান্ডসের পুরুষ জাতীয় ক্রিকেট দলকে 'দ্য ফ্লাইং ডাচমেন' বলে ডাকা হয়। তবে মাঠের পারফরম্যান্স তেমন উড়ন্ত হয়। অথচ একটা সময় দেশটির প্রধান খেলা ছিল এই ক্রিকেট। কিন্তু বর্তমানে ফুটবল এবং হকির দাপটে সেখানে ক্রিকেটের অবস্থা বেশ নাজুক। যদিও বর্তমানে ক্রিকেট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশটিতে এখন প্রায় ছয় হাজার ক্রিকেটার রয়েছে।

১৯ শতকে ব্রিটিশ সেনারা নেদারল্যান্ডসে ক্রিকেট খেলা প্রচলন করে। ১৮৯৪ সালে নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেট দল ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিল। সেখানে তারা লর্ডসে এমসিসি দলের বিপক্ষে একটা ম্যাচ খেলে। ম্যাচটিতে এমসিসি ইনিংস ও ১৬৯ রানে জয় পায়।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে যে কয়টি দল অংশ নিচ্ছে তাদের মধ্যে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়েছে দুটো দলকে। তাদের মধ্যে একটি হচ্ছে নেদারল্যান্ডস। যোগ্যতার পরীক্ষা দিয়েই পেতে হয়েছে বিশ্বকাপের টিকিট। নেদারল্যান্ডসের জন্য এ ই পরীক্ষাটা মোটেও সহজ বিষয় ছিল না। কেননা প্রতিপক্ষ হিসেবে যারা ছিল তারা যথেষ্ঠ সমীহ জাগানো। এক সময় বিশ্ব কাঁপানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর চমক জাগানো জিম্বাবুয়ে।

নেদারল্যান্ডসের ভাগ্য ভালোই বলতে হবে। কেননা এমন সময় তারা যোগ্যতার পরীক্ষায় নেমেছিল যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে অতীতরে ছায়া মাত্র। তাইতো তাদের জন্য পথটা তুলনামূলক মৃসণ হয়েছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে লড়তে হয়েছে তাদের। শেষ পর্যন্ত কঠিন পরীক্ষায় পাশ করে ইউরোপের এই দেশটি বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়।

আইসিসি ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে নেদারল্যান্ডস চতুর্দশ স্থানে। র্যাংকিংয়ে তাদের ওপরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে, স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডকে টপকে তারা বিশ্বকাপে জায়গা পায়। ওয়ানডে ক্রিকেটে নেদারল্যান্ড এ পর্যন্ত ১১৪ ম্যাচ খেলে ৩৯ ম্যাচে হেরেছে ৬৯ ম্যাচে। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কোনো জয় পায়নি। বিশ্বকাপে খেলা শুধু বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে হারানোর অভিজ্ঞতা আছে তাদের। সেই অভিজ্ঞতাকে আরো সমৃদ্ধ করতে ব্যাটিংয়ে আলো ছড়াবেন ওয়েসলি বারেসি, বাস ডি লিডি, বিক্রমজিৎ সিং। আর বল হাতে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের পরীক্ষা নেবেন লগান ফন বিক, রায়ান ক্লেইন, ক্লেটন ফ্লয়েডরা।

ওয়ানডে ক্রিকেটে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ২০১০ সালের ২০ জুলাই স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়েছিল। ৩০ ওভারে ৭ উইকেটে বাংলাদেশের করা ১৯৯ রানের জবাবে তারা ২৮.৫ ওভারে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে গিয়েছিল।

সর্বশেষ দশটা দ্বিপাক্ষিক বা ত্রি-দেশীয় টুর্নামেন্টে নেদারল্যান্ডসের পারফরম্যান্স স্বস্তিদায়ক নয়। দশ সিরিজের মধ্যে দুটোতে জয় তাদের। এই দুই জয় এসেছে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। এ সময়ে তারা হেরেছে আফগানিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ে (বিশ্বকাপে জায়গা পায়নি) ছাড়া সব দলের বিপক্ষে তাদের খেলতে হবে।

নেদারল্যান্ডস এবার নিয়ে পঞ্চমবার বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। পরাশক্তিদের ভিড়ে তাদের পক্ষে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মঞ্চে কিছুই করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবারই তারা গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেশির ভাগ সময় হারের তিক্ত স্বাদ হজম করেছে। ২০ ম্যাচের বিপরীতে তাদের জয় মাত্র দুইটি।

বিশ্বকাপে শুরুতেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখে পড়ছে নেদারল্যান্ডস। আসলে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দশ দলের মধ্যে নেদারল্যান্ডস বাদে সবগুলো দেশই শক্তিশালী। ফলে তাদের জন্য প্রতিটা ম্যাচই কঠিন পরীক্ষা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা। এরপর একে একে তারা মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ইংল্যান্ড ও ভারতের। ১২ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ তাদের। এই ম্যাচ দিয়ে এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব শেষ হবে।

Captain Image

স্কট এডওয়ার্ডস

জম্ম: ২৩ আগস্ট, ১৯৯৬; বয়স: ২৭

ব্যাকগ্রাউন্ড

ওশেনিয়ার টোঙ্গাতে স্কট এডওয়ার্ডসের জম্ম হলেও তিনি বেড়ে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়াতে। সেখানে তারা বাবা কাজ করতেন। পড়াশোনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এমাউস কলেজে। তার দাদী ডাচ হওয়াতে স্কটের রয়েছে দ্বৈত নাগরিকত্ব। অনেকটা নাটকীয়ভাবে স্কটের ক্রিকেটে আসা। শিক্ষানবীস ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।

২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় স্কট এডওয়ার্ডসের। আইসিসি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি।

অধিনায়কত্ব

২০২১ সালের জুনে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব পান স্কট এডওয়ার্ডস। নেতৃত্ব পেয়েই ২০২১ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দেন। তার নেতৃত্বে গত বছরের জুলাইতে টি-২০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের সেমিফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারায়।

যত সাফল্য

স্কট এডওয়ার্ডসে সবচেয়ে বড় সাফল্য দলকে বিশ্বকাপে পৌঁছে। বাছাই পর্বের বিশাল বৈতরণী পার হয়ে হয়েছে তাদের। তার নেতৃত্বে বাছাই পর্বে রানার্স আপ হয় নেদারল্যান্ডস। প্রতিপক্ষ ছিল সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে টানা তিন ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

ছোটো দলের খেলোয়াড় হলেও স্কট এডওয়ার্ডসের বেশ কিছু কীর্তি রয়েছে। সিরিজ ২০০ রান ও ১০ ডিসমিসাল করার রেকর্ড রয়েছে তারা। উইকেটরক্ষক হিসেবে এক সিরিজে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় আছেন তিনি। টি-টেন ক্রিকেটে স্কটের রয়েছে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। ৩৯ বলে ১৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন

এডওয়ার্ড স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টে ডিয়াকিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

Coach Image

রায়ান টেন ডেসকাট

জন্ম: ৩০ জুন, ১৯৮০; বয়স: ৪৩

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

রায়ান টেন ডেসকাটের কোচিং ক্যারিয়ারটা খুবই ছোট। বয়স তার ৪৩ হলেও খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডে ক্যারিয়ারটা মোটেও দীর্ঘ নয়। মাত্র ছয় বছরের। ২০০৫ সালে শুরু হয়ে ২০১১ সালে শেষ করতে হয়। তবে টি-টোয়েন্টিতে মাঠ দাপিয়েছেন ২০২১ সাল পর্যন্ত।

দক্ষিণ আফ্রিকায় জম্ম নেওয়া ডেসকাটের ক্রিকেট ক্যারিয়াটা শুরু হয়েছিল দেরিতেই। কোচিং ক্যারিটারটা কেবলই শুরু করেছেন। আইপিএলের সাবেক এই ক্রিকেটার তার দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি কাউন্টি দল কেন্টের ব্যাটিং কোচ ছিলেন।

সাফল্য

ছোট দেশের ক্রিকেটার হলেও দারুণ দুটো কীর্তি রয়েছে ডেসকার্টের। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের গড় সবথেকে বেশি তার, ৬৭। আর ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা দারুণভাবে রাঙিয়ে গেছেন। করেছিলেন ১০৬। এমন কীর্তি খুব কম ব্যাটারের ক্ষেত্রেই ঘটে।

সম্ভাবনা

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিতে বাছাই পর্বের কঠিন বাধা পার হতে হয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। বাছাই পর্ব উত্তীর্ণ হওয়া দুই দলের একটি তারা। ভালো খেলার যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে। একাধিক জয় পাওয়া সামর্থ্য রাখে দলটি।

ব্যক্তিগত জীবন

কেপটাউনের নিকটবর্তী শহর গুডউডের ফেয়ারব্রেইন কলেজে লেখাপড়া করেছেন রায়ান টেন ডেসকাট। ব্যক্তিগত জীবনে দারুণ আমুদে তিনি। যখনই সুযোগ পান তখনই মাঠে নেমে পড়েন। তবে ক্রিকেট মাঠে নয়, গলফ কোর্টে। একটা সময় রাগবিও খেলেছেন তিনি।

নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড

স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক), বিক্রমজিত সিং, কলিন অ্যাকারম্যান, শারিজ আহমেদ, ওয়েসলি বারেসি, লোগান ফন বিক, আরিয়ান দত্ত, সিব্র্যান্ড অ্যাঙ্গেলব্রেখট, রায়ান ক্লেইন, বাস ডি লিডি, পল ফন মিকেরেন, রোয়েলফ ফন ডার মারউই, তেজা নিদামানুরু, ম্যাক্স ও'দাউদ ও সাকিব জুলফিকার।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

স্কট এডওয়ার্ডস

৩৮

৩৫

১২১২

৮৬

৪০.৪০

০/১৩

ম্যাক্স ও’ডোউড

৩৩

৩৩

১১৫৮

৯০

৩৭.৩৫

০/১০

বাস ডি লিডি

৩০

২৯

৭৬৫

১২৩

২৭.৩২

১/২

বিক্রমাজিত সিং

২৫

২৫

৮০৮

১১০

৩২.৩২

১/৪

তেজা নিদামানুরু

২০

২০

৫০১

১১১

২৯.৪৭

২/২

ওয়েসলে বারেসি

৪৫

৪৪

১১৯৩

১৩৭*

৩০.৫৮

১/৮

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

পল ফন মিকেরেন

১৩

১৫

৩৬.০০

০/০

২/২৮

৫.৫৬

লোগান ফন বিক

২৫

৩৪

৩৩.৪১

২/০

৪/২৪

৫.২৯

আরয়ান দূত

২৫

২০

৪৮.২৫

০/০

৩/৩১

৫.১৭

রায়ান ক্লেইন

১২

১২

৪০.০০

০/০

২/৩১

৫.০২

শারিজ আহমদ

১১

১৩

৩১.০৭

০/১

৫/৪৩

৬.২৪

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

কলিন অ্যাকারমান

২১১

৩৫.১৬

০/২

৮১

৭৫.৩৫

৫৪.২৫

০/০

২/৫১

৪.৯৩

রোয়েলফ ফন ডার মারউই

১৬

৯৬

১৯.২০

০/১

৫৭

১০১.০৫

১৯

৩৬.০৫

০/০

৩/২৭

৪.৯৮

সাকিব জুলফিকার

১৩

১৮১

১৬.৪৫

০/০

৩৪*

৬৭.৫৩

৩৭.০০

০/০

২/৪৩

৬.২৯

 

ওয়ানডে বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ৪
  • চ্যাম্পিয়ন: নাই
  • রানার্স আপ: নাই
  • সেমিফাইনাল: নাই
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: নাই
  • সুপার এইট: নাই
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৯৬, ২০০৩, ২০০৭, ২০১১

সংক্ষেপে নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৯৬-২০১১

২০

১৮

৩১৪/৪

১১৫

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৩১৪/৪

জয়

নামিবিয়া

ব্লুমফন্টেইন

২০০৩

৩০৬

হার

আয়ারল্যান্ড

ইডেন গার্ডেনস

২০১১

২৯২/৬

হার

ইংল্যান্ড

নাগপুর

২০১১

২৩০/৬

হার

ইংল্যান্ড

পেশোয়ার

১৯৯৬

২১৬/৯

হার

আরব আমিরাত

লাহোর

১৯৯৬

২০২/৯

হার

জিম্বাবুয়ে

বুলাওয়া

২০০৩

১৮৯

হার

ভারত

দিল্লি

২০১১

১৮৮/৭

হার

নিউজিল্যান্ড

ভাদোদারা

১৯৯৬

১৬৮/৮

হার

দক্ষিণ আফ্রিকা

রাওয়ালপিন্ডি

১৯৯৬

১৬০

হার

বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম

২০১১

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সেরা ১০ ব্যাটার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

রায়ান টেন ডেসকাট

৪৩৫

১১৯

৬২.১৪

উন নুর্টভিক

৩২২

১৩৪*

৪৬.০০

টম ডি লিডি

১৪

২২৩

৫৮*

১৮.৫৮

পিটার বোরেন

১৯৯

৮৪

২৮.৪২

ঊাস জুইডেরেন্ট

১৮

১৯৬

৫৪

১২.২৫

টম কুপার

১৭৪

৫৫*

৩৪.৮০

ডান ফন বাঙ্গে

১৭৩

৬২

২৪.৭১

পিটার ক্যানট্রেল

১৬০

৪৭

৩২.০০

ফেইকো ক্লোপেনবার্গ

১৫৮

১২১

৩১.৬০

ওয়েসলে বারেসি

১৫৩

৪৪

২৫.৫০

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের  সেরা ১০ বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

টম ডি লিডি

১৪

৯০.৫

৫৪৪

১৪

৪/৩৫

৩৮.৮৫

রায়ান টেন ডেসকাটে

৭২

৪৭৩

৩/৭২

৫২.৫৫

পিটার সিলার

৫৯.৪

৩০৬

৩/৪৫

৩৮.২৫

ফেইকো ক্লোপেনবার্গ

৩৮.২

১৬৮

৪/৪২

২৪.০০

রোল্যান্ড লেফেব্রে

৭৫

২৭৩

২/৩৮

৩৯.০০

ডান ফন বাঙ্গে

১৭.১

১৪৫

৩/১৬

২৪.১৬

আদিল রাজা

৪৫.৪

২৫৯

৪/৪২

৪৩.১৬

স্টিভেন লুবার্স

৩৬

১৮৭

৩/৪৮

৩৭.৪০

মুদাসসর বুখারি

৪৮

২৫২

২/৬৫

৫০.৪০

বিলি স্টেলিং

১৬

৫৫

৩/১২

১৩.৭৫

টম কুপার

২৭.২

১৫৩

২/৩১

৩৮.২৫

 

সময়সূচি