ICC ODI Worldcup 2023
নিউজিল্যান্ড

Team Image

এবার পারবে কি নিউজিল্যান্ড?

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডকে একটি অভাগা দল বললে বেশি বলা হবে না। সত্যিই খুব অভাগা। চমৎকার সব খেলোয়াড় সমম্বয়ে গড়া দল নিয়ে তারা বিশ্বকাপ খেলতে আসে; কিন্তু সাফল্যের দেখা মেলে না। সাফল্য তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলায় মাতে। একটা সময় তো কিউইদের বলা হতো সেমিফাইনালের দল। সামর্থ্য থাকলেও সেমিফাইনাল থেকে ওপরে ওঠা সম্ভবত হতো না তাদের। সে অবস্থা থেকে মুক্তি মিলেছে। এখন তারা ফাইনালিস্ট। সর্বশেষ দুই আসরের ফাইনালিস্ট তারা।

নিউজিল্যান্ড হয়তো ভাগ্যের সহায়তা পাচ্ছে না। সে কারণেই হয়তো একের পর এক আসরে সম্ভাবনা তৈরি করেও শিরোপা হাতে তুলে নিতে সক্ষম হচ্ছে না।

গত ছয় বিশ্বকাপের পাঁচটিতেই সেমিফাইনাল খেলেছে নিউজিল্যান্ড। গত দুই আসরের আগ পর্যন্ত ছয়বার তারা শেষ চারে উঠেছিল। আর গত দুই আসরে খেলেছে ফাইনালে। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের কথা তো তারা চিন্তাই করতেই চাইবে না। চিন্তা করলেই যে শুধু আফসোস বাড়বে!

গত বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যায় নিউজিল্যান্ড। ভাগ্য আর নিয়মের বেড়াজালে আটকা পড়ে তারা। ৫০ ওভারে দুই দল স্কোরকার্ডে সমান ২৪১ রান করে তুলেছিল। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

সেখানেও দুই দলের রান সময়। ইংল্যান্ড করেছিল কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৫ রান। জবাব দিতে নেমে নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল শেষ বলে হলেন রান আউট। ফলে এখানেও টাই। শেষ পর্যন্ত অদ্ভূত এক নিয়মে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলো ইংল্যান্ড। ফলে ফল বিবেচনায় এসেছিল বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা। ওভার বাউন্ডারির সংখ্যা সমান ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ডের বাউন্ডারি সংখ্যা বেশি থাকায় (২৬-১৭) হতাশ হতে হলো নিউজিল্যান্ডকে।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে নিউজিল্যান্ডের র‌্যাংকিংটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। চার নম্বর থেকে তারা চলে গেছে ৬ নম্বরে। তবে সর্বশেষ দশ সিরিজের তাদের সাফল্য ঈর্ষনীয়। দশ সিরিজের সাতটিতেই জয় কিউেইদের।

এ সময় তারা হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাকে। হেরেছে ভারত, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে। তিনটিই ছিল অ্যাওয়ে সিরিজ। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের সিরিজে হেরেছিল ১-৪ ব্যবধানে। তবে পাকিস্তানকে আগের সিরিজে তাদের মাটিতেই হারিয়েছিল ২-১ ব্যবধানে।

গতবারের ফাইনালিস্ট দলটি এবারের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামছে। প্রতিপক্ষ সেই ইংল্যান্ড। যাদের কাছে হেরে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল। এরপর একে একে তারা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডস, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার। ৯ নভেম্বর বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে তাদের গ্রুপ পর্ব।

নিউজিল্যান্ডের অবশ্য এ উপমহাদেশে বিশ্বকাপের রেকর্ডটা তেমন সমৃদ্ধ নয়। সব মিলিয়ে দেশটি আটবার সেমিফাইনাল খেলেছে। কিন্তু একবারই এ উপমহাদেশের টুর্নামেন্টে তারা শেষ চারে পৌঁছানোর কৃতিত্ব দেখায়। ২০১১ সালের ঘটনা সেটি। যদিও পরের দুবারই তারা ফাইনালিস্ট।

বর্তমান নিউজিল্যান্ড দলটিকে একঝাঁক ঝলমলে তারকা রয়েছে। অসাধারণ সব ব্যাটার দলটিকে আশাবাদী করে তুলেছে। উইল ইয়ং, ডেভন কনওয়ে, কেন উইলিয়ামসন, গ্লেন ফিলিপস, টম ল্যাথামরা যে কোনো দলের হাল ধরতে পারেন। দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য যে তাদের আছে তার প্রমাণ দিয়েছেন বারবার।

বল হাতে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত লকি ফার্গুসন, মিচেল সান্তনার, ট্রেন্ট বোল্ট, ম্যাট হেনরি, ইস শোধি, টিম সাউদির মতো বিশ্বমানের বোলাররা। অলরাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন ড্যারিল মিচেল, মার্ক চাপম্যান, জেমস নিশাম, রাচিন রবিন্দ্ররা।

২০১৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড ৮৯ ম্যাচ খেলে ৫৪ ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছে। হেরেছে ৩৩ ম্যাচে। তাদের চেয়ে বেশি ম্যাচ জিতেছে শুধু অস্ট্রেলিয়া। কিউইদের খেলা ওয়ানডে ম্যাচের সংখ্যা ৭৯৭। ৩৬৬ ম্যাচে জয়, হার ৩৮২ ম্যাচে।

অতীত পারফরম্যান্সের বিচারে নিউজিল্যান্ড এবার আশাবাদী হতেই পারে। একটা সময় তারা সেমিফাইনালের বেশি যেতে পারেনি। সেই অবস্থা পেছনে ফেলে গত দুই আসরে তারা ফাইনাল খেলেছে। আর সবশেষ আসরে যা হয়েছে তাকে দুর্ভাগ্যই বলা যায় শুধু। এবার ভাগ্যের একটু সহায়তা পেলে হয়তো কাপ তাদের হাতেই দেখা যেতে পারে।

Captain Image

কেন উইলিয়ামসন

জম্ম: ৮ আগস্ট ১৯৯০; বয়স: ৩৩ বছর।

ব্যাকগ্রাউন্ড

১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের তাউরাঙ্গাকে এক ক্রীড়ামোদী পরিবারে জম্ম উইলিয়ামসনের। তার বাবা খেলতেন ক্রিকেট, আর মা বাস্কেটবল। উইলিয়ামসেনর তিন বোন-তারাও বাস্কেটবল খেলোয়াড়। তাদের দুইজন আবার জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত। এমন অবস্থায় উইলিয়মাসনের বাস্কেটবল নিয়ে এগিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তার এক কাজিন জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় ছিলেন। তারই হাত ধরে ক্রিকেটে হাতেখড়ি উইলিয়ামসেনর। অনুর্ধ্ব-১৪ ও ১৬ দলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন উইলিয়ামসন। আর স্কুল ক্রিকেটে তো রাজা ছিলেন তিনি। স্কুল ছাড়ার আগে তার নামের পাশে জ্বলজল করছিলো ৪০টি সেঞ্চুরি।

অধিনায়কত্ব

ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অবসরে কেন উইলিয়ামসেনর হাতে নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়। টি-২০ বিশ্বকাপ দিয়ে তার নেতৃত্ব শুরু হয়। তবে এবারের বিশ্বকাপে খেলারই সম্ভাবনা ছিল না কেন উইলিয়ামসনের। ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। দলে থাকতে পারবেন কিনা তা নিয়ে নির্বাচকরা অস্বস্তিতে ছিলেন। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে তার হাতে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

যত সাফল্য

২০২১ সালে ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ড প্রথম আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করে। নেতৃত্ব কাঁধে নিয়েই কেন উইলিয়ামসন টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেয়। তার নেতৃত্বে নিউজিল্যান্ড টানা তৃতীয়বারের মতো আইসিসি টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলে। সেমিফাইনালে তারা ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল। ফাইনালে উইলিয়ামসন অসাধারণ এক ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। ৪৮ বলে খেলেছিলেন ৮৫ রানের ঝলমলে ইনিংস। টুর্নামেন্টে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান এসেছিল তার ব্যাট থেকে।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

নেতৃত্ব পেয়েই আলো ছড়াতে শুরু করেন কেন উইলিয়ামসন। টি-২০ বিশ্বকাপে ক্রিকইনফো এবং ক্রিকবাজ তাকে টিম অব দ্য টুর্নামেন্টের অধিনায়ক নির্বাচন করেন। একই বছর তিনি নিউজিল্যান্ডের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। একই বছর বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারও হন তিনি। টানা দ্বিতীয় বছর তিনি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট রেডপাথ কাপের সর্বাধিক রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিকেট মাঠে সব কাজ ডান হাতে করেন কেন উইলিয়ামসন। তবে লেখালেখির কাজটা তিনি বাম হাতে করেন। তিনি দুই সন্তানের জনক। এক ছেলে এক মেয়ে তার স্ত্রীর নাম সারা রহিম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যথেষ্ঠ মানবিকতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা সিরিজ থেকে পাওয়া সমুদয় অর্থ তিনি সে সময়ে পেশোয়ার স্কুলে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় দান করে দিয়েছিলেন।

Coach Image

গ্যারি স্টিড

জম্ম: ৯ জানুয়ারি ১৯৭২, বয়স: ৫১।

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

২০১৮ সালের আগষ্টে নিজ দেশের দায়িত্ব নেন গ্যারী স্টিড। ক্রিকেট ক্যারিয়ারটা খুব বেশি সমৃদ্ধ ছিল না তার। মাত্র ৫ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ার। তবে কখনো সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হননি। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ভালো না করতে পারায় আর সুযোগ পাননি। পরবর্তীতে কোচিং পেশার সঙ্গে জড়িত হন। নিউজিল্যান্ডের নারী দলের কোচ হন। তারপর আসেন পুরুষ দলের কোচের দায়িত্বে।

সফলতা

নারী দলের হয়ে সাফল্য অর্জনের পর পুরুষ দলের হয়েও সাফল্যের দেখা পেয়েছেন গ্যারি স্টিড। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে রানার্স আপ হয় তার দল। চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সুযোগ ছিল। ফাইনাল ম্যাচ টাই হওয়ার পর গ্যারি স্টিড যুগ্ম চ্যাম্পিয়নের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু আইসিসি সুপার ওভার বেছে নেয়। সেখানে হেরে যায় নিউজিল্যান্ড।

সম্ভাবনা

বর্তমান রানার্স আপ দল, র্যাংকিয়েও ভালো অবস্থানে। টম লাথামের নেৃতত্বাধীন এক ঝাঁক চমৎকার ক্রিকেটোর রয়েছে তার অধীনে। গত আসরের অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে তাদের মাঝে আগুনটা যে জ্বালিয়ে দেবেন গ্যারি স্টিড তা স্বাভাবিক। সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলে অপেক্ষার অবসান হতে পারে নিউজিল্যান্ডের।

ব্যক্তিগত জীবন

গ্যারি স্টিড তার ব্যক্তিগত জীবনকে তেমন একটা প্রকাশ্যে আনেননি। সে কারণে তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু জানা যায় না।

নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড

কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), ট্রেন্ট বোল্ট, মার্ক চাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, লকি ফার্গুসন, ম্যাট হেনরি, টম ল্যাথাম, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, রাচিন রাবিন্দ্রা, মিচেল সান্তনার, ইশ সোধি, টিম সাউদি, উইল ইয়ং।

ব্যাটার

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

কেন উইলিয়ামসন

১৬১

১৫৩

৬৫৫৪

১৪৮

৪৭.৮৩

১৩/৪২

টম ল্যাথাম

১৩৪

১২৩

৩৭৯৭

১৪৫*

৩৪.৮৩

৭/২১

ডেভন কনওয়ে

২২

২১

৮৭৪

১৩৮

৪৬.০০

৪/৩

গ্লেন ফিলিপস

২০

১৫

৪৫০

৭২

৩২.১৪

০/২

উইল ইয়ং

২২

২২

৮১৮

১২০

৪৩.০৫

২/৫

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

ট্রেন্ট বোল্ট

১০৪

১৯৭

২৩.৫৬

১০/৬

৭/৩৪

৪.৯৪

লকি ফার্গুসন

৫৮

৮৯

৩১.৭১

২/১

৫/৪৫

৫.৬৯

ম্যাট হেনরি

৭৫

১৩০

২৬.২০

১০/২

৫/৩০

৫.১৭

ইশ সোধি

৪৯

৬১

৩৫.৬০

১/১

৬/৩৯

৫.৪৬

টিম সাউদি

১৫৭

২১৪

৩৩.৬০

৫/৩

৭/৩৩

৫.৪৭

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

মার্ক চ্যাপম্যান

১২

৩৮০

৩৮.০০

২/০

১২৪*

১০৭.০৪

 

 

 

 

 

ড্যারিল মিচেল

২৯

১০২৫

৪৬.৫৯

৪/৩

১২৯

৯২.২৫

১৩

২০.২৩

০/০

৩/২৫

৫.৫৯

জেমস নিশাম

৭৩

১৪৩৭

২৮.১৭

০/৬

৯৭*

৯৯.১৭

৬৯

৩৪.৭৬

২/২

৫/২৭

৭.০৯

রাচিন রাবিন্দ্রা

১২

১৮৯

২৩.৬২

০/১

৬১

১১১.৮৩

১২

৩৩.৯১

১/০

৪/৬০

৬.১২

মিচেল সান্তনার

৯৪

১২৫২

২৭.৮২

০/৩

৬৭

৮৯.১৭

৯১

৩৮.৫৮

০/১

৫/৫০

৪.৮৭

 

ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড: পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ:১২
  • চ্যাম্পিয়ন: নাই
  • রানার্স আপ: ২০১৫, ২০১৯
  • সেমিফাইনাল: ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ১৯৯৬
  • সুপার এইট: ২০০৩
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৮৩, ১৯৮৭

সংক্ষেপে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৮৯

৫৪

৩৩

৩৯৩/৬

১১২

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৩৯৩/৬

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ওয়েলিংটন

২০১৫

৩৬৩/৫

জয়

কানাডা

গ্রস আইলেট

২০০৭

৩৫৮/৬

জয়

কানাডা

ওয়াংখেড়

২০১১

৩৩১/৭

জয়

 কেনিয়া

গ্রস আইলেট

২০০৭

৩৩১/৬

জয়

শ্রীলঙ্কা

ক্রাইস্টচার্চ

২০১৫

৩০৯/৫

জয়

পূর্ব আফ্রিকা

বার্মিংহাম

১৯৭৫

৩০৭/৮

জয়

নেদারল্যান্ডস

ভাদোদারা

১৯৯৬

৩০২/৭

জয়

পাকিস্তান

পালেকল্লে

২০১১

২৯৯/৬

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

অকল্যান্ড

২০১৫

২৯১/৮

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ম্যানচেস্টার

২০১৯

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

স্টিভেন ফ্লেমিং

৩৩

১০৭৫

১৩৪*

৩৫.৮৩

রস টেলর

৩৩

১০০২

১৩১*

৩৭.১১

মার্টিন গাপটিল

২৭

৯৯৫

২৩৭*

৪৩.২৬

কেন উইলিয়ামসন

২৩

৯১১

১৪৮

৫৬.৯৩

স্কট স্টাইরিস

২৬

৯০৯

১৪১

৫৩.৪৭

মার্টিন ক্রো

২১

৮৮০

১০০*

৫৫.০০

ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম

৩৪

৭৪২

১০১

৩৩.৭২

গেøন টার্নার

১৪

৬১২

১৭১*

৬১.২০

ক্রিস কেয়ার্নস

২৮

৫৬৫

৬০

৩৩.২৩

ক্রেগ ম্যাকমিলান

২৫

৫০৬

৭৫

২৩.০০

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সেরা ১০ বোলার  

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

 ট্রেন্ট বুল্ট

১৯

১৮৪

১৮

৮৫০

৩৯

৫/২৭

২১.৭৯

জ্যাকব ওরাম

২৩

১৮২.২

২১

৭৬৮

৩৬

৪/৩৯

২১.৩৩

ড্যানিয়েল ভেট্টরি

৩২

২৮১.৩

১২

১১৬৮

৩৬

৪/১৮

৩২.৪৪

টিম সাউদি

১৮

১৬২.২

১৬

৮৫৪

৩৪

৭/৩৩

২৫.১১

ক্রিস হ্যারিস

২৮

১৯৪.২

১০

৮৬১

৩২

৪/৭

২৬.৯০

শেন বন্ড

১৬

১৪৭.৪

২১

৫১৮

৩০

৬/২৩

১৭.২৬

রিচার্ড হ্যাডলি

১৩

১৪৬.১

৩৮

৪২১

২২

৫/২৫

১৯.১৩

লকি ফার্গুসন

৮৩.৪

৪০৯

২১

৪/৩৭

১৯.৪৭

জিওফ অ্যালট

৮৭.৪

৩২৫

২০

৪/৩৭

১৬.২৫

উইলি ওয়াটসন

১৪

১৩২

১৪

৫৭১

১৯

৩/৩৭

৩০.০৫

 

সময়সূচি