ICC ODI Worldcup 2023
পাকিস্তান

Team Image

বাবরদের হাত ধরে কি আসবে পাকস্তিানের দ্বিতীয় শিরোপা!

১৯৯২ থেকে অপেক্ষার পালা শুরু। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও ওয়াসিম আকরামের নেতৃত্বাধীন দলটি স্টিভ ওয়াহদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি। অপেক্ষার প্রহর এরপর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান ফাইনালের দেখাও পায়নি আর। সর্বোচ্চ দৌড় ছিল সেমিফাইনাল পর্যন্ত।

এবার বাবর আজমের নেতৃত্বে একঝাঁক অভিজ্ঞ ও উদীয়মান ক্রিকেটারের সমন্বয়ে পাকিস্তান দলটিকে বেশ ভারসাম্যপূর্ণই মনে হচ্ছে সবার। যার ফলে ৩১ বছর পর আরেকটি শিরোপা হাতে তুলে নেয়ার স্বপ্নে বিভোর এখন পাকিস্তানিরা। ভারতের মাটি থেকে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেত পারবে কি বাবর আজমের দল? সময়ই বলে দেবে। আপাতত তাদেরকে ফেবারিটের তালিকাতে রেখেই সবার হিসাব নিকাশ।

স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগে থেকেই ক্রিকেট জাতি হিসেবে পরিচিতি ছিল পাকিস্তানের। ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার আগেই দেশটি প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেছিল ১৯৩৫ সালে। করাচিতে সিন্ধ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে খেলা হয়েছিল। সে সময়ে এ ম্যাচটি পাঁচ হাজার দর্শক উপভোগ করেছিলেন। গোলাম মোহাম্মদ ম্যাচটিতে সিন্ধ দলের নেতৃত্ব দেন।

স্বাধীনতা পাওয়ার পর পাকিস্তানের ক্রিকেটের দ্রুত উন্নতি হয়। বিশ্ব ক্রিকেটাঙ্গনে শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদেরকে তুলে ধরে। শতকরা হিসেবে দেশটি ওয়ানডে জয়-পরাজয়ের হিসেবে চতুর্থ স্থানে। টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় এবং টেস্ট ক্রিকেটেও চতুর্থ।

রাজনৈতিক কারণে বৈরিতা তো আছেই, ক্রিকেট অঙ্গনেও ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কটা দা-কুমড়া। যদিও একটা সময় ভারতের সুপারিশেই কিন্তু পাকিস্তান টেস্ট অঙ্গনে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিলো।

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সব আসরে অংশ নেওয়া পাকিস্তান এ পর্যন্ত ৮০ ম্যাচ খেলে ৪৫টিতে ম্যাচে জয় পেয়েছে। ৩২ ম্যাচে হেরেছে। বিশ্বকাপে দলটি পাঁচবার সেমিফাইনাল খেলেছে। দুইবার পৌঁছেছে ফাইনালে। ওয়ানডেতে পাকিস্তান এ পর্যন্ত ৯৫৮ ম্যাচে মাঠে নেমেছে। জয় ৫০৭ ম্যাচে, হেরছে ৪২১টিতে।

সবচেয়ে কম ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি সম্ভবত শুধু পাকিস্তানেরই। ১৯৯২সালে কাপ জয়ের পথে তারা মাত্র ছয়টি ম্যাচ জয় করেছিল। শুরুতে পয়েন্ট হারাতে হারাতে এমন অবস্থা হয়েছিল, যে কোনো সময় তাদের গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা।

প্রথম পাঁচ ম্যাচের মাত্র একটাতে জয় পেয়েছিল তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ তিন ম্যাচে জিতে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ইমরান খানের দল। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড এবং ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের কাতারে নাম লেখায়।

গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগ পর্যন্ত অপরাজিত ছিল নিউজিল্যান্ড। সাত ম্যাচের সাতটিতেই জয় কিউইদের। গ্রুপ পর্বের অষ্টম ও শেষ ম্যাচে এসে হার মানে পাকিস্তানের কাছে। সেমিফাইনালে উঠেও মুখোমুখি হয় পাকিস্তানের এবং ইনজামামের ব্যাটিংয়ে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিলো তাদের।

এবাররে টুর্নামেন্টের অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে। ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে তাদের গ্রুপ পর্ব। এর মাঝে তারা যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।

প্রতিবার শক্তিশালী দল নিয়ে হাজির হলেও বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাফল্য হাতে গোনা। শুধু বিশ্বকাপে নয়, অন্য প্রতিযোগিতায়ও একই অবস্থা। এশিয়া কাপে মাত্র দুইবার শিরোপার দেখা পেয়েছে তারা, তিনবার হয়েছে রানার্স আপ।

দারুণ সম্ভাবনা নিয়ে এবার পাকিস্তান বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এসেছে। একঝাঁক দুর্দান্ত ক্রিকেটারের ওপর ভর পাকিস্তান এবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে। আর এ স্বপ্নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাবর আজম।

ওয়ানডে ব্যাটার র‌্যাংকিংয়ের সেরা পাঁচজনের তিনজনই পাকিস্তানের। বাবর আজমের পাশাপাশি অন্য দুই ব্যাটার হলেন ইমাম উল হক ও ফাখর জামান। তাদের সঙ্গে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইফতিখার আহমেদের যোগ চমৎকার একটা ব্যাটিং লাইন তৈরি করেছে পাকিস্তান। স্বাভাবিকভাবেই এ ব্যাটাররা যে কোনো দলের বোলারদের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবেন এটাই স্বাভাবিক।

পাকিস্তানের বোলিং ডিপার্টমেন্টও যথেষ্ঠ শক্তিশালী। দারুণ এক পেস ডিপার্টমেন্ট নিয়ে তার বিশ্বকাপে খেলতে এসেছে। শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে এ ডিপার্টমেন্টের অন্য সদস্যরা হলেন হারিস রউফ, হাসান আলি, মোহাম্মদ ওয়াসিম- প্রমুখ। তাদের সঙ্গে স্পিনার হিসেবে রয়েছেন শাদাব, উসামা মির এবং মোহাম্মদ নওয়াজ। এ বোলাররা যে কোনো ব্যাটিং লাইনে ধস নামানোর সামর্থ্য রাখে। তবে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে তাদের অবস্থা খুব একটা সুবিধাজনক নয়। শীর্ষ ১০ বোলারের তালিকায় আছেন শুধু আফ্রিদি। তাও সবার শেষে।

তবে দল হিসেবে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে দারুণ অবস্থানে থেকে পাকিস্তান বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে। কিছুদিন আগেও র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে ছিল তারা। কয়েকদিন আগে নেমে গেছে দ্বিতীয় স্থানে।

বিশ্বকাপের আগে একের পর এক সিরিজে সাফল্যের দেখা পেয়েছে। সর্বশেষ ১০ সিরিজের সিংহভাগে ম্যাচে সাফল্যের হাসি হেসেছে পাকিস্তান। ১০ সিরিজের আটটিতেই জিতেছে তারা। হেরেছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের কাছে। ইংল্যান্ডের সিরিজটি অ্যাওয়ে থাকলেও নিউজিল্যান্ডের সিরিজটি ছিল হোম। আট সিরিজে তারা হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে।

তবে এশিয়া কাপটা গেলো হতাশার। ভারতের কাছে দুইবার হারতে হয়েছে। শ্রীলঙ্কার কাছে শ্বাসরূদ্ধকর ম্যাচে হেরে বিদায় নিয়েছে সুপার ফোর থেকে। অর্থ্যাৎ, ফাইনালে উঠতে পারেনি তারা। এরপর ভারতে এসে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথমটিতে নিউজিল্যান্ড এবং দ্বিতীয়টিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছে বাবর আজমরা। এবার বিশ্বকাপ শুরু করার লক্ষ্য নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় দিয়ে।

Captain Image

বাবর আজম

জন্ম: ১৫ অক্টোবর, ১৯৯৪ ; বয়স: ২৮

ব্যাকগ্রাউন্ড

বাবর আজম ক্রিকেটার হবেন এটাই স্বাভাবিক। ক্রিকেটার না হয়ে অন্য কিছু হলে বরং তা হতো অস্বাভাবিক। কেননা ঘরেই ছিলেন জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার উমর আকমল ও কামরান আকমল। এই দুই ভাই বাবর আজমের কাজিন। তবে ক্রিকেটটা তার রক্তেই ছিল। ছোটো বেলায় রাস্তায় রাস্তায় ক্রিকেট খেলে তার দিন পার হতো।

দুই কাজিনের সাফল্য বাবরকে ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নিতে উদ্বুদ্ধ করে। তাইতো গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বল বয়ের কাজ নেন। তারপর একটা ক্রিকেট একাডেমী যোগ দেন এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ার মনোযোগী হন। ব্যাটিংয়ের মৌলিক জ্ঞানটা তিনি তার প্রথম কোচ রানা সাদিকের কাছ থেকে পেয়েছিলেন।

অধিনায়কত্ব

২০১৯সালে টি-২০ ক্রিকেটে অধিনায়কত্বে বাবরের হাতেখড়ি। এরপর ওয়ানডে দলেরও নেতৃত্ব তার হাতে চলে আসে। সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ব্যাটার। তার নেতৃত্বে পাকিস্তান ৩০ ম্যাচের ২১টি জয় পেয়েছে। একটা মাত্র টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেললেও সর্বোচ্চ সাফল্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।

যত সাফল্য

বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান ১৬টি সিরিজে জয়ের দেখা পেয়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে। তার নেতৃত্বে পাকিস্তান অ্যাওয়েতে ৪০ ম্যাচের মধ্যে ২৪টিতে জয় পেয়েছে। পাঁচ ম্যাচে কোনো ফল আসেনি।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

পাকিস্তান অধিনায়ক প্রতিনিয়ত নিজেকে সমৃদ্ধ করে চলেছেন। একের পর এক কীর্তিতে নিজের রেকর্ড বই পূর্ণ করছেন। অধিনায়ক হিসেবে এক সিরিজে সর্বাধিক রান করার কীর্তি রয়েছে তার। ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম ৫ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছানোর দৌড়ে সবাইকে পেছনে ফেলেছেন। ওয়ানডে র্যাংকিংয়ের ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষে তিনি। গত বছর সেরা অধিনায়কও নির্বাচিত হয়েছেন বাবর।

ব্যক্তিগত জীবন

পাখির মতো বাধাহীন জীবন ছিল বাবর আজমের। যখন যা ইচ্ছা তাই। রাস্তায় রাস্তায় ক্রিকেট খেলেই দিন পার হতো। কিন্তু ক্রিকেটে দুই কাজিনের সাফল্য তাকে একটা শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসে। জীবনের প্রথম কোচ রানা সাদিক তার জীবনটা পাল্টে দেন।

Coach Image

গ্র্যান্ট ব্র্যাডবার্ন

জম্ম: ২৬মে, ১৯৬৬, বয়স: ৫৭

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পর ব্রাডবার্ন পারিবারিক স্পোর্টস শপের দায়িত্ব নেন। একই সঙ্গে কোচিং পেশায় নিজেকে জড়ান। নর্দার্ন ডিস্ট্রিকস এ দলের হয়ে প্রথমে কাজ শুরু করেন। এরপর নিউজিলান্ড 'এ' এবং অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্ব নেন। ২০১৪ সালে তিনি স্কটল্যান্ডের দায়িত্ব নেন। ২০১৮ সালে তিনি পাকিস্তানের ফিল্ডিং কোচের দায়িত্ব পান। ২০২১ সালে পারিবারিক কারণে দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও এ বছরের মে মাসে দুই বছরের জন্য আবার পাকিস্তানের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পা।

সফলতা

ব্রাডবার্নের কোচিং ক্যারিয়ার খুব একটা দীর্ঘ নয়। তাছাড়া সাফল্য পেতে বড় দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাধতে হয়। কিন্তু ব্রাডবার্ন বড় দলের হয়ে তেমন একটা কাজ করেননি। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। এ সময়ে ঐতিহাসিক এক জয় পায় স্কটল্যান্ড। যেখানে তারা হারিয়ে দিয়েছিল ইংল্যান্ডক।

সম্ভাবনা

দারুণ একটা দল নিয়ে ব্রাডবার্ন এবারের বিশ্বকাপে এসেছেন। এমনিতে তার দল ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তারওপর ব্যাটিংয়ে যেমন রয়েছে গভীরতা তেমনি বোলিং লাইনও শক্তিশালী। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সামনে চমৎকার সম্ভাবনা রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্র্র্যাডবার্নের বাবা ছিলেন ওয়েনি ব্রাডবার্ন। তিনিও নর্দার্ন ডিস্ট্রিকসের হয়ে খেলেছেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটো টেস্ট ম্যাচ প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

পাকিস্তান স্কোয়াড

বাবর আজম (অধিনায়ক), ফাখর জামান, ইমাম-উল হক, আবদুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল, ইফতিখার আহমেদ, আগা সালমান, শাদাব খান, উসামা মির, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হাসান আলি।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

বাবর আজম

১০৮

১০৫

৫৪০৯

১৫৮

৫৮.১৬

১৯/২৮

আবদুল্লাহ শফিক

৮০

৫২

২০.০০

১/০

ফখর জামান

৭৮

৭৭

৩২৭২

২১০*

৪৫.৪৪

১০/১৫

ইফতিখার আহমেদ

১৯

১৬

৪৭২

১০৯*

৪৭.২০

১/১

ইমাম উল হক

৬৬

৬৫

২৯৭৬

১৫১

৫০.৪৪

৯/১৯

মোহাম্মদ রিজওয়ান

৬৫

৫৯

১৬৯৩

১১৫

৩৬.৮০

২/১২

সৌদ শাকিল

৭৬

৫৬

১৯.০০

০/১

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

হারিস রউফ

২৮

৫৩

২৪.৩২

৪/১

৫/১৮

৫.৬৮

হাসান আলী

৬০

৯১

৩০.৩৬

১/৪

৫/৩৪

৫.৭৫

শাহিন শাহ আফ্রিদি

৪৪

৮৬

২৩.৩৬

৬/২

৬/৩৫

৫.৪৫

উসামা মির

১১

৩৫.০৯

১/০

৪/৪৩

৫.৪৩

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

আগা সালমান

১৮

৪৩৬

৩৯.৬৩

০/৩

৫৮

৯৬.৪৬

৮৮.২৫

০/০

২/৪২

৫.৫১

মোহাম্মদ নওয়াজ

৩২

৩২৫

১৮.০৫

০/১

৫৩

৯০.০২

৪০

৩২.১০

৩/০

৪/১৯

৪.৯৮

মোহাম্মদ ওয়াসিম

১৬

৫৭

৯.৫০

০/০

১৭*

৯৬.৬১

২৪

২৬.৭০

১/০

৪/৩৬

৫.২৪

শাদাব খান

৬৪

৭৩৪

২৬.২১

০/৪

৮৬

৮৩.৬৯

৮৩

৩২.৮০

৫/০

৪/২৭

৫.১৭

ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান: পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ১২
  • চ্যাম্পিয়ন: ১৯৯২
  • রানার্স আপ: ১৯৯৯
  • সেমিফাইনাল: ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৮৭, ২০১১
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ১৯৯৬, ২০১৫
  • সুপার এইট: নাই
  • গ্রুপ পর্ব: ১৯৭৫, ২০০৩, ২০০৭, ২০১৯

সংক্ষেপে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৭৫-২০১৯

৭৯

৪৫

৩২

৩৪৯

৭৪

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৩৪৯

জয়

জিম্বাবুয়ে

কিংস্টন

২০০৭

৩৪৮/৮

জয়

ইংল্যান্ড

নটিংহাম

২০১৯

৩৩৯/৬

জয়

আরব আমিরাত

ন্যাপিয়ার

২০১৫

৩৩৮/৫

জয়

শ্রীলঙ্কা

সোয়ানসি

১৯৮৩

৩৩০/৬

জয়

শ্রীলঙ্কা

নটিংহাম

১৯৭৫

৩১৭/৭

জয়

 কেনিয়া

হাম্বানতোতা

২০১১

৩১৫/৯

জয়

বাংলাদেশ

লর্ডস

২০১৯

৩০৮/৭

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

লর্ডস

২০১৯

২৯৭/৭

জয়

শ্রীলঙ্কা

ফয়সালাবাদ

১৯৮৭

২৮৬/৭

জয়

অস্ট্রেলিয়া

নটিংহাম

১৯৭৯

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০ ব্যাটার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

জাভেদ মিয়াদাদ

৩৩

১০৮৩

১০৩

৪৩.৩২

সাঈদ আনোয়ার

২১

৯১৫

১১৩*

৫৩.৮২

ইনজামাম উল হক

৩৫

৭১৭

৮১

২৩.৯০

রমিজ রাজা

১৬

৭০০

১১৯*

৫৩.৮৪

ইমরান খান

২৮

৬৬৬

১০২*

৩৫.০৫

মিসবাউল হক

১৫

৫৯৮

৮৩*

৪৯.৮৩

আমির সোহেল

১৬

৫৯৮

১১৪

৩৭.৩৭

জহির আব্বাস

১৪

৫৯৭

১০৩*

৪৯.৭৫

সেলিম মালিক

২৭

৫৯১

১০০

৩২.৮৩

ইজাজ আহমেদ

২৯

৫১৬

৭০

২৩.৪৫

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ওয়াসিম আকরাম

৩৮

৩২৪.৩

১৬

১৩১১

৫৫

৫/২৮

২৩.৮৩

ওয়াহাব রিয়াজ

২০

১৬৬.৪

৯২৬

৩৫

৫/৪৬

২৬.৪৫

ইমরান খান

২৮

১৬৯.৩

১৮

৬৫৫

৩৪

৪/৩৭

১৯.২৬

 

শোয়েব আখতার

১৯

১৪৮.৫

৭৬৫

৩০

৪/৪৬

২৫.৫০

শহীদ আফ্রিদি

২৭

১৮৪

৮৩১

৩০

৫/১৬

২৭.৭০

মুশতাক আহমেদ

১৫

১৩৫

৫৪৯

২৬

৩/১৬

২১.১১

আব্দুল কাদির

১৩

১৩৫.৪

৫০৬

২৪

৫/৪৪

২১.০৮

সাকলায়েন মুশতাক

১৪

১১২.২

৪৯৪

২৩

৫/৩৫

২১.৪৭

ওয়াকার ইউনুস

১৩

৯৩.১

৪৬৬

২২

৪/২৬

২১.১৮

আব্দুল রাজ্জাক

২২

১৪০

১১

৫৯২

১৯

৩/২৫

৩১.১৫

 

সময়সূচি