ICC ODI Worldcup 2023
দক্ষিণ আফ্রিকা

Team Image

ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ার প্রত্যাশায় দক্ষিণ আফ্রিকা

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের মতো আর এক দুর্ভাগার নাম দক্ষিণ আফ্রিকা। এক সময় কিউইরা যেমন সেমিফাইনালের বেড়াজালে আটকে থাকতো, দক্ষিণ আফ্রিকার অবস্থাও তেমন। সেমিফাইনালের বাধা তারা টপকাতে পারেনি কখনোই।

অন্য সব প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেট দলগুলোর বিশ্বকাপের সঙ্গে রয়েছে দৃঢ় সম্পর্ক। দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য তেমনটা নয়। বিশ্বকাপ অঙ্গনে তাদের পদচারণা অনেক পরে। ১৯৭৫ সালে বিশ্বকাপ শুরু হয়। ১৯৯২ সালে পঞ্চম আসর থেকে বিশ্বকাপ খেলা শুরু করে প্রোটিয়ারা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২২ বছর নির্বাসিত থাকায় প্রথম চারটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি তারা। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরার পর প্রতিটা বিশ্বকাপে দক্ষতার পরিচয় দিয়ে চলেছে তারা। প্রথম আসরেই পৌঁছেছিলো সেমিফাইনালে। এ পর্যন্ত মোট আটটি বিশ্বকাপে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরমধ্যে চারটিতেই শেষ চারে পৌঁছানোর কৃতিত্ব দেখিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বিশ্বকাপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাম- আলোচনায় উঠে আসলে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের সেই দৃশ্য সবার সামনে চলে আসে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো সেমিফাইনাল ম্যাচটি। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে উঠে এসেছিল।

কিন্তু এখানে তারা ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের শিকার হয়। সেমিফাইনালে ম্যাচ জিততে শেষ ১৩ বলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ২২ রান। এ সময় বৃষ্টি নামে, বৃষ্টির পর যখন খেলা শুরু হয় তখন বৃষ্টি নিয়মে তাদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার অবস্থা হয়। বৃষ্টির কারণে তাদের ২ ওভার কাটা পড়ে। কিন্তু রান কমেনি। অর্থাৎ ম্যাচ জিততে হলে তাদেরকে ১ বলে করতে হবে ২২ রান। অসম্ভব কাজটি সম্ভব হয়নি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই তারা যে চমক দেখিয়েছিল এ ঘটনায় তা যেন এক ফুৎকারে মিইয়ে গেলো। ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপেও ঠিক এ ধরনের দুই থেকে তিনটি ঘটনার শিকার হয়েছিলো তারা। যে কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার নামই হয়ে গেছে, চোকার্স।

ওয়ানডে ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার সেই জৌলুস এখন কিছুটা অনুপস্থিত। ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে দলে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে যে সব ক্রিকেটার ক্রিকেটাঙ্গন দাপিয়ে বেড়াতেন, বয়স আর সময়ের কারণে তাদের কেউই এখন দলে নেই। উপযুক্ত রিপ্লেসমেন্ট তারা এখনো পায়নি।

যে কারণে একটা সময়ে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দল প্রোটিয়ারা এখন ছয়ে। ১৯৯৬ সালে র‌্যাংকিংয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল তারা। বর্তমানে থাকা ছয় নম্বর অবস্থানটাও সুদৃঢ় নয়। যে কেনো সময় এ স্থানটিও হারাতে পারে তারা। কেননা একাধিক দল তাদের ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলে চলেছে।

একটা সময় যে দক্ষিণ আফ্রিকা দাপটে প্রতিপক্ষ দলগুলো কম্পমান ছিল সেখানে যে কোনো দলের কাছে সিরিজ হারানোটা তাদের জন্য খুবই স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ দশটি ওয়ানডে সিরিজের দিকে তাকালে তা ভালোভাবে স্পষ্ট হবে। মাত্র তিনটি সিরিজে তারা সাফল্যের হাসি হেসেছে। চারটিতে হেরেছে, আর তিনটি ছিল অমীমাংসিত।

যে তিনটি সিরিজ তারা জিতেছে তার একটিতে প্রতিপক্ষের নাম নেদারল্যান্ডস। অন্য দুটো অবশ্য এ সময়ের দাপুটে দল ভারত ও ইংল্যান্ড। জয় পাওয়া তিনটি সিরিজই তারা নিজেদের মাটিতে খেলেছে। তাদের বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কা নিজেদের মাটিতে জিতলেও বাংলাদেশ ও পাকিস্তান জিতেছে তাদের মাঠে গিয়ে।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এবারের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হচ্ছে। ৭ অক্টোবর দিল্লিতে হবে এ ম্যাচটি। এরপর একে একে দক্ষিণ নিজেদের শক্তির পরিচয় দিতে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও আফগানিস্তানের। ১০ নভেম্বর তারা গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে নামবে।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সাফল্য না পেলেও ১৯৯৮ সালে প্রোটিয়ারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় করেছিল। আইসিসির অধীনে এটাই তাদের একমাত্র সাফল্য। কমনওয়েলথ গেমসেও তারা একবার সোনা জিতেছে।

বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার দৌড় হলেও মোট ম্যাচ জয় বেশ ঈর্ষনীয়। বিশ্বকাপের আট আসরে এ পর্যন্ত তারা ৬৪টি ম্যাচ খেলেছে। ৩৮ ম্যাচ জয় তাদের, হেরেছে ২৩ ম্যাচ। শতকরা হিসেবে ম্যাচ জয়ের সংখ্যা ৬১.৯০।

১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আসার পর এ পর্যন্ত তারা ৬৫৪টি ম্যাচ খেলেছে। জয় ৩৯৯ ম্যাচে, হার ২২৮ ম্যাচে। জয় পরাজয়ের শতকরা হিসেবে তারা সবার উপরে।

তাইতো কুইন্টন ডি কক, টেম্বা বাভুমা রাশি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম, হেনরিখ ক্লাসেনের ওপর আস্থা রাখা যায়। আবার লুঙ্গি এনগিদি, সিসান্দা মালাগা কিংবা আন্দিল পেহলুকাইয়ো বল হাতে যে কোনো সময় দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা রাখেন।

Captain Image

টেম্বা বাভুমা

জম্ম ১৭ মে ১৯৯০; বয়স: ৩৩ বছর

ব্যাকগ্রাউন্ড

কেপটাউনের বাইরের শহর থেকে উঠে এসেছেন টেম্বা বাভুমা। তিনি হচ্ছেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যাটার যিনি টেস্ট দলে সুযোগ পেয়েছেন। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে অন্যদের থেকে একটু পিছিয়ে বাভুমা। উচ্চতা যেমন কম তেমনি শক্তিতে। তবে ফিটনেস আর ধৈর্য্যশীলতা এসব সীমাবদ্ধতাকে ঠিকই উতড়ে গেছেন তিনি।

১৮ বছর বয়সে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয় বাভুমার। অথচ ক্রিকেট হওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা ছিল না। কেননা তার ধারণা ছিল এটা শেতাঙ্গদের খেলা। শৈশবে জিওফ্রে টোয়ানার প্রশিক্ষণাধীনে স্কুল ক্রিকেট খেলেছেন। একই সঙ্গে সোয়োটো ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন তিনি। তার উচ্চতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে কটু কথা শুনতে হলেও কখনো পিছপা হননি। এমন কি বাজে ফর্মের সময়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন, তারপরও নিজের কাজটি ঠিকমতো করে গেছেন।

অধিনায়কত্ব

২০২১ সালের মার্চ মাসে অধিনায়ক কুইন্টন ডি ককের স্থলাভিষিক্ত হন টেম্বা বাভুমা। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অধিনায়ক তিনি যিনি স্থায়ী অধিনায়কের দায়িত্ব পান। ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাভুমা। এবার সীমিত ওভারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

যত সাফল্য

নেতৃত্ব হাতে নিয়ে দারুণ সব সাফল্য এনে দিয়েছেন দলকে। তার অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ম্যঅচে খেলে ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছে। ৮ ম্যাচে হেরেছে। এ বছর তর অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা তিনটি সিরিজ খেলেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ জিতেছে। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজেও জয় পেয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটি তিনি খেলতে পারেননি। এক ম্যাচ খেলেছিলেন, করেছিলেন ১৪৪ রান।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দারুণ এক রেকর্ডের অধিকারী টেম্বা বাভুমা। অভিষেক ম্যাচেই দারুণ আলো ছড়িয়েছিলেন তিনি, করেছিলেন সেঞ্চুরি। ১১৩ রান করেছিলেন, যা অভিষেকে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত বাভুমা। ক্রিকেট নিয়ে শৈশবে ভুল ধারণা থাকলেও দক্ষিণ আফ্রিকার দরিদ্র এলাকায় মেধাবী ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। টেম্বা বাভুমা ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে কাজ করছে।

Coach Image

রব ওয়াল্টার

জম্ম: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫, বয়স: ৪৭

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

রব ওয়াল্টার বছরের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব নেন। নিয়মিত কোচ মার্ক বাউচার সরে দাঁড়ানোর কারণে ওয়াল্টারের হাতে সীমিত ওভারের ফরম্যাটের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়।

জাতীয় দলের হয়ে ওয়াল্টার আগেও কাজ করেছেন তবে মাঝখানে লম্বা একটা সময় তিনি নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে বিভিন্ন দলের হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও একাধিক দলের সঙ্গী হয়েছেন তিনি। পুনে ওয়ারিয়র্স ও দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে কাজ করেছেন।

সফলতা

দায়িত্ব নিয়েই সাফল্যের সঙ্গে পরিচিত হন রব ওয়াল্টার। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের দেখা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২-১ ব্যবধানে হারায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাফল্য-ব্যর্থতা সমানে সমান। তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা তার অধীনে আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে একাধিক সাফল্য রয়েছে তরা। ওটাগো ভোল্টস ও সেন্ট্রাল স্টাগসের হয়ে তিনবার শিরোপা জিতেছেন তিনি।

সম্ভাবনা

এখনো পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে তেমন কোনো সাফল্য না পেলেও বিশ্বকাপে ভালো করার দারুণ সুযোগ রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার। ওয়ানডে ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিশালী দল দক্ষিণ আফ্রিকা। টেম্বা বাভুমার নেৃতত্ব একঝাঁক দারুণ খেলোয়াড় রয়েছে রব ওয়াল্টারের হাতে। নিজেদের দিনে যে কোনো দলকে হারানোর সামর্থ্য রয়েছে তাদের। ফলে সাফল্য সর্বোচ্চ শিখরে ওঠার সুযোগ থাকছে তাদের সামনে।

দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোয়াড

টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), জেরাল্ড কোয়েৎজি, কুইন্টন ডি কক, রিজা হেনড্রিক্স, মার্কো জানসেন, হেনরিখ ক্লাসেন, আন্দিল ফেহলুকাইওয়ো, কেশভ মাহারাজ, এইডেন মারক্রাম, লুঙ্গি এনগিদি, ডেভিড মিলার, লিজাড উইলিয়ামস, কাগিসো রাবাদা, তাবরিজ শামসি, রাসি ফন ডার ডুসেন।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

ইনিংস

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০/৫০

টেম্বা বাভুমা

৩০

২৯

১৩৬৭

১৪৪

৫৪.৬৮

৫/৪

কুইন্টন ডি কক

১৪৫

১৪৫

৬১৭৬

১৭৮

৪৪.৭৫

১৭/৩০

রিজা হেনড্রিকস

২৯

২৯

৭৬১

১০২

২৮.১৮

১/৫

হেনরিক ক্লাসেন

৪১

৩৮

১৩২৩

১৭৪

৪১.৩৪

৩/৫

এইডেন মারক্রাম

৫৫

৫২

১৬৬৫

১৭৫

৩৫.৪২

২/৭

ডেভিড মিলার

১৬০

১৩৭

৪০৯০

১৩৯

৪২.৬০

৫/২৩

রাশি ফন ডার ডুসেন

৪৯

৪৩

১৮৭৪

১৩৪

৫৬.৭৮

৪/২১

বোলার    

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

জেরাল্ড গোয়েৎজি

১১

২৯.৪৫

১/০

৪/৫০

৬.৮২

কেশব মহারাজ

৩১

৩৭

৩২.৬৭

১/০

৪/৩৩

৪.৬৯

লুঙ্গি এনগিদি

৪৮

৭৮

২৭.৬০

৪/১

৬/৫৮

৫.৭২

কাগিসো রাবাদা

৯২

১৪৪

২৭.৭৫

৬/২

৬/১৬

৫.০৬

তাবরিজ শামসি

৪৬

৬৩

৩২.৫৩

২/১

৫/৪৯

৫.৫০

লিজার্ড উইলিয়ামস

৬২.০০

০/০

১/৬২

৭.৭৫

সিসান্দা মাগালা

১৫

২৫.৪০

০/১

৫/৪৩

৬.৬৮

অ্যানরিখ নরকিয়া

২১

৩৬

২৭.২৭

৩/০

৪/৫১

৫.৮৫

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

১০০/৫০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

৪/

সেরা

ইক. রেট

মার্কো জানসেন

১৪

২৬৫

২৯.৪৪

০/০

৪৭

১১৪.৭১

১৮

৩৮.২২

০/১

৫/৩৯

৬.২৩

আন্দিল ফেহলুকায়ো

৭৬

৭৮১

২৪.৪০

০/২

৬৯*

৮৮.০৪

৮৯

৩১.৮৮

৩/০

৪/২২

৫.৭৭

ওয়ানডে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ৮
  • চ্যাম্পিয়ন: নাই
  • রানার্স আপ: নাই
  • সেমিফাইনাল: ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১৫
  • কোয়ার্টার ফাইনাল: ১৯৯৬, ২০১১
  • সুপার এইট:
  • গ্রুপ পর্ব: ২০০৩, ২০১৯

সংক্ষেপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

 হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

১৯৯২-২০১৯

৬৪

৩৮

২৩

৪১১/৪

১৪৯

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০টি ইনিংস

স্কোর

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

৪১১/৪

জয়

আয়ারল্যান্ডস

ক্যানবেরা

২০১৫

৪০৮/৫

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সিডনি

২০১৫

৩৫৬/৪

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

সেন্ট জর্জেস

২০০৭

৩৫৩/৩

জয়

নেদারল্যান্ডস

বাসেতেরে

২০০৭

৩৫১/৫

জয়

নেদারল্যান্ডস

মোহালি

৩ ২০১১

৩৪১/৬

জয়

আরব আমিরাত

ওয়েলিংটন

২০১৫

৩৩৯/৪

জয়

জিম্বাবুয়ে

হ্যামিল্টন

২০১৫

৩২৮/৩

জয়

নেদারল্যান্ডস

রাওয়ালপিন্ডি

১৯৯৬

৩২৫/৬

জয়

অস্ট্রেলিয়া

ম্যানচেস্টার

২০১৯

৩২১/২

জয়

আরব আমিরাত

রাওয়ালপিন্ডি

১৯৯৬

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

এবি ডি ভিলিয়ার্স

২৩

১২০৭

১৬২*

৬৩.৫২

জ্যাক ক্যালিস

৩৬

১১৪৮

১২৮*

৪৫.৯২

হার্শেল গিবন

২৫

১০৬৭

১৪৩

৫৬.১৫

ফাফ ডু প্লেসিস

২৩

৯২৬

১০৯

৫৭.৮৭

হাশিম আমলা

২২

৮৪২

১৫৯

৪২.১০

গ্যারি কার্স্টেন

২১

৮০৬

১৮৮*

৪৭.৪১

গ্রায়েম স্মিথ

২০

৭৪৭

৯১

৩৯.৩১

অ্যান্ড্রু হাডসন

১২

৫৭১

১৬১

৪৭.৫৮

হ্যান্সি ক্রনিয়া

২৩

৪৭৬

৭৮

২৯.৭৫

ড্যারিল কালিনান

১৫

৪৭১

৬৯

৩৯.২৫

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০ বোলার    

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ইমরান তাহির

২২

১৯১.৫

৮৪৭

৪০

৫/৪৫

২১.১৭

অ্যালান ডোনাল্ড

২৫

২১৮.৫

১৪

৯১৩

৩৮

৪/১৭

২৪.০২

শন পোলক

৩১

২৬৯

৩৭

৯৭০

৩১

৫/৩৬

৩১.২৯

মর্নি মরকেল

১৪

১০৮.৩

৫০৬

২৬

৩/৩৩

১৯.৪৬

ডেল স্টেইন

১৪

১১৫

১০

৫৩৮

২৩

৫/৫০

২৩.৩৯

ল্যান্স ক্লুজনার

১৪

১০০.৫

৪৮৭

২২

৫/২১

২২.১৩

জ্যাক ক্যালিস

৩৬

২১১

১৩

৯০৪

২১

৩/২৬

৪৩.০৪

অ্যান্ড্রু হল

১২

৯৯

৪৩৮

১৯

৫/১৮

২৩.০৫

ব্রেন্ডন ম্যাকমিলান

১৫

১১৬

১২

৪৩৩

১৭

৩/১১

২৫.৪৭

রবিন পিটারসন

১০

৭৪

৩২০

১৬

৪/১২

২০.০০

সময়সূচি